খুঁজুন
                               
, ,
           

চিকিৎসার উদ্দেশে গাঁজা চাষ ও ব্যবহারের বৈধতা নেপালের গণ্ডকী প্রদেশের

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
চিকিৎসার উদ্দেশে গাঁজা চাষ ও ব্যবহারের বৈধতা নেপালের গণ্ডকী প্রদেশের

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চিকিৎসার উদ্দেশে (ওষুধ হিসেবে) গাঁজা চাষ ও ব্যবহারের বৈধতা দিয়েছে নেপালের গণ্ডকী প্রদেশ সরকার। গত সোমবার (৩ জুলাই) প্রদেশটির প্রধান (গভর্নর) বিতর্কিত আইনটি অনুমোদন দেওয়ার পর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।

কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গণ্ডকী প্রদেশের আইনসভার ক্ষমতাসীন জোট ও বিরোধী দলের সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে আইনটি পাস করেন।

নেপালের মোট সাতটি প্রদেশের মধ্যে গণ্ডকী অন্যতম। পর্যটননগরী পোখরা এবং বিখ্যাত সব পর্বত ও হাইকিং ট্রেইলের জন্য পরিচিত এই অঞ্চলে প্রাদেশিক আইন পাস হওয়ায় পুরো দেশে এক নতুন নজির তৈরি হলো। কারণ, নেপালের কেন্দ্রীয় আইনে সারা দেশে গাঁজা চাষ, বহনে ও ব্যবহারে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

নেপালের বিদ্যমান জাতীয় আইন অনুযায়ী, ব্যক্তিগত ব্যবহারের উদ্দেশে কারও কাছে গাঁজা পাওয়া গেলে এক মাসের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। আর এটি বিক্রি বা বিতরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান চালু রয়েছে।

গাঁজা মূলত নেপালের একটি স্থানীয় ও প্রাকৃতিক উদ্ভিদ। সেখানে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবে দীর্ঘদিন ধরে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দেশটির অধিকারকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে সরকারের কাছে গাঁজা চাষ ও ব্যবহারের ওপর আরোপিত আইনি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আন্দোলন করে আসছিলেন।

একসময় নেপালের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িয়ে ছিল গাঁজা। তবে ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে অন্যান্য দেশের নীতি অনুসরণ করে নেপাল সরকার গাঁজা অবৈধ ঘোষণা করে।

কালের আলো/এম/এএইচ

বিমানবন্দরে বসছে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
বিমানবন্দরে বসছে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভিআইপি, সিআইপিসহ সবার জন্য সমান নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। একই সঙ্গে বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোনের উড্ডয়ন ঠেকাতে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএএসসি) প্রথম সভায় এসব নির্দেশনা ও সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

সভায় কমিটির সভাপতি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এবং সহসভাপতি প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, দেশের বিমান চলাচল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ও সমন্বয়কারী কমিটির ১৩তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। খুব শিগগিরই আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) অডিট অনুষ্ঠিত হবে।

এ অডিটের ফলাফলের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি জড়িত। তাই আইকাওর সম্ভাব্য পর্যবেক্ষণগুলো বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, ভিআইপি ও সিআইপিসহ সবার জন্য নিরাপত্তা প্রটোকল সমান। বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে একই নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন। বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য উন্নত ও নির্বিঘ্ন যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

সভায় প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোনের উড্ডয়ন রোধে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রায় তিন বছর পর জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

নিরাপত্তা জোরদারে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও স্ক্যানার পর্যাপ্ত সংখ্যায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ও স্ক্যানারের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি থাকাই উত্তম।

সভায় উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের আইনের ব্যত্যয় ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কার্যকর, সমন্বিত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে তথ্য বিনিময় ও সমন্বয় জোরদার, জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন এবং আইকাওর নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ ছাড়া বিমানবন্দরে আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম সংযোজন, বিদ্যমান নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনা, ভবিষ্যতের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথের নিরাপত্তা জোরদার এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে স্থাপিত আন্ডার ভেহিকেল স্ক্যানিং সিস্টেমের (ইউভিএসএস) কার্যকারিতা নিয়েও আলোচনা হয়।

সভায় দেশের সব বেসামরিক বিমানবন্দরে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কনটিনজেন্সি ও ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এদিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ল্যান্ডসাইড এলাকায় যানজট, অনিয়ন্ত্রিত লোকসমাগম, ভিক্ষুকের উপদ্রব এবং অবৈধ লাগেজ র‌্যাপিং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এসব সমস্যা সমাধানে বেবিচক, এপিবিএন, পুলিশ, আনসার ও বিমানবন্দর ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার সুপারিশ করা হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা, শৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা আরও উন্নত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

জুলাইযোদ্ধাদের কারণেই গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
জুলাইযোদ্ধাদের কারণেই গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জুলাইযোদ্ধাদের কারণেই গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে ‘শিকল ভাঙার জুলাই’ শীর্ষক প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে দেওয়া প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব শাহ আলম।

প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, এখানে অনেকে লেখনী দিয়েছেন, অনেক ছবি দেওয়া হয়েছে।

এই ছবিগুলো, লেখাগুলো আসলে একটি আবেগ থেকে এই ইতিহাসটা তুলে ধরার জন্য লেখা হয়েছে। আমিও এখানে লেখা দিয়েছি,তথ্যমন্ত্রী দিয়েছেন, আমাদের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ দিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দিয়েছেন, উপদেষ্টারা দিয়েছেন।

এই লেখাগুলো আসলে একটি ইতিহাস হয়ে থাকবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে, পিআইডি এবং বিভিন্ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে এরকম বই আরও প্রকাশ করা হবে।

তথ্যচিত্র নির্মাণ করা হচ্ছে। জুলাই নিয়ে তথ্যচিত্রগুলো, রিলসগুলা অচিরেই আপনাদের হাতে পৌঁছাবে।

তিনি আরও বলেন, ১৭ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন, জুলাইযোদ্ধারা যেভাবে শহীদ হয়ে এই দেশকে একটি গণতান্ত্রিক পথে আসার জন্য সহযোগিতা করেছেন। একটি গণতান্ত্রিক এবং সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকারটি গঠিত হয়েছে, সেই জুলাইযোদ্ধাদের কারণেই আজকে আমরা এ পর্যায়ে আসতে পেরেছি।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৭টি বছর আমাদের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে নেতৃত্ব দিয়েছেন, সে নেতৃত্বের মাধ্যমেই আজকে আমাদের এই সরকার, গণতান্ত্রিক সরকার, আমরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসতে পেরেছি।

আমি জুলাইযোদ্ধাদের প্রতি সমবেদনা জানাই, শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি, তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করি। যারা আহত হয়েছেন তাদের প্রতিও সমবেদনা জানাই এবং তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বাবার কবর জিয়ারত করলেন ডা. জুবাইদা রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
বাবার কবর জিয়ারত করলেন ডা. জুবাইদা রহমান

রাজধানীর বনানীতে সামরিক কবরস্থানে বাবা সাবেক যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী এবং নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। এ সময় সঙ্গে ছিলেন তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে তারা সেখানে যান। কবর জিয়ারত শেষে কতক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন ও ফাতেহা পাঠ করেন। পরে মাহবুব আলী খানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় পরিবারের সদস্য, নিকটাত্মীয় ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে মরহুমের ধানমন্ডির বাসভবনে তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সালের ৬ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন সাবেক নৌবাহিনী প্রধান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্বশুর রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান।

কালের আলো/এসএকে