খুঁজুন
                               
, ,
           

গ্যাস সংকটের সমাধান কতদূর?

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০৪ অপরাহ্ণ
গ্যাস সংকটের সমাধান কতদূর?

গ্যাস সংকট এখন আর কেবল রান্নার চুলার মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই। এটি বিদ্যুৎ বিভাগ হয়ে ধাক্কা দিচ্ছে দেশের সার্বিক অর্থনীতি ও মানুষের জীবনযাত্রায়। সিএনজি স্টেশনগুলোতেও যানবাহনের দীর্ঘ সারি। বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের সরবরাহ ২০ কোটি ঘনফুটের বেশি কমে যাওয়ায় উৎপাদন কমেছে দেড় হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি। বাধ্য হয়েই ঢাকার চেয়ে গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং হচ্ছে বেশি। গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে উৎপাদন। সংকটে রয়েছে সাভার ও আশুলিয়ার প্রায় ১ হাজার ২০০ শিল্পকারখানাও।

এমন আকালের সময়ে গ্যাসের দাম বাড়ানোর তোড়জোড় শুরু করেছিল পেট্রোবাংলা। কিন্তু সরকারের উচ্চ পর্যায়ে সবুজ সংকেত না পেয়ে দাম বৃদ্ধির তৎপরতা থেকে শেষ পর্যন্ত তাঁরা সরে এসেছে। শনিবার (০১ আগস্ট) রাতে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, এই মুহূর্তে গ্যাসের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই।

মূলত মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন ও কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার মধ্যে দাম বাড়ানোর খবর সামনে আসায় তোলপাড় তৈরি হয়। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে পেট্রোবাংলা ঘেরাওয়ের হুমকি দেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির শঙ্কায় নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। তবে পেট্রোবাংলা নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করার মাধ্যমে বুঝিয়ে দিলো আপাতত বাড়ছে না গ্যাসের দাম। এর আগে পেট্রোবাংলা গ্যাসের দাম বাড়ানোর একটি প্রস্তাব জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে পাঠিয়েছে বলে গত শুক্রবার সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেই প্রস্তাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার ২৫ টাকা এবং যানবাহনে ব্যবহৃত সিএনজির পাম্পমূল্য প্রায় ৬৫ টাকা করার কথা বলা হয়। যদিও প্রস্তাবের বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি পেট্রোবাংলার বিজ্ঞপ্তিতে।

উদ্বেগের মধ্যেই অবশ্য একটি সুখবর দিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত এই কোম্পানিটি। মহেশখালীতে আগুনে পুড়ে যাওয়া এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি মেরামতের কাজ চলছে পুরোদমে। বিদেশি কোম্পানি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনালটির মেরামতে কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না। কারণ ছোট ঘটনা থেকে বড় দুর্ঘটনা হয়ে গেলে বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। এ জন্য মেরামতে সময় বেশি লাগছে। গত কয়েকদিন এটি বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। এতে সারা দেশে গ্যাস সংকট তীব্র হয়েছে।

চলতি সপ্তাহেই গ্যাসের সংকট কেটে যাবে জানিয়ে পেট্রোবাংলা বলছে, আগামী ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে টার্মিনালটির একটি ইউনিট চালু হবে, তখন ২৫০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে। তার পরের সপ্তাহেই ২টি ইউনিট থেকে আগের মতো গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

পেট্রোবাংলার তথ্যানুযায়ী, দেশীয় গ্যাসের তুলনায় আমদানি করা এলএনজির ব্যয় কয়েক গুণ বেশি। এখন দেশীয় চাহিদার ৭০ শতাংশই অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে আর বাকি ৩০ শতাংশ গ্যাস এলএনজি আমদানি করে মেটানো হচ্ছে। আমদানিতে ঘাটতি বেড়ে যাওয়ায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পেট্রোবাংলার মোট আর্থিক ঘাটতি দাঁড়ায় প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

বিপরীতে সরকার ভর্তুকি দিয়েছে প্রায় ১৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। দিন দিন দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন কমছে। আগামী কয়েক বছরে আমদানির পরিমাণ দ্বিগুণ হয়ে যেতে পারে এমন পূর্বাভাস রয়েছে। এ অবস্থায় বিদেশি উৎস থেকে কেনা দামের কাছাকাছি দাম নির্ধারণ করে সরকারের ভর্তুকি কমানোর বিকল্প নেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক বছর ধরেই আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম বৃদ্ধি করে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদনের কথা বলা হয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার গ্যাস অনুসন্ধানে গুরুত্ব না দেয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এখন এর জের টানতে হচ্ছে। বর্তমান সরকার দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে বিনিয়োগ না বাড়ালে ভবিষ্যতে গ্যাসের দাম ও ভর্তুকির চাপ আরও বাড়বে।

এম/এএইচ

‘পাখি’ নয়, বাংলাদেশে ‘চামেলি’ হিসেবেই পরিচিত হতে চান মধুমিতা সরকার

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
‘পাখি’ নয়, বাংলাদেশে ‘চামেলি’ হিসেবেই পরিচিত হতে চান মধুমিতা সরকার

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে এসে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। ছোট পর্দার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘বোঝে না সে বোঝে না’-এর ‘পাখি’ চরিত্র দিয়ে দুই বাংলার দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া এই অভিনেত্রী এবার ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক করতে যাচ্ছেন। পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল নির্মিত ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন তিনি।

শনিবার (১ আগস্ট) ঢাকায় পৌঁছানোর পর সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠানে অংশ নেন মধুমিতা। প্রথমবার বাংলাদেশে এসে পাওয়া উষ্ণ অভ্যর্থনায় তিনি অভিভূত বলে জানান।

অনুষ্ঠানে মধুমিতা বলেন,
‘এই এক বেলার মধ্যেই এত আন্তরিকতা পেয়েছি যে মনেই হচ্ছে না আমি প্রথমবার কোনো জায়গায় এসেছি। সবাই আমাকে যেভাবে আদর করে স্বাগত জানিয়েছেন, তার জন্য আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। এই ছবির জন্য এসেছি, এত সুন্দর একটা টিমের সঙ্গে কাজ করতে পারছি—নিজেকে সত্যিই ভাগ্যবতী মনে হচ্ছে।’

নতুন সিনেমার গল্প ও নিজের চরিত্র নিয়েও দারুণ আশাবাদী এই অভিনেত্রী। তাঁর ভাষায়,
‘ছবিটির গল্প খুবই আলাদা এবং ইউনিক। এমন ধরনের চরিত্র কলকাতায় আমি আগে করিনি। তাই সিনেমাটি নিয়ে আমি ভীষণ এক্সাইটেড। এত সুন্দর একটি টিমের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি আপ্লুত।’

শুটিংয়ের সময় আবার বাংলাদেশে ফিরে এসে এখানকার মানুষ, সংস্কৃতি ও পরিবেশকে আরও কাছ থেকে জানার আগ্রহও প্রকাশ করেন তিনি। মধুমিতার বিশ্বাস, বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা তাঁর এই নতুন যাত্রাকে আরও স্মরণীয় করে তুলবে।

তবে অনুষ্ঠানের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত ছিল ‘পাখি’ চরিত্র প্রসঙ্গে তাঁর আবেগঘন মন্তব্য। ‘বোঝে না সে বোঝে না’ ধারাবাহিকের ‘পাখি’ চরিত্র তাঁকে বিপুল জনপ্রিয়তা এনে দিলেও বাংলাদেশে তিনি নতুন পরিচয়ে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে চান।

এ প্রসঙ্গে মধুমিতা বলেন,
‘সেই “পাখি” চরিত্রটির জন্য আমি এত ভালোবাসা পেয়েছি, যা সত্যিই অভাবনীয়। আপনারা সবাই আমাকে “পাখি” বলে ডাকেন। কিন্তু আমি চাই, বাংলাদেশে এমন একটি কাজ করি, যার কারণে আপনারা আমাকে নতুন নামে চিনবেন। যেমন “চামেলি”। আলাদা করে যেন “পাখি” বলে পরিচয় করিয়ে দিতে না হয়। আমি চাই এই সিনেমার চামেলি হয়ে সবার ভালোবাসা পেতে। এখানকার দর্শক যেন আমাকে নতুন একটি পরিচয় উপহার দেন।’

‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে অ্যাক্সেল ফিল্ম প্রোডাকশনের ব্যানারে। এর চিত্রনাট্য লিখেছেন আবদুল্লাহ জহির বাবু। রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার, অভিজাত সমাজের অন্ধকার বাস্তবতা এবং একজন যৌনকর্মীর জীবনসংগ্রামকে কেন্দ্র করে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি।

এতে মধুমিতা সরকারের পাশাপাশি অভিনয় করছেন রোজিনা, আমিন খান, আজমেরী হক বাঁধন, ওমর সানী, মিশা সওদাগর, আশীষ খন্দকার ও মুকিত জাকারিয়াসসহ আরও অনেক শিল্পী।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী নভেম্বর থেকে সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে। নির্মাতাদের আশা, ভিন্নধর্মী গল্প ও শক্তিশালী অভিনয়ের মাধ্যমে ‘গুলশানের চামেলি’ দুই বাংলার দর্শকদের কাছেই বিশেষ আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে।

কালের আলো/এসএ

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মুকলেসুরের পাশে দাঁড়াচ্ছেন খায়রুল বাসার

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মুকলেসুরের পাশে দাঁড়াচ্ছেন খায়রুল বাসার

দৃষ্টিশক্তি না থাকলেও জীবনযুদ্ধ থামিয়ে দেননি মুকলেসুর রহমান। নিজের শ্রমে উপার্জন করে বৃদ্ধ মায়ের মুখে খাবার তুলে দিতে প্রতিদিন সংগ্রাম করে চলেছেন তিনি। গাছের ছাল ছাড়িয়ে যে সামান্য আয় হয়, তা দিয়েই কোনোভাবে চলছে তাঁদের সংসার।

সম্প্রতি একটি সংবাদ প্রতিবেদনে উঠে আসে মুকলেসুরের এই কঠিন সংগ্রামের গল্প। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পড়ে। তাঁর জীবনসংগ্রাম অনেকের হৃদয় স্পর্শ করে। সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা খায়রুল বাসারও।

মুকলেসুরকে নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে খায়রুল বাসার লেখেন, “মুকলেসুর রহমান আমার ভাই। আমি প্রতি মাসে অল্প করে হলেও আমার পরিবারের দায়িত্ব নিতে চাই। কেউ আমাকে এই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ করে দিলে কৃতজ্ঞ থাকব।”

অভিনেতার এই মানবিক ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসার ঢল নেমেছে। অনেকেই তাঁর উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এমন মানসিকতাকে অনুসরণীয় বলে মন্তব্য করেছেন।

জানা গেছে, ইতোমধ্যে মুকলেসুর রহমানের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন খায়রুল বাসার। দেশে ফিরেই তিনি মুকলেসুর ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে সরাসরি দেখা করবেন এবং তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তার ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন।

অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে খায়রুল বাসারের ভূমিকা নতুন নয়। বিভিন্ন সময় ব্যক্তিগত উদ্যোগে নানা মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে তিনি প্রশংসিত হয়েছেন।

সম্প্রতি কিশোরগঞ্জের কবর খননকারী মনু মিয়ার জীবিকার একমাত্র অবলম্বন ঘোড়াটি হত্যার ঘটনায়ও তিনি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। মনু মিয়ার জন্য নতুন একটি ঘোড়া কিনে দেওয়ার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ করেছিলেন এই অভিনেতা।

মুকলেসুর রহমানের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগও সমাজে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। অনেকের প্রত্যাশা, খায়রুল বাসারের এ উদ্যোগ অন্যদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করবে।

কালের আলো/এসএ

এনআইডি সংশোধন সহজ করতে কমিটি গঠন ইসির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
এনআইডি সংশোধন সহজ করতে কমিটি গঠন ইসির

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন সহজ করতে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রোববার (২ আগস্ট) ইসির এনআইডি অনুবিভাগের সহকারী পরিচালক হাবিবা আখতার স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে বিষয়টি জানা যায়।

এতে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তি কার্যক্রম সহজীকরণের লক্ষ্যে আবেদনের সাথে সংযুক্ত/দাখিলকৃত প্রমাণক নিরীক্ষা করার জন্য চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হলো।

কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এনআইডি অনুবিভাগের পরিচালক (নিবন্ধন ও প্রবাসী), সদস্য হিসাবে রয়েছেন উপপরিচালক (নিবন্ধন ও প্রবাসী), সহকারী পরিচালক (মুদ্রণ ও বিতরণ ইউনিট), এছাড়া সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন সহকারী পরিচালক (সংশোধন ও প্রতিস্থাপন)।

কমিটির কার্যক্রম পরিধি হিসাবে এতে বলা হয়েছে-

১. চাহিত পরিবর্তনের ধরন কেমন হয় তার শ্রেণীকরণ এবং নিষ্পত্তির জন্য প্রমাণক হিসেবে কী কী দলিল প্রয়োজন তার তালিকা প্রস্তুত করতে হবে।

২. ‘ঘ’ ক্যাটাগরি হতে প্রমাণক অপর্যাপ্ত থাকায় বাতিল করে নিষ্পত্তিকৃত এবং পুনঃদাখিলকৃত আবেদনে পর্যাপ্ত প্রমাণক দাখিল করা হলে সে সব আবেদন নিষ্পত্তির জন্য করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ।

৩. দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য করণীয় বিষয়ে সুপারিশ প্রদান।

৪. আবেদন electronically action নেওয়ার সময় উদ্ভূত জটিলতা নিরসনে cms portal-এ কোন ধরনের modification প্রয়োজন, সে বিষয়ে মতামত প্রদান।

৫. NID lock-unlock এবং rollback এর justification বিষয়ে সুপারিশ প্রদান।

সর্বশেষ ভোটার তালিকা হালনাগাদের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ