খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ ডেপুটি স্পিকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ ডেপুটি স্পিকারের

বিএনপির নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের দেওয়া ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ জানালেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোণা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ড্রিম প্রজেক্ট ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণে প্রকৃত গরিবদের বঞ্চিত করেছেন কিছু আমলা। তারা অন্যায় করেছেন।’

রোববার (১৭ মে) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) নেত্রকোনা সাংবাদিক ফোরাম আয়োজিত ‘চাষাভূষার সন্তান’ গ্রন্থের প্রাসঙ্গিকতা ও করণীয় শীর্ষক সেমিনারে এই অভিযোগ জানান ডেপুটি স্পিকার।

কায়সার কামালের আরও অভিযোগ, ‘স্বাধীনতার পর থেকে হাওড় অঞ্চল নিয়ে কোনো টেকসই ও বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়নি। মৎস্য চাষ ও উন্নয়নের নামে ইজারা ও লিজ ব্যবস্থার মাধ্যমে হাওড় ধ্বংসের নৈরাজ্য চলছে।’

তিনি বলেন, ‘হাওড় অঞ্চলের ক্ষয়ক্ষতি সরকারি তালিকায় থাকা প্রকৃত ক্ষতির তুলনায় তিন গুণ বেশি তথ্য দেখানো হয়েছে। সেখানে ভুয়া নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

এসময় হাওড় এলাকার প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধানে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের দাবি জানান ডেপুটি স্পিকার।

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন- মো. আনোয়ারুল হক, সাংবাদিক, গবেষক, লেখক, সুধীজন ও হাওরাঞ্চল সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা। তারা হাওড় অঞ্চলের কৃষক ও চাষিদের দুঃখ-দুর্দশা, অবহেলা এবং উন্নয়ন সংকট নিয়ে আলোচনা করেন।

এর আগে শনিবার (১৬ মে) নেত্রকোণায় নিজ আসনে প্রথম ধাপের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

সেখানেও তিনি অভিযোগ করেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে প্রথমে হতদরিদ্র, এরপর অতিদরিদ্র এবং পরে দরিদ্রদের অগ্রাধিকার পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে অনেক প্রকৃত অসহায় মানুষ তালিকার বাইরে রয়ে গেছেন।’

ডেপুটি স্পিকার মনে করিয়ে দেন, শুধু অর্থ আত্মসাৎ নয়, দায়িত্বশীল কাজে গাফিলতিও দুর্নীতির অংশ। তার হুঁশিয়ারি, ‘ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে কোনো দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। আমি দুর্নীতি করব না, দুর্নীতিকে প্রশ্রয়ও দেব না।’

কালের আলো/এসআর/এএএন

ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, বায়ু দূষণের শীর্ষে জাকার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:২০ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, বায়ু দূষণের শীর্ষে জাকার্তা

বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান বিষয়ক ওয়েবসাইট আইকিউ এয়ারে এ তথ্য দেখা যায়।

বায়ুদূষণে এদিন বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের রাজধানী লাহোর, যার স্কোর ১৭৮। ১৭০ স্কোর নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে কাতারের রাজধানী দোহা। তালিকায় চতুর্থ স্থানে ১৬৯ স্কোর নিয়ে অবস্থান করছে কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা ১৫২ স্কোর নিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়।

আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয়। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে বায়ু ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

হজ শেষে সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন ৬৪১৬৩ হাজি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
হজ শেষে সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন ৬৪১৬৩ হাজি

বুধবার (২৪ জুন) হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, ১৭০টি ফিরতি ফ্লাইটে তারা দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৮৯টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ৫৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

হজ অফিস জানায়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৫৯ হাজার ৮৮৮ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

এয়ারলাইন্স ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৮৯টি ফ্লাইটে ২৮ হাজার ৮৪৫ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ৫৯টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৪৫৯ জন, ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ৪ হাজার ১৮৭ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাকি হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন।

এদিকে চলতি হজ মৌসুমে সৌদি আরবে ৩৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারীসহ ৫৪ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিকেল সেন্টারগুলো ৬৬ হাজার ৮৮০ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৩২৫ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।

গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় এবং তা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

হজ অফিসের তথ্যমতে, এবার বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

সেই আলোচিত কৃষক কবির হোসেনের মৃত্যুতে কৃষিমন্ত্রীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
সেই আলোচিত কৃষক কবির হোসেনের মৃত্যুতে কৃষিমন্ত্রীর শোক

প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণের মাধ্যমে আলোচনায় আসা টাঙ্গাইলের সেই কৃষক ও কনটেন্ট নির্মাতা কবির হোসেন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, কবির হোসেন ছিলেন একজন কর্মঠ, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও কৃষিপ্রেমী মানুষ। কৃষিকে মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং কৃষকের জীবনসংগ্রাম ও সাফল্যের বাস্তব চিত্র সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার মৃত্যুতে দেশ একজন নিবেদিতপ্রাণ কৃষক ও কৃষি অঙ্গনের পরিচিত মুখকে হারালো।

মন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কবির হোসেন ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫০ বছর। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের তারটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃষকের জীবন, সংগ্রাম ও সম্ভাবনার নানা দিক তুলে ধরে কবির হোসেন ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণের পর তিনি দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন। পরবর্তীতে প্রশাসনিক তদন্তে তিনি একজন প্রকৃত প্রান্তিক কৃষক হিসেবে স্বীকৃতি পান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ