খুঁজুন
                               
সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

কাতারের আকাশে মার্কিন জ্বালানি বিমান উধাও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
কাতারের আকাশে মার্কিন জ্বালানি বিমান উধাও

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে পারস্য উপসাগরের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় মার্কিন সামরিক বাহিনীর ‘উড়ন্ত গ্যাস স্টেশন’ হিসেবে পরিচিত একটি বোয়িং কেসি-১৩৫ স্ট্রাটোট্যাঙ্কার বিমান নিখোঁজ হয়ে গেছে।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্যের বরাত দিয়ে বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার খবরটি জানিয়েছে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ। তবে এ ঘটনায় ইরানের সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আল ধাফরা বিমান ঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের পর কাতারের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় মার্কিন বিমানটির সংকেত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। নিখোঁজ হওয়ার আগে আকাশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে ‘৭৭০০’ বিপদ সংকেত পাঠিয়ে ছিল বিমানটি।

জানা গেছে, বিমানটি ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক অভিযানে দায়িত্ব পালন করছিল।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটাতে দেখা যায়, বিমানটি নিখোঁজের আগে কিছুক্ষণ আকাশে বৃত্তাকারে উড়েছিল। তবে কী কারণে জরুরি সংকেত পাঠিয়েছিল তার সঠিক কারণ এখনও অস্পষ্ট এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীও বিমানটির অবস্থা নিয়ে কোনো বিবৃতি দেয়নি।

এরআগে গত মার্চ মাসে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালীন পশ্চিম ইরাকে মার্কিন সামরিক বাহিনী একটি কেসি-১৩৫ বিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে বিমানটির মার্কিন ক্রু সদস্য নিহত হন।

ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর একটি সমন্বিত সংগঠন- ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ সেই হামলার দায় স্বীকার করে।

প্রসঙ্গত, মার্কিন বিমান বাহিনীর বোয়িং কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাংকার হলো একটি বিশেষায়িত সামরিক বিমান, যা ১৯৫৭ সাল থেকে এটি মার্কিন বিমান বাহিনীর সেবায় নিয়োজিত এবং বর্তমানে এটি বৈশ্বিক সামরিক অভিযানের একটি মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত।

মূলত মাঝ-আকাশে অন্য যুদ্ধবিমানকে জ্বালানি সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি যাত্রী ও মালামাল বহন, আকাশপথে চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি স্থানান্তর অভিযানে সহায়তা করতে এবং বিশেষায়িত মেডিকেল প্যালেট ব্যবহার করে আহত বা অসুস্থ রোগীদের পরিবহন করতে পারে। এটি প্রায় ৩৭,৬০০ কেজি পণ্য পরিবহন করতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

গাজার পথে ত্রাণবাহী জাহাজ আটক করল ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
গাজার পথে ত্রাণবাহী জাহাজ আটক করল ইসরায়েল

গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে যাওয়া নৌবহরের অন্তত ১০টি জাহাজ আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। একই সঙ্গে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে থাকা আরও ২৩টি জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বহরটির আয়োজকরা।

সোমবার (১৮ মে) গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নামের সংগঠনটি এক্সে দেওয়া পোস্টে জানায়, ইসরায়েলি সামরিক জাহাজগুলো তাদের বহরের কাছে পৌঁছে জাহাজে ওঠা শুরু করেছে। তারা দাবি করেছে, এটি ছিল একটি “বৈধ ও অহিংস মানবিক মিশন” এবং নিরাপদে গাজায় পৌঁছানোর সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সংগঠনটি জানায়, ৫৪টি জাহাজ নিয়ে গঠিত এই বহরে ৩৯টি দেশের মোট ৪২৬ জন অংশ নিয়েছেন। আটক হওয়া জাহাজগুলোর যাত্রীদের মধ্যে অন্তত দুই ডজন তুর্কি নাগরিক রয়েছেন। বহরটি গাজা উপকূল থেকে প্রায় ৪৬৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল।

এদিকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে বলেছে, “গাজার বৈধ নৌ অবরোধ ভাঙার কোনো চেষ্টা ইসরায়েল মেনে নেবে না।” একই সঙ্গে তারা বহরে অংশ নেওয়া সবাইকে দ্রুত ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার দক্ষিণ তুরস্ক থেকে তৃতীয় দফায় যাত্রা শুরু করে এই সহায়তা বহর। এর আগেও গাজায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী কয়েকটি জাহাজ আটক করেছিল।

গত ১২ এপ্রিল স্পেন থেকে যাত্রা করা আগের বহরটির জাহাজও ইসরায়েলি বাহিনী থামিয়ে দেয়। সে সময় শতাধিক ফিলিস্তিনপন্থি কর্মীকে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয় এবং আরও দুজনকে ইসরায়েলে আটক রাখা হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বাংলাদেশ ৩৯০ রানে অলআউট, বিশ্বরেকর্ড গড়ে জিততে হবে পাকিস্তানকে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ৩৯০ রানে অলআউট, বিশ্বরেকর্ড গড়ে জিততে হবে পাকিস্তানকে

মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে শাসন করেছে বাংলাদেশ। সবমিলিয়ে অলআউট হওয়ার আগে বাংলাদেশ করেছে ৩৯০ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ লিড নিয়েছে ৪৩৬ রান। ফলে ৪৩৭ রান করতে হবে পাকিস্তানকে জিততে। রেকর্ড গড়ে না জেতা ছাড়া উপায় নেই সফরকারীদের। টেস্টে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে রেকর্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

সিলেটে তৃতীয় দিন শেষে ব্যাটার হিসেবে ১৩৭ রান করে আউট হয়েছেন মুশফিক। সাজিদ খানকে বড় শট খেলতে গিয়ে মিড উইকেটে ক্যাচ দেন মোহাম্মদ আব্বাসকে। তিনই আউট হলে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। অন্যপ্রান্তে ০ রানে অপরাজিত ছিলেন নাহিদ রানা।

লিটন দাসের সঙ্গে মুশফিকের জুটি হয় ১২৩ রানের। এই জুটিই ম্যাচের ভিতটা গড়ে দেয়। ৬৯ রানে হাসান আলীর বলে তিনি বিদায় নিলে ২৩৮ রানে ৫ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ১৯ রানের বেশি করতে পারেননি মেহেদি হাসান মিরাজ। তবে তাইজুল বেশ ভালো সাপোর্ট দেন মুশফিককে। আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ২২ রান। মুশফিকের সঙ্গে তার জুটি হয় ৭২ রানের। ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তাসকিন ৬ ও শরিফুল করেন ১২ রান। তবে একপ্রান্তে অবিচল থাকা মুশফিক তুলে নেন ক্যারিয়ারের ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি, যা কি না বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে কোনো ব্যাটারের একক সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির সংখ্যা। টপকে গেছেন ১৩ সেঞ্চুরি মালিক মুমিনুল হককে। ১৩৭ রানের ইনিংসটি মুশফিক সাজিয়েছেন ১২ চার ও এক ছক্কায়।

তৃতীয় দিনের শুরুতে আউট হয়েছেন শান্ত। ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। খুররম শাহজাদের বলে সাজঘরে ফেরেন তিলি লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে। আর প্রথম দিন তানজিদ হাসান তামিম ৪ ও মুমিনুল আউট হন ৩০ রান করে। ওয়ানডে মেজাজে ৫২ রান করে আউট হন মাহমুদুল হাসান জয়।

পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পেয়েছেন খুররম শাহজাদ। ৩টি সাজিদ খান, দুটি হাসান আলী ও একটি পেয়েছেন মোহাম্মদ আব্বাস।

কালের আলো/এসআর/এএএন

‘চাঁদাবাজ-ছিনতাইকারী ও মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চলবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
‘চাঁদাবাজ-ছিনতাইকারী ও মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চলবে’

এই শহর ও রাষ্ট্রকে সুন্দর ও সচল রাখতে প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী ও মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।

‎সোমবার (১৮ মে) সকাল ১১টায় ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে ঈদুল আজহার নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‎সমন্বয় সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।

‎ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন বলেন, নৌপথে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা যাবে না। ঈদের এই সময়ে সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাই। পাশাপাশি, সরকারের সকল সংস্থাকে সমন্বয়ের মাধ্যমে ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার জন্য দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানাই।

‎তিনি আরো বলেন, রাষ্ট্র ও শহর আমাদের সবার। এই শহর ও রাষ্ট্রকে সুন্দর ও সচল রাখতে প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী ও মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে।

সমন্বয় সভায় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিগণ, পুলিশের বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিটের প্রতিনিধিগণ, নৌপরিবহন অধিদফতর, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ফেডারেশন, বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতি, বাংলাদেশ ট্রাক চালক শ্রমিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, লঞ্চ শ্রমিক সমিতি, বিকেএমইএ, বিজিএমইএ, জিএমপি, বিআইডব্লিউটিএ, সড়ক ও জনপথ অধিদফতর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বাস মালিক সমিতি, লঞ্চ মালিক সমিতি, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থা ও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবাদানকারী সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

‎‎সমন্বয় সভার শুরুতে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এরপর সভায় উপস্থিত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিগণ উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের মূল্যবান মতামত তুলে ধরেন।

এ ছাড়াও, সমন্বয় সভায় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান, যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তাগণ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন