খুঁজুন
                               
, ,
           

সন্ধ্যার পর মশার অসহনীয় উপদ্রব রাজধানীতে

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ
সন্ধ্যার পর মশার অসহনীয় উপদ্রব রাজধানীতে

সন্ধ্যা হলেই নেমে আসে মশার যন্ত্রনা। অসহনীয় হয়ে উঠেছে উপদ্রব। মশার আক্রমণে অতিষ্ঠ রাজধানীবাসী। কয়েল, স্প্রে কিংবা অন্য কোনো উপায় স্বস্তি মিলছে না মোটেও। সিটি করপোরেশন নিয়মিত মশকনিধন কার্যক্রম ও কীটনাশক ছিটানোর দাবি করলেও নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এখনও এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি মিলছে। এতে বাড়ছে আতঙ্ক।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, লেক, ঝিল, জলাশয় ও ডোবায় প্রচুর মশা জন্ম নিচ্ছে। বিশেষ করে বাড্ডা, রামপুরা, বনশ্রী, শান্তিনগর, মালিবাগ, শাহবাগ, উত্তরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকার পরিস্থিতি বেশ নাজুক। অনেক জায়গায় ড্রেনেজ সংস্কারের কাজ চলায় পয়োবর্জ্য ও ময়লা জমে আছে। এছাড়া বদ্ধ পানিতে তৈরি হচ্ছে মশার লার্ভা।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, কিছু এলাকায় ওষুধ ছিটানো হলেও অধিকাংশ অলিগলি, ড্রেন ও জলাবদ্ধ স্থানে নিয়মিত মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালিত হয় না। ফলে সন্ধ্যার পর মশার উপদ্রব অসহনীয় হয়ে উঠছে এবং ডেঙ্গু সংক্রমণের আশঙ্কা আরও বাড়ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, ড্রেন ও নালাগুলো নিয়মিত পরিষ্কার না করায় সেখানে এডিস মশার প্রজনন বাড়ছে। পাশাপাশি অনেক এলাকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে কীটনাশক ছিটানো না হওয়ায় মশার উপদ্রব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিনই বিশেষ মশকনিধন অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে কুইক রেসপন্স টিম নিয়মিত কাজ করছে বলে দাবি তাদের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৯০৭ জন। এবং ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ১৩ জন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমরা প্রায় ৬০ শতাংশ বাড়িতে এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি পেয়েছি। তাই শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। জনগণকে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে এবং সচেতন হতে হবে।’

তবে কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার সতর্ক করে বলেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে দেশের বিভিন্ন জেলায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তার মতে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বছরজুড়ে এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংসে ধারাবাহিক কার্যক্রম চালাতে হবে। পাশাপাশি জনগণকে সম্পৃক্ত করে বাড়ি, আঙিনা ও আশপাশে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক শেষে যে বার্তা দিলেন সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক শেষে যে বার্তা দিলেন সিইসি

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠক করেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) একটি প্রতিনিধিদল।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে সিইসি সাংবাদিকদের জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে, তবে ভোটের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার বিষয়ে সংসদ সচিবালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্যের সাম্প্রতিক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে সংসদ সচিবালয় থেকে লিখিতভাবে রেফার করা হলে ইসি বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

এর আগে প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে স্পিকারের সাক্ষাতের তারিখ চেয়ে সোমবার (২৭ জুলাই) ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সই করা একটি চিঠি সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেছেন। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসা।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন খাতে জাপানের আরও সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি জাপানি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী, কৃষিশ্রমিক ও গাড়িচালক নিয়োগে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য জাপানি প্রতিনিধিদলের প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান। সেই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের মতো আরও একটি শিল্প পার্ক স্থাপনে জাপান আগ্রহী হলে বাংলাদেশ সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে আগামী ১৬ ডিসেম্বর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধন এবং চলমান ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) প্রকল্পের অগ্রগতিসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়।

এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

জাপানের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন দেশটির ভূমি, অবকাঠামো, পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলবিষয়ক সহকারী ভাইস মিনিস্টার নাকায়ামা রিয়েকো, জাপানের সিভিল এভিয়েশন ব্যুরোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি।

কালের আলো/এসএকে

৭ বছরে সড়কে ঝরেছে ৭ হাজার ৩৬৪ শিক্ষার্থীর প্রাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
৭ বছরে সড়কে ঝরেছে ৭ হাজার ৩৬৪ শিক্ষার্থীর প্রাণ

দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীদের প্রাণহানি উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। ২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে সাত বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে ৭ হাজার ৩৬৪ জন শিক্ষার্থী। এ সময়ে দেশে মোট সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৮ হাজার ৭১৩ জনের মধ্যে শিক্ষার্থীর হার ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নিহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুল ও মাদরাসার শিক্ষার্থী ৩ হাজার ৩২৮ জন, যা মোট শিক্ষার্থী মৃত্যুর ৪৫ দশমিক ১৯ শতাংশ। অন্যদিকে ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে ৪ হাজার ৩৬ জন বা ৫৪ দশমিক ৮০ শতাংশ।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী হিসেবেই সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছে। এভাবে নিহত হয়েছে ৩ হাজার ৮৪১ জন, যা মোট শিক্ষার্থী মৃত্যুর ৫২ দশমিক ১৫ শতাংশ। এছাড়া পথচারী হিসেবে যানবাহনের চাপা বা ধাক্কায় নিহত হয়েছে ১ হাজার ৯২৩ জন, যানবাহনের যাত্রী হিসেবে ৯২৭ জন, বাইসাইকেল ও রিকশার আরোহী হিসেবে ৫১৯ জন এবং অটোরিকশার চাকায় ওড়না বা পোশাক পেঁচিয়ে প্রাণ গেছে ১৫৪ শিক্ষার্থীর।

সড়কভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে আঞ্চলিক সড়কে, যেখানে প্রাণহানি ২ হাজার ১৪৯ জন। গ্রামীণ সড়কে নিহত হয়েছে ১ হাজার ৯৪৭ জন, শহরের সড়কে ১ হাজার ৭৮৬ জন এবং জাতীয় মহাসড়কে ১ হাজার ৪৮২ জন।

পথচারী হিসেবে নিহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে গ্রামীণ সড়কে প্রাণহানির হার সবচেয়ে বেশি। এ ধরনের দুর্ঘটনায় গ্রামীণ সড়কে ৭২৬ জন, শহরের সড়কে ৫৩৭ জন, আঞ্চলিক সড়কে ৪০৯ জন এবং জাতীয় মহাসড়কে ২৫১ জন নিহত হয়েছে।

পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাওয়া-আসার পথে কিংবা বাড়ির আশপাশে খেলাধুলার সময় অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও পণ্যবাহী যানবাহনের ধাক্কায় বেশি নিহত হয়েছে। অন্যদিকে ১৩ থেকে ২৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি, যা মূলত মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে ঘটেছে।

বছরভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে নিহত হয়েছিল ৬৯৩ জন শিক্ষার্থী। ২০২০ সালে ৭১৯, ২০২১ সালে ৯৩৬, ২০২২ সালে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩৮৫, ২০২৩ সালে ১ হাজার ১৫৩, ২০২৪ সালে ১ হাজার ৭৩, ২০২৫ সালে ১ হাজার ১৪ এবং ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ৩৯১ জন শিক্ষার্থী সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, একই সময়ে অসাবধানতাবশত রেললাইন পারাপার কিংবা কানে হেডফোন ব্যবহার করে রেললাইনের ওপর হাঁটার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে আরও ১ হাজার ২৩৭ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক, অনিরাপদ যানবাহন, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতার অভাব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের অভাব, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, ট্রাফিক আইন না মানা এবং সড়ক পরিবহন খাতে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনাই শিক্ষার্থী মৃত্যুর প্রধান কারণ।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সড়ক নিরাপত্তা ক্যাম্পেইন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, পাঠ্য ও পরীক্ষায় সড়ক নিরাপত্তা বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা, গণমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদার, অনিরাপদ যানবাহন বন্ধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের মোটরসাইকেল চালানো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১৮ সালে রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ঐতিহাসিক আন্দোলনের আট বছর পেরিয়ে গেলেও সড়ক পরিবহন খাতে কার্যকর শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনার অভাব, আইনের দুর্বল প্রয়োগ এবং পরিবহন খাতের স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর প্রভাবের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আসছে না বলে প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ