খুঁজুন
                               
, ,
           

ঢাকার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন, বজ্রবৃষ্টির আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন, বজ্রবৃষ্টির আভাস

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দুপুর পর্যন্ত আকাশ মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য দেওয়া বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এসময় দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৩ শতাংশ। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়েছে, আজ সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৪ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ২৬ মিনিটে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ট্রেস পরিমাণ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের সারাদেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসেও মঙ্গলবার বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকার কথা বলা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

একইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

কালের আলো/এসএকে

অনুমোদন ছাড়া ‘জেলা ক্রিকেট সংস্থা’ পরিচয় ব্যবহার করা যাবে না: বিসিবি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
অনুমোদন ছাড়া ‘জেলা ক্রিকেট সংস্থা’ পরিচয় ব্যবহার করা যাবে না: বিসিবি

দেশের বিভিন্ন জেলায় ক্রিকেটের নামে নতুন নতুন সংগঠন গড়ে ওঠা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বোর্ডের অনুমোদন বা স্বীকৃতি ছাড়া কোনো সংগঠন নিজেদের ‘জেলা ক্রিকেট সংস্থা’ হিসেবে পরিচয় দিলে সেটিকে অবৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে বলে জানিয়েছে বিসিবি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। বিসিবি জানিয়েছে, ব্যক্তি বা কোনো গোষ্ঠীর উদ্যোগে গড়ে ওঠা সংগঠন, প্রতিষ্ঠান কিংবা কমিটির সঙ্গে বোর্ডের অনুমোদন, স্বীকৃতি বা সাংগঠনিক সম্পর্ক না থাকলে সেটিকে বিসিবির স্বীকৃত জেলা ক্রিকেট সংস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।

জেলা ও আঞ্চলিক পর্যায়ে ক্রিকেট পরিচালনার জন্য বিসিবির সংবিধানে নির্দিষ্ট সাংগঠনিক কাঠামো রয়েছে। সংবিধানের ৬.২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আঞ্চলিক ও জেলা ক্রিকেট সংস্থা গঠন বিসিবির দায়িত্বের অংশ। এসব সংস্থার স্বীকৃতি, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও বোর্ডের এখতিয়ার নির্ধারিত রয়েছে।

এ ছাড়া সংবিধানের ৬.৪ অনুচ্ছেদে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেট সংস্থাগুলোর স্বীকৃতি ও কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব বিসিবির ওপর দেওয়া হয়েছে। ফলে বোর্ডের নির্ধারিত কাঠামোর বাইরে গিয়ে কোনো সংগঠন নিজেদের জেলা ক্রিকেট সংস্থা হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।

বিসিবির সংবিধানের ৯.১(খ) অনুযায়ী, জেলা ক্রিকেট সংস্থাগুলোকে বোর্ডের অনুমোদিত নীতিমালা ও বিধিমালা অনুসরণ করে গঠিত হতে হবে। জাতীয় ক্রিকেট লিগ, জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ, বয়সভিত্তিক ক্রিকেটসহ বিভিন্ন ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও বিসিবির নির্ধারিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।

বিসিবি জানিয়েছে, তাদের সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী গঠিত এবং বোর্ডের অনুমোদন পাওয়া সংস্থাগুলোই কেবল ‘জেলা ক্রিকেট সংস্থা’ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। এর বাইরে কোনো সংগঠন ওই পরিচয় ব্যবহার করলে তা বিসিবির সংবিধানবিরোধী ও অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এ কারণে ক্রিকেটার, ক্লাব, সংগঠক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুমোদনহীন কোনো উদ্যোগ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিসিবি। কোনো জেলা ক্রিকেট সংগঠন বা কমিটি বোর্ডের স্বীকৃত কি না, তা নিয়ে সন্দেহ থাকলে সরাসরি বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শও দিয়েছে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

কালের আলো/এসএ

নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ১৬, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ
নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ১৬, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক

নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল (হড়পা বান) ও ভূমিধসে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং শতাধিক ভারতীয় নাগরিকসহ প্রায় ৪০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তিব্বত মালভূমিতে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত ও বরফ গলার কারণে দেশটির সীমান্তবর্তী পার্বত্য জেলা রাসুয়া, নুয়াকোট ও ধাদিঙ-এর একাধিক গ্রাম ভেসে গিয়ে এই প্রাণহানি ও নিখোঁজের ঘটনা ঘটে।

নেপালি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বুধবার ভোরে কোনো পূর্ব সঙ্কেত ছাড়াই বিকট শব্দে ভোতেকোশি নদীর পানি হু হু করে বাড়তে থাকে। প্রলয়ঙ্কারী এই জলস্রোত মুহূর্তের মধ্যে রাসুয়া জেলার তিমুরে এবং সায়াপ্রু বেসি এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রাম ও স্থানীয় বাজার ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বন্যার তীব্র স্রোতে চীন ও নেপালকে সংযোগকারী ঐতিহাসিক ‘মিতেরি সেতু’ (ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ) মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া পাসাং লামু মহাসড়কের বিশাল অংশ ধসে পড়ায় রাজধানী কাঠমান্ডুর সাথে ওই অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

নেপাল পর্যটন বোর্ডের প্রাথমিক তথ্যমতে, বন্যা-বিধ্বস্ত এলাকা থেকে ৩৮৪ জন পর্যটক ও ভ্রমণকারী নিখোঁজ রয়েছেন। এর মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি নাগরিক।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১০৫ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার পর্যটকরাও এই তালিকায় আছেন।

কাঠমান্ডু-ভিত্তিক টাচ কৈলাশ ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাশু কুমার অধিকারী বলেছেন, ৯৩ জন নেপালিসহ ৩৯০ জন তীর্থযাত্রীর বুধবার সীমান্ত পার হওয়ার কথা ছিল। দু-একজন ছাড়া বিকেল ৩টা পর্যন্ত আমরা তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারিনি।

অন্যদিকে রাসুয়া জেলায় দায়িত্ব পালনরত নেপাল পুলিশের অন্তত ২৬ জন এবং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ৭ জন সদস্যের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন দেশটির কেন্দ্রীয় পুলিশের মুখপাত্র উপ-মহাপরিদর্শক অবিনারায়ণ কাফলে।

কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের নির্দেশে নেপালি সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ এবং নেপাল পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। দুর্গত এলাকায় অনুসন্ধানের জন্য ১৪টি হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং স্নিফার ডগ ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে নদীর পানির উচ্চতা ও তীব্র স্রোতের কারণে দুর্গত এলাকা যেমন—তিমুরে এবং স্যাফরুবেশিতে হেলিকপ্টার অবতরণ করতে বেগ পেতে হচ্ছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভোতেকোশি ও ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের অবিলম্বে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে এই আকস্মিক বন্যা নেপালের জাতীয় গ্রিডে বড় আঘাত হেনেছে। ভোতেকোশি নদীর অববাহিকায় অবস্থিত অন্তত ৬টি বড় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইন বন্যার তোড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে নেপালের জাতীয় বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ১২ শতাংশ বা ৪৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এখন তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি, কাঠমান্ডু পোস্ট

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সঙ্গীকে ভালোবাসেন, কিন্তু এই ভুলগুলোই কি তাকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
সঙ্গীকে ভালোবাসেন, কিন্তু এই ভুলগুলোই কি তাকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে?

সম্পর্কে ভালোবাসা থাকলেই সব সময় সম্পর্ক সুন্দর থাকে না। অনেক সময় অজান্তে করা কিছু আচরণ সঙ্গীর মনে কষ্ট, অভিমান বা দূরত্ব তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের সম্পর্কে একই ধরনের আচরণ বারবার ঘটলে ভালোবাসার জায়গায় বিরক্তি ও হতাশা তৈরি হতে পারে।

তাই সঙ্গীকে ভালোবাসলেও নিজের কিছু অভ্যাসের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। কারণ সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য সব সময় বড় কোনো ঘটনা প্রয়োজন হয় না; ছোট ছোট অবহেলাও ধীরে ধীরে দূরত্ব তৈরি করতে পারে।

সঙ্গীর কথা মন দিয়ে না শোনা

সঙ্গী কোনো কথা বলার সময় মোবাইল দেখা, টেলিভিশন চালু রাখা কিংবা কথার মাঝখানে বাধা দেওয়া তাঁকে মনে করাতে পারে যে তাঁর কথা আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। সব সমস্যার সমাধান দিতে হবে এমন নয়, অনেক সময় মন দিয়ে শোনাটাই সঙ্গীর জন্য সবচেয়ে বড় সমর্থন হতে পারে।

সবকিছুতেই সমালোচনা করা

সঙ্গীর কাজ, পোশাক, সিদ্ধান্ত বা ব্যক্তিত্ব নিয়ে নিয়মিত নেতিবাচক মন্তব্য করলে আত্মবিশ্বাসে প্রভাব পড়তে পারে। গঠনমূলক পরামর্শ আর প্রতিটি বিষয়ে খুঁত ধরা এক বিষয় নয়। সম্পর্ক ভালো রাখতে সঙ্গীর ভালো কাজগুলোর প্রশংসাও করা প্রয়োজন।

অন্যের সঙ্গে তুলনা করা

‘অমুকের স্বামী এমন’, ‘অমুকের স্ত্রী এত ভালো’—এ ধরনের তুলনা সম্পর্কের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করতে পারে। প্রত্যেক মানুষের ব্যক্তিত্ব ও পরিস্থিতি আলাদা। তাই অন্য কারও সঙ্গে তুলনা না করে নিজেদের সম্পর্কের সমস্যাগুলো নিয়েই কথা বলা ভালো।

অভিমান জমিয়ে রাখা

কোনো বিষয়ে কষ্ট পেলে কথা না বলে দিনের পর দিন অভিমান করে থাকা সমস্যার সমাধান করে না। বরং এতে ভুল বোঝাবুঝি বাড়তে পারে। তাই উত্তেজনার সময় নয়, পরিস্থিতি শান্ত হলে নিজের কষ্টের বিষয়টি স্পষ্টভাবে সঙ্গীকে জানানো ভালো।

ব্যক্তিগত সময় ও স্পেস না দেওয়া

ভালোবাসার অর্থ সারাক্ষণ একসঙ্গে থাকা নয়। প্রত্যেক মানুষেরই কিছু ব্যক্তিগত সময়, বন্ধু বা নিজস্ব আগ্রহ থাকতে পারে। সঙ্গীর ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান না করলে সম্পর্কের মধ্যে চাপ তৈরি হতে পারে।

সব সিদ্ধান্ত একা নেওয়া

দাম্পত্য জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সঙ্গীর মতামতকে গুরুত্ব না দিলে তাঁর মনে অবহেলার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। কোথায় ঘুরতে যাবেন থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত—গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া পারস্পরিক সম্মান বাড়ায়।

রাগের সময় আঘাত করে কথা বলা

রাগের মুহূর্তে বলা কিছু কথা পরে ভুলে গেলেও সঙ্গীর মনে দীর্ঘদিন থেকে যেতে পারে। অপমান, গালাগাল বা পুরোনো ভুল টেনে এনে আক্রমণ করা সমস্যাকে আরও জটিল করে। তাই উত্তেজনা বেশি হলে কিছু সময় বিরতি নিয়ে পরে আলোচনা করা ভালো।

শুধু সমস্যার সময় কথা বলা

অনেক দম্পতির ক্ষেত্রে দৈনন্দিন কথাবার্তা ধীরে ধীরে শুধু সংসারের কাজ, সন্তান, টাকা-পয়সা বা সমস্যা নিয়ে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়। অথচ সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে একসঙ্গে হাসা, গল্প করা, দিনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া এবং পরস্পরের খোঁজ নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

সঙ্গীর অনুভূতিকে ছোট করে দেখা

‘এটা নিয়ে এত কষ্ট পাওয়ার কী আছে?’ বা ‘তুমি বেশি ভাবছ’—এ ধরনের কথা সঙ্গীর অনুভূতিকে অস্বীকার করতে পারে। কোনো বিষয় আপনার কাছে ছোট মনে হলেও সেটি সঙ্গীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাঁর অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করাই সম্পর্কের জন্য বেশি ইতিবাচক।

ভালোবাসা প্রকাশ করতে ভুলে যাওয়া

সম্পর্ক দীর্ঘ হলে অনেকেই ধরে নেন, সঙ্গী এমনিতেই জানেন যে তিনি ভালোবাসেন। কিন্তু ভালোবাসা প্রকাশের প্রয়োজন কখনো শেষ হয় না। একটি প্রশংসা, ধন্যবাদ, খোঁজ নেওয়া কিংবা ছোট্ট একটি যত্নের আচরণও সম্পর্ককে উষ্ণ রাখতে পারে।

সম্পর্কে ভুল হওয়া স্বাভাবিক। গুরুত্বপূর্ণ হলো ভুল বুঝতে পারার পর তা নিয়ে কথা বলা এবং প্রয়োজন হলে নিজের আচরণ পরিবর্তনের চেষ্টা করা। পারস্পরিক সম্মান, যোগাযোগ, বিশ্বাস ও যত্ন—এই বিষয়গুলোই একটি সম্পর্ককে দীর্ঘদিন সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কালের আলো/এসএ