খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রধানমন্ত্রীর ওপর সন্তুষ্ট দেশের ৭৫.৩ শতাংশ মানুষ: জরিপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ওপর সন্তুষ্ট দেশের ৭৫.৩ শতাংশ মানুষ: জরিপ

দেশের তিন-চতুর্থাংশের বেশি মানুষ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব পালনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডেল্টাগ্রামের এক জাতীয় জনমত জরিপে এমন চিত্র উঠে এসেছে। জরিপে অংশ নেওয়া উত্তরদাতার মধ্যে ৭৫ দশমিক ৩ শতাংশ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের কাজের ধরন তারা সমর্থন করেন। বিপরীতে ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আর ৭ দশমিক ২ শতাংশ এ বিষয়ে কোনো মত দেননি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে সরকার গঠনের চার মাস পর পরিচালিত এ জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেছে ডেল্টাগ্রাম।

১২ থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত দেশের তিন হাজার প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর এই জরিপ পরিচালিত হয়। ডেল্টাগ্রামের প্রশিক্ষিত সাক্ষাৎকারগ্রহণকারীরা সরাসরি মাঠপর্যায়ে জরিপটি সম্পন্ন করেন।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি সমর্থন পাওয়া গেছে রংপুর বিভাগে, যেখানে সন্তুষ্টির হার ৮৩ দশমিক ১ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে কম সমর্থন পাওয়া গেছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে এ হার ৭০ দশমিক ৪ শতাংশ।

শহর ও গ্রামের মধ্যে মতামতের পার্থক্যও উঠে এসেছে জরিপে। গ্রামীণ এলাকার ৭৮ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। শহরাঞ্চলে এ হার ৭০ দশমিক ১ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রায় সব বয়সী মানুষের মধ্যেই সমর্থনের হার কাছাকাছি। তবে ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে এ হার তুলনামূলক কম, যা ৭০ দশমিক ৯ শতাংশ।

জরিপে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিজয়ের মাধ্যমে ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। সরকার গণভোটে অনুমোদিত জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা নির্ধারণ এবং দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের বিষয়ও রয়েছে।

ডেল্টাগ্রাম জানিয়েছে, জরিপটি পরিকল্পনা, অর্থায়ন, পরিচালনা এবং তথ্য সংগ্রহ—সবই তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় করা হয়েছে। কোনো বাণিজ্যিক জরিপ প্রতিষ্ঠানকে এ কাজে যুক্ত করা হয়নি। জরিপ পরিচালনার আগে সাক্ষাৎকারগ্রহণকারীদের প্রশ্নপত্র ব্যবহার ও নমুনা নির্বাচন পদ্ধতি বিষয়ে ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সাক্ষাৎকার সম্পন্ন হওয়া, সাক্ষাৎকারে অস্বীকৃতি এবং যোগাযোগ ব্যর্থ হওয়ার তথ্যও সংরক্ষণ করা হয়েছে।

জরিপে রংপুর ও ঢাকার ফলাফলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা গেলেও গবেষকরা এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, বিভাগভিত্তিক নমুনা জাতীয় পর্যায়ের তুলনায় ছোট হওয়ায় এ ধরনের পার্থক্যের একটি অংশ নমুনা নির্বাচনের স্বাভাবিক তারতম্যের কারণেও হতে পারে। তাই এটিকে বিভাগগুলোর নির্ভুল অবস্থান নির্দেশক হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।

তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে সরাসরি এবং ৩০ শতাংশ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে। সরাসরি সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থনের হার ছিল ৭৫ দশমিক ৮ শতাংশ, আর মোবাইল ফোনে নেওয়া সাক্ষাৎকারে ছিল ৭৪ দশমিক ১ শতাংশ।

ডেল্টাগ্রাম জানিয়েছে, এ দুই পদ্ধতির ফলাফলের মধ্যে পরিসংখ্যানগতভাবে উল্লেখযোগ্য কোনো পার্থক্য পাওয়া যায়নি। তবে সরকার পরিবর্তনের অল্প সময়ের মধ্যে সামনাসামনি সাক্ষাৎকারে উত্তরদাতারা তুলনামূলক নিরাপদ মনে করে মতামত দিতে পারেন—এ সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি নিশ্চিত হতে ভবিষ্যতে আরও জরিপ প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পদ্ধতিগতভাবে জরিপে দুই ধাপের স্তরভিত্তিক সম্ভাব্যতা নমুনা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। দেশের আটটি বিভাগের ১৫০টি প্রাথমিক নমুনা এলাকা থেকে জনসংখ্যার অনুপাতে নমুনা নির্বাচন করা হয়। প্রতিটি এলাকা থেকে ২০টি করে সাক্ষাৎকার নিয়ে মোট তিন হাজার মানুষের মতামত সংগ্রহ করা হয়েছে।

জরিপের সাড়া দেওয়ার হার ছিল ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর বিভাগ, শহর-গ্রাম, লিঙ্গ, বয়স ও শিক্ষাগত তথ্যের ভিত্তিতে ফলাফল সমন্বয় করা হয়েছে। সমন্বয়ের আগে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থনের হার ছিল ৭৪ দশমিক ১ শতাংশ, যা সমন্বয়ের পর দাঁড়িয়েছে ৭৫ দশমিক ৩ শতাংশ।

জরিপে আরও বলা হয়েছে, নমুনা নকশার প্রভাব বিবেচনায় জাতীয় পর্যায়ে সম্ভাব্য নমুনাগত ত্রুটির সীমা ৯৫ শতাংশ নির্ভরযোগ্যতার ভিত্তিতে প্রায় ২ দশমিক ১ থেকে ২ দশমিক ৪ শতাংশ। বিভাগভেদে এই ত্রুটির সীমা আরও বেশি, যা ঢাকা বিভাগে প্রায় ৪ শতাংশ এবং তুলনামূলক ছোট বিভাগগুলোতে প্রায় ৯ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কয়েদির মৃত্যু

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কয়েদির মৃত্যু

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিরাজুল ইসলাম (৫০) নামের এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। তিনি পাবনা জেলা কারাগারের বন্দী ছিলেন। বাড়ি পাবনা সদরের দাপুলিয়া গ্রামে। রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকাল ৯টায় তিনি মারা যান।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আখেরুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মারামারির মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন সিরাজুল। পাবনা কারাগারে তিনি অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী পাঠানো হয়েছিল। মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকাল ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

তিনি জানান, সিরাজুল ইসলাম ডায়াবেটিসসহ কয়েকটি অসুখে ভুগছিলেন। তার মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

কঙ্গনার ‘কুইন টু’ মুক্তির আগেই আইনি জটিলতায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
কঙ্গনার ‘কুইন টু’ মুক্তির আগেই আইনি জটিলতায়

বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘কুইন টু’ মুক্তির আগেই বড় ধরনের আইনি জটিলতায় পড়েছে। এ সিনেমাটি মুক্তির আগেই মেধাস্বত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। সিনেমাটির মুক্তি আটকে দিতে এবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ফ্যান্টম স্টুডিওস’।

ইতোমধ্যে মুম্বাই হাইকোর্টে ‘জিওস্টার’-এর বিরুদ্ধে ২৫০ কোটি রুপির ক্ষতিপূরণ মামলা করেছে তারা। ফ্যান্টম স্টুডিওসের দাবি, তাদের কোনো রকম অনুমতি না নিয়েই বেআইনিভাবে ‘কুইন’ সিনেমার এ সিক্যুয়েল নির্মাণ করা হয়েছে।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুতে পরিচালক বিকাশ বহলের হাত ধরে শুরু হয়েছিল ‘কুইন ২’ সিনেমার শুটিং। সম্প্রতি সিনেমাটির ক্যামেরা ক্লোজ হয়েছে এবং বর্তমানে এটি পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। আর শুটিং শেষ হওয়ার এ খবরটি সামনে আসার পরপরই আইনি লড়াইয়ে নামার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় ফ্যান্টম স্টুডিওস।

সংস্থার ঘনিষ্ঠ সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার আগে একাধিকবার জিওস্টার ও পরিচালক বিকাশ বহলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। ফ্যান্টম স্টুডিওসের পক্ষ থেকে তাদের আপত্তির কথা জানানো হয়। এমনকি প্রকাশ্যে আইনি নোটিশও জারি করা হয়েছিল। কিন্তু তাদের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।

শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই মামলর পথ বেছে নিয়েছে ফ্যান্টম স্টুডিওস।

ফ্যান্টম স্টুডিওসের দাবি, ‘কুইন’ সিনেমার ৫০ শতাংশ মেধাস্বত্বের মালিকানা এখনো তাদের হাতেই রয়েছে। সেই আইনগত অধিকার বলেই এ সিনেমার সিক্যুয়েলসংক্রান্ত যে কোনো সিদ্ধান্তের অংশীদার তারা। চলতি বছরের এপ্রিলে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল— ‘কুইন’-এর ওপর ভিত্তি করে কোনো সিক্যুয়েল বা নতুন কোনো অভিযোজন নির্মাণের অনুমতি তারা কাউকে দেয়নি।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কুইন’ সিনেমাটি বক্স অফিসে ঝড় তোলার পাশাপাশি দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে তুমুল প্রশংসা পেয়েছিল। সিনেমাটি সে বছর দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও লুফে নেয়, যার মধ্যে সেরা অভিনেত্রীর সম্মান পান কঙ্গনা রানাউত। সেই সময়ে সিনেমাটির যৌথ প্রযোজনায় ছিল ‘ভায়াকম১৮ মোশন পিকচার্স’ ও ‘ফ্যান্টম ফিল্মস’।

অনুরাগ কাশ্যপ, বিক্রমাদিত্য মোটওয়ানে, মধু মন্টেনা ও বিকাশ বহল মিলে গড়ে তুলেছিলেন ফ্যান্টম ফিল্মস। পরে ২০১৮ সালে এ সংস্থাটি বন্ধ হয়ে গেলেও ২০২১ সালে ‘ফ্যান্টম স্টুডিওস’ নামে নতুনভাবে এর পথচলা শুরু হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান

প্রখ্যাত মানবাধিকারকর্মী আইরিন খানকে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম স্বাক্ষরিত আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) থেকে এ তথ্য জানা গেছে। ওই পত্র অনুযায়ী, সরকার আইরিন খানকে সরকারের সিনিয়র সচিব পদমর্যাদা ও বেতন-ভাতায় দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেবে।

বুধবার (৮ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আইরিন জাতিসংঘে বাংলাদেশের বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হবেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই আইরিন খান তার নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে পারেন। সূত্র জানায়, এ নিয়োগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রীও সম্মতি দিয়েছেন।

ডিও লেটারে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মানবাধিকার, সুশাসন ও আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে আইরিন খান অত্যন্ত সুপরিচিত। তার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা এবং মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে দক্ষতা বহুপাক্ষিক ফোরামে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে।

এতে আরও বলা হয়, বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান কার্যকরভাবে তুলে ধরা এবং দেশের কূটনৈতিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে আইরিন খান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পত্রে তার নিয়োগ-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতাও চাওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন