খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

অর্থমন্ত্রী

রাজস্ব আদায়ের যে জায়গাগুলো বাইরে ছিল সেগুলোক আওতার মধ্যে এনেছি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
রাজস্ব আদায়ের যে জায়গাগুলো বাইরে ছিল সেগুলোক আওতার মধ্যে এনেছি

আসছে বাজেটে রাজস্ব আদায়ের আওতা বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, যে জায়গাগুলো রাজস্ব আদায়ের বাইরে ছিল সেগুলোকে আমরা এবার আওতার মধ্যে নিয়ে এসেছি। রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে আমাদের নেটওয়ার্ক বাড়াতে হবে। আমরা সেটাই করছি।

সোমবার (১৮ মে) আগারগাঁও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

রাজস্ব আদায় প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের রাজস্ব আদায়ের হার বিশ্বে একেবারেই নিম্ন পর্যায়ে। আমরা তো এটিকে সেই জায়গায় রাখতে পারবো না। একটা দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যে অর্থায়ন প্রয়োজন সেটি আমাদের অবশ্যই বাড়াতে হবে। এজন্য আমরা এনবিআরের একটি রিফর্ম প্রোগ্রামে যাচ্ছি। রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে আমাদের নেটওয়ার্ক সেটা বড় করতে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, বহুদিন নেটওয়ার্কের কথা শোনা গিয়েছে, কিন্তু নেটওয়ার্ক তো বড় হয়নি। ঘুরে ফিরে যারা আছে তারাই ট্যাক্স দিচ্ছে। তাদের ওপর বারবার চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এজন্য আমাদের নেটওয়ার্ক বাড়াতে হবে। অনেকে হয়তো ন্যূনতম ইনকাম ট্যাক্স দিয়েও নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে। এ বিষয়ে আমরা সবাইকে এনকারেজ করছি।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যত বেশি লোককে আমরা নেটওয়ার্কে আনতে পারবো সেটা তাদের জন্যও সুবিধা। কারণ, রাজস্ব আদায় যত বেশি হবে এটার বেনিফিট জনগণের কাছেই যাবে। এটি তো একটি নির্বাচিত সরকার। আগে বেনিফিট গিয়েছে কিছু লোকের পকেটে, এখন বেনিফিট যাবে বাংলাদেশের মানুষের কাছে। সুতরাং এখানে একটি ইনসেনটিভ থাকবে। আর রাজস্ব আদায়ের জন্য যে জায়গাগুলো বাইরে ছিল সেগুলোকে আমরা এবার আওতার মধ্যে নিয়ে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, সবকিছু মিলিয়ে আমি এটা বলবো না যে আমাদের বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি হবে। প্রবৃদ্ধিটা হবে ক্রমান্বয়ে। তবে কতটুকু প্রবৃদ্ধি হতে পারে সেটি মাথায় রেখে আমরা বাজেট প্রস্তাব করেছি। আশা করি, আগামী দিনে এটি যত বাড়বে আমাদের প্রবৃদ্ধির হারও তত বাড়বে। তখন আমাদের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানও বাড়বে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের প্রেক্ষাপটটা হচ্ছে ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে সমৃদ্ধি, পুনরুদ্ধার, উত্তরণ ও পুনর্গঠন কৌশল। ফলে আমরা একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে সামনের দিকে যাচ্ছি, এটির পুনরুদ্ধার কীভাবে হবে, উত্তরণ কীভাবে হবে, পুনর্গঠন কৌশলটা কী হবে- এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে বাজেট পরিকল্পনা হয়েছে।

বিগত সময়ে কিছু প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্নীতি কিংবা অব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যেসব প্রকল্প এসেছে সেগুলো আইডেন্টিফাই করবে আইএমইডি (বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ)। তদন্তের মাধ্যমে এসব প্রকল্পের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী দিনের বাংলাদেশের উন্নয়নের যে চিত্র সেখানেও আশা করি তার প্রতিফলন পাবেন।

এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি এই প্রকল্পগুলো নতুনভাবে হবে। কারণ, সেগুলো তো সময়মতো শেষ করতে হবে। আর যেগুলো আমরা বিগত দিন থেকে পেয়েছি এই অসমাপ্ত কাজগুলো কতটুকু সমাপ্ত করবে সেগুলো রিভিউয়ের মাধ্যমে সমাধান হবে। আর যেগুলোর আসলে প্রয়োজনীয়তা নেই সেগুলো বাদ দেওয়া হবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ।

বুধবার (২৪ জুন) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’-এর সাইডলাইনে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজাখস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ঢাকা ও আস্তানায় স্থায়ী কূটনৈতিক মিশন স্থাপনের বিষয়ে একমত হন।

এ ছাড়া রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত বলে মত দেন তারা।

কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বৃহত্তর সম্পৃক্ততার সম্ভাবনাকে ইতিবাচকভাবে দেখেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে কাজাখস্তানে দক্ষ শ্রমিক পাঠানো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ডিজিটাল অবকাঠামো, প্রযুক্তি, কৃষি ব্যবসা এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে দুই দেশের বাণিজ্য সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

এ ছাড়া পানি কূটনীতি নিয়ে জাতিসংঘের অধীনে একটি বিশেষায়িত সংস্থা প্রতিষ্ঠার কাজাখস্তানের প্রস্তাবে বাংলাদেশের সমর্থন প্রত্যাশা করেন প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ৷  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এতে বাংলাদেশের সমর্থন রয়েছে বলে জানান।

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

আগামী পাঁচদিনের বৃষ্টিপাত নিয়ে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৩:১৩ অপরাহ্ণ
আগামী পাঁচদিনের বৃষ্টিপাত নিয়ে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

আগামী ৫ দিন কোথাও গুঁড়ি গুঁড়ি, কোথাও বজ্রসহ আবার ভারি বর্ষণের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি বায়ু মোটামুটি সক্রিয় থাকায় দেশের আট বিভাগেই এ সময়ে কম-বেশি ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে সপ্তাহের শেষ দিকে সিলেট, রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগে অতি ভারী বর্ষণের আভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ সকাল ৯টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে, এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

রোববার (২৮ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রাজশাহী, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

কালের আলো/এসএকে

রেকর্ড পরিমাণ তাপদাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ১৬ শহরে রেড এলার্ট জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৩:০০ অপরাহ্ণ
রেকর্ড পরিমাণ তাপদাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ১৬ শহরে রেড এলার্ট জারি

ইউরোপজুড়ে ভয়াবহ তাপদাহে ভেঙে যাচ্ছে একের পর এক তাপমাত্রার রেকর্ড। কয়েকটি দেশে জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা। তীব্র গরমে স্কুল বন্ধ, যাতায়াতে বিধিনিষেধ এবং জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

বুধবার (২৪ জুন) ইতালির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রোম ও মিলানসহ ১৬টি শহরে লাল সতর্কতা জারি করেছে। একই সময়ে যুক্তরাজ্যের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে চরম গরমের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

তীব্র গরমের কারণে যুক্তরাজ্যে কিছু স্কুল বন্ধ রাখা হচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া মানুষকে ভ্রমণ না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উচ্চ তাপমাত্রার পাশাপাশি বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণও বেশি থাকায় গরম আরও অসহনীয় হয়ে উঠছে।

এদিকে মঙ্গলবার (২৩ জুন) ফ্রান্সে ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ দিনের রেকর্ড হয়েছে। দেশটিতে গত কয়েক দিনে নজরদারিবিহীন জলাশয়ে সাঁতার কাটতে গিয়ে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের ৯০ শতাংশের বেশি মানুষ বর্তমানে তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে রয়েছেন। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ৩৯ থেকে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নেদারল্যান্ডসেও বুধবার থেকে অন্তত শুক্রবার পর্যন্ত চরম গরমের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজধানী আমস্টারডামের কিছু উন্মুক্ত সুইমিংপুলে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত গরমের কারণে কয়েকটি রুটে ট্রেন চলাচলও কমিয়ে আনা হচ্ছে।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিনে তাপপ্রবাহ পূর্ব ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়বে। পোল্যান্ডে রেকর্ড ভাঙা তাপমাত্রার আশঙ্কায় উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একইভাবে ক্রোয়েশিয়ার উপকূলীয় অঞ্চল ও হাঙ্গেরিতেও সর্বোচ্চ সতর্কতা ঘোষণা করা হয়েছে।

ফ্রান্সের পরিবেশমন্ত্রী মনিক বারবু জানিয়েছেন, দেশটিতে তাপদাহ আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। যদিও আগামী সপ্তাহে সাময়িক স্বস্তি মিলতে পারে, এরপর আবারও চরম গরম ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বায়ুমণ্ডলের বিশেষ অবস্থা ও বায়ুপ্রবাহের কারণে গরম বাতাস দীর্ঘ সময় একই স্থানে আটকে থাকছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এই পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।

তীব্র গরমের প্রভাবে লন্ডনে বায়ুদূষণের উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া সৈন্য ও ঘোড়ার নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে রাজধানী লন্ডন ও উইন্ডসরে সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিক কিছু কার্যক্রমও বাতিল করা হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে