খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ২৯ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

শিল্প খাত বাঁচাতে গভর্নরের কাছে একগুচ্ছ প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
শিল্প খাত বাঁচাতে গভর্নরের কাছে একগুচ্ছ প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের

উচ্চ সুদহার, গ্যাস সংকট, ডলারের চাপ ও কমে যাওয়া বাজারচাহিদার কারণে দেশের উৎপাদন খাত বড় ধরনের সংকটে পড়েছে বলে জানিয়েছেন শীর্ষ ব্যবসায়ীরা। তাঁদের মতে, বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানায় নতুন করে অর্থায়নের বদলে যেসব কারখানা এখনো টিকে আছে, সেগুলোকে সহায়তা দিলে শিল্প ও কর্মসংস্থান রক্ষা করা সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে এ প্রস্তাব দেন ব্যবসায়ী নেতারা। বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান ব্যবসায়ী নেতা ও বিআইসি সভাপতি আনোয়ারুল আলম চৌধুরী পারভেজ। তিনি বলেন, শিল্প খাত সচল রাখতে কার্যকর মূলধন সহায়তা, ঋণের সুদহার কমানো, পেনাল ইন্টারেস্ট হ্রাস এবং বিদেশি রিফাইন্যান্সিং সুবিধা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।

বৈঠকে এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসাইন ও জসীম উদ্দীন, বিসিআইর সাবেক সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী, মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল, ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান, বিসিএমইএর চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম স্বপন, বিএমএএমএর সভাপতি মতিউর রহমান, বিজিএপিএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ শাহরিয়ার এবং বিসিআইর সহসভাপতি প্রীতি চক্রবর্তীসহ শীর্ষ ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

আনোয়ারুল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, কোভিড-পরবর্তী সময় থেকেই শিল্প খাতে কার্যকর মূলধনের সংকট তৈরি হয়েছে। পরে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া, সুদহার বৃদ্ধি, টাকার অবমূল্যায়ন ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এতে উৎপাদন খাত বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়েছে।

তিনি বলেন, সরকারও মনে করে, অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হলে শিল্প খাত টিকিয়ে রাখতে হবে। সেই বিবেচনা থেকেই বিদ্যমান শিল্পকারখানাগুলো সচল রাখতে বিভিন্ন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা এলসি সীমা–সংক্রান্ত জটিলতা কমানোর দাবি জানান। তাঁদের মতে, যেসব এলসি সীমা অতিক্রম করেছে, সেগুলো আলাদাভাবে ব্লক করে মূল সীমা সচল রাখলে ব্যবসা পরিচালনা সহজ হবে। পাশাপাশি বিদেশি তহবিল ও রিফাইন্যান্সিং সুবিধা বাড়ানোরও প্রস্তাব দেওয়া হয়, যাতে কম সুদে অর্থায়ন পাওয়া যায়।

সুদহার প্রসঙ্গে পারভেজ বলেন, ব্যাংকগুলোর তহবিল ব্যয় ৮ থেকে ১০ শতাংশের বেশি নয়। এরপরও অতিরিক্ত স্প্রেড যোগ করে ঋণের সুদ ১৪ থেকে ১৫ শতাংশে নেওয়া হচ্ছে। সরকার চাইলে এই স্প্রেড কমিয়ে শিল্প খাতকে স্বস্তি দিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ঋণ খেলাপি হওয়ার পর অতিরিক্ত পেনাল ইন্টারেস্ট আরোপ শিল্প খাতের জন্য বড় চাপ তৈরি করছে। শিল্পকারখানাকে শাস্তি না দিয়ে কীভাবে তারা ঋণ পরিশোধে সক্ষম হবে, সেই পরিবেশ তৈরি করা উচিত।

সিআইবি রিপোর্টে ‘গ্রুপ কনসেপ্ট’ নিয়েও আপত্তি তোলেন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের অভিযোগ, একই পরিচালক থাকার কারণে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে গ্রুপ হিসেবে দেখানো হয়। ফলে একটি প্রতিষ্ঠান সমস্যায় পড়লে অন্য ভালো প্রতিষ্ঠানও নেতিবাচক সিআইবি রিপোর্টের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে আলাদাভাবে মূল্যায়নের দাবি জানান তাঁরা।

এমএসএমই খাত নিয়েও গভর্নরের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান পারভেজ। তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়নে অনাগ্রহী। জটিল কমপ্লায়েন্স প্রক্রিয়া সহজ করা, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল চালু এবং স্বল্প সুদে ঋণসুবিধা দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রস্তাবগুলো ইতিবাচকভাবে শুনেছে। গভর্নর জানিয়েছেন, কার্যকর মূলধন, বিদেশি রিফাইন্যান্সিং ও পেনাল ইন্টারেস্টসহ বিভিন্ন বিষয়ে কাজ চলছে এবং শিগগিরই কিছু সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

ব্যবসায়ী নেতা বলেন, একটি শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে গেলে সেটি পুনরায় সচল করা অত্যন্ত কঠিন। তাই যেসব কারখানা এখনো চালু আছে, সেগুলোকে টিকিয়ে রাখতে দ্রুত সহায়তা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, গ্যাস সংকট, গ্যাসের মূল্য ২৮৬ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি, উচ্চ সুদহার ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান সংকটে পড়েছে। শিল্প শুধু ব্যক্তিগত সম্পদ নয়, এটি জাতীয় সম্পদ। তাই সম্ভাবনাময় শিল্পগুলোকে টিকিয়ে রাখতে সরকারের বিশেষ সহায়তা প্রয়োজন।

তহবিল সহায়তা প্রসঙ্গে পারভেজ জানান, রপ্তানি খাতের ক্যাশ ইনসেনটিভের অর্থ এপ্রিল পর্যন্ত ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে গভর্নর জানিয়েছেন। এ ছাড়া গার্মেন্টস খাতের শ্রমিকদের বেতন-সহায়তার প্রয়োজনীয়তা কমে এসেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ‘ইতিবাচক দিকে’ এগোচ্ছে: ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ‘ইতিবাচক দিকে’ এগোচ্ছে: ভারত

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১২ মে) নয়াদিল্লিতে সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছি যে আমরা (ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে একটি ইতিবাচক দিকে নিয়ে যাচ্ছি।’

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সাম্প্রতিক দিল্লি সফর এবং ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা ঢাকা সফরের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে বর্তমান সম্পর্কের গতিপথ এটাই।’

ভারত থেকে পণ্য আমদানির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের কিছু মানুষের প্রতিবাদ এবং পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের খবর সংক্রান্ত একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে চলমান জ্বালানি সংকটের সময় প্রতিবেশী দেশগুলোকে ভারতের সমর্থন বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে ভারত।

তিনি বলেন, ‘আমরা হাই-স্পিড ডিজেল ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ করে আসছি। আমরা বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত অনুরোধও পেয়েছি, যা আমরা পূরণ করেছি এবং তা অব্যাহত রেখেছি।’

অবৈধ অভিবাসনের বিষয়ে ঢাকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে বলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের কথিত মন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে জয়সওয়াল বলেন, বিষয়টি দুই দেশের মধ্যে আলোচনাধীন রয়েছে।

জয়সওয়াল আরও বলেন, ‘আমরা আপনাদের বলেছি যে এটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনার একটি বিষয়।’

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই শুভেন্দু অধিকারী ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।

জয়সওয়াল বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা করাই ভারতের প্রধান অগ্রাধিকার এবং পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তকে কেন্দ্রীয় সরকার সেই প্রেক্ষাপটেই দেখছে।

এসময় মুখপাত্র আরও পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করছেন এমন ২ হাজার ৮৬০ জনেরও বেশি ব্যক্তির জাতীয়তা যাচাইয়ের বিষয়ে ঢাকার জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে নয়াদিল্লি।

সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান চীন সফরে গিয়ে তিস্তা প্রকল্পের কাজে বেইজিংয়ের সহায়তা চেয়েছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিস্তা উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েও ভারতের তীক্ষ্ণ নজরদারির কথা উল্লেখ্য করে জয়সওয়াল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি হিসেবে আমরা আমাদের চারপাশের সমস্ত ঘটনাপ্রবাহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করি। কিন্তু আমি আপনাদের বলতে চাই যে, প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক স্বতন্ত্র’।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সালমান ও আনিসুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২১ জুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
সালমান ও আনিসুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২১ জুন

রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের জন্য আগামী ২১ জুন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

এদিন মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এ জন্য সালমান ও আনিসুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

এসময় আসামিদের আইনজীবী অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ২১ জুন নতুন দিন নির্ধারণ করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, নিউমার্কেট থানার একটি হত্যা মামলার আসামিরা সদরঘাট ২ নম্বর মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে বৈদেশিক মুদ্রা রাখছেন। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককালে আনিসুল হকের কাছ থেকে ১৭ হাজার ৫৯২ মার্কিন ডলার ও ৭২৬ সিঙ্গাপুর ডলার জব্দ করা হয়। অন্যদিকে, সালমান এফ রহমানের কাছ থেকে ১২ হাজার ৬২৪ মার্কিন ডলার, ৬২০ সুইস ফ্রাঙ্ক, ৮ হাজার ৫০০ দিরহাম, ১৩ লাখ উজবেক সোম, ১১ হাজার ৬৫০ সৌদি রিয়াল, ৭৭৯ সিঙ্গাপুর ডলার, ১৫০ ব্রিটিশ পাউন্ড, ১ হাজার ৩২১ ইউরো, ৬ হাজার ২৩০ ভুটানি গুলট্রাম, ৩ হাজার ৩২০ থাই বাথ ও ৫০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় একই বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর নিউমার্কেট থানার এসআই মো. সজীব মিয়া বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর কোতোয়ালি থানার এসআই নুরুজ্জামান তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ট্রাইব্যুনালে নতুন ৩ জন প্রসিকিউটর নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
ট্রাইব্যুনালে নতুন ৩ জন প্রসিকিউটর নিয়োগ

মামলা পরিচালনার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নতুন তিনজন আইনজীবীকে প্রসিকিউটর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের উপ-সলিসিটর মুহম্মদ শাহাদাত হোসেন (জিপি-পিপি) স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনার জন্য হাইকোর্টের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদমর্যাদায় মো. মাগফুর রহমান শেখ, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদমর্যাদায় ড. মোহাম্মদ অলি মিয়া ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদমর্যাদায় ব্যারিস্টার রাফিউল ইসলামকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রসিকিউটর পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।

এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ আছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ