খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

আম রপ্তানিতে বড় সম্ভাবনা, বাধা বিমান ভাড়া-কার্গো সংকট: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ
আম রপ্তানিতে বড় সম্ভাবনা, বাধা বিমান ভাড়া-কার্গো সংকট: কৃষিমন্ত্রী

দেশের আম বিশ্ববাজারে অন্যতম রপ্তানিপণ্যে পরিণত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের মাটি ও আবহাওয়া কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য বিশ্বের অন্যতম উপযোগী। তবে নীতিগত ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে আয়োজিত ‘আম রপ্তানির শুভ উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্প’।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে মূলত প্রবাসী বাঙালিদের লক্ষ্য করে আম রপ্তানি হচ্ছে। তবে প্রকৃত অর্থে রপ্তানি সফল হবে তখনই, যখন বিদেশি নাগরিকরাও বাংলাদেশের আম খেতে শুরু করবেন।

তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে টিকে থাকতে হলে কৃষিপণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করার বিকল্প নেই। উন্নত দেশগুলো কৃষি খাতে বিপুল ভর্তুকি দিয়ে থাকে। বাংলাদেশকেও রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে কার্যকর সহায়তা দিতে হবে।

মন্ত্রী জানান, সম্প্রতি চীন বাংলাদেশ থেকে বড় আকারে কাঁঠাল আমদানির আগ্রহ দেখিয়েছে। এ জন্য তারা বাংলাদেশে প্যাকেজিং ও কোয়ালিটি কন্ট্রোল ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্থানীয় জাতের আমের স্বাদ বিশ্বমানের। দেশীয় জাতের স্বাদ ও বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ন রেখে আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী সংরক্ষণক্ষম ও আকর্ষণীয় জাত উদ্ভাবনে বিজ্ঞানীদের কাজ করতে হবে।

আম রপ্তানির প্রধান বাধা হিসেবে বিমান ভাড়া ও কার্গো সংকটের কথা তুলে ধরে কৃষিমন্ত্রী বলেন, পচনশীল কৃষিপণ্যের জন্য আলাদা কার্গো সুবিধা জরুরি। বাংলাদেশ বিমানের সঙ্গে আলোচনা করে ভাড়া কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, নতুন বিমান যুক্ত হলে ভবিষ্যতে কার্গো ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ বাড়বে। তবে কার্গো ফ্লাইট চালু রাখতে নিয়মিত সংযোগ ও পর্যাপ্ত রপ্তানি নিশ্চিত করতে হবে।

কীটনাশকের ব্যবহার নিয়েও সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজার এখন শুধু স্বাদ নয়, নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তাও চায়। তাই রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনে নিরাপদ কৃষি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ‘রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্প’-এর পরিচালক আরিফুর রহমান। তিনি বলেন, দেশে বছরে প্রায় ২৬ লাখ ৬২ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদিত হয়। সঠিক তথ্য আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরতে পারলে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ আম উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় উঠে আসতে পারে।

তিনি বলেন, বর্তমানে যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, ইতালিসহ ৩৬টি দেশে বাংলাদেশের আম রপ্তানি হচ্ছে। আম্রপালি, ফজলি, হিমসাগর ও হাড়িভাঙ্গাসহ সাতটি প্রিমিয়াম জাত আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে রপ্তানি করা হচ্ছে।

তবে রপ্তানির বড় বাধা হিসেবে তিনি বিমানের অতিরিক্ত ফ্রেইট চার্জ ও কার্গো স্পেস সংকটের কথা উল্লেখ করে বলেন, তৈরি পোশাক খাতের চাপের কারণে অনেক সময় আমের চালান অফলোড হয়ে যায়।

অনুষ্ঠানে ফুড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মনসুর বলেন, থাইল্যান্ড বা পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশের এয়ার ভাড়া প্রায় ৮০ শতাংশ বেশি। এছাড়া বিমানবন্দরে কোল্ড চেইন ও আধুনিক স্ক্যানিং ব্যবস্থার অভাবেও রপ্তানিকারকরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘ দুই দশকেও একটি ডেডিকেটেড কার্গো ফ্লাইট চালু না হওয়া বড় ব্যর্থতা। বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোর বাণিজ্যিক উইংও আমের বাজার সম্প্রসারণে প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে পারছে না।

অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা শেখ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আম যেহেতু পচনশীল পণ্য, তাই একে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে নির্দিষ্ট কার্গো স্পেস বরাদ্দ করা প্রয়োজন। কৃষি ও বিমান মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে এ সংকট দ্রুত সমাধান সম্ভব।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল ই মোহাম্মদ বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশের মিষ্টি আমের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আম রপ্তানি বাড়াতে সংরক্ষণ, ক্যানিং, আধুনিক প্যাকেজিং ও ভ্যাকুয়াম ফ্রাইং প্রযুক্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে কার্গো ভাড়ায় বিশেষ ভর্তুকি বা সাবসিডি দেওয়ার বিষয়েও সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ওজন কারচুপি বন্ধের ওপরও জোর দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আগামী অর্থবছরে বিড়ির দাম বাড়বে না : অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
আগামী অর্থবছরে বিড়ির দাম বাড়বে না : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী অর্থবছরের বাজেটে বিড়ির মূল্য ও করহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসন-৩ এর এমপি রাশেদা বেগম হীরার প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

রাশেদা বেগম হীরা প্রশ্ন করেছিলেন, তামাকের ওপর সুনির্দিষ্ট হারে কর বৃদ্ধি যেমন বিড়ির খুচরা মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রাখিয়া ২০ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য আরও বৃদ্ধি করিয়া অধিক সম্পূরক শুল্ক এবং সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করিবেন কিনা?

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেটে বিড়ি ক্ষেত্রে মূল্য এবং করহার পূর্বের বছরের ন্যায় অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ

চলছে ফিফা বিশ্বকাপের ক্ষণগণনা। আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডাতে চলবে ৪৮ দলের ফুটবল যুদ্ধ। আর বাকি ২ দিন। ফিফা প্রতিদিনের পরিসংখ্যানমূলক প্রতিবেদনের মাধ্যমে ক্ষণগণনা করছে।

২০০৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের কথা মনে আছে? সেদিন ফ্রান্স ও ইতালি মুখোমুখি হয়েছিল। ১-১ গোলে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে অতিরিক্ত সময়েও স্কোর পাল্টায়নি। কিন্তু ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো ‘আলোচিত’ কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেন জিনেদিন জিদান।

ফ্রান্সের অধিনায়ক প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় মার্কো মাতেরাজ্জির উসকানিমূলক মন্তব্যে মেজাজ হারিয়ে তাকে ঢুস মারেন। ১১০ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন জিদান। বাকি ১০ মিনিট তো বটেই, তার শূন্যতা টাইব্রেকারে ভালোভাবে টের পেয়েছিল ফ্রান্স। পেনাল্টি শুটআউটে হেরে হতাশায় ভাসে তারা।

যে মাথা দিয়ে গুঁতো মেরে জিদানে দ্বিতীয়বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ হারিয়েছিলেন, সেই মাথার নৈপুণ্যে ১৯৯৮ সালে ব্রাজিলকে হারিয়ে ফ্রান্সকে প্রথম শিরোপা জেতান জিজু!

বিশ্বকাপ ফাইনালে হেড করে দুটি গোল করা একমাত্র খেলোয়াড় জিদান। প্রথমার্ধে কর্নার থেকে দুইবার জাল কাঁপান তিনি হেডারে। দুই প্রান্ত থেকে কর্নার কিক নিয়েছিলেন এমানুয়েল পেতিত ও ইউরি জোর্কায়েফ। ৩-০ গোলে ম্যাচটি জেতে ফরাসিরা।

স্তাদে দে ফ্রান্সে ২০ মিনিটের ব্যবধানে হেডে একাধিক গোল করেন জিদান, যা পরের তিনটি বিশ্বকাপে দলটির হেড গোলের চেয়ে বেশি। জিজুর পর পরের তিন আসরে কেবল প্যাট্রিক ভিয়েইরা হেড থেকে একমাত্র গোল করেন, ২০০৬ সালে স্পেনের বিপক্ষে শেষ ষোলোতে।

পায়ের ক্ষিপ্রতার কারণে বিশেষভাবে সুপরিচিত জিদান। কিন্তু হেড থেকেও গোল করতে পারদর্শী। হেড থেকে চেক রিপাবলিক, মাল্টা ও সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষেও তিনি গোল করেছিলেন। ২০০৬ সালের ফাইনালে গিগি বুফন তার একটা দুর্দান্ত হেড ঠেকিয়ে স্বস্তি ফেরান।

জিদান ছাড়া একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে একাধিক হেড গোল করেছেন পেলে, যদিও দুটি ভিন্ন আসরে: ১৯৫৮ সালে সুইডেন ও ১৯৭০ সালে ইতালির বিপক্ষে। কিন্তু এক ফাইনালে দুটি হেড গোলের কীর্তি কেবলই জিদানের।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বিনা খরচে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
বিনা খরচে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আগামী ফুটবল বিশ্বকাপ বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, স্বচ্ছ ও সাশ্রয়ী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফিফার সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় বিটিভি এবার প্রায় বিনা খরচে বিশ্বকাপ সম্প্রচার করতে পারবে। মঙ্গলবার তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সময়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব অর্জনে বিপুল অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার জনগণের অর্থের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সম্প্রচার স্বত্ব অর্জনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। ফিফা থেকে স্বত্ব কিনে নেওয়া একটি প্রতিষ্ঠান প্রথমদিকে প্রায় ২০০ কোটি টাকা দাবি করেছিল। তবে সরকার সেই প্রস্তাবে সম্মত না হয়ে সরাসরি ফিফার সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেয়।’

তিনি জানান, এ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং এর সভাপতি তাবিথ আউয়ালকে সম্পৃক্ত করা হয়। দীর্ঘ আলোচনা ও দরকষাকষির মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অত্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এবং নীতিমালার আলোকে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচারের চূড়ান্ত চুক্তিমূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রায় ৪৭ কোটি ২৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা। ভ্যাট ও আয়করসহ মোট ব্যয় হবে প্রায় ৬৩ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ১২৫ টাকা।’

তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রচার স্বত্ব বাবদ অর্থের প্রায় পুরোটাই টেলিযোগাযোগ কোম্পানি, স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কাছে বিজ্ঞাপন ও সম্প্রচার অধিকার বিক্রির মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব হয়েছে। ফলে বিটিভির নিজস্ব আর্থিক দায় থাকবে না।’

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনকল্যাণমুখী সেবায় নিয়োজিত রাখা। এ উদ্যোগ তারই একটি উদাহরণ।’

তিনি দেশের ফুটবলপ্রেমীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘সকল জটিলতা কাটিয়ে দেশের কোটি কোটি দর্শক এবার বিটিভির মাধ্যমে বিশ্বকাপ ফুটবলের খেলা উপভোগ করতে পারবেন।’

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকসহ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ