খুঁজুন
                               
শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ২৬ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

বিশ্বকাপ টিকিটের দাম তিনগুণ বাড়ালো ফিফা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
বিশ্বকাপ টিকিটের দাম তিনগুণ বাড়ালো ফিফা

Oplus_131072

আগামী ১১ জুন মাঠে গড়াবে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ। ৪৮ দলের এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। আর এই ফাইনালের টিকিট বিক্রি শুরু করেছে ফিফা। কিন্তু হঠাৎ টিকিটের দাম তিনগুণ বাড়িয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) ফাইনালের জন্য ৩২,৯৭০ ডলারের টিকিট বিক্রির জন্য তোলা হয়। এর আগে একই ক্যাটাগরির সর্বোচ্চ দাম ছিল ১০,৯৯০ ডলার। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন কংগ্রেসের দুই সদস্য নেলি পু ও ফ্র্যাংক পালোনি জুনিয়র ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনোকে চিঠি দিয়েছেন।

তারা লিখেছেন, আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন যে ফিফা অস্বচ্ছ মূল্য নির্ধারণ, নিয়ম পরিবর্তন এবং সম্ভাব্য বিভ্রান্তিমূলক পদ্ধতি ব্যবহার করছে, যা ভক্তদের জন্য টিকিট পাওয়া কঠিন করে তুলছে।

ইনফান্তিনো আগেই বলেছিলেন, আমাদের বাজারের দাম ধরতে হবে। আমেরিকায় টিকিট রিসেল করা বৈধ। কম দামে দিলে সেগুলো আরও বেশি দামে বিক্রি হবে।’

তিনি এটাও বলেছিলেন, আমেরিকায় কলেজের একটি খেলা দেখতেও ৩০০ ডলারের কম লাগে না। তবে বাস্তবে এনবিএ প্লেঅফসহ বিভিন্ন খেলার টিকিট নিয়মিতভাবে ৩০০ ডলারের কমে পাওয়া যাচ্ছে।

ফিফার রিসেল মার্কেটে পরিস্থিতি আরও উদ্ভট। সেখানে ফাইনালের একটি টিকিট ১ কোটি ১৫ লাখ ডলারেও তোলা আছে। উপরের দিকের একটি সাধারণ আসনের জন্য এই দাম চাওয়া হচ্ছে। ফিফা এই দামের নিয়ন্ত্রণ করে না, তবে প্রতিটি টিকিট কেনা ও বেচার সময় ১৫ শতাংশ করে ফি নেয়।

অন্যান্য ম্যাচের টিকিটের দামও কম নয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ম্যাচ প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ১২ জুনের টিকিট সর্বনিম্ন ১,১২০ ডলার থেকে শুরু। সেমিফাইনালের টিকিট ২,৭০৫ থেকে ১১,১৩০ ডলার পর্যন্ত।

এর আগে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে যাওয়ার ট্রেনের ভাড়া নিয়েও বিতর্ক হয়েছে। প্রথমে রাউন্ড ট্রিপ ভাড়া ১৫০ ডলার ধরা হয়েছিল। নিউজার্সির গভর্নর চাপ দেওয়ার পর তা কমিয়ে ১০৫ ডলার করা হয়েছে। তবুও এটা স্বাভাবিক ভাড়া ১৩ ডলারের তুলনায় অনেক বেশি।

মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মোট আটটি বিশ্বকাপ ম্যাচ হবে। ব্রাজিল, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইংল্যান্ডের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ ১৩ জুন থেকে শুরু হবে।

কালের আলো/এসএকে

রাজশাহীতে চাহিদার তুলনায়  প্রায় এক লাখ বেশি কোরবানির পশু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৩:২২ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে চাহিদার তুলনায়  প্রায় এক লাখ বেশি কোরবানির পশু

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজশাহীতে কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস। তাদের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এবার মোট কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা ৪ লাখ ৬৩ হাজার ১১টি। বিপরীতে সম্ভাব্য চাহিদা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭১ হাজার ৫৮টি। সে হিসেবে চাহিদার তুলনায় প্রায় ৯১ হাজার ৯৫৩টি পশু বেশি রয়েছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ অবস্থায় ঈদকে কেন্দ্র করে কোরবানির পশুর সরবরাহে কোনো সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই।জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা পশুর মধ্যে রয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৮৪১টি গরু, ৩ হাজার ৪২৫টি মহিষ, ৩ লাখ ১১ হাজার ৩৩৯টি ছাগল এবং ৪৩ হাজার ৪০৬টি ভেড়া। সংখ্যার হিসাবে সবচেয়ে বেশি রয়েছে ছাগল। এরপর রয়েছে গরু, ভেড়া ও মহিষ।একসময় সীমান্তবর্তী রাজশাহী অঞ্চলের কোরবানির হাটগুলোতে ভারতীয় গরুর ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। বছরের পর বছর ভারত থেকে গরু আসায় স্থানীয়ভাবে গরু-ছাগল পালনে আগ্রহ কমে গিয়েছিল অনেকের। তবে গত কয়েক বছরে সীমান্তে বিজিবির কঠোর নজরদারির কারণে ভারতীয় গরুর প্রবেশ বন্ধ হওয়ায় আবারও স্থানীয় খামারিদের আগ্রহ বেড়েছে।বর্তমানে রাজশাহী বিভাগের প্রায় সব জেলাতেই বাড়িভিত্তিক ও বাণিজ্যিকভাবে গরু-ছাগল পালন করা হচ্ছে। অনেকে নতুন করে খামার গড়ে তুলেছেন। ফলে কোরবানির জন্য বাইরের পশুর ওপর নির্ভরশীলতা প্রায় নেই বললেই চলে। একই সঙ্গে বেড়েছে কর্মসংস্থানের সুযোগও।খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদকে সামনে রেখে কয়েক মাস ধরেই তারা পশু মোটাতাজাকরণ, পরিচর্যা ও বাজারজাতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এবার প্রাকৃতিক উপায়ে পশু লালন-পালনে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তারা।রাজশাহীর পবা উপজেলার খামারি আবদুল কাদের বলেন, “এবার আমরা আগেভাগেই প্রস্তুতি নিয়েছি। দেশীয় পদ্ধতিতে পশু পালন করেছি। খরচও বেড়েছে। তাই বাজারে যেন ন্যায্যমূল্য পাই, সেটাই প্রত্যাশা।”আরেক খামারি বাপ্পি ইসলাম বলেন, “আমাদের বাড়িতেই এখন ছোট পরিসরে খামারের মতো করে পশু পালন হয়। কোরবানির হাটকে সামনে রেখে ছয় মাস আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছি। এবার আমার ছয়টি ষাঁড় গরু রয়েছে। গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় কিছুটা দুশ্চিন্তা ছিল। তবে আশা করছি ভালো দাম পাব।”মোহনপুর উপজেলার খামারি সেলিনা বেগম বলেন, “হাটে ছোট আকারের পশুর চাহিদা বেশি থাকে। তাই গরুর পাশাপাশি ছাগল ও ভেড়াও পালন করেছি। আমার দুটি গরু ও সাতটি ছাগল রয়েছে। এগুলো কোরবানির জন্য প্রস্তুত করছি।”দুর্গাপুর উপজেলার খামারি রাফিউল বলেন, “আমরা কোরবানিকে কেন্দ্র করেই গরু লালন-পালন করি। আমাদের প্রত্যাশা, পশুর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে। সরকারের কাছে অনুরোধ থাকবে, যেন আগের বছরের মতো এবারও ভারতীয় গরু দেশে প্রবেশ করতে না পারে। তাহলে দেশীয় খামারিরা লাভবান হবেন।”এদিকে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এবার রাজশাহী অঞ্চলে পশুর উৎপাদন সন্তোষজনক। খামারিদের প্রশিক্ষণ, রোগ প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি এবং পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করা হয়েছে। ফলে বাজারে সুস্থ ও নিরাপদ পশু সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।

রাজশাহী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আতোয়ার রহমান বলেন, “গত কয়েক বছর ধরেই রাজশাহীতে দেশীয় পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা পূরণ হচ্ছে। এবারও চাহিদার তুলনায় বাড়তি পশু রয়েছে, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হবে। খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ ও পশুচিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। আশা করছি, এবার এই অঞ্চলের খামারিরা ভালো লাভবান হবেন।”

কালের আলো/এসআইপি

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা করে রাজ্যটির প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

শনিবার (৯ মে) সকালে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে তিনি শপথ গ্রহণ করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজ্যপাল আর এন রবি নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। সম্প্রতি সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে বিশাল জয় পায় বিজেপি। এই জয়ের মধ্য দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে।

এক সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল কংগ্রেসের উত্থান ও দীর্ঘ শাসনামলে মমতার অন্যতম প্রধান সহযোদ্ধা হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। তবে সময়ের পালাবদলে আজ সেই নেত্রীর ছেড়ে যাওয়া আসনেই বসলেন এক সময়ের এই অনুগত নেতা।

শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম মন্ত্রিসভায় বেশ কয়েকজন পরিচিত ও প্রভাবশালী মুখ স্থান পেয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিক, ক্ষুদিরাম টুডু ও অশোক কীর্তনিয়া।

উল্লেখ্য, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে অপ্রতিরোধ্য শক্তি হয়ে উঠছিলেন, তখন শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন তার অন্যতম সেনাপতি। তবে গত কয়েক বছরে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যাওয়ায় তিনি বিজেপিতে যোগ দেন এবং শেষ পর্যন্ত দলটিকে ক্ষমতায় বসিয়ে নিজে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন।

কালের আলো/এসএকে

গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আশার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ২:২৫ অপরাহ্ণ
গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আশার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর

Oplus_131072

গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই সঙ্গে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বিএনপির নেতাকর্মীদের সহায়তা চেয়েছেন তিনি।

শনিবার (৯ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমার এমন একটা দেশ তৈরি করতে চাই, যেই দেশে শিক্ষার্থী সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে, নারী-পুরুষ নিরাপদে রাস্তায় চলাচল করতে পারবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিএনপি নেতাকর্মীরা নির্যাতিত এবং গুম খুনের শিকার হচ্ছিলো তখন বিএনপি চেয়েছিল দেশে এমন একটি পরিবেশ তৈরি হোক যেখানে তর্ক-বিতর্ক থাকবে, কথা বলার সুযোগ থাকবে, কিন্তু এরকম পরিস্থিতি তৈরি হবে না।

বিএনপির ইশতেহার এখন মানুষের ইশতেহার হয়ে গেছে— যা বাস্তবায়ন করা প্রধান কাজ বলেও জানান সরকারপ্রধান।

তারেক রহমান বলেন, ভোটের আগে জনসাধারণকে দেয়া অঙ্গীকার মোতাবেক, এমন একটি দেশ তৈরি করতে চায় বিএনপি সরকার যেখানে শিক্ষার্থীরা শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ পাবে। নির্বাচনের আগে দেয়া বিএনপির ইশতেহার নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের মানুষের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে। দেশের মানুষ এই ইশতেহারের পক্ষে রায় দিয়েছে।

মূলত, বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মহানগর ও জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতারাও।

আন্দোলনের পর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতারা এমপি-মন্ত্রী হওয়ায় কার্যত থেমে গেছে দলটির দলীয় কার্যক্রম। তাই দলকে রাজপথে সক্রিয় করার লক্ষ্যে রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটের তিন সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন তারেক রহমান।

এ সময় বিগত ফ্যাসিস্ট আমলের রাজনীতি পুনরায় ফিরিয়ে না আনার আহ্বান জানান বিএনপি চেয়ারম্যান। জানান, গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

কালের আলো/এসএকে