খুঁজুন
                               
, ,
           

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৬৫, উদ্ধার মাদক-অস্ত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ
রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৬৫, উদ্ধার মাদক-অস্ত্র

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন ইউনিটের অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ৪৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযানে অস্ত্র, মাদকসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।

ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৮ জন, লালবাগে ৩৮, ওয়ারীতে ৬৪, মতিঝিলে ৮৩, তেজগাঁওয়ে ৮০, মিরপুরে ৯০, গুলশানে ৩৩, উত্তরা বিভাগে ৩৪ এবং গোয়েন্দা বিভাগে পাঁচজন রয়েছেন।

অভিযানকালে একটি দেশীয় ওয়ান শুটারগান, একটি শটগানের কার্তুজ, দুটি ছুরি, ৫০ কেজি গাঁজা, ২৯৯টি ইয়াবা ও ২৩ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া একটি পিকআপ, ১১টি মোবাইল ফোন, একটি স্টিলের রড, পাঁচটি কাঠের স্টাম্প, দুটি বোতলের ছিপি, কিছু ফুয়েল পেপার ও নগদ ৪ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে মাদক ও অন্যান্য আলামত উদ্ধারের পাশাপাশি একজন ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির এই কর্মকর্তা।

কালের আলো/এমএসআইপি 

সরকারি বাসা বরাদ্দে ম্যানুয়াল প্রক্রিয়া বন্ধ, আবেদন অনলাইনে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ণ
সরকারি বাসা বরাদ্দে ম্যানুয়াল প্রক্রিয়া বন্ধ, আবেদন অনলাইনে

অনিয়ম ও দুর্নীতি রোধে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের আওতাধীন বাসা বরাদ্দের পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে নেওয়া হচ্ছে। ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে বাসা বরাদ্দে অনিয়ম ও দালাল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে গত ১৭ সেপ্টেম্বর অনলাইন পদ্ধতিতে সরকারি বাসার জন্য আবেদন করার কথা জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে পরিদপ্তরের আওতাধীন সরকারি বাসাগুলো পর্যায়ক্রমে অনলাইন ব্যবস্থায় বরাদ্দ দেওয়া হবে।

আবাসন সংকটে ভোগান্তি

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢাকায় কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর তুলনায় সরকারি বাসার সংখ্যা খুবই কম। বর্তমানে রাজধানীতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ২ লাখ ৫৩ হাজারের কিছু বেশি। বিপরীতে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের সব শ্রেণি মিলিয়ে বাসা বরাদ্দের সক্ষমতা ১৯ হাজার ৯১টি। অর্থাৎ মোট সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর মাত্র ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশকে সরকারি বাসা দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে পরিদপ্তরের।

এই সীমিত আবাসনের কারণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সরকারি বাসা পেতে ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আজিমপুর, মতিঝিল ও ইস্কাটন এলাকায় চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

পরিদপ্তর সূত্র জানায়, আজিমপুর এলাকায় মাসে গড়ে ৮ থেকে ১০টি বাসা খালি হয়। অথচ এসব বাসার বিপরীতে গড়ে ৭০০টির বেশি আবেদন জমা পড়ে। ফলে একটি বাসা খালি হওয়ার পর তা বরাদ্দ পেতে আবেদনকারীদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা তৈরি হয়।

দালাল সিন্ডিকেটের অভিযোগ

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সরকারি বাসার সংখ্যা কম হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে একটি দালাল সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। বাসা বরাদ্দে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। প্রভাবশালীদের সঙ্গে যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে সিন্ডিকেটটি বাসা বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাদের আরও অভিযোগ, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনিয়মের পথে না গেলে অনেক ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত বাসা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে সাধারণ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।

২০২০ সালেই তৈরি হয়েছিল অনলাইন সক্ষমতা

সরকারি আবাসন পরিদপ্তর সূত্র জানায়, ২০২০ সালেই অনলাইন বা ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় বাসা বরাদ্দ দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়েছিল। তবে নানা চাপ ও অভ্যন্তরীণ জটিলতার কারণে এতদিন এটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনলাইন পদ্ধতি চালু হলে আবেদন, যাচাই ও বরাদ্দের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বাড়বে। একই সঙ্গে ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের সুযোগ কমে আসবে এবং দালাল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যও কমবে বলে তারা আশা করছেন।

গ্রেডভিত্তিক বাসা বরাদ্দ

সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের অধীনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিভিন্ন গ্রেড অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির বাসা রয়েছে। এর মধ্যে সচিব ভবনে গ্রেড-১ ও সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য ১১৪টি ফ্ল্যাট রয়েছে।

গ্রেড-৩ তথা যুগ্ম সচিব ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য সুপিরিয়র শ্রেণিতে রয়েছে ৫৫৪টি বাসা। গ্রেড-৫ ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের জন্য এফ শ্রেণিতে ১ হাজার ৪৭৭টি, গ্রেড-৬ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য ই-শ্রেণিতে ১ হাজার ৪৭০টি বাসা রয়েছে।

এ ছাড়া ৭, ৮ ও ৯ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য ডি-১ শ্রেণিতে ২ হাজার ৩৮২টি, ১০, ১১ ও ১২ গ্রেডের জন্য ডি-২ শ্রেণিতে ৪ হাজার ৪৭০টি এবং ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য ৭ হাজার ২৩২টি বাসা রয়েছে। এর বাইরে অস্থায়ী (পূর্ণ ও নির্ধারিত ভাড়া) এবং অস্থায়ী (একক আসন) শ্রেণির কিছু বাসাও রয়েছে।

অনলাইন পদ্ধতিতে সরকারি বাসা বরাদ্দের এ উদ্যোগকে দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের প্রত্যাশা, নতুন ব্যবস্থায় বাসা বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে এবং অনিয়মের সুযোগ কমবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির দাবি এরদোগানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির দাবি এরদোগানের

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে অংশ নিয়ে আবারও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ব্যাপক স্বীকৃতির আহ্বান জানিয়েছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।

এ সময় তিনি বিশ্বজুড়ে শান্তি বজায় রাখার মূল দায়িত্ব পালনে জাতিসংঘ ব্যর্থ হচ্ছে বলে অভিযোগও করেছেন। একই সঙ্গে জাতিসংঘের প্রভাবশালী নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তিনি। খবর রয়টার্সের।

নিরাপত্তা পরিষদকে আরও বিস্তৃত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রতিনিধিত্বশীল সংস্থায় রূপান্তর করার জন্য বহু বছর ধরেই জোরালো দাবি জানিয়ে আসছেন এরদোগান।

জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, আমাদের এটি মেনে নেওয়া উচিত, ১৯০টিরও বেশি দেশের সার্বিক ইচ্ছাকে মাত্র ৫টি দেশের খেয়ালখুশির ওপর জিম্মি করে রাখার যে ব্যবস্থা, তা কোনোভাবেই ন্যায়সংগত হতে পারে না। এই ব্যবস্থা বিশ্বের মানুষের পূর্ণ আস্থা অর্জনেও পুরোপুরি ব্যর্থ।

এরদোয়ান বলেন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার মূল লক্ষ্য নিয়ে ৮১ বছর আগে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে সংস্থাটি সেই মিশন বা উদ্দেশ্য পূরণে চরমভাবে ব্যর্থ হচ্ছে। সংস্থাটিকে কার্যত অকার্যকর করে ফেলা হয়েছে।

গাজায় চলমান সংকট ও মানবিক বিপর্যয়ের কঠোর সমালোচনা করে এরদোগান বলেন, যাদের হৃদয়ে বিন্দুমাত্র মনুষ্যত্ব, সমবেদনা ও দয়া রয়েছে এবং যাদের সামান্যতম ন্যায়বিচার ও বিবেকের বোধ রয়েছে, তাদের পক্ষে সেখানে যা ঘটছে তার প্রতি চোখ বন্ধ রাখা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

ফিলিস্তিনি নেতাদের অংশগ্রহণে যুক্তরাষ্ট্রের বাধার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস পর পর দুই বছর ধরে সাধারণ পরিষদের এই হলে নিজের নির্ধারিত আসনে বসতে পারেননি।

আমাদের ফিলিস্তিনি ভাইবোনদের ওপর চালানো এই অসামঞ্জস্যপূর্ণ অবিচার পুরো বিশ্ববিবেককে গভীরভাবে আঘাত করে।

যেসব দেশ এখন পর্যন্ত স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি, সেগুলোকে অবিলম্বে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করার অনুরোধ জানান এরদোগান।

একই সঙ্গে গাজা যুদ্ধ বন্ধে ইসরায়েলের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

গাজার বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘‘আমাদের সময়ের সবচেয়ে অমানবিক ও লজ্জাজনক আটক শিবির’’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন তুরস্কের এই প্রেসিডেন্ট।

ন্যাটো সদস্য দেশ তুরস্ক গাজায় হামলা ও আগ্রাসনের জন্য শুরু থেকেই ইসরায়েলের অন্যতম সমালোচক হিসেবে ভূমিকা রাখছে।

আঙ্কারার অভিযোগ, গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান স্পষ্টতই গণহত্যার শামিল।

দেশটি বারবার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়ে আসছে। যদিও গণহত্যার সব অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছে বর্বর  ইসরায়েল।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নওগাঁয় উদ্বোধনের আগেই সরকারি মিলনায়তন ভাড়া

নওগাঁ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ
নওগাঁয় উদ্বোধনের আগেই সরকারি মিলনায়তন ভাড়া

নওগাঁর পোরশায় জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (নিপোর্ট) আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (আরটিসি) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই মিলনায়তন বাণিজ্যিকভাবে ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কোনো ট্রেজারি চালান ছাড়াই প্রতিদিন ৩ হাজার ৭৫০ টাকা করে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পোরশার আরটিসি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়নি। এমনকি কেন্দ্রটির উদ্বোধনের ঘোষণাও আসেনি। এর মধ্যেই মিলনায়তনটি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে।

কেন্দ্রটির প্রশাসনিক দায়িত্বে রয়েছেন রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা জান্নাতুল মাওয়া। তিনি চারঘাটে নিজ কর্মস্থলে থেকেই পোরশার কেন্দ্রটির প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। মাঠপর্যায়ে কেন্দ্রটির দেখভালের জন্য অতিরিক্ত দায়িত্বে রাখা হয়েছে সারাইগাছি গ্রামের খলিলুর রহমানকে। এ ছাড়া সরকারি খরচে কেন্দ্রটির নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন সাতজন আনসার সদস্য।

নগদ টাকা, পরে বিকাশে পাঠানোর দাবি

মিলনায়তন দেখভালের দায়িত্বে থাকা খলিলুর রহমান জানান, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মৌখিক নির্দেশে তিনি বিভিন্ন পক্ষের কাছে মিলনায়তন ভাড়া দেন। ভাড়া বাবদ নগদে নেওয়া টাকা পরে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কর্মকর্তা জান্নাতুল মাওয়ার কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

তবে এসব টাকা কোথায় এবং কীভাবে খরচ করা হয়, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।

ঊর্ধ্বতনদের সম্মতির দাবি

মিলনায়তন ভাড়া দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জান্নাতুল মাওয়া। তাঁর দাবি, কেন্দ্রটি আংশিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মৌখিক পরামর্শ ও সম্মতিতেই মিলনায়তন ভাড়া দেওয়া হচ্ছে।

তবে ভাড়া বাবদ আদায় করা অর্থ সরকারি রাজস্ব খাতে জমা দেওয়া হয় কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরে তথ্য দেওয়ার কথা বলে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। পরে এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জানে না স্থানীয় প্রশাসন

পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম বলেন, একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের আগেই কীভাবে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে, তা তাঁর বোধগম্য নয়। সরকারি কোনো স্থাপনা বা মিলনায়তন বাণিজ্যিক কিংবা অন্য কোনো কাজে ভাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বিধিমালা রয়েছে।

তিনি বলেন, মিলনায়তন ভাড়া দেওয়ার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কিছু জানানো হয়নি। ভাড়া বাবদ আদায় করা অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও তিনি অবগত নন।

উদ্বোধনের আগেই সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মিলনায়তন ভাড়া দেওয়ার ঘটনা এবং আদায়কৃত অর্থের হিসাব নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে সরকারি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এমএসআইপি