খুঁজুন
                               
, ,
           

ইরান যুদ্ধে পাশে না থাকায় দ. কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া কমাবেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ
ইরান যুদ্ধে পাশে না থাকায় দ. কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া কমাবেন ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতায় দক্ষিণ কোরিয়ার সহায়তা না দেওয়ার বিষয়টি সামনে এনে দেশটির সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে নিজের ‘খুব ভালো সম্পর্কের’ কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।

রোববার (১৬ আগস্ট) সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এসব মহড়ার খরচের বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রকে বহন করতে হয়। একই সঙ্গে এসব মহড়া এমন একটি বার্তা দেয়, যা ‘সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত ও বৈরী’।

ট্রাম্প আরও বলেন, সম্প্রতি তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে ইরানের ‘পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়া তাতে রাজি হয়নি।

তবে দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের যৌথ সামরিক মহড়া নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ীই হবে। অন্যদিকে ট্রাম্পের বক্তব্য নিয়ে উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আগামী সোমবার থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার বার্ষিক সামরিক মহড়া শুরু হওয়ার কথা। ট্রাম্প বলেন, এখন মহড়া বাতিল করার জন্য ‘অনেক দেরি হয়ে গেছে’।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক কর্মকর্তারা যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ নামের ১১ দিনের মহড়ার ঘোষণা দেন। তারা জানান, এবারের মহড়ার আকার আগের বছরগুলোর মতোই থাকবে। এতে প্রায় ১৮ হাজার দক্ষিণ কোরীয় সেনা অংশ নেবেন।

সংবাদ সম্মেলনে সামরিক কর্মকর্তারা ইউক্রেনে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে উত্তর কোরিয়ার সেনা মোতায়েনের বিষয়টিও তুলে ধরেন। মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, উত্তর কোরিয়ার সেনাদের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা তাদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে পারে। বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রায় ২৮ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ার নিন্দা জানিয়ে এটিকে ‘আগ্রাসী যুদ্ধের মহড়া’ বলে অভিহিত করে।

এদিকে যৌথ সামরিক মহড়া শুরুর কয়েক দিন আগে দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান উত্তর কোরিয়ার আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা শনাক্ত করে। চলতি মাসেই পিয়ংইয়ং কয়েক দফা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে, যা জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত।

২০১৯ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে কিম জং উনের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আরও জোরদার করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্য থেকে ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতায় সরাসরি সামরিক বা লজিস্টিক সহায়তা দিতে সিউলের অনাগ্রহে তিনি অসন্তুষ্ট।

ইরান ইস্যুতে অন্য মিত্রদের নিয়েও ট্রাম্প অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে জাপান, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য।

তবে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে দেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের অবস্থান একেবারে নতুন নয়। ২০১৮ সালে কিম জং উনের সঙ্গে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনার সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়া পুরোপুরি স্থগিত করেছিলেন। পরে ২০২০ সালে করোনাভাইরাস মহামারির সময়ও এসব মহড়ার পরিসর কমানো হয়েছিল।

এরই মধ্যে গত সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধের অবসান ঘোষণার বিষয়েও আলোচনা চেয়েছেন তিনি। ১৯৫৩ সালে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও দুই কোরিয়ার মধ্যে কারিগরিভাবে এখনো যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেনি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রবাসীদের সরকারি নথি সত্যায়নে জটিলতা নিরসনে রুল জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
প্রবাসীদের সরকারি নথি সত্যায়নে জটিলতা নিরসনে রুল জারি

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্মসনদ, শিক্ষাগত সনদসহ বিভিন্ন সরকারি নথি সত্যায়নে বিদ্যমান জটিলতা ও ভোগান্তি নিরসনে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস, হাইকমিশন ও কনস্যুলেটগুলোতে নথি সত্যায়নের ক্ষেত্রে ‘ডাবল লেজিসলেশন’ বা বারবার সত্যায়নের প্রক্রিয়া কেন বেআইনি হবে না, একইসঙ্গে ‘হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন’(উদ্দেশ্য নথি সত্যায়নের জটিলতা দূর করতে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি) অনুযায়ী কেন একটি অভিন্ন নীতিমালা জারি করা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নূরে আলম জনস্বার্থে এই রিটটি দায়ের করেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইশরাত জাহান।

রুলের জবাব দিতে চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, পররাষ্ট্র সচিব এবং আইন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দুই বিভাগের সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

শুনানিতে আইনজীবী ইশরাত জাহান বলেন, ‘সাধারণত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী ও ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনে জন্মসনদ, বিবাহ সনদ বা পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মতো নথিগুলো আইন অনুযায়ী নোটারাইজড ও অ্যাপোস্টিল করার পরও বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলো পুনরায় অথেন্টিকেশন বা সত্যায়ন করতে বাধ্য করে। এর ফলে একই নথি নিয়ে মানুষকে একাধিক দফতর ও মিশনে ঘুরতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘অনেক দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাসস্থান থেকে কয়েকশ কিলোমিটার দূরে। সেখানে যাতায়াত, আবাসন ব্যয় এবং কর্মস্থল থেকে ছুটি নেওয়ার ফলে প্রবাসীরা চরম আর্থিক ও মানসিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অনেক সময় এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময়সীমা পার হয়ে যায় এবং চাকরিতে যোগদান বিলম্বিত হয়।’

আদালতে জানানো হয়, আইন মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে আগেই প্রজ্ঞাপন বা সার্কুলার জারি করা হলেও দূতাবাসগুলো তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করছে না। একেক দূতাবাসে একেক নিয়ম চালু থাকায় সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে।

শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন। রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে- বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোকে অভিন্ন নির্দেশনা না দিয়ে পাবলিক ডকুমেন্টের ক্ষেত্রে পুনরায় লেজিসলেশন বা সত্যায়ন করার চলমান নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না। হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন অনুযায়ী একটি অভিন্ন নীতিমালা কেন জারি করা হবে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেন প্রতিটি মিশনকে একই নিয়মের আওতায় আনতে নির্দেশনা দেবে না এবং আইন মন্ত্রণালয়ের ২০১৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর এবং ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বরের এসআরওগুলোর ইমপ্লিমেন্টেশন বা বাস্তবায়ন কেন নিশ্চিত করা হবে না।

একইসঙ্গে দূতাবাসগুলোর ওয়েবসাইট, ম্যানুয়াল এবং পাবলিক নোটিশগুলো হালনাগাদ করে সঠিক তথ্য প্রচারের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন অনুযায়ী, কোনো নথি একবার অ্যাপোস্টিল করা হলে তা ওই কনভেনশনভুক্ত দেশগুলোতে পুনরায় সত্যায়ন ছাড়াই গ্রহণযোগ্য হওয়ার কথা। বাংলাদেশ এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার পদক্ষেপ নিলেও মাঠ পর্যায়ে বিশেষ করে বিদেশের মিশনগুলোতে এর সুফল মিলছে না- এমন অভিযোগে রিটটি করা হয়েছিল।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

শ্যামল দত্তসহ ৩ সাংবাদিককে নতুন মামলায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
শ্যামল দত্তসহ ৩ সাংবাদিককে নতুন মামলায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ

জুলাই আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার কথা জানিয়ে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২৪ আগস্ট সশরীরে তাদের হাজির করতে ‘প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট’ ইস্যু করেছেন আদালত।

সোমবার (১৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের একক বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ।

তিনি ট্রাইব্যুনালকে বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান ঘিরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত টকশো বা অন্যান্য অনুষ্ঠানে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তারা মানবতাবিরোধী অপরাধে উস্কানি দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ আরও জানান, এ ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্তে এরই মধ্যে তদন্ত সংস্থা এই তিন সাংবাদিকের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পেয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে এবং সুষ্ঠু বিচারের প্রয়োজনে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা আবশ্যক। এজন্য আমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারির আবেদন জানিয়েছিলাম।

শুনানি শেষে আদালত প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করেন এবং কারাবন্দি এই তিন সাংবাদিককে আগামী ২৪ আগস্ট ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেন।

গত জুলাই আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন টেলিভিশন টকশো ও গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ উঠে এই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে।

ওই সময়ে ঘটা হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের ঘটনায় করা একাধিক মামলায় তাদের নাম আসায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন।

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়েরের ধারাবাহিকতায় এবার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে লিথুনিয়ার সঙ্গে আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪০ অপরাহ্ণ
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে লিথুনিয়ার সঙ্গে আলোচনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত লিথুয়ানিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ডায়ানা মিকেভিসিয়েন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা, দক্ষ মানবসম্পদ বিনিময় এবং ঢাকায় লিথুয়ানিয়ার ভিসা সেন্টার স্থাপনসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে বিদ্যমান ধারাবাহিক যোগাযোগ ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মানবসম্পদের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে উপদেষ্টা লিথুয়ানিয়াকে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি দক্ষ জনশক্তি নিয়োগের আহ্বান জানান।

একইসঙ্গে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজতর করতে ঢাকায় লিথুয়ানিয়ার একটি ভিসা সেন্টার স্থাপনের অনুরোধ জানান তিনি।

লিথুনিয়ান রাষ্ট্রদূত শিক্ষাখাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এসময় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারে উভয় পক্ষ তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ