খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ২৯ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

আরও দুই মামলায় খায়রুল হকের জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
আরও দুই মামলায় খায়রুল হকের জামিন

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানার দায়ের করা হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে আপাতত তার কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার (১২ মে) এই আদেশ দেন।

আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু, অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

গত ২৮ এপ্রিল জুলাই আন্দোলনের সময় যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি এবং দুদকের করা ৫ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। হাইকোর্টের জামিন আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে আদালত এ আদেশ দেন।

গত ৮ মার্চ বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল মঞ্জুর করে চার মামলায় জামিন দেন। পরে ১১ মার্চ দুদকের মামলায়ও জামিন পান। এ জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। পরে নিম্ন আদালতে আরও দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ সেই দুই মামলায় তিনি জামিন পেলেন।

গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের বিরুদ্ধে এ মামলা ছাড়াও আরও চারটি মামলা হয়। একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে গত ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীনের মামলা। ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় আরেকটি মামলা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভূঁইয়া।

একই অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় ২৫ আগস্ট আরেকটি মামলা করেন নুরুল ইসলাম মোল্লা। এর আগে ৪ আগস্ট প্লট জালিয়াতিতে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকও একটি মামলা করেছে।

এসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন নামঞ্জুরের পর তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। পরে হাইকোর্ট ৫ মামলায় জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেন।

২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। এরপর তিনবার তিনি আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

মাদক সেবনে জড়িত পুলিশ সদস্যদের কোনো ছাড় নয়: আইজিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
মাদক সেবনে জড়িত পুলিশ সদস্যদের কোনো ছাড় নয়: আইজিপি

বাংলাদেশ পুলিশের কোনো সদস্য যদি মাদক সেবনে জড়িত থাকে এবং সেই মাদক সেবনের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহের তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, ‘মাদক আমাদের যুবসমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তবে পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোন মাদকসেবন বা ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত সম্পৃক্ততার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তাকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে দেখেছেন পুলিশের যে সকল সদস্য মাদকের ব্যবসায় সম্পৃক্ত ছিল তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।’

এসময় তিনি সকল পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘পুরস্কার প্রাপ্তি শুধু একটি স্বীকৃতি নয় এটি দায়িত্ববোধ পেশাগত উৎকর্ষ এবং নেতৃত্বের প্রতি। এই অর্জনগুলো আমাদের আরো দায়িত্বশীল হতে হবে অনুপ্রাণিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি প্রত্যাশা করি, আজ যারা সম্মাননা পাচ্ছেন তারা আগামী দিনে আরো সততা পেশাদারিত্বে সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন এবং অন্যদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।’

আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের প্রত্যেকটি সদস্যকে গত ১৭ বছর পেটোয়া বাহিনীতে পরিণত করা হয়েছিল। ফলে জন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল পুলিশ। তবে সেই জন বিচ্ছিন্ন পুলিশকে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছরে পুলিশ বাহিনীকে একটি পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করার কারণে আমরা যে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে আমরা আমাদের ইমেজকে রি-গেইন করতে পেরেছি এবং আমাদের শৃঙ্খলা ফিরে আসছে।’

আইজিপি পুলিশের উন্নয়নে বেগম খালেদা জিয়া এবং শহীদ জিয়াউর রহমানের অবদান স্বীকার করে বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের প্রত্যেকটি সদস্য অবদান দেশের গণতন্ত্র উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তার পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের পুলিশের উন্নয়নে যে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন, যার কারণে আজকে এই সংগঠিত পুলিশ বাহিনী।’ এসময় তিনি পুলিশ পদক স্থগিত নিয়ে তিনি বলেন, ‘পদক নিয়ে কোনো বিতর্ক নাই৷ যাচাই বাছাই চলছে।’

আইজিপি বলেন, ‘আমি এই পর্যায়ে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি দেশপ্রেমিক সেইসব পুলিশ সদস্যদের যারা মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। এছাড়া শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সেই বিশ্বস্ত পুলিশ সদস্যদের যারা মানুষের কল্যাণে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি।’

কালের আলো/এসআর/এএএন

‘পুশইন’ বিষয়ে বিজিবিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৫:০৯ অপরাহ্ণ
‘পুশইন’ বিষয়ে বিজিবিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করতে হলে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একইসঙ্গে সীমান্ত দিয়ে যেন কোনো ধরনের ‘পুশইন’ না হয়, সে বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, কোরবানির পশুরহাটের নিরাপত্তা ও সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।’

মন্ত্রী জানান, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সরকার নিবিড়ভাবে নজরদারি করছে। যেকোনো নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমেই নেয়া হবে।

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজধানীসহ সারা দেশের কোরবানির পশুরহাটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘কোরবানির সব পশুর হাটেই আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। কোরবানিকে ঘিরে চাঁদাবাজির তথ্য রয়েছে সরকারের কাছে। এগুলো বন্ধে সর্বোচ্চ কঠোর থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।’

চাঁদাবাজি, অতিরিক্ত ইজারা আদায় কিংবা হয়রানির অভিযোগ জানাতে ১৬৬১৩ নম্বরে হটলাইনে ফোন দেওয়ার জন্যও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ঈদ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের জন্য পুলিশ সদরদফতরে বিশেষ সেল গঠন করা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ঈদের আগে সাত দিন এবং ঈদের পর সাত দিন এই মনিটরিং সেল কার্যক্রম চালাবে।’

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়ক, লঞ্চঘাট, রেলস্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতেও বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় মোট ২৬টি কোরবানির পশুরহাট বসবে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৫টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১১টি হাট থাকবে।

তিনি বলেন, এসব হাটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আনসার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন। সিসিটিভি নজরদারি, মোবাইল টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতাও বাড়ানো হবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রানার ফাইফারে পাকিস্তানকে উড়িয়ে মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের জয়

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ
রানার ফাইফারে পাকিস্তানকে উড়িয়ে মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের জয়

পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত এক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আজ শেষ দিনে জয়ের জন্য শান মাসুদদের ২৬৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল টাইগাররা। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের শুরুটা ভালো হয়নি। তবে আব্দুল্লাহ ফজলের ব্যাটে প্রতিরোধ গড়েছিল সফরকারীরা। পাকিস্তানি এই ব্যাটার আউট হন ৬৬ রান করে। এরপর স্বাগতিক বোলারদের তোপের সামনে আর কোনো ব্যাটারই সেভাবে দাঁড়াতে পারেননি। জয়ের জন্য দিনের শেষ সেশনে লিটন দাসদের দরকার ছিল ৭ উইকেট। নাহিদ রানা, তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলামদের তোপের মুখে এই ৭ উইকেট নিয়ে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তান ১৬৩ রানে অলআউট হওয়ায় ১০৪ রানের জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে লিড বাংলাদেশের।

বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪০ রানে ইনিংস ঘোষণা করে ম্যাচে ২৬৭ রানের লিড নেয়। ফলে পাকিস্তানের সামনে জয়ের জন্য ২৬৮ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দাঁড়ায়। প্রথম ওভারেই তাসকিন আহমেদের বলে ইমাম-উল-হক মাত্র ২ রান করে ফিরে যান। লাঞ্চের সময় পাকিস্তানের স্কোর ছিল ১ উইকেটে ৬ রান।

লাঞ্চের পর বাংলাদেশের বোলাররা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। মেহেদী হাসান মিরাজ আজান আওয়াইসকে (১৫) ফিরিয়ে দেন। এরপর নাহিদ রানা অধিনায়ক শান মাসুদকে মাত্র ২ রানে সাজঘরে পাঠান। ৬৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা।

চাপ সামলে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই শুরু করেন আব্দুল্লাহ ফজল ও সালমান আলী আঘা। সাধারণত নিচের দিকে ব্যাট করা সালমানকে এদিন পাঁচ নম্বরে পাঠানো হয়। দুজনেই স্পিনের বিপক্ষে দারুণ খেলে প্রতিরোধ গড়েন। আব্দুল্লাহ ফজল ফিফটি পূর্ণ করেন এবং সালমানও কার্যকরী ব্যাটিংয়ে এগিয়ে যান।

দ্বিতীয় সেশন শেষে পাকিস্তানের ৩ উইকেটে ১১৬ রানের সংগ্রহ ছিল। তবে শেষ সেশনের শুরুতে ৬ বলের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। ৩২.৫ ওভারে আউট হন ফজল। তাইজুলের বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়ে বিদায় নিতে হয় তাকে। এরপর ৩৩ তম ওভারের চতুর্থ বলে তাসকিনের বলে সাদমানকে ক্যাচ দিয়ে আউট হন সালমান।

সালমান ফেরার পর সৌদ শাকিলকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টায় ছিলেন অভিজ্ঞ মোহাম্মদ রিজওয়ান। তবে এ দুজনের চেষ্টা সফল হয়নি। ৩১ রানের জুটি গড়ার পর নাহিদ রানার বলে কট বিহাইন্ড হয়ে সাজঘরের পথ ধরতে হয় শাকিলকে। এরপর রিজওয়ানও ফিরেন রানার বলে বোল্ড হয়ে। এ দুজনের পর পাকিস্তানের বাকি ব্যাটারদের কেউই আর টাইগার বোলারদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত দলীয় ১৬৩ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান। এতে ১০৪ রানের জয়ে সিরিজে ১-০ লিড নিয়েছে টাইগাররা।

কালের আলো/এসআর/এএএন