খুঁজুন
                               
রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা হলে দৃঢ় হাতে দমন করা হবে: আমিনুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা হলে দৃঢ় হাতে দমন করা হবে: আমিনুল হক

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে কোনো পক্ষ যেন অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির সুযোগ না পায়, সে বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি বিএনপিও চায়, তবে তা অবশ্যই আইনের মাধ্যমেই হতে হবে।

শুক্রবার (২২ মে) সকালে রাজধানীর পল্লবীস্থ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত এক যৌথ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডে আমরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসি চাই।

দেশের মানুষও সেটাই চায়। কিন্তু একটি গোষ্ঠী এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উসকানি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে।
তাদের উদ্দেশ্য ন্যায়বিচার নয়, বরং অস্থিরতা সৃষ্টি করা।

আমিনুল হক অভিযোগ করেন, একটি মহল অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও উসকানিমূলক স্লোগানের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে।

এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের জামায়াত সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন আপনারা। এখন সবাইকে জামায়াত সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। তারা গোপনে সংগঠিত হয়ে মানুষের মধ্যে ঢুকে বিভ্রান্তি ও ক্ষতির চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, আমরা বাক্‌স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মতপ্রকাশে বিশ্বাস করি। কিন্তু কেউ যদি সেই স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে অপকর্ম বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।

নিজ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যেখানেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা হবে, সেখানেই দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। অন্যায়কারী সে যে দলেরই হোক, তাকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।

এদিকে, সকালে পল্লবী ও রূপনগর থানার পঙ্গু ও প্রতিবন্ধীদের মধ্যে হুইলচেয়ার বিতরণ করেন আমিনুল হক।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সরকারি সফরে চীন যাচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
সরকারি সফরে চীন যাচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী

Oplus_131072

চীন সরকারের আমন্ত্রণে সরকারি সফরে চীনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

রোববার (৭ জুন) দুপুরে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।

সফর উপলক্ষে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এ সময় সফর-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যমন্ত্রী চায়না মিডিয়া গ্রুপের আয়োজনে ৮-১১ জুন অনুষ্ঠিতব্য ‘পঞ্চম সিএমজি ফোরাম’-এ অংশগ্রহণ করবেন।

এছাড়া সফরকালে চীনের তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তার একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বৈঠকে তথ্য ব্যবস্থাপনা, গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং তথ্য বিনিময় সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে তথ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

এ সফরের মাধ্যমে তথ্য ও গণমাধ্যম খাতে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

কালের আলো/এসএকে

রামেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
রামেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু

ভাতা বৃদ্ধি, বাধ্যতামূলক শিক্ষানবিশকাল বাতিল ও বিসিএসে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবিসহ ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন। সারাদেশে ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার থেকে এই কর্মবিরতি শুরু হয়।

রোববার সকাল  সোয়া ১১টার দিকে রামেক হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে ‘রামেক ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ’-এর ব্যানারে কর্মবিরতি শুরু করেন ২২০ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের দাবিগুলো বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

আন্দোলনরত চিকিৎসকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দাবি আদায়ের চেষ্টা করে আসছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না পাওয়ায় তারা এবার অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দেন তারা।

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে মাসিক ভাতা বৃদ্ধি করে ৩০ হাজার টাকায় উন্নীত করা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই বছরের বাধ্যতামূলক শিক্ষানবিশকাল (ইন্টার্নশিপ) বাতিল করা এবং বিসিএস চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছরে উন্নীত করা। এছাড়া তাদের ঘোষিত ৬ দফা দাবির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নেরও দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।

এদিকে কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবায় যেন কোনো ধরনের সংকট সৃষ্টি না হয়, সে জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে রামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রোগীদের চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রাখতে অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপকদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে বিকল্প ব্যবস্থায় চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তবে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে চিকিৎসাসেবার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বিশেষ করে বহির্বিভাগ ও ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী চিকিৎসকদের ওপর কাজের চাপ বেড়েছে।

উল্লেখ্য, ভাতা বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবিতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন।

এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকাল থেকে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে একযোগে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ডাক দেয় ‘ইন্টার্ন চিকিৎসক ফোরাম’। এরপর থেকেই চূড়ান্ত আন্দোলনে নামেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

আদ্-দ্বীনের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে শিশির মনির, বললেন ‘আমি মধ্যস্থতাকারী’!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
আদ্-দ্বীনের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে শিশির মনির, বললেন ‘আমি মধ্যস্থতাকারী’!

রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর কারণ হিসেবে ওয়ার্ডে অক্সিজেন স্বল্পতার কথা উল্লেখ করে গত বৃহস্পতিবার তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। পরে হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হবে মর্মে কর্তৃপক্ষকে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনো মন্ত্রণালয়কে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য জানায়নি। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে আজ বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির।

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় শিশির মনির নিজেকে ভুক্তভোগী পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যকার একজন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে আজীবন তাদের দায়িত্ব পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

পরিবারের কোনো সদস্য বাবা, মা, ভাই, বোন কিংবা সন্তান যতদিন জীবিত থাকবেন, ততদিন তারা ওষুধ ছাড়া সব রোগের জন্য বিনামূল্যে এখানে চিকিৎসা পাবেন।

একই সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা আদ্-দ্বীন পরিচালিত যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করলে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাডেমিক শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন।

তবে আদ্-দ্বীন পরিচালিত মেডিকেল কলেজ বা অধিক ব্যয়বহুল পেশাগত শিক্ষা কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বিশেষ বৃত্তি, উল্লেখযোগ্য টিউশন ফি মওকুফ অথবা আর্থিক সহায়তার বিষয়টি সহানুভূতির ভিত্তিতে পৃথকভাবে বিবেচনা করা হবে।

এছাড়া ভুক্তভোগী পরিবারের উপযুক্ত কোনো সদস্য আগ্রহী হলে হাসপাতালের যোগ্যতাসম্পন্ন পদে চাকরির সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে উপযুক্ত ও সম্মানজনক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এবং কারণ দর্শানো প্রসঙ্গে শিশির মনির বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে গত বৃহস্পতিবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তার জবাব আগামীকাল (রোববার) বিকেল ৫টার মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে।

তবে নোটিশে ‘জবাব সন্তোষজনক না হলে কেন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না’ বলা হয়েছে তা ব্যাখ্যা করতে হবে। তার মতে, এ ধরনের নোটিশ সম্পূর্ণ ‘আন ল ফুল’ তথা বেআইনি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনের সারমর্ম নিয়ে শিশির মনির বলেন, শিশুদের মৃত্যুর কারণ হিসেবে ওয়ার্ডে অক্সিজেনের স্বল্পতা ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ওই ওয়ার্ডে অক্সিজেনের মাত্রা কত ছিল এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত ছিল, সে বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রতিবেদনে নেই। একইভাবে কতটুকু অক্সিজেন থাকলে শিশুদের মৃত্যু ঘটত না, সে বিষয়েও কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ফলে এ বিষয়ে কিছু অস্পষ্টতা রয়ে গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে মৃত্যুর ঘটনা, গণমাধ্যমকর্মীদের হেনস্তা এবং বিচার ও ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে শিশির মনির প্রথমে বক্তব্য দেওয়ার বিষয়ে অপারগতা প্রকাশ করেন। পরে সাংবাদিকদের চাপে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও এক ভুক্তভোগী পরিবারকে কথা বলার সুযোগ দেন।

আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুরের কাছে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ঘটনায় দুজনকে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। তবে তাদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হতে পারে বিবেচনায় নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। এছাড়া ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় একজন সিনিয়র স্টাফ নার্স ও একজন পরিবেশকর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এ সময় মারা যাওয়া এক শিশুর বাবা হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা চাই প্রকৃত দোষীদের শাস্তি হোক। তবে হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হোক, তা আমরা চাই না। এর আগেও আমার দুই সন্তানের জন্ম এই হাসপাতালে হয়েছে এবং তারা সুস্থ ছিল। আমাদের সন্তানদের মৃত্যুর ঘটনায় প্রকৃত দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হোক এটাই আমাদের প্রত্যাশা। এজন্য আমরা মামলা চালিয়ে যাব।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের পর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, সম্ভবত ছোট কক্ষে দীর্ঘ সময় এসি বন্ধ থাকার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। প্রয়োজনীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় সেখানে অক্সিজেনের স্বল্পতা দেখা দেয় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যায়।

প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণেই ৬ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী রোববারের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আইনের আওতায় যতটা কঠোর হওয়া সম্ভব, আমরা ততটাই হব। এবার আর কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি