খুঁজুন
                               
, ,
           

নভেম্বরে চালু হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
নভেম্বরে চালু হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট

নভেম্বরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট চালু করা যাবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

শুক্রবার (১২ জুন) সকালে রাজধানীর আফতাবনগরে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট আগামী নভেম্বরে চালু করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সময় খুব বেশি হাতে নেই, তাই সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘ক্যাপাসিটি চার্জের নামে আগের সরকার বড় ধরনের আর্থিক বোঝা রেখে গেছে। তবে নতুন সরকার চাইলেই তাৎক্ষণিকভাবে সবকিছু পরিবর্তন করতে পারে না। বিষয়গুলো আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত। আইন মন্ত্রণালয় বিষয়গুলো পর্যালোচনা করছে। রাতারাতি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব নয়। বিদ্যমান চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও বলেন, ‘স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে উৎপাদন ও সঞ্চালনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হয়নি। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন সক্ষমতা ঠিক থাকলেও সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি রয়ে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকার বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক সম্প্রসারণ করেছিল এবং প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু কার্যকর সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি।’

অপরিকল্পিতভাবে বিতরণ লাইন স্থাপন করায় উৎপাদন ও সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকলেও অনেক এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এর মূল কারণ বিতরণ লাইনের সমস্যা। এসব সমস্যা কীভাবে সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে।’

কালের আলো/এসআর/এএএন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে ২ সাংবাদিক ও ২৫ অভিনয়শিল্পীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ণ
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে ২ সাংবাদিক ও ২৫ অভিনয়শিল্পীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে দুই সাংবাদিক ও ২৫ জন নাট্যব্যক্তিত্ব এবং অভিনয়শিল্পীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে উসকানি, সহযোগিতা ও প্ররোচনার অভিযোগ জমা দিয়েছে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম নামে একটি সংগঠন। রোববার ট্রাইব্যুনালে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়।

অভিযোগে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে সাংবাদিক আনিস আলমগীর ও সোমা ইসলাম রয়েছেন।

এছাড়া অভিনয়শিল্পী ও সংস্কৃতি অঙ্গনের ২৫ জনের মধ্যে রয়েছেন কারাবন্দী সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, সাবেক সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, অভিনেতা রিয়াজ আহমেদ, অরুণা বিশ্বাস, শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচী, মাহিয়া মাহি, নিপুণ আক্তার, তানভীন সুইটি, হৃদি হক, জ্যোতিকা জ্যোতি, সাজু খাদেম, সোহানা সাবা, পিয়া জান্নাতুল, শামীমা তুষ্টি, আশনা হাবীব ভাবনা, সাইমন সাদিক, সুজাতা আজিম, জায়েদ খান, আজিজুল হাকিম, চন্দন রেজা, মারিয়া কিসপট্টা, শান্তা ফারজানা, মোবিন মেহেদী এবং হিরো আলম।

অভিযোগ জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস। তিনি দাবি করেন, অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তিরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে প্ররোচনা, সহযোগিতা ও উসকানি দিয়েছেন। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও আইনানুগ তদন্তের দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, তাঁর কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। তবে অভিযোগের বিস্তারিত বিষয়বস্তু তিনি তখনও পর্যালোচনা করেননি। তিনি জানান, নিয়ম অনুযায়ী অভিযোগটি তদন্ত সংস্থার কাছে পাঠানো হবে এবং তদন্ত সংস্থা বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

উল্লেখ্য, অভিযোগ দাখিল করা মানেই অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমনটি নয়। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কালের আলো/এসএ

রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহার

রাজধানীতে চলাচলের সময় ১৮ জন মন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ থাকা পুলিশের এসকর্ট সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন থেকে রাজধানীতে কেবল ছয়জন মন্ত্রী ও একজন মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা বহর বা এসকর্ট সুবিধা পাবেন। তবে ঢাকার বাইরে সরকারি সফরের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী সব মন্ত্রীর জন্য নিরাপত্তা ও পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা থাকবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। সরকারের ব্যয় সাশ্রয়, যানবাহনের কার্যকর ব্যবহার এবং প্রটোকল বহর ছোট করার নীতির অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে যাঁরা রাজধানীতে এসকর্ট সুবিধা পাচ্ছেন, তাঁরা হলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং মন্ত্রী পদমর্যাদার পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

তবে কোন নিরাপত্তা মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই সাতজনকে এসকর্ট সুবিধার আওতায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা বিবেচনায় তাঁদের জন্য এই ব্যবস্থা বহাল রাখা হয়েছে।

ডিএমপির প্রটেকশন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি এসকর্ট গাড়িতে পাঁচ সদস্যের একটি পুলিশ দল দায়িত্ব পালন করে। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে রাজধানীতে এসকর্টের জন্য ব্যবহৃত গাড়ির সংখ্যা ২৫টি থেকে কমে সাতটিতে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে প্রায় ৯০ জন পুলিশ সদস্যকে এই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে অন্য পুলিশি কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে। আগে যেখানে প্রায় ১২০ জন সদস্য এ দায়িত্বে ছিলেন, এখন থাকবেন ৩০ থেকে ৩৫ জন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, এই সিদ্ধান্তের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। জ্বালানি ব্যয় কমানো, পুলিশের যানবাহনের স্বল্পতা দূর করা, জনবলকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো এবং সরকারি প্রটোকল বহর ছোট করার নীতিই প্রধান বিবেচ্য ছিল। এছাড়া রাজধানীর যানজট কমাতেও এই পদক্ষেপ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীও নিজের বহর থেকে পুলিশের দুটি প্রটোকল গাড়ি বাদ দিয়েছেন। তাঁর নিরাপত্তায় বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ) দায়িত্ব পালন করছে। পুলিশের পক্ষ থেকে কেবল মোটরসাইকেল পাইলট টিম দায়িত্বে থাকছে।

ডিএমপির প্রটেকশন বিভাগের উপকমিশনার মো. শাহরিয়ার আলম বলেন, এসকর্ট সুবিধা সীমিত করার ফলে জ্বালানি ব্যয় কমবে, পাশাপাশি পুলিশ সদস্য ও যানবাহনের ওপর চাপও হ্রাস পাবে। এতে মুক্ত হওয়া জনবল ও গাড়ি রাজধানীর নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

কালের আলো/এসএ

দুই সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
দুই সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধসংক্রান্ত অভিযোগ জমা দিয়েছে দুটি সংগঠন। রোববার বাংলাদেশ আজাদি পার্টি ও রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম পৃথকভাবে এ অভিযোগ দাখিল করে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ আজাদি পার্টি সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেছে।

অভিযোগ জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বাংলাদেশ আজাদি পার্টির আহ্বায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. হাসিনুর রহমান। তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত হত্যা, গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় তৎকালীন দুই রাষ্ট্রপতি কোনো প্রতিবাদ করেননি। তাঁর ভাষ্য, এসব ঘটনায় তাঁদের নীরব অবস্থান ছিল।

দলের প্রধান সংগঠক মুন্সি বোরহান মাহমুদ বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন, ‘আয়নাঘর’সহ বিভিন্ন ঘটনার সময় আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, তাঁরা তৎকালীন সরকারকে সমর্থন দিয়েছেন এবং এসব ঘটনার প্রতিবাদ করেননি। এ কারণে তাঁদের ভূমিকার তদন্ত ও বিচার দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম শুধু সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার পর ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি তাঁকে গুম করা হয়েছিল। পরদিন ঢাকার বাংলামোটর এলাকায় তাঁকে ফেলে রাখা হয় বলেও দাবি করেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে মো. সাহাবুদ্দিনকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গুলিবর্ষণ, নির্যাতন, হত্যা ও গুমের ঘটনায় তাঁর ভূমিকা তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোতে তাঁর কোনো আইনগত দায় বা সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

উল্লেখ্য, ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করা মানেই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে—এমনটি নয়। অভিযোগগুলো তদন্ত সংস্থা যাচাই-বাছাই করবে এবং তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কালের আলো/এসএ