খুঁজুন
                               
সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

পশ্চিমবঙ্গে এগিয়ে আছে বিজেপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
পশ্চিমবঙ্গে এগিয়ে আছে বিজেপি

সোমবার সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমবঙ্গের জেলায় জেলায় শুরু হবে ভোটগণনা। মোটামুটি দুপুরের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে আগামী পাঁচ বছর পশ্চিমবঙ্গ থাকবে কার হাতে।

নীলবাড়ি নবান্নের ১৪ তলায় প্রত্যাবর্তন হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের? না কি দেড় দশক পরে আবার ‘পরিবর্তন’ দেখবে পশ্চিমবঙ্গ? যে পরিবর্তনের ফলে প্রশাসন আবার নিয়ন্ত্রিত হবে লালদিঘির পাড়ের লালবাড়ি থেকে?

তবে, ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সকাল ১০ নাগাদ ভোট গণনার ফলাফলে এগিয়ে আছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। ১৫৯টি আসনে এগিয়ে আছে বিজেপি, আর ১১৮টি আসনে এগিয়ে আছে তৃণমূল।

গত ২৩ এপ্রিল রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। তার পরে দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হয় দক্ষিণবঙ্গের সাত জেলার ১৪২টি আসনে। ২৯৪টি আসনের ভোটগ্রহণ হয়ে গেলেও সোমবার ভোটগণনা হচ্ছে ২৯৩টি কেন্দ্রের।

কারণ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা আসনে নির্বাচনে ‘অনিয়মের অভিযোগে’ গোটা ভোটই বাতিল বলে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২১ মে ফলতায় নতুন করে ভোটগ্রহণ হবে। ২৪ মে হবে সেই ভোটের গণনা। যখন সেই ভোট হবে, তখন পশ্চিমবঙ্গ পরিচালনা করবে নির্বাচিত নতুন সরকার।

মোট আসন ২৯৪ থেকে কমে ২৯৩ হয়ে যাওয়ায় সরকার গঠনের জাদুসংখ্যাও একটি কমেছে। সরকার গড়তে হলে আগে পেতে হত ১৪৮টি আসন। এখন পেতে হবে ১৪৭টি।

প্রথম দফায় যে ভোটগ্রহণ হয়েছিল, তার বেশির ভাগ জেলা বিজেপির ‘শক্ত ঘাঁটি’ বলে পরিচিত। আবার দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল তৃণমূলের ‘দুর্গ’ বলে পরিচিত দক্ষিণবঙ্গে।

কে কার দুর্গে ফাটল ধরাবে বা আদৌ ধরাতে পারল কি না, সোমবার তা বোঝা যাবে। ফলাফল নিয়ে দুই শিবিরই ‘আত্মবিশ্বাসী’। দুই শিবিরের তরফেই দাবি এবং পাল্টা দাবি রয়েছে।

দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই বিভিন্ন সংস্থা যে বুথফেরত সমীক্ষা প্রকাশ করেছিল, তার বেশির ভাগেই ইঙ্গিত মিলেছিল রাজ্যে ‘পরিবর্তন’ হতে চলেছে। ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। পাল্টা তৃণমূল দাবি করেছে, ২০২১ এবং ২০২৪ সালের ভোটেও বুথফেরত সমীক্ষা মেলেনি। এ বারও মিলবে না।

এসআইআর-এর কারণে এবার মোট ভোটারের সংখ্যা অনেকটা কমে যাওয়ায় প্রত্যাশিত ভাবেই ভোটদানের হার বেড়েছে। কিন্তু সরল পাটিগণিতের বাইরেও এবার ভোটদাতার সংখ্যা ২০২১-এর তুলনায় ৩০ লক্ষেরও বেশি।

ফলে দু’য়ে মিলিয়ে ভোটদানের হার রেকর্ড গড়ে ফেলেছে। সেই ভোটের অভিমুখ কোন দিকে, তৃণমূলের দিকে থাকা সংখ্যালঘু ভোটের সমর্থনে ফাটল ধরেছে কি না, হিন্দু ভোট ঐক্যবদ্ধ ভাবে বিজেপির দিকে গিয়েছে কি না বা বিপুল সংখ্যক মহিলা ভোট গিয়েছে কোন দিকে, এ নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে নানা বিশ্লেষণ চলেছে। সোমবার দুপুরের পরে স্পষ্ট হয়ে যাবে পশ্চিমবঙ্গ কেমন পরীক্ষা দিয়েছে।

২০২৬ সালের ভোটে সবচেয়ে আলোচিত কেন্দ্র ভবানীপুর। যা এ বারের ভোটের ‘নন্দীগ্রাম’ হয়ে উঠেছিল। ২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারীর লড়াই হয়েছিল। জিতেছিলেন শুভেন্দু। এবার ভবানীপুরে দু’জনের সম্মুখসমর।

তবে নন্দীগ্রামের থেকে ভবানীপুর গুণগত ভাবে এগিয়ে। তার কারণ, পাঁচ বছর আগের লড়াই ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতার সঙ্গে বিজেপি নেতা শুভেন্দুর লড়াই। কিন্তু ভবানীপুরে লড়াই মুখ্যমন্ত্রী বনাম বিরোধী দলনেতার। যা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে ঘটেনি। সেই কারণেই, সারা রাজ্যের সঙ্গে পৃথক ভাবে সকলের নজর থাকবে দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের দিকে। সেখানেই হবে ভবানীপুরের ভোটগণনা।

এ বারের ভোটে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে গোড়া থেকেই আলোচনা ছিল। বস্তুত, ভোট এপ্রিলে হলেও গত নভেম্বর থেকেই এসআইআর-এর মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের ভোট শুরু হয়ে গিয়েছিল।

সাম্প্রতিক সময়ের নজিরবিহীন ভোট দেখেছে এই রাজ্য। সেই অর্থে বড় কোনও গোলমাল, বোমাবাজি, বুথদখল, ছাপ্পা, হানাহানি হয়নি। সব পক্ষই মেনে নিয়েছে, মানুষ তাদের ভোট দিয়েছেন। তবে প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষকে ‘বিনা বিচারে’ ভোটের বাইরে রাখা নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়েছে কমিশন।

ফলাফলের আগে যদিও জনমানসে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা রয়েছে। কারণ পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্মৃতিতে এখনও টাটকা ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের রক্তাক্ত স্মৃতি।

এই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে যুযুধান দুই শিবিরের নেতাদের ধারাবাহিক আগ্রাসী বক্তব্য। বিজেপির তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যেমন হিসাব করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন প্রচারে, তেমন অমিত শাহ বলেছিলেন, যারা অত্যাচার করেছে, তাদের উল্টো করে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।

আবার তৃণমূলের ‘সেনাপতি’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও বলেছেন, রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজে বাজবে, কখনও বলেছেন ঝান্ডার সঙ্গে ডান্ডাটাও শক্ত রাখতে হবে।

পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে আসাম, তামিলনাড়ু, কেরালা এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতেও ভোটগণনা হচ্ছে সোমবার।

কালের আলো/এসআর/এএএন

স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না:সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না:সিইসি

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। তবে নির্বাচনের নির্দিষ্ট সময় এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলেও জানান তিনি।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ ও বিদায়ী কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সিইসি।

তিনি বলেন, দলীয় প্রতীক না থাকলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যে নিজেদের সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে।এতে স্থানীয় নির্বাচন উত্তপ্ত হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে।

সিইসি বলেন, আমরা চাই ভালো নির্বাচনের একটা সংস্কৃতি গড়ে উঠুক। শুধু একটি নির্বাচন নয়, ভবিষ্যতের সব নির্বাচন যেন সত্যিকার অর্থে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হয়।

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রক্তপাতহীন নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অতীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বহু সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেক বেশি তীব্র হয় এবং একই পরিবার বা এলাকার প্রার্থীদের মধ্যেও সংঘাত দেখা দেয়।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একা কোনো নির্বাচন সফল করতে পারে না উল্লেখ করে নাসির উদ্দিন বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, সাংবাদিক ও ভোটার-সব পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন ব্যাপক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

কালের আলো/এসআইপি

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিন দেশের সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিন দেশের সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে

তবে ঈদের আগে তৈরি পোশাক শিল্প খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ এবং বন্দরগুলোতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ২৫ ও ২৬ মে বিশেষ ব্যবস্থায় সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (১৮ মে, ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘সুপারভাইজারি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট’ (এসডিএডি) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

সার্কুলারে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের ধারাবাহিকতায় আগামী ২৩ মে (শনিবার) ও ২৪ মে (রোববার) তফসিলি ব্যাংকগুলোর সব শাখা ও উপশাখা স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে। এর পরদিন অর্থাৎ ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে (রোববার) পর্যন্ত টানা সাত দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

পোশাক শিল্প এলাকায় সীমিত ব্যাংকিং বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ঈদের আগে তৈরি পোশাক শিল্প খাতে নিয়োজিত শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য ভাতাদি পরিশোধ এবং পোশাক খাতের আমদানি-রপ্তানি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম চলমান রাখার সুবিধার্থে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ব্যাংক খোলা থাকবে।

ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত পোশাক শিল্পের লেনদেন সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখাগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ২৫ ও ২৬ মে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই দুই দিন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর অফিস সময়সূচি হবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এবং গ্রাহক লেনদেনের সময়সূচি হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

বন্দর এলাকায় ২৪ ঘণ্টা ও ছুটির দিনেও সেবা দেওয়ার বিষয়ে সার্কুলারে বলা হয়, সমুদ্র, স্থল ও বিমান বন্দর এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা, উপশাখা ও বুথগুলোতে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার বিষয়ে আগের নির্দেশনা বহাল থাকবে। এছাড়া ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত (ঈদের দিন ব্যতীত) সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতেও আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত কার্যক্রম সীমিত আকারে চলমান রাখতে হবে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনসহ বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যাংকগুলোকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই ছুটির দিনগুলোতে ব্যাংকের যেসব কর্মকর্তা ও কর্মচারী দায়িত্ব পালন করবেন, তারা বিধি অনুযায়ী অতিরিক্ত ভাতাদি (অ্যালাউন্স) পাবেন।ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কালের আলো/এসআইপি

গাজার পথে ত্রাণবাহী জাহাজ আটক করল ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
গাজার পথে ত্রাণবাহী জাহাজ আটক করল ইসরায়েল

গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে যাওয়া নৌবহরের অন্তত ১০টি জাহাজ আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। একই সঙ্গে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে থাকা আরও ২৩টি জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বহরটির আয়োজকরা।

সোমবার (১৮ মে) গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নামের সংগঠনটি এক্সে দেওয়া পোস্টে জানায়, ইসরায়েলি সামরিক জাহাজগুলো তাদের বহরের কাছে পৌঁছে জাহাজে ওঠা শুরু করেছে। তারা দাবি করেছে, এটি ছিল একটি “বৈধ ও অহিংস মানবিক মিশন” এবং নিরাপদে গাজায় পৌঁছানোর সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সংগঠনটি জানায়, ৫৪টি জাহাজ নিয়ে গঠিত এই বহরে ৩৯টি দেশের মোট ৪২৬ জন অংশ নিয়েছেন। আটক হওয়া জাহাজগুলোর যাত্রীদের মধ্যে অন্তত দুই ডজন তুর্কি নাগরিক রয়েছেন। বহরটি গাজা উপকূল থেকে প্রায় ৪৬৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল।

এদিকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে বলেছে, “গাজার বৈধ নৌ অবরোধ ভাঙার কোনো চেষ্টা ইসরায়েল মেনে নেবে না।” একই সঙ্গে তারা বহরে অংশ নেওয়া সবাইকে দ্রুত ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার দক্ষিণ তুরস্ক থেকে তৃতীয় দফায় যাত্রা শুরু করে এই সহায়তা বহর। এর আগেও গাজায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী কয়েকটি জাহাজ আটক করেছিল।

গত ১২ এপ্রিল স্পেন থেকে যাত্রা করা আগের বহরটির জাহাজও ইসরায়েলি বাহিনী থামিয়ে দেয়। সে সময় শতাধিক ফিলিস্তিনপন্থি কর্মীকে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয় এবং আরও দুজনকে ইসরায়েলে আটক রাখা হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন