খুঁজুন
                               
, ,
           

সালাহউদ্দিন আহমেদের মাগফিরাত কামনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের দোয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
সালাহউদ্দিন আহমেদের মাগফিরাত কামনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের দোয়া

ঢাকা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদের রুহের মাগফিরাত কামনায় কুলখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) জুমার নামাজ শেষে রাজধানীর শ্যামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়।

কুলখানি ও দোয়া মাহফিলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, নাসির উদ্দিন অসীম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন, সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি এবং রেল মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিবুন নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, যুববিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নবী উল্লাহ নবী, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ গত ১৩ অক্টোবর রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরদিন ১৪ অক্টোবর তাঁর তিন ধাপে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত প্রথম জানাজায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

কুলখানি ও দোয়া মাহফিলে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

একটি বীজেই ১ হাজার ৪৩১ কেজির কুমড়া, বিশ্বরেকর্ড কৃষকের

ফিচার ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
একটি বীজেই ১ হাজার ৪৩১ কেজির কুমড়া, বিশ্বরেকর্ড কৃষকের

একটি ছোট্ট বীজ থেকে জন্ম নেওয়া কুমড়ার ওজন ১ হাজার ৪৩১ কেজি! শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও যুক্তরাষ্ট্রের কৃষক রন ওয়ালেসের হাত ধরে বাস্তবেই ঘটেছে এমন ঘটনা। প্রায় ছয় মাসের যত্ন, উন্নত বীজ আর নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে চাষ করে বিশালাকার কুমড়া ফলিয়েছেন তিনি। সেই কুমড়ার ওজন ছাড়িয়ে গেছে ৩ হাজার পাউন্ডের সীমাও। এর মধ্য দিয়ে সবচেয়ে ভারী কুমড়া ফলানোর বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন এই কৃষক।

২০২৬ সালের ১০ অক্টোবর কুমড়াটির ওজন মাপা হয় ৩ হাজার ১৫৬ পাউন্ড, যা প্রায় ১ হাজার ৪৩১ কেজির সমান। এর আগে কোনো কুমড়ার ওজন ৩ হাজার পাউন্ডের সীমা অতিক্রম করেনি। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতিতে তাই নতুন ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছেন রন ওয়ালেস।

ছয় মাসের পরিচর্যায় বীজ থেকে দানবাকৃতি কুমড়া
যুক্তরাষ্ট্রের রোড আইল্যান্ডের গ্রিন এলাকায় নিজের গ্রিনহাউসে গত ১৫ এপ্রিল কুমড়ার বীজ বুনেছিলেন ওয়ালেস। এরপর শুরু হয় নিয়মিত পরিচর্যা। পানি, তাপমাত্রা ও চাষের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করে তিনি কুমড়াটিকে বড় করে তোলেন। প্রায় ছয় মাস পর সেই ছোট্ট বীজ থেকেই জন্ম নেয় রেকর্ড গড়া কুমড়া।

১০ অক্টোবর ওয়ারেন শহরের ফ্রেরিকস ফার্মে অনুষ্ঠিত সাউদার্ন নিউ ইংল্যান্ড জায়ান্ট পাম্পকিন গ্রোয়ার্স প্রতিযোগিতায় কুমড়াটির ওজন নির্ধারণ করা হয়। বিশালাকার কুমড়া চাষিদের এই প্রতিযোগিতায় ওয়ালেসের সাফল্য উপস্থিত দর্শকদেরও বিস্মিত করে।

এক সপ্তাহেই ভাঙল বিশ্বরেকর্ড
বিশাল কুমড়া চাষে বিশ্বরেকর্ডের লড়াইয়ে এবার সময়ের ব্যবধান ছিল খুবই কম। ৩ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের কৃষক ইয়ান প্যাটন ২ হাজার ৮৫৭ পাউন্ড ওজনের কুমড়া ফলিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন। কিন্তু মাত্র এক সপ্তাহ পরই সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে যান ওয়ালেস।

তার কুমড়াটি আগের রেকর্ডের চেয়ে প্রায় ৩০০ পাউন্ড বেশি ভারী। এত অল্প সময়ের ব্যবধানে দুবার বিশ্বরেকর্ড ভাঙার ঘটনা বিশালাকার কুমড়া চাষের প্রতিযোগিতায় নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে।

দিনে বাড়ছিল ২৭ কেজিরও বেশি ওজন
এত বিশাল কুমড়া ফলানো কেবল ভাগ্যের বিষয় নয়। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, উন্নত জিনগত বৈশিষ্ট্যের বীজ এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরিচর্যা। এ বছর গ্রিনহাউসে চাষ করায় পানি ও তাপমাত্রার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছিলেন ওয়ালেস।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, কুমড়াটির বৃদ্ধির সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিদিন প্রায় ৬০ পাউন্ড বা ২৭ কেজিরও বেশি ওজন বাড়ছিল। কোনো কোনো সপ্তাহে ওজন বেড়েছিল প্রায় ৫০০ পাউন্ড। অর্থাৎ, প্রতিদিনের সামান্য বৃদ্ধি জমতে জমতে একসময় কুমড়াটি পরিণত হয় বিশাল এক ফসলে।

উন্নত বীজের পাশাপাশি গ্রিনহাউসের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণকেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন ওয়ালেস। বিশালাকার কুমড়া চাষের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া কৃষকেরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও কৌশল পরস্পরের সঙ্গে ভাগ করে নেন। ওয়ালেসের সঙ্গে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ইয়ান প্যাটনেরও নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। মজার বিষয় হলো, গ্রিনহাউসে কুমড়া চাষের পরামর্শ প্রথম প্যাটনই তাকে দিয়েছিলেন।

কুমড়া পরিবহনেও ছিল বিশেষ আয়োজন
এত ওজনের কুমড়া চাষ করাই যেমন কঠিন, তেমনি সেটিকে নিরাপদে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেওয়াও বড় চ্যালেঞ্জ। মাটি থেকে তুলতে ব্যবহার করা হয় বিশেষ হারনেস ও শক্ত দড়ি। পরিবহনের সময় যাতে কুমড়ার গায়ে আঘাত না লাগে, সে জন্য ভেজা চাদর, কম্বল ও প্লাস্টিকের আবরণে মুড়িয়ে বিশেষ প্যালেটে রাখা হয়। পরে ফ্ল্যাটবেড ট্রাকে করে সেটি প্রতিযোগিতাস্থলে নেওয়া হয়।

প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল প্রায় ২০টি বিশালাকার কুমড়া। নিজের কুমড়াটিকে অন্যগুলোর তুলনায় অনেক বড় দেখে ওয়ালেসের ধারণা হয়েছিল, এর ওজন ৩ হাজার পাউন্ড ছাড়াতে পারে। তবে ওজন মাপার আগে সঠিক পরিমাণটি তারও জানা ছিল না। যন্ত্রে ওজন ওঠার পর রেকর্ড নিশ্চিত হলে প্রতিযোগিতাস্থলে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।

এর আগেও একাধিকবার ইতিহাস গড়েছেন ওয়ালেস
বিশালাকার কুমড়া চাষে ওয়ালেসের সাফল্য এবারই প্রথম নয়। ২০০৬ সালে তিনি ১ হাজার ৫০২ পাউন্ড ওজনের কুমড়া ফলিয়ে প্রথমবারের মতো ১ হাজার ৫০০ পাউন্ডের সীমা অতিক্রম করেন। ২০১২ সালে তার ফলানো ২ হাজার ৯ পাউন্ডের কুমড়াও নতুন ইতিহাস গড়েছিল। এবার ৩ হাজার পাউন্ডের গণ্ডি পেরিয়ে নিজের সাফল্যকে নিয়ে গেলেন আরও উঁচুতে।

রেকর্ড গড়া কুমড়াটিকে বিভিন্ন উৎসবে প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে। পরে সেটিকে বিশালাকার জ্যাক-ও-ল্যান্টার্নে রূপ দেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। প্রদর্শনী শেষে কুমড়াটি কম্পোস্ট হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। তবে এর বীজ সংরক্ষণ করবেন ওয়ালেস। বিশ্বের বিভিন্ন কুমড়া চাষিদের সংগঠনকে সেই বীজ দেওয়া হবে, যাতে নিলামের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা যায়।

আগামী বছর বিরতিতে থাকতে পারেন
একটি কুমড়া কতটা বড় হতে পারে, তার কোনো নির্দিষ্ট সীমা আছে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত নন ওয়ালেস। আপাতত আগামী বছর প্রতিযোগিতা থেকে বিরতি নেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন তিনি। এ সময় অন্য কৃষকেরা তার রেকর্ড ভাঙার চেষ্টা করবেন। কেউ সফল হলে আবার প্রতিযোগিতায় ফেরার কথা ভাববেন এই কৃষক।

ছোট্ট একটি বীজ থেকে দেড় টনের কাছাকাছি ওজনের কুমড়া—ওয়ালেসের এই অর্জন কৃষিতে ধৈর্য, অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তির সম্ভাবনাকেই তুলে ধরে। এখন দেখার বিষয়, ৩ হাজার ১৫৬ পাউন্ডের এই রেকর্ড কত দিন অক্ষত থাকে, আর ভবিষ্যতে কোনো কৃষক কি না কুমড়ার ওজনকে আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারেন।

কালের আলো/এমএসআইপি/জেএন

দুর্গাপূজার বিশেষ ছাড় শেষ রাত ৮টায় বন্ধ মার্কেট

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
দুর্গাপূজার বিশেষ ছাড় শেষ রাত ৮টায় বন্ধ মার্কেট

দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিং মল, মার্কেট ও দোকানপাট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিশেষ অনুমতির মেয়াদ শেষ হয়েছে। ফলে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) থেকে আগের নিয়মে বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে এসব প্রতিষ্ঠান। এতে মার্কেট ও দোকানপাট খোলা রাখার সময় দুই ঘণ্টা কমেছে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা কার্যকর রাখার লক্ষ্যে সরকার চলতি বছর বিভিন্ন সময়ে দোকানপাট ও মার্কেট খোলা রাখার সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে। সর্বশেষ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের জন্য রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার বিশেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষে গত ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শপিং মল, মার্কেট ও দোকানপাট বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি ছিল। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ায় শুক্রবার থেকে আবার আগের সময়সূচি কার্যকর হয়েছে।

গত ৫ অক্টোবর বিদ্যুৎ বিভাগ এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছিল। এতে পূজা উপলক্ষে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ২৩ অক্টোবর থেকে আগের নিয়মে ফিরে যাওয়ার বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছিল।
নতুন করে কোনো সময়সীমা বাড়ানো না হলে এখন থেকে মার্কেট, শপিং মল ও দোকানপাট বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। অর্থাৎ পূজার সময় রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যবসা পরিচালনার যে সুযোগ ছিল, তা আর থাকছে না।

এর ফলে ক্রেতাদের কেনাকাটার সময় আগের তুলনায় দুই ঘণ্টা কমে গেল। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর কেনাকাটা করতে অভ্যস্ত ক্রেতাদের নতুন সময়সূচির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা কার্যকর রাখার লক্ষ্যে চলতি বছর কয়েক দফায় দোকানপাট ও মার্কেট খোলা রাখার সময় পরিবর্তন করেছে সরকার। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার মাধ্যমে বিদ্যুতের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখাই এ ধরনের সময়সূচির অন্যতম উদ্দেশ্য।

দুর্গাপূজার সময় ক্রেতাদের কেনাকাটার সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অতিরিক্ত দুই ঘণ্টা খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেই বিশেষ সুবিধার মেয়াদ শেষ হওয়ায় শুক্রবার থেকে আবার রাত ৮টায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধের নিয়ম কার্যকর হয়েছে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি

ফারুকী-তিশার সংসার নিয়ে গুঞ্জন, নীরব দুজনই

বিনোদন ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
ফারুকী-তিশার সংসার নিয়ে গুঞ্জন, নীরব দুজনই

নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার দাম্পত্য জীবন নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহলে ছড়িয়ে পড়েছে তাদের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হওয়া এবং বিচ্ছেদের গুঞ্জন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য দেননি এই তারকা দম্পতির কেউই।

দুই সপ্তাহ ধরে আলোচনায় বিচ্ছেদের গুঞ্জন
গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে ফারুকী ও তিশার সম্পর্ক নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের বিচ্ছেদ নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে গুঞ্জনের পক্ষে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইলেও এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি ফারুকী কিংবা তিশা। গণমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেননি তারা। ফলে তাদের নীরবতাকে ঘিরে অনলাইনে নানা প্রশ্ন উঠছে।

মেয়েকে নিয়ে আলাদা থাকার খবর, নিশ্চিত নয় সত্যতা
কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, একমাত্র কন্যাসন্তানকে নিয়ে তিশা ফারুকীর কাছ থেকে আলাদা থাকছেন। তবে এ তথ্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে ফারুকী বা তিশার পক্ষ থেকেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গুঞ্জনের মধ্যেও নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন দুজন। সম্প্রতি একটি ওয়েব ফিল্ম প্রযোজনা করেছেন তিশা। অন্যদিকে, চলচ্চিত্র নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফারুকীর একটি পোস্টও আলোচনায় এসেছে। তবে তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চলমান আলোচনা সম্পর্কে কেউই প্রকাশ্যে কিছু বলেননি।

কাজের সূত্রে পরিচয়, বিয়ে ২০১০ সালে
ফারুকী ও তিশার সম্পর্কের শুরু কাজের সূত্রে। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব, এরপর প্রেম—এভাবেই এগিয়ে যায় তাদের সম্পর্ক। দীর্ঘ পাঁচ বছরের প্রেমের পর ২০১০ সালের ১৬ জুলাই বিয়ে করেন তারা। ২০২২ সালে এই দম্পতির ঘরে জন্ম নেয় কন্যাসন্তান।

দীর্ঘদিনের এই দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হলেও বিচ্ছেদের গুঞ্জনের বিষয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত কোনো তথ্য সামনে আসেনি। এ প্রসঙ্গে তিশার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ফারুকীর পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাদের সম্পর্ক নিয়ে ছড়িয়ে পড়া আলোচনা এখনো গুঞ্জন পর্যায়েই রয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি/জেএন