সরকারের ‘থ্রি-আর’ কৌশল আলোচনায়
অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে সরকার ‘থ্রি-আর’ কৌশল উন্মোচন করেছে। এই কৌশলের মধ্যে রয়েছে রিকভারি অ্যান্ড স্ট্যাবিলাইজেশন, রিস্টোরেশন এবং রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাক্সিলারেশন। সরকার তিন ধাপে এই কৌশল বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই থ্রি-আর কৌশল ঘোষণা করেন।
জানা যায়, প্রথম ধাপ অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং এটি এক বছরের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। দ্বিতীয় ধাপ- অর্থনীতির উত্তরণ, যা বর্তমান সরকারের এক থেকে তিন বছর মেয়াদের মধ্যে সম্পন্ন হবে। তৃতীয় ধাপ- সমৃদ্ধ অর্থনীতি বিনির্মাণ। পাঁচ বছর ধরে এটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি গতি ফিরে পেয়েছে এবং ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। গত শুক্রবার (১২ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চারের লক্ষ্যে বাজেটে ঘোষিত পরিকল্পনা তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে, যা ‘থ্রি-আর স্ট্র্যাটেজি’ নামে অভিহিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, রিকভারি অ্যান্ড স্ট্যাবিলাইজেশন: অর্থনীতির পুনরুদ্ধার ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার এ কার্যক্রমের মেয়াদ এক বছর। রেস্টোরেশন বলতে অর্থনীতির উত্তরণ ও কাঠামোগত সংস্কারের এ ধাপ বর্তমান সরকারের প্রথম থেকে তৃতীয় বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে। রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসিলারেশন হিসেবে দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধ অর্থনীতি গঠনের লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
কালের আলো/এম/এএইচ


আপনার মতামত লিখুন
Array