খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহারে রাজনৈতিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে: ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহারে রাজনৈতিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে: ফখরুল

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার এবং ভুল প্রচারণায় রাজনৈতিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুবুল হক ও মাহবুবুল আলম তারা স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, শিক্ষাবিদ প্রফেসর মাহবুব উল্লাহসহ গুণীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজে ব্যবহার করেন না এবং কোনো অ্যাকাউন্ট নেই জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার এবং পরিকল্পিত কুরুচিপূর্ণ ভাষার কারণে আজ সুস্থ রাজনীতির পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘ আন্দোলন ও অভ্যুত্থানের পর অর্জিত গণতান্ত্রিক সুযোগকে নস্যাৎ করতে এবং দেশে নৈরাজ্য ছড়াতে একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্ত চলছে। গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে এবং দেশের সংকটময় মুহূর্তে চক্রান্তকারীদের চিহ্নিত করা হবে বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি। ।

বিএনপিকে উদারপন্থি রাজনৈতিক দল দাবি করে মহাসচিব বলেন, বিএনপি কোনো বিপ্লবী দল নয়, বরং এটি জনগণের অধিকার ও কল্যাণে নিবেদিত একটি সম্পূর্ণ উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। কিন্তু দেশে গণতন্ত্র ও জনধিকারে অবিশ্বাসী একটি অশুভ শক্তির উত্থান ঘটেছে। এদের প্রতিহত করতে সরব হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

 সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, চারিদিকে এখন শত্রু আর নানামুখী ষড়যন্ত্র। এই চক্রান্তের সঙ্গে নতুন যোগ হয়েছে বটবাহিনী। কিন্তু এতে কোনো লাভ হবে না, জনগণ সবসময় তারেক রহমানের সঙ্গে আছে। এই সরকারকে যেকোনো মূল্যে আমাদের রক্ষা করতে হবে। দেশবাসীকে গভীর ষড়যন্ত্র সম্পর্কে এখনই সচেতন করতে না পারলে সামনে বড় বিপদ আসন্ন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

৮ লাখ ৫২ হাজার ১৫৭ কোটি টাকার ছায়া বাজেট দিলো এনসিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
৮ লাখ ৫২ হাজার ১৫৭ কোটি টাকার ছায়া বাজেট দিলো এনসিপি

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ‘বাংলাদেশ ২.০: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধি’ শীর্ষক একটি ছায়া বাজেট উপস্থাপন করেছে। দলটির দাবি, জনকল্যাণ বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে একটি টেকসই অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলাই এ বাজেটের মূল লক্ষ্য।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এই ছায়া বাজেট ঘোষণা করেন দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। এসময় এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি নেতারা জানান, তাদের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৮ লাখ ৫২ হাজার ১৫৭ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় ৬২ হাজার ১৫৭ কোটি টাকা বেশি। তবে বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৩ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৮ শতাংশে এবং পরবর্তী অর্থবছরে ৬ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ছায়া বাজেটে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বর্তমান ৬ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে প্রথম বছরেই ৯ দশমিক ৩২ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য বিদ্যুৎ সংযোগের সঙ্গে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা, টিআইএন-এনআইডি-ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস সংযুক্তিকরণ, সম্পদ কর চালু, বন্দর ডিজিটালাইজেশন এবং অপ্রয়োজনীয় কর অব্যাহতি বাতিলের মতো পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। দলটির হিসাব অনুযায়ী এসব উদ্যোগ থেকে অতিরিক্ত ৭৬ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে।

কর কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাবও দিয়েছে এনসিপি। সাধারণ করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা, নারী ও প্রবীণদের জন্য ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ৫ লাখ টাকা করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে জাকাতকে আয়কর রিবেট হিসেবে স্বীকৃতি, উত্তরাধিকার কর চালু এবং করপোরেট কর ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

শিক্ষা ও কর্মসংস্থান খাতে বাজেটের সবচেয়ে বড় বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছে দলটি। শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে ১ লাখ ২৪ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ, সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি, ৫ হাজার কোটি টাকার শিক্ষক মানোন্নয়ন তহবিল এবং ৫ হাজার স্কুল জাতীয়করণের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া পাঁচ বছরে এক কোটি লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করে এসএমই ঋণ, যুব উদ্যোক্তা তহবিল এবং ডিজিটাল প্রশিক্ষণ কর্মসূচির কথা বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতে ২৫ শতাংশ বাজেট বৃদ্ধি করে ৫২ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আওতায় জাতীয় স্বাস্থ্য বিমা চালু, দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি, ময়মনসিংহ ও বরিশালে আন্তর্জাতিক মানের সুপার-স্পেশালিটি হাসপাতাল এবং ৫০০ নতুন জিপিএস-ট্র্যাকড অ্যাম্বুলেন্স চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

কৃষি খাতে আধুনিক শস্য বিক্রয় কেন্দ্র, সরাসরি কৃষকের অ্যাকাউন্টে সার ভর্তুকি প্রদান এবং ফসল সংরক্ষণ অবকাঠামো সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যমান খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলো অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দলটি।

পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও পরিবেশ খাতে এনসিপি ‘সোলার এনার্জি সোভারেনটি অ্যাক্ট’ প্রণয়নের প্রস্তাব দিয়েছে। এ আইনের আওতায় সৌর পণ্যের ওপর আগামী পাঁচ বছর শূন্য শতাংশ কর নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া ৬ হাজার কোটি টাকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি কর্মসূচির মাধ্যমে এক বছরে ২ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন, ৩ হাজার অফ-গ্রিড গ্রামে সৌর মিনি-গ্রিড স্থাপন এবং ৫০ হাজার ডিজেলচালিত সেচপাম্পকে সৌরশক্তিতে রূপান্তরের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।

নারী ও যুব উন্নয়নে ৫ হাজার কোটি টাকার নারী উদ্যোক্তা তহবিল, স্যানিটারি ন্যাপকিনে শূন্য ভ্যাট, ছয় মাসের বেতনসহ মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং এক মাসের পিতৃত্বকালীন ছুটির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও পুরোহিতদের সরকারি বেতন কাঠামোর আওতায় আনার কথাও বলা হয়েছে।

ব্যাংক খাত সংস্কারে খেলাপি ঋণগ্রহীতাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন, রাষ্ট্রীয় ‘ব্যাড ব্যাংক’ গঠন, সব তফসিলি ব্যাংকের প্রকৃত আর্থিক অবস্থার প্রতিবেদন প্রকাশ এবং পুঁজিবাজারের আকার জিডিপির ৪০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া প্রতিরক্ষা বাজেট বৃদ্ধি, দেশীয় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি উন্নয়ন, সরকারি ব্যয়ের রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং পোর্টাল চালু, গোপন সম্পদের ওপর বিশেষ কর এবং একটি স্বাধীন বাজেট অফিস প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও ছায়া বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি নেতারা বলেন, তাদের ৭১ দফা সংস্কার প্রস্তাব কেবল একটি বিকল্প বাজেট নয়, বরং দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন ও বিনিয়োগবান্ধব ‘বাংলাদেশ ২.০’ গঠনের একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ।

কালের আলো/এসআর/এএএন

পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে কোস্ট গার্ডের নজরদারি জোরদার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে কোস্ট গার্ডের নজরদারি জোরদার

ভারত থেকে সম্ভাব্য অবৈধ পুশইন ঠেকাতে কোস্ট গার্ড সীমান্তবর্তী এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে। শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আওতাধীন সীমান্তবর্তী এলাকার সুরক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম ও নজরদারি জোরদার করেছে। কোস্ট গার্ডের দায়িত্বপূর্ণ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় এখন পর্যন্ত কোনো পুশইনের ঘটনা পরিলক্ষিত হয়নি।

সীমান্তবর্তী এলাকায় কোস্ট গার্ড ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সমন্বয়ে পুশইন প্রতিরোধসহ যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। সুন্দরবনসহ সীমান্তসংলগ্ন অঞ্চলে গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন সারভেইলেন্স এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে কোস্ট গার্ড।

তিনি আরও বলেন, আমরা সচেতন নাগরিকদের আহ্বান করছি পুশইন সংক্রান্ত যেকোন তথ্য কোস্ট গার্ড জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ প্রদান করে পুশইন রোধে সহযোগিতা করুন।

কালের আলো/এসএকে

বিয়ে করলেন উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
বিয়ে করলেন উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী

বিয়ে করেছেন উপস্থাপনার মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া দীপ্তি চৌধুরী।

শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

দীপ্তির স্বামীর নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। বিয়ের খবরটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ হয়েছে। ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় সবাইকে আমন্ত্রণ জানাবো। সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।’

জানা গেছে, মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় একজন শিক্ষক ও গবেষক। তিনি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনকোলজি বিষয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন।

বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে কর্মরত। মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার মহরদ্দিরচর গ্রামে তার জন্ম। চার ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট তিনি।

বিয়ের খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছায় ভাসছেন দীপ্তি চৌধুরী। সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও দর্শকরা সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভ কামনা জানিয়েছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ