খুঁজুন
                               
, ,
           

রুমিন ফারহানার বক্তব্যকালে সরকারি দলের অঙ্গভঙ্গির নিন্দা ডা. শফিকুরের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
রুমিন ফারহানার বক্তব্যকালে সরকারি দলের অঙ্গভঙ্গির নিন্দা ডা. শফিকুরের

সংসদ অধিবেশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্য দেওয়ার সময় সরকারি দলের সদস্যদের দ্বারা সৃষ্ট অঙ্গভঙ্গি ও হট্টগোলের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

রোববার (১৯ এপ্রিল) অধিবেশন চলাকালে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এই ঘটনাকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বলে আখ্যায়িত করেন এবং এর নিন্দা জানান তিনি।

সংসদকে দেশের সর্বোচ্চ সম্মানের জায়গা উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা জনগণের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিয়ে এখানে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন, তাদের কাছ থেকে এমন আচরণ অপ্রত্যাশিত।

তিনি সকল সংসদ সদস্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, কোনো সংসদ সদস্য যখন কথা বলবেন, তখন তাকে নিয়ন্ত্রণ করার একক এখতিয়ার কেবল মাননীয় স্পিকারের।

বিরোধীয় নেতা আরও বলেন, আজ লক্ষ করলাম যে একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য তিনি যখন কথা বলছিলেন দুঃখজনকভাবে ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে সম্মানিত কিছু সদস্য এমন কিছু অঙ্গভঙ্গি করেছেন যাতে আমার বিবেকে আঘাত লেগেছে। আমি এটা আশা করি না।

তিনি আরও বলেন, একবার দুইবার নয়, চার-পাঁচবার নির্বাচিত হয়ে সংসদে আসা কিছু সদস্যও এই কাজে লিপ্ত ছিলেন। যাদের নাম উল্লেখ করে আমি নিজে লজ্জা পেতে চাই না।

সংসদে ভালো সংস্কৃতির চর্চার ওপর জোর দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা প্রথম দিনই অনুরোধ করেছিলাম ভালো কিছু সংস্কৃতির চর্চা হোক এখানে এবং আমরা শিখতে চাই আমরা নিজেরা শিখব জাতিকেও আমাদের সঙ্গে উদ্বুদ্ধ করব।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, স্পিকার বারবার অনুরোধ করার পরেও ট্রেজারি বেঞ্চের সদস্যরা তাদের হট্টগোল চালিয়ে গেছেন, এমনকি মাইক বন্ধ থাকার পরেও সংসদে কী হচ্ছে তা বোঝা যাচ্ছিল না।

ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে রুমিন ফারহানার প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে বলেন, শেষমেষ যখন মাননীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্য চলছিল বিষয়টা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য; যা করা হয়েছে আমি এটার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি এবং আমি এটার নিন্দা জানাতেও বাধ্য হলাম।

এরআগে রুমিন ফারহানা সংসদ অধিবেশনে তার বক্তব্যে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই, অথচ বাস্তবে চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। রাস্তায় তেলের জন্য ৩ কিলোমিটার লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে। ড্রাইভাররা মাঝরাত পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তেল পাচ্ছে না। সরকারের যদি কোনো সংকটই না থাকে, তবে এই লম্বা লাইন কেন? কেন তেলের দাম বাড়াতে হচ্ছে?

জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার মার্কেটপ্লেস রাত ৮টার পরিবর্তে ৭টায় বন্ধের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা অদূরদর্শী। মানুষ কেনাকাটা সাধারণত সন্ধ্যার পরেই করে। এ ছাড়া অফিস-আদালতের কর্মঘণ্টা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

সরকারের মন্ত্রীরা গণমাধ্যমে সংকট নেই বলে যে দাবি করছেন, তার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রুমিন ফারহানা বলেন, আমি এই সংসদের মাধ্যমে জানতে চাই, বর্তমানে দেশে অকটেন ও ডিজেলের প্রকৃত মজুত কতদিনের আছে? পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত তেল কেন সরবরাহ করা হচ্ছে না? তেলের মজুতদারি কারা করছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা পরিষ্কার করতে হবে। এরপরই সরকার দলীয় পক্ষ থেকে হট্টগোল শুরু হলে রুমিন ফারহানার মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

কালের আলো/এসআর/ এএএন

ডিএমপির কোতোয়ালি থানার নতুন ওসি রবিউল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
ডিএমপির কোতোয়ালি থানার নতুন ওসি রবিউল

ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (০৬ জুলাই) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার ওসি শাহ্ মো. ফয়সাল আহমেদকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা-রমনা বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

আর গোয়েন্দা-রমনা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক কে এম রবিউল ইসলামকে কোতোয়ালি থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ-প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে যুক্তরাজ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ-প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে যুক্তরাজ্য

দুর্যোগ মোকাবিলায় দেশের সক্ষমতা আরও বাড়াতে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। এর আওতায় দুর্যোগ প্রস্তুতি ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজন হলে আর্থিক সহায়তাও পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে এ সমঝোতা স্মারকে সই করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান। যুক্তরাজ্যের পক্ষে সই করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশটির হাইকমিশনার সারাহ কুক।

সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশের মতো দুর্যোগপ্রবণ দেশের জন্য এই সমঝোতা স্মারক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোনো একটি নির্দিষ্ট দুর্যোগকে কেন্দ্র করে নয়; ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, বজ্রপাত, ভূমিকম্পসহ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার আওতাধীন যে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করবে।

তিনি বলেন, এই সহযোগিতার আওতায় বাংলাদেশ প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত ও কারিগরি সহায়তা, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং প্রয়োজন হলে আর্থিক সহায়তাও পেতে পারে। বাংলাদেশের দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা এরই মধ্যে অনেক বেড়েছে, তবে নতুন এই অংশীদারত্ব সেই সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগঝুঁকিপূর্ণ দেশ। বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগের মুখোমুখি হতে হয়। তাই দুর্যোগ-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি আগাম প্রস্তুতি জোরদার করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সমঝোতা ভবিষ্যতে সেই প্রস্তুতিকে আরও কার্যকর করবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, সমঝোতা স্মারকটি যে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে সহায়তা করার জন্য একটি কার্যকর সহযোগিতা কাঠামো তৈরি করবে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তিগত সহায়তা, প্রয়োজনীয় জনবল সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত তথ্য বিনিময় এবং জ্ঞান স্থানান্তরের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে।

তিনি বলেন, দুর্যোগের জন্য অপেক্ষা করে পরে ব্যবস্থা নিলে চলবে না। আগেই প্রস্তুত থাকতে হবে। এ কারণেই দুর্যোগ প্রস্তুতি সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারগুলোর একটি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চান, সঠিক প্রযুক্তিগত সহায়তা, দক্ষ জনবল এবং সমন্বিত প্রস্তুতির মাধ্যমে বাংলাদেশ যেন যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকে।

হুমায়ুন কবির জানান, এই সমঝোতা স্মারক শুধু ভূমিকম্প বা অগ্নিকাণ্ডের মতো নির্দিষ্ট দুর্যোগে সীমাবদ্ধ নয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার আওতায় পড়া যে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে সহযোগিতার সুযোগ থাকবে। প্রয়োজন দেখা দিলে আর্থিক সহায়তা চাওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে। তবে মূল গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে প্রযুক্তিগত সহায়তা, জ্ঞান স্থানান্তর, যৌথ প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর।

তিনি আরও বলেন, এই সমঝোতার মাধ্যমে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় বাড়বে। ফলে ভবিষ্যতে দুর্যোগ মোকাবিলায় আরও কার্যকর ও সমন্বিত প্রস্তুতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ২০১০ সাল থেকে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত যুক্তরাজ্য বাংলাদেশে দুর্যোগ প্রস্তুতি জোরদারে প্রায় ৬ কোটি পাউন্ড সহায়তা দিয়েছে। নতুন এই সমঝোতা দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, মানবিক সহায়তা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং জ্ঞান বিনিময়ের ক্ষেত্রে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার একটি কাঠামো তৈরি করবে।

সারাহ কুক বলেন, এই অংশীদারত্ব অতীতের সফল সহযোগিতার ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করবে। দুর্যোগ প্রস্তুতি ও ঝুঁকি হ্রাসে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে যুক্তরাজ্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত আলোচনা নিয়ে কঠোর বার্তা দিল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত আলোচনা নিয়ে কঠোর বার্তা দিল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সামরিক হুমকি ও চাপ প্রয়োগ অব্যাহত থাকলে তাদের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির কোনো আলোচনা শুরু হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ইরান।

মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, হুমকি বা চাপের পরিবেশে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনা কোনোভাবেই শুরু করবে না তেহরান।

তিনি লিখেছেন, ‘সমঝোতা স্মারকের ১৩ নম্বর অনুচ্ছেদ সম্পূর্ণ পরিষ্কার এবং দ্ব্যর্থহীন: ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি যতদিন অব্যাহত থাকবে, ততদিন চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য আলোচনা শুরু হবে না। আপনার স্বাক্ষরের প্রতি অটল থাকুন।’

মূলত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সর্বশেষ বক্তব্যে আবারও ইরানকে হুমকি দেন, যার জবাবে এই সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সোমবার এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুমকি দিয়ে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র হয় ইরানের সঙ্গে আলোচনায় চুক্তিতে পৌঁছাবে, অথবা ‘কাজ শেষ’ (আবারো হামলা) করে দেবে’।

মার্কিন বাহিনী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামো ধ্বংস করতে সক্ষম দাবি করে তিনি আরও বলেন, ‘কাজটা শেষ করা কঠিন হবে না। তবে আমি একটা সমঝোতায় আসতে চাই, কারণ আমি ৯১ মিলিয়ন মানুষকে কষ্ট দিতে চাই না… কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মধ্যেই আমরা তাদের বিদ্যুৎ ও শক্তি উৎপাদন কেন্দ্রগুলো অচল করে দিতে পারি। প্রতিটি কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাবে এবং তারা তা জানে।’

ট্রাম্পের এই ধরনের হুমকি এবং আলোচনার টেবিলে বসার আহ্বানের দ্বিমুখী নীতিকে তীব্র নিন্দা জানান আরাঘচি।

নিজের পোস্টে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায়ে বিপুল সমাগমের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘লাখ লাখ গর্বিত ইরানি সর্বোচ্চ নেতা এবং তার কীর্তিকে সম্মান জানাতে ঐক্য ও সংহতির সঙ্গে একত্রিত হয়েছে। তারা কিংবা আমাদের সাহসী সশস্ত্র বাহিনী— কেউই কোনো হুমকিকে ভয় পায় না।’

সূত্র: আলজাজিরা, বিবিসি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ