খুঁজুন
                               
, ,
           

অতিরিক্ত পানি পান করলে কি ডায়রিয়া হতে পারে?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
অতিরিক্ত পানি পান করলে কি ডায়রিয়া হতে পারে?

আমাদেরকে সব সময় বেশি করে পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এটি হজমে সাহায্য করে, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সচল রাখে এবং শরীরের জন্য ভালো কাজ করে। তবে অনেকে প্রচুর পানি পান করার পর পাতলা পায়খানার মতো সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন এবং ভাবতে শুরু করেন যে এর জন্য তাদের পানি পানের অভ্যাসই দায়ী। এমন প্রশ্ন মনে আসা অস্বাভাবিক নয়। তবে সত্যিটা কী?

পানি কি আসলেই ডায়রিয়ার কারণ?
বেশিরভাগ মানুষের জন্য এর সংক্ষিপ্ত উত্তর হলো- না। শুধুমাত্র পানি পান করলে সাধারণত ডায়রিয়া হয় না। পরিপাকতন্ত্র দক্ষতার সঙ্গে তরল শোষণ এবং প্রক্রিয়াজাত করার জন্য তৈরি, অপরদিকে সুস্থ কিডনি প্রস্রাবের মাধ্যমে অতিরিক্ত পানি বের করে দিতে সাহায্য করে। শরীর স্বাভাবিক পরিমাণে পানি সামলানোর জন্য যথেষ্ট সক্ষম। বেশিরভাগ সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সারাদিন হাইড্রেটেড থাকলে হজমের কোনো সমস্যাই হয় না।

খুব বেশি ও খুব দ্রুত পানি পান করলে কী হয়?
এখানেই বিষয়টি কিছুটা জটিল হয়ে ওঠে। অল্প সময়ের মধ্যে খুব বেশি পরিমাণে পানি পান করা একটি ভিন্ন ব্যাপার। শরীর একবারে অতিরিক্ত পরিমাণে তরল গ্রহণ করলে তা অন্ত্রের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে পরিপাকতন্ত্রের মধ্য দিয়ে খাদ্য ও তরলের চলাচল দ্রুত হতে পারে, যার ফলে মাঝে মাঝে মল নরম হতে পারে। তবে এটি সাধারণত মৃদু এবং বিরল। খুব দ্রুত অস্বাভাবিক পরিমাণে পানি পান না করলে বেশিরভাগ মানুষের এই সমস্যা হয় না।

শরীরকে আর্দ্র রাখার সঠিক উপায়
বিশেষজ্ঞরা একবারে বেশি পরিমাণে না পান করে ধীরে ধীরে পানি পান করার পরামর্শ দেন। সারাদিন ধরে নিয়মিত পানি পান করলে শরীর সঠিকভাবে পানি শোষণ করতে পারে এবং ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় থাকে।

খুব বিরল ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিমাণে পানি পান করলে ওয়াটার ইনটক্সিকেশন হতে পারে, যেখানে রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে যায়। কিন্তু এটি অস্বাভাবিক এবং সাধারণত কেবল ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতেই ঘটে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশি পানি পান করা সাধারণত ডায়রিয়ার সরাসরি কারণ নয়। ভারসাম্যই মূল বিষয়। আপনি যে পানি পান করছেন তার পরিমাণ এবং গুণমান উভয়ের প্রতি মনোযোগ দিলে তা স্বাস্থ্যকর হজম এবং সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

প্রথমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
প্রথমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্র

Oplus_131072

দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিদর্শনকালে তিনি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধান এবং মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী অভিজ্ঞ শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে এ মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।

পর্যালোচনা সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, শিক্ষা নীতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং প্রশাসনিক কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এসব কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

সভায় শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, কার্যকর পাঠদান, শিক্ষকদের যুগোপযোগী ও ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী মাঠপর্যায়ে কর্মরত অভিজ্ঞ শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন। তারা শিক্ষাক্ষেত্রের বাস্তব চিত্র, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয় বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগসহকারে শোনেন এবং নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে গুণগত পরিবর্তন আনতে সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর তদারকি এবং সময়োপযোগী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন অব্যাহত থাকবে।’

পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান এবং শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

কালের আলো/এসএকে

মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ: ৩ খাদ্যপণ্য বাজার থেকে অপসারণের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ: ৩ খাদ্যপণ্য বাজার থেকে অপসারণের নির্দেশ

জ্যাম ফিল্ড ব্রেড ও পুর পিঠাসহ তিনটি খাদ্যপণ্য বাজার থেকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএফএসএ’র।

মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়ায় জ্যাম ফিল্ড ব্রেড ও পুর পিঠাসহ তিনটি খাদ্যপণ্য বাজার থেকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। একই সঙ্গে পণ্যগুলোর উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রি বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে ভোক্তাদের এসব পণ্য না কেনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, প্রত্যাহারের নির্দেশ পাওয়া পণ্যগুলো হলো ইস্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘ইস্ট কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড’, ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইস্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড’ এবং আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড’।

বিএফএসএ ভোক্তাদের এসব পণ্য না কিনতে ও গ্রহণ না করার অনুরোধ জানিয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাজারে থাকা পণ্য দ্রুত প্রত্যাহার করে নিরাপদ খাদ্য আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ব্রিফিংয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান আরও জানান, সরকারি খাদ্যগুদামে বর্তমানে ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫৩ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। নিরাপদ মজুতের নির্ধারিত মান ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনের তুলনায় এই মজুত প্রায় ১০ লাখ ৪৬ হাজার ৭৫৩ মেট্রিক টন বেশি।

তিনি জানান, অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ অভিযানে ২৬ জুলাই পর্যন্ত ৪ লাখ ৭৩ হাজার ৫ মেট্রিক টন ধান এবং ১০ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩৬ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ছাড়া ওএমএস কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন ১ হাজার ১৯৫ মেট্রিক টন চাল ও ১ হাজার ৪৪৩ মেট্রিক টন আটা বিক্রি করা হচ্ছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

চটকদার বিজ্ঞাপনে অবৈধ অভিবাসন বন্ধে সরকার কঠোর হবে: প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:০৫ অপরাহ্ণ
চটকদার বিজ্ঞাপনে অবৈধ অভিবাসন বন্ধে সরকার কঠোর হবে: প্রতিমন্ত্রী

বিদেশে কর্মসংস্থানের নামে চটকদার বিজ্ঞাপন ও প্রতারণার মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে সরকার কঠোর অবস্থান নেবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি তৈরির পাশাপাশি নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন নিশ্চিত করার ওপর সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিনিয়োগ ভবনে বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) আয়োজিত র‌্যালি ও আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নুরুল হক বলেন, বর্তমান সরকার স্বল্প ব্যয়ে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি বিদেশে পাঠাতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। আগামী ১৮ মাসের মধ্যে দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো কার্যকরভাবে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা কর্মসংস্থান ও দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, দক্ষতা উন্নয়নে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতকেও আরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে দেশের তরুণেরা দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, কাতার সরকার বাংলাদেশের চারটি সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্রকে তাদের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী উপযোগী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ জনবল তৈরি করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ইউরোপে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি প্রথাগত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের বাইরে বিকল্প ও উদ্ভাবনী উপায়ে দক্ষতা অর্জনের সুযোগও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।

নুরুল হক বলেন, বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অনেককে অবৈধ অভিবাসনের পথে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের প্রতারণা ও অবৈধ অভিবাসন রোধে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করতে এনএসডিএকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। দেশের যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে সরকারি-বেসরকারি সব অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সরকারের সচিব ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তৌহিদুর রহমান। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তর-সংস্থার প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাতের প্রতিনিধি, প্রশিক্ষক, অ্যাসেসর, প্রশিক্ষণার্থী এবং তরুণ-যুব প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ