খুঁজুন
                               
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

ঢাকার দুই সিটিতে ২৪ ঘণ্টায় অপসারণ হয়নি কোরবানির বর্জ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ
ঢাকার দুই সিটিতে ২৪ ঘণ্টায় অপসারণ হয়নি কোরবানির বর্জ্য

১২ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির পশুবর্জ্য অপসারণের আগাম ঘোষণার বাস্তবায়ন করতে পারেনি রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন। ২৪ ঘণ্টা পরও রাজধানীর যেখানে সেখানে কোরবানির পশুর বর্জ্য পড়ে আছে।

প্রধান সড়কগুলোর অবস্থা তুলনামূলক ভাল হলেও অলিগলির অবস্থা খারাপ। ঈদের দিনের বর্জ্যই রয়ে গেছে বিভিন্ন স্থানে। এছাড়া আজ শুক্রবারও রাজধানীতে পশু কোরবানি করছেন অনেকে।

আজ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক স্থানেই কোরবানির পশুর বর্জ্য সরানো হয়নি। কোথাও বর্জ্যের স্তূপ, কোথাও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে পশুর উচ্ছিষ্ট অংশ।

কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণের লক্ষ্যে ঈদের দিন গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম ঘোষণা দিয়েছিলেন, কাজ শুরুর ৮ ঘণ্টার মধ্যেই বর্জ্য অপসারণ করা হবে। অন্যদিকে উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছিলেন, সরকার নির্ধারিত ১২ ঘণ্টার আগেই কাজ শেষ করা হবে।

তবে আজ দুই সিটির বিভিন্ন স্থানে কোরবানির পশুর বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়া ঈদুল আজহা উপলক্ষে যেসব স্থানে অস্থায়ী পশুহাট বসেছিল, সেসব স্থানেও বর্জ্য রয়ে গেছে।

রাজধানীর রোকেয়া সরণির পীরেরবাগ সড়কের বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা গেছে। তেজতুরিবাজারের বিভিন্ন স্থানেও একই চিত্র দেখা গেছে। সেনপাড়া পর্বতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে, মিরপুর-১০ গোলচত্বর–সংলগ্ন সেন্ট্রাল প্লাজার সামনে, বেগম রোকেয়া সরণির পূর্ব মণিপুর এলাকা, শাহজাদপুর লেকভিউ সড়কে বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

তবে ঢাকা দক্ষিণ সিটির পুরান ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য পড়ে থাকার দৃশ্য দেখা গেছে তুলনামূলক বেশি। জিগাতলা, হাজারীবাগ মনেশ্বর রোড, গণকটুলী সিটি কলোনি এলাকা, বিজিবি ১ নম্বর গেটসংলগ্ন বনলতা কাঁচাবাজার, চকবাজারের নূর ফাতাহ লেন, বকশীবাজারের অরফানেজ রোড,

বকশীবাজার সিটি করপোরেশন মার্কেট, আগা সাদেক রোডের বাংলাদেশ মাঠ এবং নাজিরাবাজারের কাজী আলাউদ্দীন রোড এলাকায়ও বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এসব থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

অনেক জায়গায় পশুর লেজ, খুর, আংশিক চামড়া, মাড়ি, শিং, ভুঁড়ির বর্জ্য ও খুলি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে। কোথাও কোথাও পশুর রক্তও জমে থাকতে দেখা যায়।

পূর্ব রামপুরার প্রায় প্রতিটি বাসার সামনে পশুর নাড়িভুঁড়ি, রক্তমাখা মাটি ও অন্যান্য বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা যায়। এসব বর্জ্য থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

পূর্ব রামপুরার জাকের গলির বাসিন্দা মো. আল আমিন বলেন, ‘সিটি করপোরেশন বলেছিল রাতের মধ্যেই সব বর্জ্য পরিষ্কার করবে। কিন্তু রাত গড়িয়ে সকাল হয়েছে, ময়লা তো কমতে দেখছি না। কোরবানির বর্জ্যের দুর্গন্ধে রাস্তায় হাঁটা যাচ্ছে না।’

এদিকে গতকাল রাতে ডিএসসিসির প্রশাসক আব্দুস সালাম নগর ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সফলভাবে চলছে। তিনি জানান, রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত প্রায় ১৩ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ সিটির ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭১টি ওয়ার্ড শতভাগ বর্জ্যমুক্ত করা হয়েছে এবং বাকি চারটি ওয়ার্ড—৮, ১১, ১৮ ও ৫৩ নম্বরে প্রায় ৯০ শতাংশ বর্জ্য অপসারণ সম্পন্ন হয়েছে।

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ডিএসসিসির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম জোরদার: লক্ষ্যমাত্রা ১১,৭৭৬ টন

এদিকে আজ শুক্রবার সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনির অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি বলেন, ঈদুল আজহার প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও কোরবানির পশুর বর্জ্য এবং অস্থায়ী হাটের বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম অত্যন্ত জোরদারভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

ঈদের দ্বিতীয় দিনে বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ হাজার ৭৭৬ টন। ঈদের দিন (২৮ মে) রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ১৪ হাজার ৮১৪ টন কোরবানির বর্জ্য মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে চূড়ান্তভাবে ডাম্প করা হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ধসে পড়া ভবন থেকে দুদিন পর গোঙানির শব্দ,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
ধসে পড়া ভবন থেকে দুদিন পর গোঙানির শব্দ,

সংবাদমাধ্যম বিবিসি শনিবার (২৭ জুন) এক প্রতিবেদনে বলেছে, কার্লোস এদোয়ার্দো নামে ৩১ বছর বয়সী ওই যুবক ভূমিকম্পের পর আটকা পড়ে যান। গত দুইদিন ধরে তাকে জীবিত পাওয়ার চেষ্টা করছেন পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু তারা এখনো তার কাছে পৌঁছাতে পারেননি।

এরমধ্যে আজ তিনি সামান্য শব্দ করেছেন। তার এক চাচাত ভাই বিবিসিকে বলেছেন, “প্রায় দেড় ঘণ্টা বা তার কম বেশি সময় আগে আমরা তার কাছ থেকে (শব্দ) শুনতে পাই। যদিও সে কোনো কথা বলেনি। কিন্তু সে গোঙানির শব্দ করেছে। আমরা তার জন্য খুবই দুশ্চিন্তা নিয়ে অপেক্ষা করছি। ওই গোঙানির পর সে আর কোনো উত্তর দেয়নি।”

পরিবারের সদস্যরা শব্দ শুনতে পাওয়ার কথা জানানোর পর সেখানে একটি স্প্যানিশ উদ্ধারকারী দল এসেছিল। তারা বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে ভবনটিতে তল্লাশি চালায়। তবে তারা জীবনের কোনো সন্ধান পাননি। এরপর তারা চলে যান।

কিন্তু কার্লোস এদোয়ার্দোর আত্মীয়রা হাল ছাড়তে চান না। তারা হাত দিয়েই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে যাচ্ছেন। তাদের আশা কার্লোসকে জীবিত উদ্ধার করে আনতে পারবেন।

সূত্র: বিবিসি

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

প্রভার উপদেশ: কখনো বিবাহিত ছেলের প্রেমে পড়বে না

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ
প্রভার উপদেশ: কখনো বিবাহিত ছেলের প্রেমে পড়বে না

প্রভা বলেন, “মেয়েরা শোনো, আমার ছোট-বড় প্রত্যেককে একটা অনুরোধ করি, যত কিছুই হোক, কোনোভাবেই একটা বিবাহিত ছেলের প্রেমে পড়া যাবে না। যতই ছেলে বলুক, ‘বউ ভালো না, সমাজের জন্য, সন্তানের জন্য সংসার রাখতে হচ্ছে’; এদের স্ক্রিপ্ট একই।

এসব শুনবে না, বিশ্বাসও করবে না। বিশ্বাস করে যদি এরকম কোনো কিছুতে জড়িত হও, তাহলে সারাজীবন নিজেকে মাফ করতে পারবা না। সুতরাং কখনো কোনো বিবাহিত ছেলের প্রেমে পড়বে না, যতই ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করুক না কেন।”

প্রভা জানান, তিনি নিজেও কিছুদিন আগে এমনই এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। সেটার উদাহরণ টেনে বলেন, ‘তোমাকে (মেয়েদের) অনেক কথা শুনতে হবে, কিছু দিন আগে আমাকেও শুনতে হয়েছে এরকম কথা; আমার অলরেডি মুখস্থ হয়ে গেছে, এরা কী কী বলে।

আমি তাকে সোজা বলে দিয়েছি, আপনার যদি ওই সংসারে এত সমস্যা থাকে, ডিভোর্সের প্রসেসিং যদি চলতেই থাকে, তাহলে সেটা আগে শেষ করে আসেন। তারপর ভেবে দেখব, আমরা একে-অন্যের জন্য মানানসই কিনা। এখন সে লোক বলে বেড়ায়, আমি নাকি সাইকো! আই অ্যাম হ্যাপি টু বি আ সাইকো। আই অ্যাম গ্ল্যাড, ওই সংসারে ঢুকিনি

সংসারে অশান্তির অজুহাত দেখিয়ে ওইসব ব্যক্তি মেয়েদের সঙ্গে সখ্য করার চেষ্টা করে বলে মনে করেন প্রভা। সে জন্য এরকম ছেলের সঙ্গে প্রেম তো দূর, বন্ধুত্ব করতেও বারণ করেছেন অভিনেত্রী।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

দুর্নীতিমুক্ত পার্বত্য অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
দুর্নীতিমুক্ত পার্বত্য অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, নির্বাচনের আগে পার্বত্য তিন জেলায় যেরকম দুর্নীতি, অনিয়ম, লুটপাট ও অবহেলা করা হয়েছে, জনগণের নির্বাচিত বর্তমান সরকারের সময়ে তা আর ইনশাআল্লাহ হতে দেওয়া হবে না। পাহাড়ি-বাঙালি মিলে যারা এই বাংলাদেশকে একটি ‘রংধনু জাতি’ হিসেবে বিশ্বের বুকে পরিচিত করে তুলেছেন, তাদের আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

শনিবার (২৭ জুন) রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে ‘পাহাড়ি ফলের ঘ্রাণ, বৈচিত্র্যময় প্রাণ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ‘পাহাড়ি ফল মেলা ২০২৬’।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে সার্থক করতে পাহাড় ও সমতলের মানুষের সমন্বয়ে পার্বত্য অঞ্চলের জীবনমান ও অবকাঠামোগত উন্নয়নকে আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাবো। অতীতে বিভিন্ন স্কিমের নাম করে তিন পার্বত্য জেলায় এক হাজার ৭৪টি নামকাওয়াস্তে বা ছোট ছোট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিল, যা কোনো বাস্তবসম্মত উন্নয়ন আনেনি।

ভবিষ্যতে এ ধরনের অনর্থক স্কিম দেওয়া-নেওয়ার হার কমিয়ে আনা হবে এবং বাস্তবসম্মত ও গবেষণালব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।

পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতের আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল তার বক্তব্যে বলেন, স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে স্কুলগামী কন্যাশিক্ষার্থী, প্রসূতি মা ও বৃদ্ধদের ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতি উপজেলায় নারীদের জন্য আরও একটি করে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে।

আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা যাতে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে, সেজন্য ই-লার্নিং শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের সুপেয় পানির সংকট দূর করতে সারফেস ওয়াটারকে (উপরিভাগের পানি) কাজে লাগিয়ে প্রতিটি অঞ্চলে সুপেয় পানির সুব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, পাহাড়ি কৃষকদের উৎপাদিত ফল ও কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব ‘ইকো-ফ্রেন্ডলি মিনি কোল্ড স্টোরেজ’ নির্মাণ করা হবে, যা কৃষকরা সমবায়ের বা সমিতির মাধ্যমে পরিচালনা করবেন। এ ছাড়া অবিক্রিত ফলগুলো দিয়ে ‘ড্রাই ফুড’ তৈরি করে দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক বাজারে বিপণনের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের কফি অত্যন্ত উচ্চমানের হওয়ায় কফি চাষকে আরও আকর্ষণীয় করতে কৃষকদের বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হবে। জুম চাষিরা যাতে একই জমিতে আরও বেশি ফসল ফলিয়ে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেন, সেজন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, পাহাড়ি পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্র্যান্ডিং করার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় অধিবাসীদের সম্পৃক্ত করে ‘ইকো ট্যুরিজম’ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো হবে।

পার্বত্য জেলাগুলোতে ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও তথ্য কমপ্লেক্স গড়ে তোলা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে ডরমিটরি স্থাপন, তিনটি জেলায় মাল্টিপারপাস ক্রীড়া ও সংস্কৃতি চর্চাকেন্দ্র, রাঙামাটিতে একটি ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় আধুনিক ‘তথ্য কমপ্লেক্স’ গড়ে তোলা হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, বান্দরবান পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য সাচিং প্রু এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মিসেস মাধবী মার্মা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরাসহ মন্ত্রণালয় ও পরিষদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিন দিনব্যাপী আয়োজিত এ মেলায় বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলার দুর্গম অঞ্চল থেকে আগত মোট ৩০টি স্টল অংশ নিয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে পাহাড়ের সুস্বাদু মৌসুমি ফল আম, আনারস, কাঁঠাল, কলার পাশাপাশি দুর্লভ বুনো রক্তফল (রসকো), রাম্বুটান ও বুনোবেলের মতো বাহারি কেমিক্যালমুক্ত ফলের সমাহার ঘটেছে।

মেলাটি আগামী ২৯ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে।

প্রতি সন্ধ্যায় মেলা প্রাঙ্গণে থাকছে পার্বত্য অঞ্চলের নৃগোষ্ঠীর স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় ঐতিহ্যবাহী মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

কালের আলো/এসআর/এএএন