খুঁজুন
                               
সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ: আইএমএফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ: আইএমএফ

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) তাদের ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যেখানে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বছর শেষে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি হবে দুই হাজার ৯১১ ডলার, আর ভারতের দুই হাজার ৮১২ ডলার। দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয়ের ধারাবাহিকতা এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধীরগতির কারণে এ সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে জানিয়েছে আইএমএফ।

তবে, চলতি বছর মাথাপিছু জিডিপি প্রবৃদ্ধির এই হার সামান্য কিছু বাড়লেও পরবর্তী বছর, ২০২৭ সালে আবার বাংলাদেশের তুলনায় এগিয়ে যেতে পারে ভারত।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মাথাপিছু জিডিপি বাড়ার পূর্বাভাস দেখে আত্মতুষ্টিতে ভোগার খুব বেশি সুযোগ নেই। কারণ এটা বাংলাদেশের মানুষের জীবনমানে খুব একটা পরিবর্তন আনবে না। মাথাপিছু জিডিপিতে এগিয়ে থাকার পেছনে আন্তর্জাতিক মুদ্রার বিনিময় হারে স্থিতিশীলতাসহ কয়েকটি কারণে হতে পারে বলেও মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

কী আছে আইএমএফের প্রতিবেদনে?
আইএমএফের ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ সাধারণত বছরে দুইবার প্রকাশিত হয়, যেখানে বিশ্ব অর্থনীতি বিশ্লেষণ করে স্বল্প ও মধ্যমেয়াদী পূর্বাভাস দেওয়া হয়।

গত ১৪ এপ্রিল প্রকাশিত আইএমএফ ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ বছর যেখানে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি হতে পারে দুই হাজার ৯১১ ডলার, সেখানে ভারতের হতে পারে দুই হাজার ৮১২ ডলার।

এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের যে হিসাব রয়েছে সেখানে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে ভারতের জিডিপি ছিল তিন হাজার ৯১৬ বিলিয়ন ডলার। বিপরীতে বাংলাদেশের মাত্র ৪৫৮ বিলিয়ন ডলার।

অর্থনীতিবিদ ও বিশ্ব ব্যাংকের সাবেক লিড ইকনোমিস্ট জাহিদ হোসেন বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অনেক বেশি পার্থক্য রয়েছে। কোনো এক বছরের মাথাপিছু জিডিপি দিয়ে কোনো একটি দেশের অর্থনীতিকে তুলনামূলক পার্থক্যের জায়গায় নেওয়ার সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু আন্তর্জাতিক মুদ্রার বিনিময় হারকে জিডিপি দিয়ে ভাগ করা হয়, সে কারণে এই পার ক্যাপিটা জিডিপিতেও পরিবর্তন আসে। আইএমএফের রিপোর্ট বিশ্লেষণ করলেও সেটি আরো স্পষ্ট হয়’।

এই অর্থনীতিবিদের এই বক্তব্য কিছুটা স্পষ্ট হয় রিপোর্টের পরের ধাপে।

কেননা ২০২৬ সালে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি কমলেও ২০২৭ সালে সেটি আরো বাড়তে পারে বলেই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আর এই বৃদ্ধি ২০৩১ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলেও ধারণা দিচ্ছে আইএমএফ।

অর্থনীতিবিদ সেলিম রায়হান বলছিলেন, ‘জিডিপিতে এগিয়ে থাকা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় না। বাংলাদেশের অর্থনীতি যে সংকটে আছে এখানে এটা আমাদের খুব বেশি স্বস্তির বার্তা দিবে এটা ভাবার কোনো কারণ নেই’।

দুই দেশের জিডিপিতে পার্থক্যের কারণ কী?
জনসংখ্যা কিংবা অর্থনৈতিক দিক থেকে বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে পার্থক্য অনেক। তবুও নানা কারণে মাথাপিছু জিডিপি প্রবৃদ্ধির দিক থেকে দুইটি দেশের গড় হিসাবের মধ্যে এক ধরনের তুলনা আসে এবং হ্রাস-বৃদ্ধির চিত্র দেখা যায় অর্থনৈতিক প্রতিবেদনে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, জিডিপি যেভাবে হিসাব করা হয়, সেটি একটি ত্রুটিপূর্ণ পদ্ধতি। কেননা জিডিপি শুধু যেসব পণ্য ও সেবা বাজারে অর্থের বিনিময়ে কেনাবেচা করা যায়, সেগুলোকেই হিসাবের মধ্যে নেয়।

অন্যদিকে, এই প্রবৃদ্ধির হিসাব অনুমাননির্ভরও হয়ে থাকে, যে কারণে আইএমএফ যে পূর্বাভাস দেওয়া হয় সেটি বাস্তবতার সাথে মেলে না। তবে এর পেছনে আন্তর্জাতিক মুদ্রার বিনিময় হার, মুদ্রাস্ফীতিসহ বেশ কিছু কারণকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা।

অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘যেহেতু দেশীয় মুদ্রার বিনিময় হার দিয়ে জিডিপিকে ভাগ দেওয়া হয়, সেখানে যেই মুদ্রার বিনিময় হার ডিপ্রেশিয়েট (অবমূল্যায়ন) করেছে তারটা তো ডলারে কমে যায়। এটা একটি অন্যতম কারণ হতে পারে’।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, বর্তমানে আইএমএফ যে পূর্বাভাস দিচ্ছে তার অনেক কিছুই বদলে যেতে পারে নানা কারণে। তার মধ্যে অন্যতম একটি কারণ রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি। যে কারণে ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের এক বছর জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে এগিয়ে যাওয়াও অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে এমনটি নয়।

অর্থনীতিবিদ ও সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান বলেন, ‘এর আগেও মাথাপিছু জিডিপিতে বাংলাদেশ ভারত থেকে এগিয়ে ছিল। তার মানে এই না যে আমাদের অর্থনীতি ভারতের চেয়ে অনেক এগিয়ে গেছে। কেননা বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনো অনেক জটিল অবস্থার মধ্যে রয়েছে’।

তিনি আরও বলেন, ‘এটা নিয়ে আত্মসন্তুষ্টিতে সময় কাটানোর কোনো সুযোগই নাই। কেননা আমাদের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি নিম্মমুখী, বিনিয়োগেও আছে স্থবিরতা। সেই সাথে এখন মধ্যপ্রাচ্যের সংকট, মুল্যস্ফীতির ধাক্কা লেগেছে ভালোমতোই’।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, জিডিপির হিসাবের এই তথ্যগুলো নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা প্রশ্ন ছিল। অন্যদিকে বর্তমান বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে মাথাপিছু জিডিপির হিসাব নিয়ে দুই দেশের কারোরই উৎসাহিত হওয়া কিংবা উপসংহারে আসার সুযোগ নেই।

মাথাপিছু জিডিপি কী?
অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ধারণাগুলোর একটি হলো মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি। একটি নির্দিষ্ট সময়ে, সাধারণত এক বছরে দেশের সব উৎপাদনের উপাদানগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে মোট যে পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম উৎপাদিত হয়, তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন বা জিডিপি বলে।

অন্যদিকে মাথাপিছু জিডিপি হলো একটি দেশের ব্যক্তিপ্রতি অর্থনৈতিক উৎপাদনের পরিমাপ। মূলত কোনো দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপিকে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মাথাপিছু জিডিপি নির্ধারণ করা হয়।

অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘একটি নির্দিষ্ট বছরে যে পরিমাণ উৎপাদন করি, সেই উৎপাদন যদি সবার মাঝে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া হলে সেটা হলো মাথাপিছু জিডিপি। ধরেন এক বছরে বাংলাদেশ ৪৫০ বিলিয়ন ডলার উৎপাদন করলো, এখন সেটা যদি দেশের ১৭ কোটি মানুষের মাঝখানে ভাগ করে দেওয়া হয় তাহলে সেই সংখ্যা যেটি দাঁড়াবে সেটা হলো মাথাপিছু জিডিপি’।

সর্বশেষ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ২০২৪–২৫ অর্থবছরের মাথাপিছু আয়, মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করেছে।

এতে দেখা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মাথাপিছু জিডিপি দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৬২৫ মার্কিন ডলার। বর্তমান বিশ্বে মাথাপিছু জিডিপির গড় প্রায় ১৫ হাজার ৬০০ ডলার, আর উদীয়মান ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলোর গড় প্রায় সাত হাজার ৫০০ ডলার। বিবিসি বাংলা

কালের আলো/এসআর/এএএন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি।

রোববার (১৭ মে) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অ্যাম্বাসেডর ব্রেক সাঈদ আল-সামিখ উপস্থিত ছিলেন।

এরআগে দুইদিনের সফরে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি।

প্রবাসী কল্যাণ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রী মাররির বিশেষ সখ্যতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্যে আয়োজিত এক নৈশভোজে অংশ নেবেন তিনি।

সফরকালে আল মাররি অন্যান্য উচ্চপদস্থ নেতা এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া, একটি যৌথ কমিটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে শ্রম, জনশক্তি এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ও কাতারে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি আলোচনার কথা রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঢাকায় চালু হচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি,’ ফোনে জানানো যাবে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
ঢাকায় চালু হচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি,’ ফোনে জানানো যাবে অভিযোগ

সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি লাঘব এবং প্রশাসনের কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ঢাকা জেলা প্রশাসনে চালু হতে যাচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি’ নামের নতুন একটি সেবা। এটির মাধ্যমে ঢাকা জেলার যেকোনো নাগরিক সরাসরি জেলা প্রশাসনে ফোন করে তাঁদের অভাব-অভিযোগ, তথ্য ও মতামত জানাতে পারবেন।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে ঢাকা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির (সিআরইউ) সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা জানান ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম।

ফরিদা খানম বলেন, আমরা ‘হ্যালো ডিসি’ নামে একটি সেবা চালু করতে যাচ্ছি, যেখানে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ তাঁদের অভাব-অভিযোগ জানাতে পারবেন। আমরা জেলা প্রশাসন থেকে গণশুনানি করে থাকি। এর বাইরেও সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই ‘হ্যালো ডিসি’ সেবা চালু থাকবে। এতে নাগরিকেরা সহজেই তাঁদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। এ ছাড়া জেলা প্রশাসন নিয়ে কোনো পরামর্শ থাকলেও তা জানাতে পারবেন। শিগগিরই এ বিষয়ে আমরা বিস্তারিত তুলে ধরব।

অনলাইন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম আরও বলেন, বর্তমানে অনলাইন জুয়ার প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন কোনো সংকটে না পড়ে, সে জন্য মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে আমরা জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে চাই। বিভিন্ন সেলিব্রিটিকে দিয়ে জনসচেতনতামূলক কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারে ঢাকা জেলা প্রশাসন উদ্যোগ নেবে।

‘গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা’ শীর্ষক এই আয়োজনে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে জেলা প্রশাসক বলেন, সাংবাদিকেরা হলেন সমাজের আয়না। আপনাদের লেখনীর মাধ্যমেই সমাজের প্রকৃত চিত্র ও সাধারণ মানুষের চাওয়া-পাওয়া আমাদের সামনে উঠে আসে। ঢাকা জেলা প্রশাসনের কোনো দপ্তরে যদি কোনো সেবাগ্রহীতা হয়রানির শিকার হন বা অফিসে কোনো ধরনের অনিয়ম আপনাদের চোখে পড়ে, তবে তা নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে তুলে ধরবেন।

মতবিনিময় সভায় ঢাকা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল ওয়ারেছ আনসারী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শামীমা সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মো. মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার এবং তেজগাঁও সার্কেলের সার্কেল অফিসার ও সিনিয়র সহকারী সচিব তরিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া ঢাকা জেলার বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারাও (ইউএনও) এই মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে সাভারের ইউএনও মো. সাইফুল ইসলাম, ধামরাইয়ের ইউএনও মো. আল মামুন, কেরানীগঞ্জের ইউএনও মো. উমর ফারুক এবং নবাবগঞ্জের ইউএনও দিলরুবা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া মতবিনিময় সভায় কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির (সিআরইউ) সভাপতি লিটন মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মামুন খান, সহসভাপতি এমরুল হাসান বাপ্পী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, অর্থ সম্পাদক নাইমুর রহমান নাবিল, দপ্তর সম্পাদক মহিউদ্দিন খান রিফাত, প্রচার সম্পাদক রকি আহমেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য আজহারুল ইসলাম সুজনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ঢাকায় বাসার বেজমেন্টে মিললো ৭ টুকরা মরদেহ, মোড়ানো ছিল পলিথিনে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
ঢাকায় বাসার বেজমেন্টে মিললো ৭ টুকরা মরদেহ, মোড়ানো ছিল পলিথিনে

রাজধানীর মুগদায় বাসার বেজমেন্টে সাত টুকরা করা একটি মরদেহ পাওয়া গেছে। অজ্ঞাতপরিচয় এক পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহটি পলিথিনে মোড়ানো ছিল।

পুলিশ রোববার (১৭ মে) মান্ডা এলাকার আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর ভবন শাহনাজ ভিলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু রায়হান বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে মান্ডার আব্দুল করিম রোডের শাহনাজ ভিলা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির পঁচাগলা ও পলিথিনে মোড়ানো মরদেহ দুপুর দেড়টার দিকে উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।’

এসআই রায়হান জানান, নিহত ব্যক্তির গলার নিচ থেকে পেট পর্যন্ত চিরে দেওয়া এবং দুই হাত ও দুই পা বিচ্ছিন্ন করা। ডিএনএ নমুনা ও প্রযুক্তির সহায়তায় তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।

কালের আলো/এসআইপি