খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের বিপর্যয়ের ৫ কারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের বিপর্যয়ের ৫ কারণ

পশ্চিমবঙ্গের সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনো উত্তপ্ত। ভোটগণনায় ক্ষমতার পালাবদলের ইঙ্গিত স্পষ্ট হলেও তৃণমূল কংগ্রেস এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পরাজয় স্বীকার করেনি। বরং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ করেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় বিজেপি অন্তত একশ টি আসন ‘লুট করে নিয়েছে’। তারা যুক্তি দিচ্ছেন, লক্ষ লক্ষ মানুষকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে যে নির্বাচন তা কখনোই সুষ্ঠু ও অবাধ বলে মানা যায় না।

মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেল চারটায় কলকাতার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক ব্যানার্জীর একটি সংবাদ সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে কীভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে ‘হারিয়ে দেওয়া হয়েছে’ তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

তবে তৃণমূলের এই অবস্থান যাই হোক না কেন, ভোটের ফলাফল রাজ্যে ক্ষমতার বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। রাজ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি গরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় আসতে চলেছে। টানা প্রায় দেড় দশক ক্ষমতায় থাকার পর এই নির্বাচনী বিপর্যয়ের পেছনে কী কী কারণ কাজ করেছে-তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিশ্লেষণ। উঠে এসেছে সম্ভাব্য পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

নারী ভোটব্যাংকে ধস?

পশ্চিমবঙ্গের নারী ভোটের (যা ৫০ শতাংশেরও বেশি) বেশিটাই যে এতকাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল পেয়ে এসেছিল তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’, ‘কন্যাশ্রী’ বা ‘সবুজ সাথী’র (ছাত্রীদের মধ্যে সাইকেল বিতরণ) মতো ডাইরেক্ট বেনেফিট প্রকল্প তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে নারী ভোটারদের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছিল।

কিন্তু এবারে সেই ভোটব্যাংকে অবধারিত ফাটল ধরেছে, যার একটা বড় কারণ হতে পারে নারী সুরক্ষার মতো ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসের চরম ব্যর্থতা।

দুই বছর আগে কলকাতায় একজন কর্তব্যরত চিকিৎসক সরকারি হাসপাতালে ডিউটি দেওয়ার সময় ধর্ষণের শিকার ও নিহত হয়েছিলেন। সেই ‘অভয়া’র বিচারের দাবিতে সংগঠিত আরজিকর আন্দোলন এবারের ভোটে অবশ্যই প্রভাব ফেলেছে।

এর একটা বড় প্রমাণ পানিহাটির মতো তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটিতেও আরজিকরের নির্যাতিতার মা বিজেপি প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন।

এসআইআরে ক্ষতির ধাক্কা

এসআইআর বা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের ফলে পশ্চিমবঙ্গে যে ৯০ লাখেরও বেশি নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাতে তৃণমূল কংগ্রেসই যে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত তা এখন দিনের আলোর মতো স্পষ্ট।

যদিও আসনভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ করলে এই ক্ষতির পরিমাণ ও ব্যাপকতা আরও পরিষ্কার বোঝা যাবে, তবে তা সত্ত্বেও এটা বোঝাই যাচ্ছে এই গোটা প্রক্রিয়ায় মোটের ওপর লাভবান হয়েছে বিজেপিই।

তবে এই তালিকায় লাখ লাখ বৈধ ভোটার বাদ পড়েছেন সেটা যেমন ঠিক ‘কিন্তু বহু ভুয়া বা মৃত ভোটারেরও নাম যে বাদ পড়েছে তাতেও কোনো সন্দেহ নেই।

নির্বাচনে নারী ভোটারদের উপস্থিতিও ছিল ব্যাপক।
বিজেপি আগোগোড়াই দাবি করে এসেছিল তালিকায় এই সব ভুয়া নামের কারণে তৃণমূল বছরের পর বছর ধরে ভোটে সুবিধা পেয়ে এসেছে, যা এবার বন্ধ হবে। দেখা যাচ্ছে সেই বক্তব্য অনেকটাই সত্যি প্রমাণিত হলো।

মমতার সরকারের দুর্নীতি ও ব্যর্থতা

তৃণমূল কংগ্রেসের ১৫ বছরের শাসনে তাদের বিরুদ্ধে যে পরিমাণ দুর্নীতি, অপশাসন, দৈনন্দিন জীবনে কাটমানি ও ‘সিন্ডিকেট রাজে’র বাড়বাড়ন্ত এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগে উঠেছে, তা পশ্চিমবঙ্গে আর কোনো আমলে উঠেছে কি না সন্দেহ।

তার সঙ্গে এই ১৫ বছরে রাজ্যে তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন চাকরি বা কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। ভোটের ঠিক আগে বেকারদের জন্য মাসিক ১৫০০ টাকা ভাতা চালু করেও সেই হতাশায় প্রলেপ দেওয়া যায়নি।

কিন্তু বাঙালির আত্মাভিমান, নারীদের জন্য নানা সমাজকল্যাণ প্রকল্প, অসাম্প্রদায়িকতা এই ধরনের নানা হাতিয়ারকে ব্যবহার করে ২০১৬ বা ২০২১-এও তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী বৈতরণী পেরোতে কোনো অসুবিধা হয়নি।

এবারেও এসআইআরের কারণে রাজ্য জুড়ে লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটারের যে অমানুষিক ভোগান্তি হয়েছে সেটাকে প্রচারের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তার জন্য সুপ্রিম কোর্টে নিজে সওয়াল করাসহ কোনো চেষ্টাই বাদ রাখেননি তিনি।

কিন্তু তারপরও দেখা গেল দুর্নীতি ও ব্যর্থতার অভিযোগকে ঢাকতে সেটা যথেষ্ঠ হলো না – ২০২৬-এ এসে তৃণমূল কংগ্রেসকে বেশ চড়া মাশুলই দিতে হলো।

হিন্দু-মুসলিম মেরুকরণ?

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটানা নির্বাচনী সাফল্যের পেছনে একটা বড় কারণ হলো রাজ্যের মুসলিমদের প্রায় একচেটিয়া সমর্থন তিনি পেয়ে এসেছেন।

পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার মোটামুটি ৩০ শতাংশের কাছাকাছি মুসলিম। আর এর মধ্যে ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ ভোটই বরাবর তৃণমূল কংগ্রেস পেয়ে এসেছে।

গতরাতে ভবানীপুরের সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল গণনাকেন্দ্র থেকে বেরোনোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মমতা।
কিন্তু এবারে সেই প্রক্রিয়ার পাল্টা একটা হিন্দু ভোটের ‘কনসলিডেশন’ হয়েছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে যার সুফল অবশ্যই বিজেপি পেয়েছে। যে কারণে তারা মুসলিম-গরিষ্ঠ জেলা মালদা বা মুর্শিদাবাদেও বেশ কিছু আসন পেয়েছে।

অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বিরুদ্ধে ‘মুসলিম তোষণে’র অভিযোগ খারিজ করতেই সম্ভবত হালে রাজ্যে সরকারি খরচে একের পর এক হিন্দু মন্দির স্থাপন করেছিলেন।

কিন্তু বোঝাই যাচ্ছে এই ‘সফট হিন্দুত্ব’ কাজে আসেনি, রাজ্যের বেশিরভাগ হিন্দু বরং ‘হিন্দুত্ববাদী’ বিজেপিকেই বেছে নিয়েছেন।

শাসক দল হিসেবে সুবিধা না পাওয়া

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক বাস্তবতায় রাজ্যের শাসক দল ভোটের সময় কিছুটা বাড়তি সুবিধা পেয়েই থাকে – যেটা এবারে তৃণমূল কংগ্রেস পায়নি বললেই চলে।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরের মুহূর্ত থেকেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন রাজ্য প্রশাসনের হাত থেকে রাশ তুলে নিয়েছে, ঢালাওভাবে জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারদের তারা বদলে দিয়েছে।

সেই সঙ্গে ভোটের বেশ ক’দিন আগে থেকেই রাজ্যে মোতায়েন করা হয়েছে দুই লাখ ৪০ হাজারের বেশি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী, যে সংখ্যা ছিল অভূতপূর্ব।

অনেকেই বলছেন, এই বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতির কারণেই ভোট এতো শান্তিপূর্ণ হয়েছে এবং মানুষ এতো নিশ্চিন্তে ও নিরুপদ্রবে ভোট দিতে পেরেছেন।

তৃণমূল কংগ্রেস গত দেড় মাসে লাগাতার কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ করে গেছে – সেটার কারণ কী ছিল, তাও বোধহয় এখন আন্দাজ করা যাচ্ছে।

অন্যভাবে বললে, নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাও তৃণমূল কংগ্রেসের বিপক্ষেই গেছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সরকার মহাকাশ প্রযুক্তিকে বিলাসিতা হিসেবে নেয়নি: আইসিটি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
সরকার মহাকাশ প্রযুক্তিকে বিলাসিতা হিসেবে নেয়নি: আইসিটি মন্ত্রী

বাংলাদেশের মহাকাশ, স্যাটেলাইট ও ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়নে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের (আইসিটি) মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের এই যুগে স্যাটেলাইট, ড্রোন ও স্পেস টেকনোলজি শুধু বিলাসিতা নয়, বরং জাতীয় উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, মৎস্য, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা খাতে অপরিহার্য অবকাঠামো হিসেবে কাজ করছে।

সোমবার (১৮ মে) রাজধানীতে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনে অনুষ্ঠিত ‘স্যাটেলাইট, ড্রোনস অ্যান্ড ফিউচার স্পেস টেকনোলজি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে দুর্যোগ পূর্বাভাস, নদীভাঙন পর্যবেক্ষণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, উপকূলীয় নিরাপত্তা এবং গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সরকার ইতোমধ্যে সাইক্লোন ও বৈরী আবহাওয়ার পূর্বাভাস দ্রুত জেলেদের কাছে পৌঁছে দিতে কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।

ড্রোন প্রযুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ড্রোন এখন শুধু ফটোগ্রাফি বা বিনোদনের যন্ত্র নয়; এটি সীমান্ত নিরাপত্তা, কৃষি ব্যবস্থাপনা, জরিপ কার্যক্রম ও দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, সরকার ভবিষ্যতে লো আর্থ অরবিট ভিত্তিক নতুন স্যাটেলাইট স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে, যাতে আরও স্পষ্ট ও কার্যকর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা যায়। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে স্পেস ডাটা ও অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে কি নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড(বিএসসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ইমাদুর রহমান।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেমিনারের আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বাংলাদেশের মহাকাশ প্রযুক্তির সম্ভাবনা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবনে তরুণ প্রকৌশলীদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নাফ নদী থেকে ৪ জেলেকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি

কক্সবাজার ( টেকনাফ) প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
নাফ নদী থেকে ৪ জেলেকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদী থেকে ২টি ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ ৪ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। সোমবার (১৮ মে) দুপুরের দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন সংলগ্ন নাফনদী এলাকা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যায়।

জেলেরা হলেন- টেকনাফ পৌরসভা জালিয়া বাসিন্দা মো. মনির আহমেদ (৪৫), মো. ইয়াছিন (১৮), আব্দুল মালেক প্রকাশ শফা (৫০) ও জামাল হোসেন (৪০)।

জেলে করিম উল্লাহ জানান, সোমবার দুপুরের দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন সংলগ্ন নাফ নদীতে জেলেরা মাছ ধরছিলেন। এসময় সশস্ত্র আরাকান আর্মির সদস্যরা দুটি নৌকাসহ ৪ জন বাংলাদেশি জেলেকে ধাওয়া করে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

টেকনাফ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. ওবায়দুল হক বলেন, আরাকান আর্মির হাতে ৪ জেলে আটকের খবর শুনেছি। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো জেলের পরিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

কালের আলো/এসআইপি

২৪ ঘণ্টায় হাম রোগে মৃত্যু ৫, হাসপাতালে ভর্তি ৮৯

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
২৪ ঘণ্টায় হাম রোগে মৃত্যু ৫, হাসপাতালে ভর্তি ৮৯

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম সন্দেহে আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৮ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৪০৫ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৫৪ হাজার ৯১১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৮৯ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা সাত হাজার ৮৫৬ জন।

১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪২ হাজার ৮৬৮ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৯৮০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৩৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কালের আলো/এমএইচ/এএএন