খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

এবার কোলম্যানের কোচ হতে বাধা এজেন্ট

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
এবার কোলম্যানের কোচ হতে বাধা এজেন্ট

হামজা-জামালদের কোচ নিয়ে নাটকীয়তা কাটছেই না। ওয়েলসের কোচ ক্রিস কোলম্যানের ব্যাপারে বাফুফে আন্তরিক। উচ্চ বাজেটের হওয়া সত্ত্বেও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক কোলম্যানের পক্ষেই রয়েছেন। এরপরও বাফুফে কোলম্যানকে কোচ হিসেবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারছে না।

আজ বিকেলে জাতীয় স্টেডিয়ামে ৪৯তম জাতীয় অ্যাথলেটিক্সের উদ্বোধন করতে এসেছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সেখানে ফুটবল কোচ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ক্রীড়াঙ্গনের অভিভাবক। তিনি বলেন, ‘আমরা যাকে (কোলম্যান) নেয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্ততি নিয়েছি, তার বিষয়ে সার্বিকভাবে ফেডারেশন যে সহযোগিতা চেয়েছে, তা প্রদান করার জন্য আমরা প্রস্তুত। কিন্তু আমি বাফুফে থেকে জানলাম তার যে এজেন্ট রয়েছে, তার সঙ্গে এখনও বোঝাপড়া হয়নি।’

ফুটবল বিশ্বে খেলোয়াড়-কোচ চুক্তিতে এজেন্ট বড় ভূমিকা রাখেন। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন দুই বছরের জন্য কোলম্যানকে কোচ নিয়োগ করতে চায়। এজন্য কোলম্যানের এজেন্ট বড় অঙ্কের টাকা দাবি করেছে। কয়েক লাখ টাকার অঙ্ক এজেন্টকে দিতে হবে। যা ফেডারেশনের জন্য বড় কষ্টসাধ্য। এই জায়গায় বাফুফে-কোলম্যান চুক্তি আটকে আছে এবং না হওয়ার শঙ্কা দেখছেন খোদ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এজেন্টের সঙ্গে বোঝাপড়া শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আসলে আমরা শেষ পর্যন্ত কোলম্যানকে পাব কি না?

৫ জুন বাংলাদেশ সান মারিনোতে প্রীতি ম্যাচ খেলবে। সপ্তাহ তিনেকের মতো সময় বাকি। জাতীয় ফুটবল দলের কোচ নিয়োগ প্রয়োজন দ্রুতই। বিষয়টি অনুধাবন করে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখনও আমরা কোলম্যানের ব্যাপারে ইতিবাচক। এরপরও যদি কোনো কারণে কোলম্যান না হয়, তাহলে তালিকায় পরবর্তী যে আছে তাকে নিতে বলেছি।’

বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল গতকাল রাতে থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফিরেছেন। আজ তিনি সাংবাদিকদের সাথে কোচ নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছিলেন। কোচের ইস্যু সুরাহা না হওয়ায় সেটা পিছিয়ে আগামীকাল নির্ধারণ করেছেন। কোলম্যান ও অন্য সম্ভাব্য কোচও ইউরোপের। বাংলাদেশের চেয়ে সময়ে পিছিয়ে থাকায় বাফুফে সভাপতি আজ বাংলাদেশ সময় রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চান। এরপর আগামীকাল কোচ বিষয়ে একটি সামগ্রিক আপডেট জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, বায়ু দূষণের শীর্ষে জাকার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:২০ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, বায়ু দূষণের শীর্ষে জাকার্তা

বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান বিষয়ক ওয়েবসাইট আইকিউ এয়ারে এ তথ্য দেখা যায়।

বায়ুদূষণে এদিন বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের রাজধানী লাহোর, যার স্কোর ১৭৮। ১৭০ স্কোর নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে কাতারের রাজধানী দোহা। তালিকায় চতুর্থ স্থানে ১৬৯ স্কোর নিয়ে অবস্থান করছে কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা ১৫২ স্কোর নিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়।

আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয়। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে বায়ু ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

হজ শেষে সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন ৬৪১৬৩ হাজি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
হজ শেষে সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন ৬৪১৬৩ হাজি

বুধবার (২৪ জুন) হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, ১৭০টি ফিরতি ফ্লাইটে তারা দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৮৯টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ৫৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

হজ অফিস জানায়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৫৯ হাজার ৮৮৮ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

এয়ারলাইন্স ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৮৯টি ফ্লাইটে ২৮ হাজার ৮৪৫ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ৫৯টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৪৫৯ জন, ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ৪ হাজার ১৮৭ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাকি হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন।

এদিকে চলতি হজ মৌসুমে সৌদি আরবে ৩৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারীসহ ৫৪ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিকেল সেন্টারগুলো ৬৬ হাজার ৮৮০ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৩২৫ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।

গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় এবং তা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

হজ অফিসের তথ্যমতে, এবার বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

সেই আলোচিত কৃষক কবির হোসেনের মৃত্যুতে কৃষিমন্ত্রীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
সেই আলোচিত কৃষক কবির হোসেনের মৃত্যুতে কৃষিমন্ত্রীর শোক

প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণের মাধ্যমে আলোচনায় আসা টাঙ্গাইলের সেই কৃষক ও কনটেন্ট নির্মাতা কবির হোসেন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, কবির হোসেন ছিলেন একজন কর্মঠ, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও কৃষিপ্রেমী মানুষ। কৃষিকে মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং কৃষকের জীবনসংগ্রাম ও সাফল্যের বাস্তব চিত্র সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার মৃত্যুতে দেশ একজন নিবেদিতপ্রাণ কৃষক ও কৃষি অঙ্গনের পরিচিত মুখকে হারালো।

মন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কবির হোসেন ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫০ বছর। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের তারটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃষকের জীবন, সংগ্রাম ও সম্ভাবনার নানা দিক তুলে ধরে কবির হোসেন ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণের পর তিনি দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন। পরবর্তীতে প্রশাসনিক তদন্তে তিনি একজন প্রকৃত প্রান্তিক কৃষক হিসেবে স্বীকৃতি পান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ