খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অবদান অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অবদান অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বব্যাপী দায়িত্ব পালনরত সকল শান্তিরক্ষীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার পথে আত্মত্যাগকারী শান্তিরক্ষীদের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১০ জুন) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য উদ্যোগ। সংঘাত, সহিংসতা ও মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে শান্তিরক্ষীরা অসীম সাহস, ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শান্তিরক্ষা মিশনের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যেসব সাহসী সদস্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের আত্মত্যাগ ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। পাশাপাশি আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শান্তিরক্ষী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতিও গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন তিনি।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধের পরিচয় দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সর্বাধিক শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোর অন্যতম।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীরাও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দক্ষতা, নেতৃত্ব ও পেশাগত সক্ষমতার স্বাক্ষর রেখে প্রশংসা অর্জন করেছেন। এটি নারীর ক্ষমতায়ন এবং দেশের অগ্রগতির একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

তারেক রহমান বলেন, পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও সহনশীলতার ভিত্তিতে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব। বাংলাদেশ ভবিষ্যতেও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখবে।

তিনি সকলকে শান্তি, মানবতা ও সম্প্রীতির মূল্যবোধ ধারণ করে একটি উন্নত ও নিরাপদ পৃথিবী গঠনে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর প্রাণহানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর প্রাণহানি

দেশে হাম-সংক্রান্ত রোগে আরও আট শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩৯ জনে।

বুধবার (১০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কেউ মারা না গেলেও সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যু হয়েছে আটজনের।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯২ জনের প্রাণ গেছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে প্রাণহানির সংখ্যা ৫৪৭ জন।

প্রতিবেদনে উল্লেখিত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৯৪ জনের। এসময়ে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৪৫ জন।

গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৯২৭ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৮২ হাজার ২৯ জন। একই সময়ে হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ৬৬ হাজার ৯৯৯ জন এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৬৩ হাজার ১৪৫ জন।

বিভাগভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, নিশ্চিত হামে সবচেয়ে বেশি ৫৬ রোগী মারা গেছে ঢাকায়। এছাড়া বরিশালে ১৯, চট্টগ্রামে ১০, সিলেটে তিন এবং ময়মনসিংহ ও রাজশাহীতে দুজন করে মৃত্যুবরণ করেছে।

সন্দেহজনক হামেও সবচেয়ে বেশি ২২৯ জনের মৃত্যু ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এরপর ৮৬ জন মারা গেছে রাজশাহীতে। সেই সঙ্গে সিলেটে ৬৬, ময়মনসিংহে ৫০, চট্টগ্রামে ৪৭, বরিশালে ৩৮, খুলনায় ২৩ ও রংপুরে আটজন প্রাণ হারিয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হাম মোকাবিলায় ৪ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম দিলো কানাডীয় প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
হাম মোকাবিলায় ৪ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম দিলো কানাডীয় প্রতিষ্ঠান

দেশে হাম রোগের চিকিৎসা ও প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ভেন্টিলেটরসহ প্রায় চার কোটি টাকা মূল্যের জরুরি জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়েছে কানাডাভিত্তিক ইমিগ্রেশন প্রতিষ্ঠান ‌‌‘স্কশিয়া কনসালট্যান্টস’। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে এসব অত্যাবশ্যকীয় চিকিৎসা সামগ্রী সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) সকালে সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের কক্ষে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরঞ্জামগুলো হস্তান্তর করা হয়। স্কশিয়া কনসালট্যান্টসের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ডা. মো. জামিলুর রহিম স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে এসব সামগ্রী তুলে দেন।

চিকিৎসা সামগ্রী গ্রহণকালে দেশের এই ক্রান্তিকালে বেসরকারি খাতের এমন মানবিক ও মহৎ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে এত বড় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় তিনি ডা. জামিলুর রহিমকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি ও ব্যক্তিগত পর্যায়ের এই ধরনের সহযোগিতা দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে এবং মহামারি বা প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, এমপরি এ্যাংশো মেডিকেয়ার লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক শাহেদ কামালসহ স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, হস্তান্তর করা অত্যাধুনিক ভেন্টিলেটর ও জরুরি সরঞ্জামগুলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামে আক্রান্ত গুরুতর রোগীদের চিকিৎসায় দ্রুত ব্যবহার উপযোগী করা হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ৪

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ৪

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দু’জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও চারজন। বুধবার (১০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কে মোহনপুর উপজেলার খাড়ইল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম আব্দুল্লাহ আল ফিরোজ (৪০)। তিনি ইসলামী ব্যাংকের মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট শাখার ক্যাশ ইনচার্জ। বাড়ি নওগাঁর মান্দা উপজেলার চক শ্যামরাই গ্রামে। তার বাবার নাম মোহাম্মদ আলী। প্রায় ৫০ বছর বয়সী অন্যজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহত এক নারীসহ চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মোহনপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোদাশ্বের হোসেন খান নিহত ফিরোজের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ফিরোজ নিহত হন। পরে আহত অন্যদের ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক আরও একজনকে মৃত ঘোষণা করেছেন।

রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত সিনিয়র স্টাফ নার্স মো. উজ্জ্বল জানান, তারা নিহত দু’জনেরই  পরিচয় জানেন না। অজ্ঞাত হিসেবে তাদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আর আহত চারজনকে হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে মোহনপুর থানার এসআই মোদাশ্বের হোসেন খান জানিয়েছেন, হতাহতরা সবাই সিএনজি চালিত অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ট্রাক চালক ও হেলপার পালিয়েছেন। এ ব্যাপারে সড়ক পরিবহন আইনে থানায় একটি মামলা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি