খুঁজুন
                               
, ,
           

মেয়ের মা হলেন বুবলী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
মেয়ের মা হলেন বুবলী

পুত্র বীরের পর এবার কন্যা সন্তানের মা হলেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। বিষয়টি এক স্ট্যাটাসে জানালেন নায়িকা নিজেই।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে দেওয়া এক পোস্টে সুখরটি জানিয়ে বুবলী লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে।

তিনি আরও লেখেন, এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভ কামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।

অপু বিশ্বাসের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ২০১৮ সালের ২০ জুলাই শবনম বুবলীকে বিয়ে করেন শাকিব খান। পরে ২০২০ সালের ২১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে তাদের ছেলে শেহজাদ খান বীরের জন্ম হয়।

২০২২ সালে সন্তান ও বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন এই দুই তারকা।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

ইসিতে নতুন জনসংযোগ পরিচালক নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
ইসিতে নতুন জনসংযোগ পরিচালক নিয়োগ

Oplus_131072

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ কর্মকর্তা (পরিচালক) রুহুল আমিন মল্লিককে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির নতুন জনসংযোগ কর্মকর্তা (পরিচালক) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এনআইডি অনুবিভাগের উপসচিব মো. আব্দুল মমিন সরকার।

রোববার (২৬ জুলাই) ইসির সহকারী সচিব (মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মোহাম্মদ শাহিদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়েছে, ইসির জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অনুবিভাগের উপসচিব মো. আব্দুল মমিন সরকারকে নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক (পিআর) হিসেবে বদলি করা হলো।

একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পরিচালক) রুহুল আমিন মল্লিককে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে উপসচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এর আগে, সাংবাদিকদের অসহযোগিতার অভিযোগ এনে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিবকে চিঠি দেয় রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)।

কালের আলো/এসএকে

জনবান্ধব সরকার-দেশ গড়া শেখাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: বিমানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
জনবান্ধব সরকার-দেশ গড়া শেখাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: বিমানমন্ত্রী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, আমাদের সামাজিক, মানবিক, জনবান্ধব সরকার ও দেশ গড়ার জন্য কাজের শিক্ষা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরের দিকে মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

​বিমানমন্ত্রী বলেন, একজন দেশপ্রেমিক মানুষ কখনও দুর্নীতিবাজ হতে পারে না। তাই আমাদের মূল লক্ষ্য হতে হবে দেশপ্রেম।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আমাদের দেশকে ভালোবাসতে শিখিয়েছেন। আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পথ চলতে শিখিয়েছেন।

এই তিনটি শিক্ষা আমাদের আগামীর পথচলা ও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়তা করবে।

তিনি বলেন, নিজেকে সুন্দর রাখতে হলে দেশকেও সুন্দর রাখতে হবে।

দেশ ভালো না থাকলে আমরা ভালো থাকতে পারব না। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য যথাযথ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে কাজ করে যাচ্ছেন।

​শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুশীল সমাজের উদ্দেশে বিমানমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, আপনারা যেভাবে আমার পাশে ছিলেন, যে অনুপ্রেরণা ও আন্তরিকতা নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন, আমি কখনোই তা ভুলব না। আপনাদের আস্থা ও বিশ্বাসের কারণেই প্রধানমন্ত্রী আমাকে মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব দিয়েছেন। আপনাদের প্রতিটি দাবি পূরণের জন্য আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

​এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নাজমুন আরা সুলতানা, সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ ড. মুহম্মদ মাহফিল খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খানসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের প্রয়োজন আরও ৪২১ বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ
এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের প্রয়োজন আরও ৪২১ বিলিয়ন ডলার

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বা এসডিজি অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের আরও প্রায় ৪২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নের প্রয়োজন হবে। সরকারের এসডিজি অর্থায়ন কৌশলের পর্যালোচনায় এই বিশাল অঙ্কের অর্থ ঘাটতির তথ্য উঠে এসেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীতে ‘ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) ও এসডিজি অর্থায়ন বিষয়ক জাতীয় ভ্যালিডেশন কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয়। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয় যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে। যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের অর্থায়নে পরিচালিত ইউএনডিপি ক্লাইমেট ফাইন্যান্স নেটওয়ার্ক কর্মসূচির সহায়তায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, উন্নয়ন সহযোগী, ব্যাংকিং খাত, শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় জানান হয়, ২০২৬-২৭ থেকে ২০২৯-৩০ অর্থবছর পর্যন্ত অতিরিক্ত এই অর্থের বড় একটি অংশ দেশীয় সরকারি-বেসরকারি উৎস, জলবায়ু অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সংস্থান করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী জানান, এসডিজি বাস্তবায়নের অবশিষ্ট সময় অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। কারণ হাতে সময় সীমিত এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতিও অনিশ্চিত। তবে সুস্পষ্ট অগ্রাধিকার নির্ধারণ, সমন্বিত উদ্যোগ ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ইআরডি সচিবের পাশাপাশি সেশনের সভাপতি ও অতিরিক্ত সচিব এ.এইচ.এম. জাহাঙ্গীর উল্লেখ করেন যে, স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি থেকে উত্তরণের এই সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের জন্য একটি সমন্বিত ও বাস্তবভিত্তিক অর্থায়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা অত্যন্ত জরুরি।

বিশ্বজুড়ে উন্নয়ন অর্থায়নের সুযোগ সংকুচিত হয়ে আসছে উল্লেখ করে অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরজনিয়াক দেশীয় সম্পদ ব্যবহারের ওপর জোর দেন। বিশেষ করে কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি করা এবং বেসরকারি খাতকে টেকসই উন্নয়নে উৎসাহিত করার মধ্য দিয়ে নিজস্ব অর্থায়ন বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। একই সুর মিলিয়ে ইউএনডিপির উপ-আবাসিক প্রতিনিধি সোনালি দয়ারত্নে বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় অর্থায়ন কেবল সম্পদ সংগ্রহের বিষয় নয়, বরং পরিকল্পনা প্রণয়নের শুরু থেকেই উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত ও নাগরিক সমাজকে সক্রিয় অংশীদার করা প্রয়োজন।

কর্মশালার মূল উপস্থাপক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান বাংলাদেশের পরিবর্তিত অর্থায়ন পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সরকারি-বেসরকারি উভয় খাত থেকে অর্থ সংগ্রহের পথরেখা তুলে ধরেন। কর্মশালায় সংগৃহীত বিভিন্ন মতামতের আলোকেই সরকারের ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট এবং এসডিজি অর্থায়ন কৌশল চূড়ান্ত রূপ পাবে বলে জানানো হয়।

কালের আলো/এসএকে