খুঁজুন
                               
, ,
           

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে নতুন আশা

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে নতুন আশা

মধ্যপ্রাচ্যের পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার মালয়েশিয়া। তবে এই বাজারে বরাবরই অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের অভিযোগ ছিল। ২০০৮ সালে শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর ২০১৬ সালে আবার চালু হয়। পরে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়া আবারও বন্ধ করে মালয়েশিয়া। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরের সময় বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবার চালু করতে চলমান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা।

বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হবে। দ্রুত সংশোধন করা না হলে নতুন করে সমঝোতা স্মারক সই করতে হবে, যা সময়সাপেক্ষ হতে পারে। অবশ্য দুই দেশই মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা কমাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, ন্যায্য এবং সাশ্রয়ী করতে একমত হয়েছে। এতে কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় কমে আসবে। তবে এসব প্রক্রিয়া শেষ করে বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়া হবে।

জানা যায়, এর আগে ২০২১ সালের ১৮ ডিসেম্বর নতুন সমঝোতা চুক্তি হলেও শ্রমবাজার চালু হতে প্রায় তিন বছর সময় লাগে। ২০২২ সালের আগস্ট থেকে আবার কর্মী যাওয়া শুরু হয়। তবে ২০২৪ সালের ১ জুন আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন শর্ত শিথিল নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরেও দেশটির শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। দুই দেশের সরকারের আলোচনার মাধ্যমে আইনি জটিলতা দ্রুত কাটিয়ে শ্রমবাজার আবারও চালু হবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (বায়রা)।

সংগঠনটির সাবেক মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, দুই সরকার আলোচনা করে যে সিদ্ধান্ত নেবে এবং যে পদ্ধতি নির্ধারণ করবে, আমরা সেই পদ্ধতিতেই কর্মী পাঠাতে চাই। আমাদের প্রত্যাশা, দ্রুতই কর্মী পাঠানো শুরু হবে।

সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির মতো বিতর্ক এড়াতে সরকার ও রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন জনশক্তি রফতানিকারকরা। বায়রার সাবেক সভাপতি মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, সরকার যদি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর প্রতি ইতিবাচক ভূমিকা নেয় এবং যথাযথ স্বীকৃতি দেয়, তাহলে আমারা আরও উৎসাহ নিয়ে সরকারের কর্মসংস্থান পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করতে পারব।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কর্মী পাঠানোর প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে আগামী পাঁচ বছরে বিদেশে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে। র‍্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সরকার যদি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকে, তাহলে এমন একটি ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব, যাতে শ্রমিকদের অভিবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। বিষয়টি পুরোপুরি সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী গত মঙ্গলবার সংসদে জানিয়েছেন, সরকার মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত করতে কাজ করছে। আশা করা যায়, দ্রুত দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর পথ সুগম হবে। এর আগে গত সোমবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকে তারেক রহমান বাংলাদেশিদের জন্য শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার অনুরোধ জানান। যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা এবং যত দ্রুত সম্ভব শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার অনুরোধ জানিয়েছি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে। আমরা একমত হয়েছি, নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, ন্যায্য এবং সাশ্রয়ী হতে হবে, যাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা কমে এবং কর্মীদের খরচ হ্রাস পায়।’

বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে প্রতারণা, প্রতিশ্রুত চাকরি ও বেতন না দেওয়া এবং অমানবিক পরিবেশে কাজ করতে বাধ্য করায় মালয়েশিয়া বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার সমালোচনার মুখে রয়েছে। যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, বাংলাদেশি কর্মীদের শোষণ, তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ বা শুধু কোম্পানির লাভের জন্য তাদের ব্যবহার করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। কর্মী নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া ন্যায্য ও মানবিক করা এবং শ্রমিক ও তাদের পরিবারের স্বার্থ রক্ষায় জোর দিয়েছেন আনোয়ার ইব্রাহিম।

কালের আলো/এম/এএইচ

মুসলিম ঐক্যের আহ্বান ইরানের প্রেসিডেন্টের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
মুসলিম ঐক্যের আহ্বান ইরানের প্রেসিডেন্টের

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর নেতা ও জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান।

এ উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় মহানবী (সা.)-কে মানবিক পূর্ণতার সর্বোচ্চ আদর্শ এবং সমগ্র মানবতার পথপ্রদর্শক হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

পেজেশকিয়ান বলেন, মহানবী (সা.) সমগ্র মানবতার জন্য শান্তি ও নিরাপত্তার বার্তা নিয়ে এসেছিলেন। তার ধর্ম শান্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং তিনি সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, মহানবী (সা.)-এর মহৎ চরিত্র নৈতিকতা ও সৎ গুণাবলির সর্বোত্তম প্রতিফলন। ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠা বিশ্বের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তার জীবন ও আদর্শ মানবতার জন্য পথনির্দেশনা দিতে পারে।

তিনি মুসলিমদের প্রতি মহানবী (সা.)-এর জীবন ও শিক্ষা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ইসলামী উম্মাহর মধ্যে ঐক্য ও সংহতি আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে মহানবী (সা.)-এর প্রচারিত মূল্যবোধ অনুসরণ করে বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলোতে নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখার আহ্বান জানান পেজেশকিয়ান।

ইরানের প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন, বিশ্বের মুসলমানদের অভিন্ন বিশ্বাস, দৃঢ়তা ও সংকল্প মুসলিম উম্মাহর সদস্যদের মধ্যে আরও বেশি ঐক্য ও সংহতি গড়ে তুলবে। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ইসলামের অগ্রগতি ও বিকাশেও তা ভূমিকা রাখবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

কালের আলো/এসএ

‘ভারতে মুসলিমদের থাকা উচিত নয় মনে করলে সে আর হিন্দু নয়’: মোহন ভাগবত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
‘ভারতে মুসলিমদের থাকা উচিত নয় মনে করলে সে আর হিন্দু নয়’: মোহন ভাগবত

মানুষের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই এবং সব ধর্মীয় পথ একই লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়—এমন মন্তব্য করেছেন ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত। তিনি বলেছেন, কোনো হিন্দু যদি মনে করেন ভারতে কোনো মুসলমানের থাকা উচিত নয়, তাহলে তিনি আর হিন্দু থাকবেন না।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ‘এক বিশ্ব এক মানবতা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে রোববার (৩০ আগস্ট) তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মোহন ভাগবত বলেন, বিভিন্ন সময়ে মুসলিম প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় তারা আরএসএসের লক্ষ্য এবং ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ ধারণা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে হিন্দু রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে ভারত থেকে মুসলিমদের বের করে দেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নও তাকে করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ভাগবতের ভাষায়, হিন্দু রাষ্ট্রের অর্থ মুসলিমদের ভারত থেকে বের করে দেওয়া নয়। এটি হিন্দুত্বের সংজ্ঞার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

তিনি বলেন, কোনো হিন্দু যদি মনে করেন ভারতে মুসলিমদের কোনো জায়গা নেই, তাহলে সেই ব্যক্তি আর হিন্দু থাকেন না।

ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) আদর্শিক সহযোগী হিসেবে পরিচিত আরএসএস। সংগঠনটির বিরুদ্ধে দেশটিতে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি ও মুসলিমবিরোধী কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ভারতে মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর সহিংসতা ও নিপীড়নের ঘটনাতেও সংগঠনটির নাম উঠে এসেছে।

এদিকে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে মোহন ভাগবতের নিউইয়র্ক সফরের বিরোধিতা করে একাধিক স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন প্রতিবাদ জানিয়েছিল। তবে প্রতিবাদের মধ্যেই পূর্বনির্ধারিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন আরএসএস প্রধান।

ভাগবতের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে সংগঠনটির ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ ধারণা এবং ভারতে ধর্মীয় সহাবস্থান নিয়ে তার অবস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কালের আলো/এসএ

ইইউ নিয়ে গণভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, প্রাথমিক ফলে এগিয়ে ‘না’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
ইইউ নিয়ে গণভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, প্রাথমিক ফলে এগিয়ে ‘না’

ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগদানের প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করা হবে কি না—এ নিয়ে আইসল্যান্ডে অনুষ্ঠিত গণভোটের প্রাথমিক ফলে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ‘না’ ভোট।

দেশটির জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরইউভি রোববার (৩০ আগস্ট) ভোরে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে গণনা করা ১ লাখ ৫২ হাজার ভোটের মধ্যে ৫০ দশমিক ১ শতাংশ ভোটার ইইউর সঙ্গে সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরুর বিপক্ষে মত দিয়েছেন। অন্যদিকে, ৪৯ দশমিক ৯ শতাংশ ভোটার আলোচনার পক্ষে ভোট দিয়েছেন।

আইসল্যান্ডে মোট ভোটার প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার। দুর্গম এলাকাগুলো থেকে ব্যালট বাক্স সংগ্রহের জটিলতার কারণে রোববার দুপুরের আগে চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া কঠিন হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কর্মকর্তারা।

২০০৯ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের সময় আইসল্যান্ড প্রথমবারের মতো ইইউ সদস্যপদের জন্য আবেদন করে। তবে ২০১৩ সালে তৎকালীন সরকার সেই প্রক্রিয়া স্থগিত করে দেয়।

সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেন যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং অর্থনৈতিক চাপের কারণে আইসল্যান্ডের ইইউ সদস্যপদের বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। দেশটিতে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে আইসল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার ৮ শতাংশ, যেখানে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হার ২ দশমিক ২৫ শতাংশ।

‘হ্যাঁ’ ভোটের সমর্থকদের দাবি, ইইউতে যোগদানের প্রক্রিয়া শুরু হলে দেশটির অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বাড়বে এবং নিরাপত্তাও আরও শক্তিশালী হবে।

অন্যদিকে, ‘না’ ভোটের সমর্থকদের আশঙ্কা, ইইউর সদস্য হলে আইসল্যান্ড তার সার্বভৌমত্ব এবং দেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক খাত মৎস্যসম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে।

আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টরুন ফ্রস্টাডটিয়ার ভোটের দিনটিকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হতে পারে। তবে চূড়ান্তভাবে ইইউতে যোগদানের আগে দেশটিতে আরও একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/এসএ