খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

নির্ধারিত স্থানের বাইরে পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না: ডিএনসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
নির্ধারিত স্থানের বাইরে পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না: ডিএনসিসি

নির্ধারিত ও বৈধভাবে ইজারা দেওয়া স্থানের বাইরে কোনো পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, ‘অবৈধভাবে পশু কেনাবেচা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালাবে।’

বুধবার (২০ মে) গুলশানে ডিএনসিসির নগর ভবনে কোরবানির পশুর হাট ব্যবস্থাপনা নিয়ে ইজারাদার ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কোরবানির পশুর হাট পাঁচ দিনের জন্য বসবে। এর আগে কোনো ধরনের বেচাকেনা বা কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে।’

তিনি জানান, ‘হাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ঠেকাতে প্রায় ১০০ জন কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তারা মাঠপর্যায়ে অভিযান চালাবেন এবং কোনো অনিয়ম পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবেন।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘পশু বিক্রির অর্থ থেকে ইজারাদাররা সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ হাসিল নিতে পারবেন। এর বাইরে বিক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিদিনের বর্জ্য প্রতিদিনই নির্ধারিত স্থানে অপসারণ করতে হবে, যাতে দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি না হয়। পাশাপাশি হাট এলাকায় যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়েও ইজারাদারদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে পরিবারের নারী সদস্য ও শিশুরাও পশুর হাটে যান। তাই তাদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য হাট এলাকায় নারীদের জন্য পৃথক ‘পিংক টয়লেট’ স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

সভায় ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, ইজারাদার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাজশাহীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে বিভিন্ন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত   

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে বিভিন্ন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত   

নতুন কুড়ি স্পোর্টস এর আঞ্চলিক পর্যায়ের ১২-১৪ বছরের শিশু কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে বিভিন্ন ইভেন্টের খেলা অনুষ্টিত হয়।

বুধবার (২০ মে) আঞ্চলিক পর্যায়ের ফুটবল বালক বিভাগের ফুটবলের সেমিফাইনালে নওগাঁ জেলা ২-০ গোলে সিরাজগঞ্জ জেলাকে হারিয়ে ফাইনালে উন্নীত হয়। বিজয়ী দলের পক্ষে তামিম ও ওবাইদুল ১টি করে গোল করে।

অন্য ম্যাচে বগুড়া জেলা টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে পরাজিত করে ফাইনালে উন্নীত হয় ।

বালিকা বিভাগে স্বাগতিক রাজশাহীর সাকিরা আবারও হ্যাটট্রিক করেছে। সাকিরার হ্যাটট্রিকের সুবাদে রাজশাহী ৩-০ গোলে নওগাঁ জেলাকে হারিয়ে ফাইনালে উন্নীত হয়।

বিজয়ী দলের পক্ষে সাকিরা একাই ৩টি গোল করে। অন্য ম্যাচে বগুড়া জেলা ১-০ গোলে নাটোর জেলাকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে। বিজয়ী দলের পক্ষে খুশি জয়সুচক একমাত্র  গোলটি করে।

কাবাডি বালক বিভাগে রাজশাহী ৫২-১৫ পয়েন্টে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে, বগুড়া ৩৪-৯ পয়েন্টে সিরাজগঞ্জকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে।

বালিকা বিভাগে জয়পুরহাট ৩০-১৭ পয়েন্টে পাবনাকে ও রাজশাহী ২৮-৬ পয়েন্টে নওগাঁ জেলাকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে।

দাবা বালক বিভাগে রাজশাহীর ইলহাম ও বালিকা বিভাগে পাবনার আরিশা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

এ্যাথলেটিক্সয়ে বালকে ১০০ মিটারে সিরাজগঞ্জের সুমন শেখ ১ম, বালিকা বিভাগে নওগাঁর মুন্নি ১ম, বালক ২০০ মিটারে নাটোরের আমান ১ম ও বালিকাতে চাঁপাইনবাগঞ্জের বিজলী রানী ১ম স্থান অধিকার করেছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

জামায়াতকে নিয়ে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য অসত্য-দায়িত্বজ্ঞানহীন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৯:২৪ অপরাহ্ণ
জামায়াতকে নিয়ে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য অসত্য-দায়িত্বজ্ঞানহীন

বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কর্তৃক ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে জামায়াতে ইসলামীকে জড়িয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা উস্কানিমূলক, অসত্য ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বুধবার (২০ মে) এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে যে গৎবাঁধা মিথ্যাচার ও বিষোদ্গার করেছেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক, অনভিপ্রেত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন। রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব এবং সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার উদ্দেশ্যেই তিনি জামায়াতে ইসলামীর মতো একটি সুশৃঙ্খল ও গণমুখী ইসলামী দলের বিরুদ্ধে ন্যাক্কারজনকভাবে কুৎসা রটানোর পথ বেছে নিয়েছেন।’

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, “মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন ‘আমরা নাকি ধর্মের নামে রাজনীতি করি বা মিথ্যা বলি।’ অথচ দেশবাসী ভালো করেই জানেন, জামায়াতে ইসলামী একটি নিয়মতান্ত্রিক, আদর্শিক ও প্রকাশ্য ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল। আমরা ধর্ম নিয়ে কখনো কোনো ধরনের হীন ব্যবসা বা চাতুরীর আশ্রয় নেই না। বরং ধর্ম নিয়ে প্রকৃত ব্যবসা ও ভণ্ডামি করে বিএনপি নিজেই।

সারা বছর তাদের বড় বড় নেতাদের নামাজের কোনো খবর থাকে না, অথচ নির্বাচন ঘনিয়ে আসলেই তাদের গায়ে পাজামা-পাঞ্জাবি ও মাথায় টুপি চড়ে, হাতে তসবিহ দেখা যায় এবং আতর মেখে মসজিদে ঢুকতে দেখা যায়। জনগণের ধর্মীয় আবেগকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় যাওয়ার এই সস্তা ও ভণ্ডামিপূর্ণ রাজনীতি বিএনপির জন্যই বেশি প্রযোজ্য, জামায়াতের নয়।’

তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অমূলক দাবি করেছেন ‘এ দেশের মানুষ জামায়াতকে কোনো দিন ক্ষমতায় বসাবে না।’ উনাকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, জামায়াতে ইসলামী এ দেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া একটি দল। অতীতে একাধিকবার সংসদ নির্বাচনে দেশপ্রেমিক জনতা জামায়াতকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছে এবং আমাদের মন্ত্রীরা সততা ও দক্ষতার সাথে রাষ্ট্র পরিচালনার নজির স্থাপন করেছেন। জনগণের এই রায়কে যারা অস্বীকার করে, তারা আসলে গণতন্ত্রেই বিশ্বাস করে না।

ঠাকুরগাঁওয়ের সভায় দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করার হীন উদ্দেশে যে সস্তা নাটক তিনি মঞ্চস্থ করার অপচেষ্টা করেছেন, তা তার মতো একজন সিনিয়র রাজনীতিকের কাছে কখনো কাম্য নয়। অপপ্রচার চালিয়ে মিথ্যাকে সত্যে পরিণত করা যায় না।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে জামায়াতকে জড়িয়ে তিনি যে পুরোনো ও অসত্য বয়ান দিয়েছেন, তা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছুই নয়। জামায়াতে ইসলামী সব সময় দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার পক্ষে অতন্দ্র প্রহরীর মতো ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও পালন করবে ইনশাআল্লাহ।’

তিনি বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, মিথ্যা এবং কুৎসার ওপর ভিত্তি করে কখনো টেকসই রাজনীতি করা যায় না। রাজনীতি করতে হবে সত্য, সততা এবং জনকল্যাণমূলক আদর্শের উপর ভিত্তি করে, যা জামায়াতে ইসলামী জন্মলগ্ন থেকেই করে আসছে। তাই নিজেদের রাজনৈতিক ব্যর্থতা ঢাকতে জামায়াতের বিরুদ্ধে অসত্য ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া বন্ধ করার এবং এ ধরনের অসত্য মন্তব্য প্রত্যাহার করার জন্য আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে তৈরি করা হবে গণমাধ্যম কমিশন: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে তৈরি করা হবে গণমাধ্যম কমিশন: তথ্যমন্ত্রী

Oplus_131072

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যম কমিশন সংক্রান্ত এ পর্যন্ত সম্পন্ন হওয়া সকল আলোচনা, সুপারিশ ও ডকুমেন্ট ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে এবং সেই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সরকারের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তাবনা তৈরি করা হবে।

বুধবার (২০ মে ২০২৬) ঢাকার একটি হোটেলে ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ও বিবিসি মিডিয়া একশন আয়োজিত ‘PIMHIE Project: Learning & Sharing From Policy Reform to Newsroom Practice’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি সরকার প্রধানের সঙ্গে মালিক সমিতি ও সম্পাদকদের বৈঠকেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সঙ্গে পূর্বে যেমন আলোচনা হয়েছে, পরামর্শক কমিটি গঠনের পর আবারও আলোচনা করা হবে, যাতে একটি গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর কাঠামো তৈরি করা যায়।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যম আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। রাষ্ট্রের অন্যান্য স্তম্ভকে জনগণের কাছে জবাবদিহিতার মধ্যে রাখার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে গণমাধ্যম কমিশন গঠন শুধুমাত্র সরকারের একক বিষয় নয়; এটি সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগ।

তিনি আরও বলেন, সরকার একদিকে যেমন এ প্রক্রিয়ায় সমান অংশীদার হিসেবে কাজ করবে, অন্যদিকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সমন্বয়কারী ও ব্যবস্থাপকের দায়িত্বও পালন করবে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী, গণমাধ্যম সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজন এ উদ্যোগে সরকারের সহযাত্রী হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, গণমাধ্যম কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ এবং ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান ও যমুনা টেলিভিশনের সিইও ফাহিম আহমেদ।

কালের আলো/এসএকে