খুঁজুন
                               
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

তনু হত্যা: ১০ বছর পর গ্রেফতার সাবেক সেনা কর্মকর্তা ৩ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
তনু হত্যা: ১০ বছর পর গ্রেফতার সাবেক সেনা কর্মকর্তা ৩ দিনের রিমান্ডে

দীর্ঘ এক দশক পর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় প্রথমবারের মতো একজন সন্দেহভাজন আসামিকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তির নাম হাফিজুর রহমান। তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসের সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার। তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মুমিনুল হক এ আদেশ দেন। সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।

এর আগে হাফিজুর রহমানকে নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হলে শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ৬ এপ্রিল মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা তিন সন্দেহভাজন—তৎকালীন কুমিল্লা সেনানিবাসের সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক জাহাঙ্গীর ওরফে জাহিদের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার আবেদন করেন। আদালত এতে অনুমতি দেন। ২০১৭ সালে সিআইডি তনুর পোশাক থেকে সংগৃহীত নমুনার ডিএনএ পরীক্ষায় তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর উপস্থিতি পাওয়ার তথ্য জানানো হয়েছিল।

আদালত সূত্র জানায়, আলোচিত এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৮০টির বেশি শুনানির তারিখ নির্ধারণ হয়েছে। গত এক দশকে চারটি সংস্থার সাতজন কর্মকর্তা মামলার তদন্ত করেছেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সন্দেহভাজন তিনজনই বর্তমানে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে আছেন। তবে তনু হত্যার পর তারা কবে অবসরে গেছেন বা বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করাতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরে সেনানিবাস এলাকার একটি জঙ্গলে তার মরদেহ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

শুরুতে থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মামলাটি তদন্ত করলেও কোনো রহস্য উদঘাটন হয়নি। পরে পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর মামলার নথি পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর থেকে মামলাটি পিবিআই তদন্ত করছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন।

মামলার বাদী তনুর বাবা ইয়ার হোসেন বুধবার আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে থাকা অবস্থায় বলেছিলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে তনু হত্যার বিচার করবেন। আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মেয়ের হত্যার বিচার চাইবো। মেয়ের ছবি নিয়ে ঘুরছি।’

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘দেশের অনেক হত্যার বিচার হলেও আমার মেয়ের বিচার কেন হচ্ছে না। গত ১০ বছর ধরে বিচার চেয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছি। এখন আর পারছি না। চাকরি থেকে অবসর নিয়েছি। এক মাসের মধ্যে বিচার না পেলে আমি আত্মহত্যা করবো। এ জীবন রেখে কী লাভ।’

কালের আলো/এসআর/ এএএন

বর্জ্য অপসারণ ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ: সেলিম উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
বর্জ্য অপসারণ ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ: সেলিম উদ্দিন

মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

পশুর হাটে টোকেনের নামে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণেও সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে দাবি তার।

শনিবার (৩০ মে) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সেলিম উদ্দিন বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে সিটি করপোরেশনের ঘোষণার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির মিল নেই। রাজধানীর অনেক এলাকায় এখনো পশুর বর্জ্য পড়ে আছে। এতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে এবং বিভিন্ন রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, পশুর হাটগুলোতে টোকেনের নামে চাঁদাবাজি হয়েছে। কিন্তু এসব অনিয়ম প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। পাশাপাশি সাম্প্রতিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনাগুলোতেও সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

জামায়াত নেতা বলেন, ‘জুলাইকে অস্বীকার করা মানে ফ্যাসিবাদকে মেনে নেওয়া। যারা এমন অবস্থান নেবে, তাদের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং স্থানীয় সমস্যার সমাধানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর জরুরি।’

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ১৫

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে অন্তত ১৫ জন আরোহী আহত হয়েছে।

শনিবার (৩০ মে) সকাল ১০টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা হানিফ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস উত্তরবঙ্গের উদ্দেশে যাচ্ছিল।

পথে কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর এলাকায় পৌঁছালে বাসটির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। একপর্যায়ে বাসটি মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।

এতে বাসে থাকা অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালান। পরে আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আতাউর রহমান খান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালায় এবং আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠায়।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শরীফ দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা হানিফ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস উত্তরবঙ্গের উদ্দেশে যাচ্ছিল।

পথে কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গুর এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। একপর্যায়ে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এ ঘটনায় আহত ১৫ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 
 

জিয়াউর রহমানের ২০টি ঐতিহাসিক মাইলফলক তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ
জিয়াউর রহমানের ২০টি ঐতিহাসিক মাইলফলক তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন

৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীর দিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ২০টি ঐতিহাসিক মাইলফলকের কথা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। শনিবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে ‘বাংলাদেশের রূপান্তরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ২০টি ঐতিহাসিক মাইলফলক’ শিরোনামে এক স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, এর মধ্যে যে কোনো একটি অর্জন থাকলেই নির্দ্বিধায় একজন রাষ্ট্রপ্রধানকে সফল বলা যায়। আর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এমন একজন রাষ্ট্রনায়ক, যাঁর জীবনে গৌরবের এসব মহিমান্বিত পালক একত্রে বিদ্যমান। আমার জানা মতে, বিশ্ব ইতিহাসে এমন কোনো নজির নেই যে, একজন নেতা নিজ দেশের জন্য বহুমাত্রিক ভূমিকা রেখে এভাবে পরিণত হয়েছেন সমগ্র জাতির সত্তা ও অস্তিত্বের অংশে; তথা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রতীকে।

বাংলাদেশের রূপান্তরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ২০টি ঐতিহাসিক মাইলফলক নিয়ে মাহদী আমিনের ফেসবুকের স্ট্যাটাস হুবাহু তুলে ধরা হলো-

(১) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, যাঁর আহবানে শুরু হয় স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধ।

(২) মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, এবং অসামান্য বীরত্বের জন্য ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত।

(৩) সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের মহানায়ক এবং ইতিহাসের সফলতম সেনাপ্রধান।

(৪) দেশের প্রথম গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি।

(৫) বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের সুমহান আদর্শের প্রবক্তা, যা নিশ্চিত করে প্রতিটি ধর্ম, বর্ণ, মত, পথ ও বিশ্বাসের মানুষ এবং সমতল ও পাহাড়ের প্রতিটি বাংলাদেশির সমান অধিকার ও স্বাধীনতা।

(৬) বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং বাকস্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভিন্ন মতের অধিকার স্থাপক।

(৭) গণআকাঙ্খার আলোকে সংবিধানের সংশোধন ও ইসলামী মূল্যবোধের ধারক।

(৮) মুক্তিবাজার অর্থিনীতি চালু, আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি গঠন এবং বেসরকারি খাতের বিকাশে যুগান্তকারী উদ্যোগের প্রবর্তক।

(৯) রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পের পথিকৃৎ এবং দেশজুড়ে ইপিজেড ও বিশেষায়িত শিল্পাঞ্চল স্থাপনের পরিকল্পনাকারী।

(১০) মধ্যপ্রাচ্যে ও অন্যান্য দেশে জনশক্তি রপ্তানির পথিকৃৎ, যার ফলে বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত প্রবাসীদের রেমিটেন্স আজও দেশের অর্থনীতির মৌলিক ভিত্তি।

(১১) কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার ভিত্তি নির্মাণ এবং তৃণমূলের উন্নয়নের রূপকার।

(১২) গ্রাম সরকার ও স্থানীয় সরকারব্যবস্থা উদ্যোগের প্রবর্তক।

(১৩) ঐতিহাসিক খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জনক।

(১৪) গণশিক্ষা ও বয়স্ক শিক্ষা কর্মসূচির প্রবর্তক এবং প্রাথমিক শিক্ষাকে সবার জন্য সহজলভ্য করার কারিগর।

(১৫) নারী ও যুবকদের জন্য দুইটি পৃথক মন্ত্রণালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।

(১৬) শিশু একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও নতুন কুঁড়ির প্রবক্তা।

(১৭) দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সহযোগিতার জন্য সার্কের প্রতিষ্ঠাতা।

(১৮) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভের কারিগর।

(১৯) পশ্চিমা বিশ্ব ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বহির্বিশ্বের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্কের রূপকার, ইরান-ইরাক যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী, ফিলিস্তিনি জাতি নির্মাণে আল-কুদস কমিটির সদস্য।

(২০) নতজানু পররাষ্ট্রনীতি ভেঙে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সীমান্তে শক্তিশালী অবস্থান ও পানির হিস্যা বুঝে নেওয়াসহ বহু সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণকারী।

ফেসবুক স্ট্যাটাসের শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন লেখেন, এসব গুরুত্বপূর্ণ অর্জন শুধু একজন রাষ্ট্রনায়কের সাফল্যের গৌরব নয়। বরং বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠন, উন্নয়ন, গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক অবস্থানকে সুদৃঢ় করার কালজয়ী ইতিহাস। তাই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কর্ম, পরিকল্পনা, চিন্তা ও নেতৃত্ব আজও কোটি-কোটি মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে এবং তাঁর হাত ধরেই বদলে গেছে পুরো দেশ ও জাতির কাঠামো। আর ঠিক সেই আদর্শ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতাই আজ বহন করছেন জনগণের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যেমনটি করেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।

কালের আলো/এম/এএইচ