খুঁজুন
                               
, ,
           

সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী

সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি।

এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের লেখাপড়ার খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে নিজেদের দক্ষ, যোগ্য ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে শারীরিক শিক্ষা, শিল্প ও সংস্কৃতি চর্চার প্রতিও গুরুত্ব দেওয়ার জন্য তাদের উৎসাহিত করেন।

বিএনপি সরকারের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জাতীয় সংসদের অধিবেশন প্রত্যক্ষ করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শন করেন।

দুপুরে জাতীয় সংসদে এসে তারা সংসদ ভবনের অনন্য স্থাপত্যশৈলী ঘুরে দেখেন, সংসদ লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন এবং বিভিন্ন স্থানে স্মৃতিচারণমূলক ছবি তোলেন। পরে তারা জাতীয় সংসদের অধিবেশন সরাসরি উপভোগ করেন।

এ সময় জিঞ্জিরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংসদের অধিবেশন সরাসরি দেখার সুযোগ করে দেওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

কালের আলো/এসএকে

নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণকে সমান গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই সরকারের অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (৮ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে বৃক্ষরোপণ নিয়ে দেওয়া এক বার্তায় এ কথা বলেন তিনি।

আরটিভির পাঠকদের সুবিধার্থে প্রধানমন্ত্রীর পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই দর্শনকে ধারণ করে বর্তমান সরকার একটি সবুজ, জলবায়ু-সহনশীল, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণকে সমান গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার।

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে জাতীয় ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬’ একটি সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ। এ বছর জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য, ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’, আমাদের এই জাতীয় অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।

মানবসৃষ্ট কর্মকাণ্ডের বিরূপ প্রভাবে বৈশ্বিক উষ্ণতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত বিশ্বব্যাপী প্রকৃতি ও মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলছে। প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি রোধে বৃক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বৃক্ষ বায়ুমণ্ডলীয় কার্বন শোষণ করে, অতিরিক্ত তাপমাত্রা কমায় এবং পরিবেশকে নির্মল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এ বাস্তবতা বিবেচনায় বর্তমান সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের এক যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এটি কেবল একটি সরকারি কর্মসূচি নয়, বরং একটি জাতীয় আন্দোলন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও রেলপথের দুই পাশ, বাঁধ, সরকারি বনভূমি, উপকূলীয় চরাঞ্চল, নগর এলাকা এবং বসতবাড়িসহ দেশের সর্বত্র বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যায় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। নগর বনায়নে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং বিনামূল্যে চারা বিতরণের উদ্যোগও অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বৃক্ষাচ্ছাদন বৃদ্ধি পাবে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা সহজ হবে এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে।

উন্নত জীবনের জন্য যেমন প্রয়োজন সমৃদ্ধ দেশ ও শক্তিশালী অর্থনীতি, তেমনি সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ বন। সমৃদ্ধ অর্থনীতি ও সবুজ বন পরস্পর ওতপ্রোতভাবে সম্পর্কযুক্ত।

একটি গতিশীল ও সম্ভাবনাময় সবুজ অর্থনীতি গড়ে তুলতে বন ও বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই দেশকে সবুজে আচ্ছাদিত করার লক্ষ্যে বাড়ির আনাচে-কানাচে, পতিত ও প্রান্তিক জমিতে, খাল ও নদীর পাড়ে, বাঁধে, সড়ক ও সড়কদ্বীপে, বাড়ির ছাদে এবং শহর-বন্দর নির্বিশেষে উপযুক্ত প্রতিটি স্থানে ব্যাপক বনায়ন কার্যক্রমে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে অংশগ্রহণের জন্য আমি উদাত্ত আহ্বান জানাই।

বৃক্ষমেলা দেশে সবুজায়ন আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বৃক্ষরোপণে দেশবাসীকে আরও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ বছরও জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বৃক্ষমেলার আয়োজন এবং তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আমি আশা করি, দেশবাসী বৃক্ষমেলা থেকে উন্নত জাতের চারা সংগ্রহের সুযোগ পাবে এবং শিক্ষার্থীরা উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ লাভ করবে।

আসুন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, সুন্দর, নির্মল ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা প্রত্যেকে অন্তত একটি করে বৃক্ষরোপণ করি এবং তার যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করি।

এ বছর যারা ‘বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৫’, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার, ২০২৬’ এবং সামাজিক বনায়নের লভ্যাংশ অর্জন করেছেন, আমি তাঁদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

আমি জাতীয় ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬’ এর সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি।

কালের আলো/এসএকে

উখিয়ায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৮, জীবিত উদ্ধার ১৪

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
উখিয়ায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৮, জীবিত উদ্ধার ১৪

টানা ভারী বৃষ্টির কারণে কক্সবাজারের উখিয়ার ৫ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মসজিদুল কুবা মহিলা মাদরাসা ও হেফজখানায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহেতের সংখ্যা বেড়ে ৮ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের সবাই ১২-১৩ বছর বয়সী কিশোরী। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে ক্যাম্পের এ-৩ ব্লকে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে।

এর আগে ঘটনার পরপর তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের খবর জানিয়েছিল ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিস ও ক্যাম্প প্রশাসনের সমন্বিত তৎপরতায় চলা উদ্ধার অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত ৮ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলো—রাশিদা বেগম (১৩), উম্মে নেজাতুল (১৩), উম্মে সালমা (১২) ও উমাইসা বিবি (১৩)। উম্মে নেজাতুল ও উম্মে সালমা সহোদর বোন, তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৩ এর বাসিন্দা। অপর দুজন ক্যাম্প-৫ এর বাসিন্দা।

নিহত বাকি চারজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে ক্যাম্প প্রশাসন।

হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান  বলেন, ফায়ার সার্ভিস এবং ক্যাম্প প্রশাসনের আওতাধীন সিসিসিএম স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় পরিচালিত উদ্ধার অভিযান বিকেল ৫টার দিকে শেষ হয়েছে। ঘটনাস্থলে এপিবিএন সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন এবং শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয় পুরো উদ্ধার কার্যক্রম ও দুর্ঘটনা-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা তদারকি করছে।

স্থানীয় সূত্র ও প্রশাসন বলছে, ওই মাদরাসায় অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী ছিল। ভারী বৃষ্টির সময় পাহাড় ধসের আশঙ্কায় অনেকে বেরিয়ে যায়। তবে একেবারেই পাহাড়-লাগোয়া একটি কক্ষে হঠাৎ মাটি এসে পড়ে। ফলে ওই কক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা আটকা পড়ে এবং মাটিচাপা পড়ে। যাদের অধিকাংশই মারা গেছে।

ক্যাম্প-৫ এর বাসিন্দা মৌলভি ইউনুস জানান, মাদরাসা ছুটি হওয়ার সময় বাকি ছিল আর কয়েক মিনিট, এর মধ্যেই দুর্ঘটনাটি ঘটে যায়।

মাটি ভরাট করে মাদরাসাটি নির্মাণ করা হয়েছিল।

এর আগে গত সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে ভারী বর্ষণের কারণে উখিয়ার তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক পাহাড় ধসের ঘটনায় নারী শিশুসহ প্রাণ হারান ৮ জন। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত গত তিন দিনে কক্সবাজারে ভারী বর্ষণের ফলে ২১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৫১ জন ডেঙ্গু রোগী।

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ জন বরিশালের।

বুধবার (৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা মহানগরে ৫৭ জন, ঢাকা বিভাগে (মহানগরের বাইরে) ১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪০ জন, খুলনা বিভাগে ৪০, রাজশাহী বিভাগে ১২ জন, বরিশাল বিভাগে ৬৬ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫ জন ও সিলেট বিভাগে দুজন রয়েছেন।

চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ছয় হাজার ৮৭৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৫১৮ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৮ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ৭ হাজার ৫৫৭ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। চলতি বছরে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে জুনে। এই মাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৯০৭ জন।

চলতি মাসে আক্রান্ত ৪৯৩ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ শতাংশ নারী আর মৃতদের মধ্যে ৫২ দশমিক ৬ শতাংশ পুরুষ ও ৪৭ দশমিক ৪ শতাংশ মহিলা। এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং মারা যান ৪১৩ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্ত ছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন, মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের। আর ২০২৩ সালে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন এবং প্রাণ হারান ১ হাজার ৭০৫ জন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ