খুঁজুন
                               
, ,
           

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২:১৯ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার

Oplus_131072

আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার রোধে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিটি করপোরেশন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে দেশব্যাপী প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে সারাদেশে সচেতনতামূলক র‌্যালি, বাউল গানের মাধ্যমে প্রচারণা, সপ্তাহে একদিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান, কমিউনিটি মিটিং, উঠান বৈঠক এবং জনসচেতনতামূলক নানা কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ‘ডেঙ্গু কর্নার’ চালু, চিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ, ফিল্ড হাসপাতাল প্রস্তুত, রিএজেন্ট ও টেস্টিং কিট সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার স্যালাইনের মজুত নিশ্চিত করা হয়েছে।

মশাবাহিত এই রোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ দেশের সাতটি সিটি করপোরেশন। নিজ নিজ এলাকায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার ঝুঁকি মোকাবিলায় পৃথক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে তারা।

এবার প্রথমবারের মতো নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ‘প্রাক-বর্ষা এডিস মশার লার্ভা জরিপ’ পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। অন্যদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুর ও সংগীতভিত্তিক ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারণা কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সরকারের প্রস্তুতি সম্পর্কে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ‘ডেঙ্গু কর্নার’ স্থাপন করা হচ্ছে এবং চিকিৎসক ও নার্সদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে একটি ফিল্ড হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির প্রয়োজন হলে আরও ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য অন্তত ১০ শতাংশ শয্যা সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে চিকিৎসকদের ডেঙ্গু রোগীদের কাছ থেকে ভিজিট ফি না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন পরীক্ষার খরচে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে সরকারের কাছে প্রায় ২ লাখ ব্যাগ খাবার স্যালাইন মজুত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় মজুত আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শনিবার (৬ জুন) দেশব্যাপী সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই দিনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারাদেশে তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক অভিযানের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। রাজধানীর রবীন্দ্র সরোবর থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। কোনো বাসাবাড়ি, প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুই থেকে তিন দিন পরপর মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়, এটি সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। করোনাকালে যেমন সবাই একযোগে কাজ করেছে, তেমনি ডেঙ্গু প্রতিরোধেও সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম গণমাধ্যমকে বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণের সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, জনগণের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ এবং সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ। উভয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

তিনি জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে পাঁচদিনব্যাপী বিশেষ ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ শুরু করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ যৌথভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, লার্ভা নিধন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বর্জ্য অপসারণ, জনসচেতনতা মূলক প্রচারণা এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিবিড় নজরদারি চালানো হবে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম. এ. মুহিত বলেন, প্রতিটি নাগরিক যদি ডেঙ্গু প্রতিরোধকে ব্যক্তিগত দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেন, তাহলে পরিস্থিতি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

তিনি জানান, জনগণকে সচেতন করতে আগামী তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করা।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজে ইমামদের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের আগাম প্রস্তুতি, সিটি করপোরেশনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে চলতি মৌসুমে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। বাসস

কালের আলো/এসএকে

বিশ্বজুড়ে আলোচনায় নোলানের ‘দ্য অডিসি’, বাংলাদেশেও দর্শকের আগ্রহ তুঙ্গে

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ণ
বিশ্বজুড়ে আলোচনায় নোলানের ‘দ্য অডিসি’, বাংলাদেশেও দর্শকের আগ্রহ তুঙ্গে

ক্রিস্টোফার নোলানের নতুন সিনেমা ‘দ্য অডিসি’ মুক্তির পর থেকেই বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ১৭ জুলাই মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিটি ইতিমধ্যে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৩৯০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। বাংলাদেশেও ছবিটি নিয়ে দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে প্রতিদিন ৫০টিরও বেশি প্রদর্শনী চলছে এবং মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই প্রায় দুই কোটি টাকা আয় করেছে সিনেমাটি।

হোমারের প্রায় তিন হাজার বছরের পুরোনো মহাকাব্য অডিসি অবলম্বনে নির্মিত হলেও নোলান গল্পটিকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। মূল কাহিনির গুরুত্বপূর্ণ অংশ অক্ষুণ্ন রেখে তিনি ওডেসিয়াস চরিত্রকে আরও মানবিক, ক্লান্ত ও অনুতপ্ত এক যোদ্ধা হিসেবে তুলে ধরেছেন। ফলে মহাকাব্যের পরিচিত গল্প নতুন আঙ্গিকে দর্শকের সামনে এসেছে।

ছবিতে ওডেসিয়াস চরিত্রে অভিনয় করেছেন ম্যাট ডেমন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন অ্যান হ্যাথওয়ে, টম হল্যান্ড, রবার্ট প্যাটিনসন, জেনডায়া, সামান্থা মর্টন, লুপিতা নিওঙ্গোসহ একাধিক তারকা। প্রায় তিন ঘণ্টার এই সিনেমায় যুদ্ধ-পরবর্তী এক মানুষের ঘরে ফেরার দীর্ঘ যাত্রা, স্মৃতি, অপরাধবোধ এবং আত্মঅনুসন্ধানের গল্প তুলে ধরা হয়েছে।

সমালোচকদের মতে, ‘দ্য অডিসি’ শুধু একটি পৌরাণিক অ্যাডভেঞ্চার নয়; এটি যুদ্ধের পর মানুষের মানসিক ক্ষত, পরিবারে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা এবং আত্মপরিচয়ের অনুসন্ধানের গল্প। নোলানের পরিচিত নন-লিনিয়ার বর্ণনাশৈলীও ছবিটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে।

কারিগরি দিক থেকেও সিনেমাটি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। এটি বিশ্বের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যা সম্পূর্ণ ৭০ মিমি আইম্যাক্স ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে। সিনেমাটোগ্রাফি, আবহসংগীত এবং ভিজ্যুয়াল নির্মাণ দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

তবে ছবিটির দীর্ঘ রানটাইম এবং কিছু পৌরাণিক ঘটনার তুলনামূলক সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনা নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। তারপরও সমালোচকদের মতে, ‘দ্য অডিসি’ শেষ পর্যন্ত দেবতা বা দানবের গল্প নয়; বরং দীর্ঘ যুদ্ধ শেষে নিজের ভেতরের লড়াইয়ে ফিরে আসা এক মানুষের গল্প, যা নোলানের চলচ্চিত্রজীবনের অন্যতম উচ্চাভিলাষী নির্মাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কালের আলো/এসএ

 

 

 

একই ক্যাফেতে ম্রুণাল-যশস্বী, প্রেমের গুঞ্জনে সরগরম নেটদুনিয়া

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ণ
একই ক্যাফেতে ম্রুণাল-যশস্বী, প্রেমের গুঞ্জনে সরগরম নেটদুনিয়া

বলিউড অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুর ও ভারতের তরুণ ক্রিকেটার যশস্বী জয়সোয়াল-কে ঘিরে নতুন করে প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। মুম্বাইয়ের বান্দ্রা ওয়েস্টের একটি ক্যাফেতে একই সময়ে তাঁদের উপস্থিতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। তবে এখন পর্যন্ত দুজনের কেউই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, যশস্বী জয়সোয়াল ক্যাফে থেকে বের হয়ে গাড়ির দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, আর ম্রুণাল ঠাকুর তখনও ক্যাফের ভেতরে অবস্থান করছিলেন। ভিডিওতে তাঁদের একসঙ্গে দেখা যায়নি কিংবা কোনো ঘনিষ্ঠ মুহূর্তও ধরা পড়েনি। তবুও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাঁদের সম্ভাব্য সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু করেন।

এদিকে নেটিজেনদের আলোচনায় উঠে এসেছে দুজনের বয়সের পার্থক্যও। বর্তমানে ম্রুণালের বয়স ৩৩ বছর এবং যশস্বীর বয়স ২৪ বছর। কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে রসিকতা করলেও, অন্যদের দাবি—একই ক্যাফেতে উপস্থিত থাকা মানেই প্রেমের সম্পর্ক নয়।

অনেক ভক্তের ধারণা, ব্যক্তিগত সাক্ষাতের পরিবর্তে এটি কোনো বিজ্ঞাপন বা ব্র্যান্ডের প্রচারণার শুটিংও হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এখন পর্যন্ত ম্রুণাল ঠাকুর কিংবা যশস্বী জয়সোয়াল—কেউই ভাইরাল ভিডিও বা প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। ফলে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলার সুযোগ নেই এবং বিষয়টি আপাতত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জল্পনাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

কালের আলো/এসএ

 

 

 

১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না হলে মিলবে না রেজিস্ট্রেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ
১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না হলে মিলবে না রেজিস্ট্রেশন

Oplus_131072

দেশের সব গণপরিবহনে আগামী ১ আগস্ট থেকে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযোজন ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। নতুন রেজিস্ট্রেশন এবং ফিটনেস সনদ নবায়নের ক্ষেত্রে জিপিএস সংযোজনের প্রমাণপত্র ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ডিভাইসটির কার্যকারিতা প্রদর্শন করতে হবে। অন্যথায় রেজিস্ট্রেশন বা ফিটনেস সনদ দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিআরটিএ প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং গণপরিবহন খাতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। সেই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহনে জিপিএস ডিভাইস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক হবে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, ১ আগস্ট থেকে নতুন রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস সনদ নবায়নের সময় জিপিএস সংযোজনের প্রমাণপত্র সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ডিভাইসটির কার্যকারিতা প্রদর্শন করতে হবে।

এ ছাড়া জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি স্পেসিফিকেশন বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় অথবা সংস্থাটির ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহনে জিপিএস সংযুক্ত রয়েছে এটি নিশ্চিত হওয়ার পরই নতুন রেজিস্ট্রেশন দেওয়া এবং ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে।

এ বিষয়ে পরিবহন মালিক, অপারেটর ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ এবং বিআরটিএকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

কালের আলো/এসএকে