খুঁজুন
                               
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

রামিসা হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু, আদালতে ন্যায়বিচার চাইলেন বাবা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু, আদালতে ন্যায়বিচার চাইলেন বাবা

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। মামলার প্রধান দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে এই দাবি করেন রামিসার বাবা।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন চাঞ্চচল্যকর এই ধষর্ণ ও হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দেবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রতিবেশীরা।

সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে সকাল পৌনে ৯টার দিকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে এবং কাশিমপুর কারাগার থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। পরে তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

গতকাল সোমবার ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।

তার আগে গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেয়। একই দিনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। রাষ্ট্রপক্ষ মামলায় মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করেছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হলে অভিযুক্ত স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যায়। পরে শিশুটিকে খুঁজতে গিয়ে তার বাবা-মা আসামিদের কক্ষের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে তারা শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বালতির ভেতর তার মাথা দেখতে পান।

খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।

ঘটনার পরদিন ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। বর্তমানে মামলাটির বিচার কার্যক্রম শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে চলমান রয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

উনি বর্ণবাদী আচরণ করেছেন, এই ধরনের হীন বক্তব্য অমার্জনীয় অপরাধ : সংসদে বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
উনি বর্ণবাদী আচরণ করেছেন, এই ধরনের হীন বক্তব্য অমার্জনীয় অপরাধ : সংসদে বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ

জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতার স্ত্রীকে নিয়ে কটাক্ষ এবং নারী সংসদ সদস্যদের পোশাক ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সংসদ অধিবেশন। সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর দেওয়া এমন বক্তব্যকে অমার্জনীয় অপরাধ ও বর্ণবাদী আচরণ বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম।

রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। তবে এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ ও নিয়মকানুন নিয়ে তর্ক-বিতর্ক তৈরি হয়।

ঘটনার সূত্রপাত হয় মনিরুল হক চৌধুরীর একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে, যা নিয়ে তীব্র আপত্তি তোলেন বিরোধীদলীয় হুইপ। স্পিকারের কাছে দুই মিনিট সময় চেয়ে নিয়ে হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, মনিরুল হক চৌধুরী বিভিন্ন সময় সংসদে সূক্ষ্ম রসবোধ ও ইতিহাস চেতনা নিয়ে বক্তব্য দিলেও আজকের বক্তব্যে তিনি সমস্ত সংসদীয় রীতিনীতি এবং সাংবিধানিক অধিকারের সীমা লঙ্ঘন করেছেন। তিনি প্রথমত বিরোধীদলীয় উপনেতার স্ত্রীকে নিয়ে ব্যক্তিগত ইতিহাসের দোহাই দিয়ে কটাক্ষ করেছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দ্বিতীয়ত, তিনি বিরোধী দলের নারী সংসদ সদস্যদের পোশাক নিয়ে কথা বলে তাদের ধর্মীয় ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হরণ করেছেন। এই ধরনের বক্তব্যকে হীন মানসিকতা ও বর্ণবাদী আচরণের বহিঃপ্রকাশ। ভবিষ্যতে কোনো সংসদ সদস্য যেন পবিত্র সংসদে দাঁড়িয়ে এমন বক্তব্য না দেন সে বিষয়ে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জবাবে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জানান, মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের সেই বিতর্কিত ও সংসদীয় রীতিনীতি বহির্ভূত অংশটুকু ইতোমধ্যে এক্সপাঞ্জ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে স্পিকার সংসদে উপস্থিত সব সংসদ সদস্যের উদ্দেশ্যে একটি রুলিং জারি করে বলেন, সংসদে বসে কেউ কারো ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলতে পারবেন না এবং সবাইকে সংসদের মর্যাদা ও নিজস্ব ডিগনিটি বজায় রাখতে হবে। এরপর স্পিকার মনিরুল হক চৌধুরীকে ৩০২ ধারায় একটি নোটিশ দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তা বিবেচনা করার আশ্বাস দেন।

ঠিক এই সময়ে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এবং পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি স্পিকারের কাছে দুই মিনিট সময় চেয়ে মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের পক্ষে কথা বলার চেষ্টা করেন। তিনি যুক্তি দেখান, সংসদে পক্ষ-বিপক্ষে অনেক সময় হাসি-ঠাট্টা ও রসাত্মক আলোচনা হয়েই থাকে। এর উদাহরণ হিসেবে তিনি গত পরশুদিন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীর দেওয়া বিয়ের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সেখানে যদি এক্সপাঞ্জ করার মতো কিছু না ঘটে, তবে মনিরুল হক চৌধুরীর এই বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

তিনি দাবি করেন, মনিরুল হক চৌধুরী নির্দিষ্ট করে কাউকে আঘাত করে কোনো কথা বলেননি।

এসময় স্পিকার সরাসরি তাকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, সংসদের সভাপতি বা স্পিকারের আসন থেকে যখন একবার এক্সপাঞ্জ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, তখন সেটা নিয়ে নতুন করে জাস্টিফাই করার কোনো সুযোগ নেই। স্পিকার তাকে অন্য কোনো বিষয়ে কথা বলতে অথবা নিজের আসনে বসে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিলে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি স্পিকারের কাছে এক মিনিট সময় চেয়ে কথা বলেন। চিফ হুইপ যুক্তি দেন, সংসদে প্রতিটি সদস্যের নিজস্ব অধিকার রয়েছে। ২৭৪ বিধি অনুযায়ী কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ বা নাম উল্লেখ করে কথা বলা হলে, তার ব্যক্তিগত কৈফিয়ত দেওয়ার অধিকার থাকে। যেহেতু মনিরুল হক চৌধুরীর নাম জড়িয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তাই চিফ হুইপ স্পিকারের কাছে অনুরোধ জানান যেন মনিরুল হক চৌধুরীকে তার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার জন্য মাইক দেওয়া হোক।

চিফ হুইপের এই অনুরোধের প্রেক্ষিতে স্পিকার পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং জানান যে তিনি যথাসময়ে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেবেন। এরপর স্পিকার সংসদ সদস্যদের এই বিতর্কিত বিষয়টি বন্ধ করে মূল বাজেট আলোচনায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।

কালের আলো/এসএকে

হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালেন স্বামী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালেন স্বামী

ময়মনসিংহে হাসপাতালে সাদিয়া আফরিন সামি (২৫) নামে এক গৃহবধুর মরদেহ রেখে পালিয়ে গেছে স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন। ঘটনার পর থেকে স্বামী মেহেদী হাসান ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) রাত ১০টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে এই ঘটনা ঘটে। সাদিয়া আফরিন সামি সদর উপজেলার বোরর চর ইউনিয়নের বাড়তিপাড়া এলাকার মেহেদী হাসানের স্ত্রী।

মাদিয়া আফরিন সামির দুলাভাই সাগর বলেন, গতকাল রাত ৯টার দিকে মেহেদী হাসানের ভাই আমাকে ফোন করে জানায়, আপনার শ্যালিকা স্ট্রোক করছে। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ কথা বলেই সে ফোন কেটে দেয়। পরে আমরা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গিয়ে সাদিয়া আফরিন সামির মরদেহ দেখতে পারি।

তবে, তার স্বামী মেহেদী হাসান ও তার পরিবারের লোকজন কাউকে পাওয়া যায়নি। তারা সাদিয়া আফরিন সামির মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানালে মরদেহ মর্গে পাঠায়। পরে দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে পুলিশ মরদেহ আমাদের কাছে হস্তান্তর করে।

তিনি আরও বলেন, আনুমামিক ৬ বছর আগে মেহেদীর সাথে পারিবারিকভাবে সাদিয়া আফরিন সামির বিয়ে হয়। তাদের ঘরে আড়াই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। মেহেদী প্রায় আমার শ্যালিকাকে বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে বলতেন। এসব নিয়ে তাদের পরিবারে কলহ লেগেই থাকত। টাকার জন্য আমার শ্যালিকাকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালাচ্ছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, ওই নারী ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। শরীরে কোন আঘাতের চিন্ত নেই। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

হরমুজে ১০৭ দিন ধরে আটকা ৫৬২ ভারতীয় নাবিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
হরমুজে ১০৭ দিন ধরে আটকা ৫৬২ ভারতীয় নাবিক

Oplus_131072

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতে হরমুজ প্রণালিতে ১০৭ দিন ধরে আটকা রয়েছে ভারতের পতাকাবাহী ১৩টি জাহাজ। এই জাহাজগুলোতে অন্তত ৫৬২ জন ভারতীয় নাবিক আছেন বলে জানা গেছে।

রোববার (১৪ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাড়ে তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে সাগরে আটকে থাকা জাহাজগুলোতে দেখা দিয়েছে খাদ্য ও ওষুধ সংকট। ইতোমধ্যে আটকে পড়া জাহাজে অসুস্থ হয়ে নিশান্ত উরথানাথন নামে এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। ‘এমটি সেলেস্টিয়াল’ নামের ভারতীয় এক জাহাজে অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া ওই ব্যক্তির মরদেহ শিগগিরই ভারতে ফিরিয়ে আনা হতে পারে।

নিশান্ত উরথানাথনের এই করুণ মৃত্যুতে তীব্র ভয় ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে দীর্ঘদিন ধরে সাগরে আটকে থাকা ভারতীয় জাহাজগুলোর নাবিকদের মধ্যে। এ অবস্থায় ওমানের রাজধানী মাস্কটে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাস রোববার এক বিবৃতিতে বলেছে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে দুর্ভাগ্যবশত মারা যাওয়া নিশান্ত উরথানাথনের পরিবারের পাশাপাশি জাহাজের ক্রু সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে কর্তৃপক্ষ।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‌‌নিশান্ত উরথানাথনের মৃতদেহ জাহাজ থেকে নামানো এবং যত দ্রুত সম্ভব ভারতে প্রত্যাবাসনের চেষ্টা চলছে।

বর্তমানে ওমানের দুকম বন্দরে রয়েছে ভারতীয় পতাকাবাহী এমটি সেলেস্টিয়াল জাহাজ। ভারতীয় দূতাবাস বলেছে, জাহাজটির ব্যবস্থাপনা কোম্পানির সঙ্গেও ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে একযোগে কাজ চলছে।

ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় বলেছে, বর্তমানে ভারতের পতাকাবাহী অন্তত ১৩টি পণ্যবাহী জাহাজে থাকা ৫৬২ জন ভারতীয় নাবিক প্রায় ১০৭ দিন ধরে হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়ে আছেন। তাদের মধ্যে ৩২৯ জন নাবিক প্রণালির পশ্চিমে এবং ২৩৩ জন নাবিক প্রণালির পূর্ব দিকে ওমান উপসাগরে আটকা আছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মাঝে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই এই ৫৬২ জন নাবিক হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগরে আটকা পড়ে আছেন। সময় অতিবাহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়তে থাকায় ভয় ও অনিশ্চয়তা ভর করেছে তাদের মধ্যে।

এদিকে রোববার ভারতের পতাকাবাহী ‘বিরাট ১’ নামের একটি পালতোলা জাহাজে নতুন এক ঘটনা সামনে এসেছে। ওমানে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাস এক বিবৃতিতে বলেছে, ওমান উপকূলে ওই জাহাজটিকে কেন্দ্র করে একটি ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানতে পেরেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জাহাজটিতে ১৪ জন ভারতীয় ক্রু ছিলেন। ওমান কর্তৃপক্ষ এবং ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকা জাহাজগুলোর সমন্বয়ে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বিরাট ১’ জাহাজের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ার পর ক্রু সদস্যরা নিরাপদে উদ্ধারকারী নৌকায় আশ্রয় নেন। ওমানি কর্তৃপক্ষের সহায়তায় এবং কাছাকাছি থাকা জাহাজগুলোর অংশগ্রহণে বর্তমানে উদ্ধার অভিযান চলছে।

কালের আলো/এসএকে