খুঁজুন
                               
, ,
           

রাজশাহীতে রাষ্ট্রীয় সফরে দুই মন্ত্রী, বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে রাষ্ট্রীয় সফরে দুই মন্ত্রী, বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা
 রাজশাহী প্রতিবেদক
রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু শুক্রবার সকালে রাজশাহীতে পৌঁছেছেন। সকাল ৮টায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তাঁরা শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে অবতরণ করলে সেখানে তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।
বিমানবন্দরে দুই মন্ত্রীকে স্বাগত জানান পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. শফিকুল হক মিলন। এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতিকালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি শফিকুল হক মিলনের কাছ থেকে শাহ মখদুম বিমানবন্দরের বর্তমান অবস্থা, সম্ভাব্য উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং পবা-মোহনপুর নির্বাচনী এলাকার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের খোঁজখবর নেন। এ সময় স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা ও জনসেবামূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

পরে মন্ত্রীদ্বয় সড়কপথে নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার পতিসরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সেখানে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মোৎসব ও রবীন্দ্র মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে।
সফরকালে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী নওগাঁ জেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই) বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন ও পর্যালোচনা করবেন বলে জানা গেছে।

এ সময় বিমানবন্দরে আরও উপস্থিত ছিলেন নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, জেলা প্রশাসক কাজী শহীদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ঈশা, পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনুল আবেদীনসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
সরকারি কর্মসূচি শেষে শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী পুনরায় শাহ মখদুম বিমানবন্দরে উপস্থিত হবেন এবং সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/এসআইপি

ভারী বৃষ্টিতে কক্সবাজারে পাহাড়ধসে নিহত বেড়ে ১৯

কক্সবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
ভারী বৃষ্টিতে কক্সবাজারে পাহাড়ধসে নিহত বেড়ে ১৯

টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে কক্সবাজারে একের পর এক পাহাড়ধস ও বাড়ির দেয়াল ধসের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৪ জন রোহিঙ্গা এবং পাঁচজন স্থানীয় বাসিন্দা।

পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিস ইনতেসার নাফি জানান, টানা মুষলধারে ও থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। কক্সবাজার শহরের কলাতলীর হাজীপাড়াসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলছে। অনেকেই প্রথমে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনাগ্রহ দেখালেও তাদের বুঝিয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে যেতে প্রশাসন ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার সব আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবকরা মাঠে কাজ করছেন।

তিনি জানান, স্থানীয় ও রোহিঙ্গা মিলিয়ে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তিনি সবাইকে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থান না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনায় ফায়ার সার্ভিস প্রস্তুত রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

রাজশাহীতে কেক খাওয়ানোর প্রলোভনে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণ

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে কেক খাওয়ানোর প্রলোভনে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণ

রাজশাহীর চারঘাটে কেক খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রথম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক শিশু শিক্ষার্থীকে (৭) জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে। বুধবার (৮ জুলাই) বেলা আড়াইটার দিকে চারঘাট স্লুইসগেট সংলগ্ন হঠাৎপাড়া এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত যুবকের নাম শ্রী দেব (২১)। সে ওই এলাকার শ্রী জয়ের ছেলে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত দেব পলাতক রয়েছে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম শিশুটি চারঘাট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। বুধবার  দুপুরে তার মা তাকে গোসল করানোর জন্য খোঁজাখুঁজি করছিলেন। একপর্যায়ে তিনি প্রতিবেশী দেবের বাড়ির বারান্দায় শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে দেখেন।

কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলে শিশুটি তার মাকে জানায়, বাড়িতে কেউ না থাকার সুবাদে দেব তাকে কেক খাওয়ানোর কথা বলে ঘরের ভেতর ডেকে নিয়ে যায়। এরপর ঘরের দরজা বন্ধ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। শিশুটির মায়ের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত দেব কৌশলে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর পরই স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বর্তমানে শিশুটি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এই বিষয়ে চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক বলেন, ঘটনাটি জানার পর পরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত কার্যক্রম চলমান আছে।

এ ঘটনায় চারঘাট বাজার ও আশপাশের এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসী এই জঘন্য অপরাধের বিচার দাবি করে দেবের বাড়িতে তালা লাগিয়ে দিয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

শিক্ষাখাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ
শিক্ষাখাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষা খাতের মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বর্তমান সরকার। আর এর অংশ হিসেবে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম ধলুর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনাও সম্ভব হবে। এ লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।

সংসদ সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম ধলু তার প্রশ্নে জানতে চান, দেশের নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন, শিক্ষকদের গুণগত প্রশিক্ষণ নিশ্চিতকরণ, বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর হার শূন্যে নামিয়ে আনতে বাজেটে শিক্ষা খাতে বিশেষ কোনো অগ্রাধিকারমূলক বরাদ্দ রেখেছেন কি না?

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে শিক্ষকদের গুণগত প্রশিক্ষণ নিশ্চিতকরণ, বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ও ঝরে পড়া রোধে অর্থাৎ শিক্ষা খাতের সার্বিক উন্নয়নে সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করে প্রথমবারের মতো জিডিপির ২ (দুই) শতাংশে উন্নীত করেছে।

তিনি বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে (এসইডিপি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট ৪১৯৯ কোটি টাকা (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে ৩৫৯৯ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে ৬০০ কোটি টাকা) বরাদ্দ রাখা-হয়েছে। এসইডিপি-এর আওতায় মোট ১০টি স্কিম চলমান রয়েছে। এই ১০টি স্কিমের মধ্যে ১টি স্কিম ন্যাশনাল কারিকুলাম ডিসেমিনেশন এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য নির্ধারিত রয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন প্রকল্পের আওতায় শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য ৮১০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যার মাধ্যমে মোট ৩ লাখ ৪৭ হাজার ২১ জন শিক্ষক, প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে বেসিক ট্রেনিং, বিষয়ভিত্তিক প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের লিডারশিপ ট্রেনিং, ভোকেশনাল শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, ব্লেন্ডেড লার্নিং, আইসিটি, লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনা, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও বুলিং প্রতিরোধ এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে প্রশিক্ষণ।

সংসদ নেতা এরপর বলেন, মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পরিচালন বাজেটে ৩০৪০.৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যার মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে ২১৯৬.৪ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে ৮৪৪.৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রাইমারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম-৫ (পিইডিপি-৫) সহ ৫টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। যার মাধ্যমে বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে। এছাড়া, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর হার শূন্যে নামিয়ে আনতে চলতি অর্থবছর থেকে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ ও উপবৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুল ফিডিং কর্মসূচি, স্কুল ড্রেস বিতরণ এবং আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিতকল্পে ক্রীড়া উপকরণ সরবরাহ করা হবে। এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর হার কমে আসবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণে এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া, মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি ও মেধাবৃত্তি বাবদ ৫ হাজার ৫৩৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা চলতি অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে