খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

আম রপ্তানিতে বড় সম্ভাবনা, বাধা বিমান ভাড়া-কার্গো সংকট: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ
আম রপ্তানিতে বড় সম্ভাবনা, বাধা বিমান ভাড়া-কার্গো সংকট: কৃষিমন্ত্রী

দেশের আম বিশ্ববাজারে অন্যতম রপ্তানিপণ্যে পরিণত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের মাটি ও আবহাওয়া কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য বিশ্বের অন্যতম উপযোগী। তবে নীতিগত ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে আয়োজিত ‘আম রপ্তানির শুভ উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্প’।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে মূলত প্রবাসী বাঙালিদের লক্ষ্য করে আম রপ্তানি হচ্ছে। তবে প্রকৃত অর্থে রপ্তানি সফল হবে তখনই, যখন বিদেশি নাগরিকরাও বাংলাদেশের আম খেতে শুরু করবেন।

তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে টিকে থাকতে হলে কৃষিপণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করার বিকল্প নেই। উন্নত দেশগুলো কৃষি খাতে বিপুল ভর্তুকি দিয়ে থাকে। বাংলাদেশকেও রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে কার্যকর সহায়তা দিতে হবে।

মন্ত্রী জানান, সম্প্রতি চীন বাংলাদেশ থেকে বড় আকারে কাঁঠাল আমদানির আগ্রহ দেখিয়েছে। এ জন্য তারা বাংলাদেশে প্যাকেজিং ও কোয়ালিটি কন্ট্রোল ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্থানীয় জাতের আমের স্বাদ বিশ্বমানের। দেশীয় জাতের স্বাদ ও বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ন রেখে আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী সংরক্ষণক্ষম ও আকর্ষণীয় জাত উদ্ভাবনে বিজ্ঞানীদের কাজ করতে হবে।

আম রপ্তানির প্রধান বাধা হিসেবে বিমান ভাড়া ও কার্গো সংকটের কথা তুলে ধরে কৃষিমন্ত্রী বলেন, পচনশীল কৃষিপণ্যের জন্য আলাদা কার্গো সুবিধা জরুরি। বাংলাদেশ বিমানের সঙ্গে আলোচনা করে ভাড়া কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, নতুন বিমান যুক্ত হলে ভবিষ্যতে কার্গো ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ বাড়বে। তবে কার্গো ফ্লাইট চালু রাখতে নিয়মিত সংযোগ ও পর্যাপ্ত রপ্তানি নিশ্চিত করতে হবে।

কীটনাশকের ব্যবহার নিয়েও সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজার এখন শুধু স্বাদ নয়, নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তাও চায়। তাই রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনে নিরাপদ কৃষি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ‘রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্প’-এর পরিচালক আরিফুর রহমান। তিনি বলেন, দেশে বছরে প্রায় ২৬ লাখ ৬২ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদিত হয়। সঠিক তথ্য আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরতে পারলে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ আম উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় উঠে আসতে পারে।

তিনি বলেন, বর্তমানে যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, ইতালিসহ ৩৬টি দেশে বাংলাদেশের আম রপ্তানি হচ্ছে। আম্রপালি, ফজলি, হিমসাগর ও হাড়িভাঙ্গাসহ সাতটি প্রিমিয়াম জাত আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে রপ্তানি করা হচ্ছে।

তবে রপ্তানির বড় বাধা হিসেবে তিনি বিমানের অতিরিক্ত ফ্রেইট চার্জ ও কার্গো স্পেস সংকটের কথা উল্লেখ করে বলেন, তৈরি পোশাক খাতের চাপের কারণে অনেক সময় আমের চালান অফলোড হয়ে যায়।

অনুষ্ঠানে ফুড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মনসুর বলেন, থাইল্যান্ড বা পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশের এয়ার ভাড়া প্রায় ৮০ শতাংশ বেশি। এছাড়া বিমানবন্দরে কোল্ড চেইন ও আধুনিক স্ক্যানিং ব্যবস্থার অভাবেও রপ্তানিকারকরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘ দুই দশকেও একটি ডেডিকেটেড কার্গো ফ্লাইট চালু না হওয়া বড় ব্যর্থতা। বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোর বাণিজ্যিক উইংও আমের বাজার সম্প্রসারণে প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে পারছে না।

অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা শেখ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আম যেহেতু পচনশীল পণ্য, তাই একে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে নির্দিষ্ট কার্গো স্পেস বরাদ্দ করা প্রয়োজন। কৃষি ও বিমান মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে এ সংকট দ্রুত সমাধান সম্ভব।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল ই মোহাম্মদ বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশের মিষ্টি আমের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আম রপ্তানি বাড়াতে সংরক্ষণ, ক্যানিং, আধুনিক প্যাকেজিং ও ভ্যাকুয়াম ফ্রাইং প্রযুক্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে কার্গো ভাড়ায় বিশেষ ভর্তুকি বা সাবসিডি দেওয়ার বিষয়েও সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ওজন কারচুপি বন্ধের ওপরও জোর দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রামিসার বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারের বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যা ৭টা থেকে সচিবালয়ে চলমান মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর রাজধানীর পল্লবীতে রামিসার বাসায় যাবেন তিনি। রাত ৯টায় শেষ হওয়ার কথা রয়েছে ওই বৈঠক।

আজ রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ। তিনি জানিয়েছেন, রামিসার বাসায় গিয়ে তার পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

এরআগে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলাম হক রামিসাদের বাসায় গিয়ে সমবেদনা জানিয়েছেন। আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছেন।

রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার আসামির দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ হচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্নস্থানে।

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ঘাতক সোহেল রানা।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ইতালিতে নিজেকে ‌‘চা-ওয়ালা’ বললেন মোদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
ইতালিতে নিজেকে ‌‘চা-ওয়ালা’ বললেন মোদি

ইতালির রাজধানী রোমে এক ভাষণে নিজেকে চা ওয়ালা হিসেবে অভিহিত করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বুধবার (২০ মে) রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। সেখানে উপস্থিত শ্রোতাদের উদ্দেশে তমোদি বলেন, ‘আগামীকাল আপনারা চা দিবস উদযাপন করবেন। তাই এক দিন আগেই একজন চা বিক্রেতা আজ আপনাদের মাঝে এসেছেন।’

মূলত দর্শকদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে এবং তার তৃণমূল স্তর থেকে উঠে আসার বিষয়টি তুলে ধরতে এই প্রসঙ্গটি ব্যবহার করেন মোদি। তার এ বক্তব্যে উপস্থিতদের মধ্যে হাস্যরসের সৃষ্টি হয় এবং তারা করতালির মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান।

এসময় তিনি ভারতের চায়ের প্রশংসা করে মোদি বলেন, ‘ভারতের চায়ের বৈচিত্র্য যেমন বিস্তৃত, তেমনি এর শক্তিও অনেক বড়’।

গত ১৫ মে শুরু হওয়া পাঁচ দেশের সফরের অংশ হিসেবে মোদি সংযুক্ত আরব আমিরাত, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে ও ইতালি সফর করেন।

উল্লেখ্য, মোদি যখন ছোট ছিলেন তখন তিনি গুজরাটের এক রেলস্টেশনে চা বিক্রি করতেন। এরপর উগ্রপন্থি হিন্দু সংগঠন আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে রাজনীতিতে আসেন। যদিও মোদির সমর্থকেরা প্রায়শই এই ‘চা ওয়ালা’ পরিচয়কে তার সাধারণ জীবনযাত্রার এক অনুপ্রেরণামূলক প্রতীক হিসেবে দেখেন। তবে তার এই পরিচয়টি ভারতে প্রায়ই অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেয় এবং বিরোধী দলের নেতারা নিয়মিতভাবে মোদিকে চা ওয়ালা  আখ্যা দিয়ে কটাক্ষ করে থাকে।

সূত্র: এনডিটিভি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

অধস্তনের ওপর দোষ চাপানো কর্মকর্তাদের কঠোর হুঁশিয়ারি নৌ প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
অধস্তনের ওপর দোষ চাপানো কর্মকর্তাদের কঠোর হুঁশিয়ারি নৌ প্রতিমন্ত্রীর

Oplus_131072

অব্যবস্থাপনা বা ব্যর্থতার দায় নিচের স্তরের কর্মচারীদের ওপর চাপিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া লঞ্চঘাট ও ফেরিঘাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় দেখা যায়, নিচের স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর দায় চাপিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এখন থেকে যেই ওয়ার্কিং স্টেশনে যিনি প্রধান হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন, সেখানে কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা, দুর্ঘটনা কিংবা জটিলতা তৈরি হলে তাকেই প্রথমে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে। তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সরকারের প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘরমুখো মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে প্রিয়জনদের কাছে পৌঁছাতে পারেন এবং ঈদ শেষে নিরাপদে কর্মস্থলে ফিরতে পারেন, সে জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আগামী রোববার থেকে ঈদযাত্রার চাপ বাড়বে। ছোটখাটো কিছু বিষয় আমরা পর্যবেক্ষণ করছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গার্মেন্টস ছুটি শুরু হলে ঘাট এলাকায় অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১ নম্বর ও ২ নম্বর ঘাট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে জরুরি পরিস্থিতিতে শুধু যানবাহন নয়, সাধারণ মানুষকেও ফেরির মাধ্যমে পারাপারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

স্পিডবোট চলাচলের বিষয়েও সরকার নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাটুরিয়া এলাকায় চলাচলকারী স্পিডবোটগুলোকে একটি নীতিমালার আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। একইসঙ্গে ফেরিগুলোতে স্বাভাবিক ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে কাজ করা হচ্ছে।

এ সময় বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে