খুঁজুন
                               
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগগুলো কোটি মানুষের, কোটি পরিবারের সমৃদ্ধি আসবে: উপদেষ্টা মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগগুলো কোটি মানুষের, কোটি পরিবারের সমৃদ্ধি আসবে: উপদেষ্টা মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা  মাহদী আমিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনার মাধ্যমে আগামী কয়েক বছরের ভেতর ধাপে ধাপে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের কোটি কোটি পরিবারের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। কোটি কোটি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। তারা অর্থনৈতিকভাবে, সামাজিকভাবে আরো বেশি ক্ষমতায়িত হবেন। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘ট্রান্সফর্মিং হাইয়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্সি’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া নানা উদ্যোগ তুলে ধরেন মাহদী আমিন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মূখপাত্র বলেন,  শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য শুধুমাত্র সার্টিফিকেট প্রদান করা না। একদিকে যেমন সার্টিফিকেটের গুরুত্ব রয়েছে। ঠিক একইভাবে আমরা চাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমাদের শিক্ষার্থীদের ভেতর সুনাগরিকের গুণাবলি যেন গড়ে ওঠে। যেন তারা তাদের মেধা, মন শীলতা এবং সৃজনশীলতার পাশাপাশি ভ্যালিউস এবং প্রিন্সিপালস টাকে ধারণ করে, যেখানে তারা বাংলাদেশে থেকে গ্লোবাল সিটিজেন হয়ে উঠবেন। তাদের মাঝে সে মোরালিটি থাকবে যেখানে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, সততা এবং নিষ্ঠা আমরা তৈরি করতে পারি।

প্রধানমন্ত্রীর নানা পরিকল্পনার কথা উলে­খ করে মাহদী আমিন বলেন, আসুন আমরা চিন্তা করি আজ থেকে কয়েক বছর পর একদম প্রান্তিক একটি এলাকার। সেখানকার কৃষিনির্ভর একটি পরিবারের কেমন হবে ভবিষ্যৎ? সেই পরিবারের যিনি প্রধান, তিনি একজন বৃদ্ধ কৃষক। তার হাতে একটি কৃষক কার্ড থাকবে। সে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে তিনি নিশ্চিত করবেন যে সরকারি যে ভর্তুকি সরাসরি উনার হাতে পৌঁছে যাচ্ছে, সেচ সার, বীজ, তেল এবং নিত্য প্রয়োজনীয় যে জিনিসগুলো রয়েছে যেগুলো তার কৃষি কাজের সাথে জড়িত সেগুলো স্বল্প খরচে সরকারি প্রণোদনার মাধ্যমে উনার কাছে পৌঁছে যাবে, উনি ওয়েদারের মাধ্যমে ফোরকাস্ট ইউজ করে কৃষিকে মডার্ন টেকনোলজিক্যাল ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে আরো একধাপ এগিয়ে নিতে পারবেন প্রোডাক্টিভিটি; তিনি পাবেন কৃষি ইনসিওরেন্স, তিনি পাবেন কৃষি লোন।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, তিনি যেই কৃষক কার্ড ব্যবহার করছেন সেই কৃষকের স্ত্রীর হয়ত একটা দুরারোগ্য ব্যাধি আছে, সে ব্যাধির জন্য আজকের বাংলাদেশে উনাকে ঢাকায় চলে আসতে হয়, কিন্তু সেই নারীর কাছে যখন পৌঁছে যাবে ই-হেলথ কার্ড। তার মাধ্যমে কিন্তু উনি সেখানে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে লোকাল এরিয়াতেই তার যদি কোন দুরারোগ্য বিধি থাকে সেটার ট্রিটমেন্ট পাবেন। গভর্নমেন্ট স্কিমের মাধ্যমে প্রাইভেট হসপিটাল থেকে বিনা খরচে সেই ট্রিটমেন্টটা আমাদের পরিকল্পনার ভিতরে রয়েছে, যা কার্যগ্রহ করা হবে হেলথ কার্ডের মাধ্যমে। সেই পরিবারে যদি তিনজন সন্তান থাকে আমরা দেখতে পারি একজন সন্তান হয়ত একটা মসজিদের ইমাম সাহেব তার জন্য থাকবে সম্মানী ভাতা। তার রেগুলার যে উপার্জন আছে তার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় খরচে তিনি একটি সম্মানই পাবেন। দ্বিতীয় যে সন্তান তিনি হয়ত একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। তিনি হতে পারেন একটা স্কুলের শিক্ষক। যদি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক হন আজকের বাংলাদেশে হয়ত তার সেরকম সামাজিক মর্যাদা নাই। কিন্তু তার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ স্কিম রয়েছে। সেখানে একটা ট্যাবলেট কম্পিউটারের মাধ্যমে তার ট্রেনিং আরো বাড়বে। তিনি ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডের ট্রেনিং দিতে পারবেন কারিকুলাম হয়ে যাবে ডিজিটাল । সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব করা হচ্ছে পাবলিক স্কুলের প্রাইমারি স্কুলের টিচারদের উপরে কোয়ালিটি বাড়ানোর জন্য, তাদের সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর জন্য তার মাধ্যমে তার ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।

তিনি আরও বলেন, সেই পরিবারে হয়ত একজন সন্তান রয়েছেন যিনি বর্তমানে কর্মদক্ষতা থাকার পরও বেকারত্বে পড়েছেন। কারণ তিনি যে ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন সেটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আগামী বেশ কয়েক বছরের ভিতর যখন পর্যায়ক্রমে প্রতিটি চিনি কল প্রতিটি পাটকল এবং প্রতিটি পাটজাত পণ্যের যে-সব রিলেটেড ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে খোলা হবে, সেখানে কিন্তু তার মত লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে। সেই পরিবারে একজন বোন আছেন যে বোন হয়ত বর্তমান সময়ে বিশেষভাবে সরকারি কোন প্রণদানা পাচ্ছেন না, সরকারের কোন ইনভেস্টমেন্ট পাচ্ছেন না, উদ্যোক্তা হওয়ার পরও প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা যে সেই বোনের জন্য কিন্তু আমরা খুব স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করে দিতে পারি, যার মাধ্যমে তিনি স্বনির্ভর হয়ে উঠবেন। সেই তিন ভাইয়ের প্রতিটি ভাইয়ের স্ত্রীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড নিশ্চিত করা হবে। আর সেই ফ্যামিলি কার্ডে যে অর্থ পাবেন তার মাধ্যমে প্রতিটি নারী সামাজিকভাবে পারিবারিকভাবে যেন আরো ক্ষমতায়িত হবেন।

মাহদী আমিন বলেন, ঠিক একই সাথে তাদের সন্তানদের স্বাস্থ্য শিক্ষা খাতে আরো বেশি বিনিয়োগ করতে পারবেন সেই সঞ্চিত অর্থের মাধ্যমে। যে বোন রয়েছেন তার হাজবেন্ড হচ্ছে আজকে বাংলাদেশে বিদেশে থেকে সহজে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারেন না বৈধ উপায়ে, আমাদের যে প্রবাসী কার্ড রয়েছ্ েতার মাধ্যমে সেই স্বামী তার স্ত্রীর জন্য রেমিট্যান্স বৈধ উপায় পাঠাতে পারবেন। দেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাবে, তার পরিবারেও অর্থনৈতিক সংযুক্তির মাধ্যমে সমৃদ্ধি আরো ত্বরান্বিত হবে। সেই পরিবারে যারা সন্তানেরা রয়েছেন তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন, যখন ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হবেন তারা প্রত্যেকে নতুন ব্যাগ পাবে, জুতা পাবে, নতুন স্কুল ড্রেস পাবে, যার মাধ্যমে দেখা যাবে যে উৎসাহ উদ্দীপনার মাধ্যমে স্কুলে অ্যাডমিশনের রেট অনেকটুকু বেড়ে যাবে। তাদের প্রত্যেকের “মিড ডে মিল” নিশ্চিত হবে, যার মাধ্যমে পুষ্টিগতভাবে প্রতিটা শিক্ষার্থী যেন হাইজিন পায়, যেন প্রপার ফুড পায় সেটা নিশ্চিত করা হবে।

ভবিষ্যত শিক্ষা ব্যবস্থার কথা উলে­খ করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থা মাপ্রধানমন্ত্রী গড়ে তুলতে চাচ্ছেন, তার অংশ হিসেবে সেই পরিবারের প্রতিটি সদস্যের জন্য সুযোগ থাকবে। তারা বাংলাদেশে বসে বিশ্ব নাগরিক হয়ে উঠবে। কেউ আরাবি ভাষা শিখবে, কেউ ফ্রেঞ্চ ভাষা শিখবে, কেউ ম্যান্দারিন ভাষা শিখবে। তাদের মাঝে কেউ গার্লস গাইডের সাথে সম্পৃক্ত হবে। কেউ স্কাউট রোভারের সাথে থাকবে, কেউ বিওসির সাথে থাকবে, আমাদের যে ‘ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান ট্রি’ প্রোগ্রাম রয়েছে, খালখানন কর্মসূচি রয়েছে প্রতিটিতে, তারা এই এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিজ এর মাধ্যমে সম্পৃক্ত হবে, সেই পরিবারের যারা স্কুলের পাশাপাশি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা করছে, তাদের জন্য আমরা সেই ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে চাই, যেখানে যে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, সে পলিসি সাপোর্ট পাবে, তার যে কন্টেন্ট সেটি সারা বিশ্বে এসে তুলে ধরতে পারবে, পেপালের মাধ্যমে পেমেন্ট পাবে। সেখানে ইনোভেশন গ্র্যান্ড কম্পিটিশন থাকবে, যারা ভালো করবে, সে ইউনিভার্সিটিতে যে শিক্ষার্থী পড়ছে তার পাশেই হাইটেক পার্ক বা বেসিককে তার জন্য কাজের ব্যবস্থা করা হবে। ইন্ডাস্ট্রি অ্যাকাডেমিক কোলাবরেশন তৈরি করা হবে।

তিনি বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য থাকবে শিক্ষাব্যবস্থায় ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিক কোলাবোরেশন যেন বাড়ানো হয়। প্রত্যেকটি ইউনিভার্সিটি এবং তার পাশাপাশি যে-সব কলেজ রয়েছে সেখানে লোকাল যে প্রফেশনাল ইনস্টিটিউট রয়েছে, লোকাল যে বিজনেস রয়েছে, লোকাল যে ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে, তার সাথে একটা লিংকেজ তৈরি করতে হবে। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হয়েছে কারিকুলামটাকে কীভাবে ডেভেলপ করি, যার সাথে ট্রেনিং, প্রাক্টিক্যাল আরো বেশি সংযুক্তি আমরা তৈরি করতে পারি। আমাদের এডুকেশন সিস্টেমের এক্সট্রাকটিভিটি হবে কীভাবে আমরা টিমওয়ার্ক ডেভেলপ করতে পারি, ইন্টারপার্সন স্কিল এবং ট্রান্সফার স্কিল ডেভেলপ করতে পারি, সেগুলোকে প্রাধান্য দিতে হবে।

প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ধীরে ধীরে ল্যাংগুয়েজ সেন্টার ওপেন করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা বিষয়ক এই উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী সবচেয়ে বেশি আলোচিত যেটি বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে বিদেশে সমাদৃত হচ্ছে সে দুটি স্কিম হচ্ছে থার্ড ল্যাংগুয়েজ ইন্ট্রোডিউস করা এবং টেকনিক্যাল এবং ভোকেশনাল এডুকেশনকে প্রায়োরিটি করা। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা চাই আপনারা ধীরে ধীরে ল্যাংগুয়েজ সেন্টার ওপেন করুন। টেকনিক্যাল এবং ভোকেশনাল এডুকেশনের কোর্স ইন্ট্রোডিউস করুন। আমাদের মূল লক্ষ্য লক্ষ থাকবে ব্রেন ড্রেনকে ব্রেন সার্কুলেশনে রূপান্তর করা। অনেক বাংলাদেশের মেধাবী মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় উনারা পড়াচ্ছেন গবেষণা করছেন। আমরা চাইলেই একটা ইকোসিস্টেম তৈরি করতে পারি যেখানে উনারা অন্ততপক্ষে বছরে একবার এসে সামার স্কুলে ক্লাস নিতে পারেন। রিসার্চ কোলাবোরেশন বাড়াতে পারেন। একজন ফ্যাকাল্টির মতন করে কাজ করতে পারেন। আমাদের অনেক প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি রয়েছে। সেখানে হয়ত গুণগত মানের আরো বৃদ্ধির প্রয়োজন। যেমন পাবলিক ইউনিভার্সিটির ক্ষেত্রে কীভাবে আমরা আমাদের গুণগত মান বৃদ্ধি করতে পারি। কীভাবে আমরা র্যাংকিং এ বাংলাদেশের টপ ইউনিভার্সিটি গুলোকে আরো একটু সামনের দিকে নিয়ে আসতে পারি, যেন বিশ্ব মানচিত্রে শিক্ষা ক্ষেত্রে আমরা একটি গৌরবের অবস্থায় থাকি।

কালের আলো/এম/এএইচ

দুবাই পুলিশের হাতে যেভাবে ধরা পড়লেন বেনজীর আহমেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
দুবাই পুলিশের হাতে যেভাবে ধরা পড়লেন বেনজীর আহমেদ

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই সিটি পুলিশ। মূলত, দীর্ঘদিন লোকচক্ষুর আড়ালে থাকার পর সম্প্রতি লন্ডন থেকে বের হওয়ার সিদ্ধান্তই কাল হয়েছে তার জন্য।

দুবাই পুলিশের হাতে বাংলাদেশের সাবেক এই আইজিপির ধরা পড়ার চাঞ্চল্যকর এক কাহিনী জানা গেছে পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে।

সূত্রমতে, লন্ডন থেকে এশিয়ার একটি দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। পরিকল্পনা ছিল দুবাইয়ে ট্রানজিট শেষে গন্তব্যে পৌঁছানোর। তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ক্যামেরায় ধরা পড়ে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরই হয়ে যায় তার যাত্রার শেষ গন্তব্য।

বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক এআইভিত্তিক ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তিতে শনাক্ত হওয়ার পর ইন্টারপোলের তথ্যভান্ডার মিলিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে দুবাই পুলিশ।

দুবাই পুলিশের বরাতে বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি বেনজীর আহমেদ লন্ডন থেকে সিঙ্গাপুর বা থাইল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হন। নির্ধারিত ফ্লাইটে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ট্রানজিটে নামার পর অন্য যাত্রীর মতোই ইমিগ্রেশন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় আসেন তিনি।

পুলিশের ওই কর্মকর্তার দাবি, বিমানবন্দরের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ক্যামেরা তার মুখমণ্ডল স্ক্যান করে। স্ক্যানের তথ্য আন্তর্জাতিক অপরাধীদের তথ্যভান্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হলে বেনজীর আহমেদের নামে থাকা ইন্টারপোল সতর্কতা সংকেত (নোটিশ) সামনে আসে। এরপর দুবাই পুলিশের ইন্টারপোল সমন্বয় শাখা বিষয়টি যাচাই করে এবং কিছু সময়ের মধ্যেই তাকে আটক করে। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

যদিও দুবাই পুলিশ, ইন্টারপোল বা বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

তবে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ রোববার (১৪ জুন) বিকেলে সংসদ অধিবেশনের শুরুতে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি অবগত করেন।

তিনি জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ শুরু করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) ঢাকা কর্তৃক ইন্টারপোলে আবেদন করা হয়। গত ১১ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে এটি পাঠানো হয়েছিল এবং আমরা বিষয়টি মনিটর করেছি। ইন্টারপোল ২০২৫/২৩৯ নম্বর ফাইল ও ৫৭৪/২০২৫ কন্ট্রোল নম্বরের মাধ্যমে বেনজীর আহমেদের প্রতি রেড নোটিশ জারি করে। ওই রেড নোটিশের মাধ্যমে ইন্টারপোল কর্তৃক সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অনুরোধ করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ, ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) আবুধাবি থেকে পাঠানো একটি ই-মেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হয়েছে যে, দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে এবং তিনি বর্তমানে সেখানে আটক রয়েছেন।

একসময় দেশের সবচেয়ে ক্ষমতাধর পুলিশ কর্মকর্তাদের একজন ছিলেন বেনজীর আহমেদ। ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি পুলিশের মহাপরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে, তিনি র‍্যাবের মহাপরিচালক ও ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

২০২৪ সালের শুরুতে তার বিপুল সম্পদ নিয়ে জাতীয় গণমাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে। পরে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই সময়ে হাইকোর্টও অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

অনুসন্ধানে বেনজীর, তার স্ত্রী ও সন্তানদের নামে বিপুল পরিমাণ জমি, ফ্ল্যাট, কোম্পানির শেয়ার এবং ব্যাংক হিসাবের তথ্য পায় দুদক। আদালতের আদেশে বিভিন্ন সময়ে শত শত বিঘা জমি, একাধিক ফ্ল্যাট, কোম্পানির শেয়ার এবং ব্যাংক হিসাব জব্দ বা অবরুদ্ধ করা হয়।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের হিসাব গোপন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা হয়। ২০২৬ সালের ৮ মার্চ ঢাকার একটি আদালত বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এ সময় তাকে বিদেশে অবস্থানরত উল্লেখ করে ইন্টারপোলের মাধ্যমে পরোয়ানা কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই পুলিশ বেনজীরকে গ্রেপ্তার করে।

২০২৪ সালের ৪ মে স্ত্রী ও মেয়েদের নিয়ে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি। তবে, সেদিন তিনি কোন দেশে গিয়েছিলেন সে ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানা যায়নি। এরপর থেকে লোকচক্ষুর আড়ালে রয়েছেন সাবেক এ আইজিপি।

বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের এপ্রিলে আইজিপির দায়িত্ব পান। ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ এই পদে বহাল ছিলেন তিনি। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র‍্যাবের সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময় র‌্যাবের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের পাশাপাশি এই বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তারাও নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিলেন, যার মধ্যে বেনজীর আহমেদের নামও ছিল।

কালের আলো/এসএকে

বেনজীর গ্রেফতার, পরীমনি কেন আনন্দিত

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
বেনজীর গ্রেফতার, পরীমনি কেন আনন্দিত

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেফতার হয়েছেন। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী পরীমনিও।

রোববার (১৪ জুন) পরীমনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বেনজীর আহমেদের গ্রেফতারের খবর সংবলিত একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে মাত্র একটি শব্দ লিখেই নিজের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন তিনি। পোস্টের ক্যাপশনে পরীমনি লিখেছেন, ‘মজা।’ এমন খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

কেন? ধারণা করা হচ্ছে বোটক্লাব সম্পৃক্ত মামলায় বেনজীর আহমেদের যোগ রয়েছে। সাবেক এই পুলিশ প্রধানের বিরুদ্ধে প্রায় এক দশক অবৈধভাবে ক্লাবের সভাপতির পদ দখল করে ৩২ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি পরীমনির নামে মামলা ও তার কারাবাসের পেছনেও তার হাত রয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।

তবে বোটক্লাবের তৎকালীন সভাপতি নাসির মাহমুদ এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছিলেন, সাবেক আইজিপি ও ঢাকা বোটক্লাবের সাবেক প্রেসিডেন্ট বেনজীর আহমেদের সঙ্গে অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ওই সময় তিনি জানান, বেনজীর অবৈধভাবে বিনাভোটে বোটক্লাবের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা একটি মামলার প্রেক্ষাপটে ইন্টারপোলের সহযোগিতায় সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে চিঠির মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপনসহ একাধিক অভিযোগে মামলা রয়েছে। এর আগে তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ এবং ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত।

তবে গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া কিংবা তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

উনি বর্ণবাদী আচরণ করেছেন, এই ধরনের হীন বক্তব্য অমার্জনীয় অপরাধ : সংসদে বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
উনি বর্ণবাদী আচরণ করেছেন, এই ধরনের হীন বক্তব্য অমার্জনীয় অপরাধ : সংসদে বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ

জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতার স্ত্রীকে নিয়ে কটাক্ষ এবং নারী সংসদ সদস্যদের পোশাক ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সংসদ অধিবেশন। সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর দেওয়া এমন বক্তব্যকে অমার্জনীয় অপরাধ ও বর্ণবাদী আচরণ বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম।

রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। তবে এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ ও নিয়মকানুন নিয়ে তর্ক-বিতর্ক তৈরি হয়।

ঘটনার সূত্রপাত হয় মনিরুল হক চৌধুরীর একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে, যা নিয়ে তীব্র আপত্তি তোলেন বিরোধীদলীয় হুইপ। স্পিকারের কাছে দুই মিনিট সময় চেয়ে নিয়ে হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, মনিরুল হক চৌধুরী বিভিন্ন সময় সংসদে সূক্ষ্ম রসবোধ ও ইতিহাস চেতনা নিয়ে বক্তব্য দিলেও আজকের বক্তব্যে তিনি সমস্ত সংসদীয় রীতিনীতি এবং সাংবিধানিক অধিকারের সীমা লঙ্ঘন করেছেন। তিনি প্রথমত বিরোধীদলীয় উপনেতার স্ত্রীকে নিয়ে ব্যক্তিগত ইতিহাসের দোহাই দিয়ে কটাক্ষ করেছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দ্বিতীয়ত, তিনি বিরোধী দলের নারী সংসদ সদস্যদের পোশাক নিয়ে কথা বলে তাদের ধর্মীয় ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হরণ করেছেন। এই ধরনের বক্তব্যকে হীন মানসিকতা ও বর্ণবাদী আচরণের বহিঃপ্রকাশ। ভবিষ্যতে কোনো সংসদ সদস্য যেন পবিত্র সংসদে দাঁড়িয়ে এমন বক্তব্য না দেন সে বিষয়ে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জবাবে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জানান, মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের সেই বিতর্কিত ও সংসদীয় রীতিনীতি বহির্ভূত অংশটুকু ইতোমধ্যে এক্সপাঞ্জ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে স্পিকার সংসদে উপস্থিত সব সংসদ সদস্যের উদ্দেশ্যে একটি রুলিং জারি করে বলেন, সংসদে বসে কেউ কারো ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলতে পারবেন না এবং সবাইকে সংসদের মর্যাদা ও নিজস্ব ডিগনিটি বজায় রাখতে হবে। এরপর স্পিকার মনিরুল হক চৌধুরীকে ৩০২ ধারায় একটি নোটিশ দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তা বিবেচনা করার আশ্বাস দেন।

ঠিক এই সময়ে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এবং পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি স্পিকারের কাছে দুই মিনিট সময় চেয়ে মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের পক্ষে কথা বলার চেষ্টা করেন। তিনি যুক্তি দেখান, সংসদে পক্ষ-বিপক্ষে অনেক সময় হাসি-ঠাট্টা ও রসাত্মক আলোচনা হয়েই থাকে। এর উদাহরণ হিসেবে তিনি গত পরশুদিন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীর দেওয়া বিয়ের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সেখানে যদি এক্সপাঞ্জ করার মতো কিছু না ঘটে, তবে মনিরুল হক চৌধুরীর এই বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

তিনি দাবি করেন, মনিরুল হক চৌধুরী নির্দিষ্ট করে কাউকে আঘাত করে কোনো কথা বলেননি।

এসময় স্পিকার সরাসরি তাকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, সংসদের সভাপতি বা স্পিকারের আসন থেকে যখন একবার এক্সপাঞ্জ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, তখন সেটা নিয়ে নতুন করে জাস্টিফাই করার কোনো সুযোগ নেই। স্পিকার তাকে অন্য কোনো বিষয়ে কথা বলতে অথবা নিজের আসনে বসে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিলে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি স্পিকারের কাছে এক মিনিট সময় চেয়ে কথা বলেন। চিফ হুইপ যুক্তি দেন, সংসদে প্রতিটি সদস্যের নিজস্ব অধিকার রয়েছে। ২৭৪ বিধি অনুযায়ী কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ বা নাম উল্লেখ করে কথা বলা হলে, তার ব্যক্তিগত কৈফিয়ত দেওয়ার অধিকার থাকে। যেহেতু মনিরুল হক চৌধুরীর নাম জড়িয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তাই চিফ হুইপ স্পিকারের কাছে অনুরোধ জানান যেন মনিরুল হক চৌধুরীকে তার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার জন্য মাইক দেওয়া হোক।

চিফ হুইপের এই অনুরোধের প্রেক্ষিতে স্পিকার পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং জানান যে তিনি যথাসময়ে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেবেন। এরপর স্পিকার সংসদ সদস্যদের এই বিতর্কিত বিষয়টি বন্ধ করে মূল বাজেট আলোচনায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।

কালের আলো/এসএকে