খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ভারতের নতুন সেনাপ্রধান ধীরাজ শেঠ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
ভারতের নতুন সেনাপ্রধান ধীরাজ শেঠ

ভারতের ৩১তম সেনাপ্রধান (সিওএএস) হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ। তিনি বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর স্থলাভিষিক্ত হবেন এবং আগামী ৩০ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ বর্তমানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি পুনের খাদকওয়াসলার জাতীয় প্রতিরক্ষা একাডেমির সাবেক ছাত্র। এছাড়া তিনি ফ্রান্সের প্যারিসে মর্যাদাপূর্ণ ‘কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কোর্স’ সম্পন্ন করেছেন।

১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে আর্মার্ড কোরে কমিশন লাভ করেন ধীরাজ। বিগত ৩০ বছরের মধ্যে তিনি প্রথম আর্মার্ড কোরের কর্মকর্তা যিনি সেনাপ্রধান হতে যাচ্ছেন।

দীর্ঘ প্রায় চার দশকের সামরিক ক্যারিয়ারে সাউদার্ন কমান্ড ও সাউথ ওয়েস্টার্ন কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ সহ বহু গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ও অপারেশনাল পদের দায়িত্ব সামলেছেন ধীরাজ শেঠ। এছাড়াও ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদী রূপান্তরে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন তিনি।

ধীরাজ শেঠ এমন এক সময়ে সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন যখন বৈশ্বিক ভূ-কৌশলগত পরিবেশ ছিল গতিশীল এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও আধুনিক যুদ্ধের সদা পরিবর্তনশীল চরিত্রের কারণে নিরাপত্তা ক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জগুলো আরও প্রকট হয়ে উঠছিল।

এদিকে আগামী ৩০ জুন অবসরে যাচ্ছেন জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। ২০২৪ সালের জুন মাসে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডের কাছ থেকে ৩০তম সেনাপ্রধান (সিওএএস) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি, চলতি মাসে তার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ৪০ বছরেরও বেশি সময়ের সামরিক ক্যারিয়ারে জেনারেল দ্বিবেদীর মেয়াদে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ ছিল ২০২৫ সালের মে মাসে পরিচালিত ‘অপারেশন সিন্দুর’।

সূত্র: এনডিটিভি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বঙ্গবন্ধুর বাকশাল টেকেনি, কার্ড বন্ধুর টাকশালও টিকবে না: রাশেদ প্রধান

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
বঙ্গবন্ধুর বাকশাল টেকেনি, কার্ড বন্ধুর টাকশালও টিকবে না: রাশেদ প্রধান

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র ও সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান বলেছেন, আগের আওয়ামী লীগের ছিল বঙ্গবন্ধু, আর বিএনপির হয়েছে ‘কার্ড বন্ধু’। বর্তমান সরকারের জনপ্রিয়তা দ্রুত কমছে এবং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।

তিনি বলেন, তারা কথায় কথায় শুধু নতুন নতুন কার্ডের ঘোষণা দেন। বঙ্গবন্ধুর বাকশাল টিকেনি, কার্ড বন্ধুর টাকশালও টিকবে না।

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের লালদিঘি ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এক মহাসমাবেশে এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ‌‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য শুনলে মনে হয় তিনি বাংলাদেশের নয়, ভারতের কোনো মুখ্যমন্ত্রী।

রাশেদ প্রধান বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো সরকার এত অল্পসময়ের মধ্যে এতটা অজনপ্রিয় ও অগ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠেনি।দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মৌলিক পার্থক্য খুব বেশি নেই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য শুনলে মনে হয় তিনি ভারতের কোনো মুখ্যমন্ত্রী।

কালের আলো/এসআর/এএএন

প্রধানমন্ত্রীর ভুল-ভাল কথায় বাংলাদেশ লজ্জিত হবে: জামায়াত আমির

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ভুল-ভাল কথায় বাংলাদেশ লজ্জিত হবে: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভুল-ভাল কথা বলেন বলে দাবি করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। যারা ফাঁসির মঞ্চকে জীবনের চেয়ে তুচ্ছ মনে করে তাদের জেলের ভয় না দেখাতেও তিনি আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে আয়োজিত মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দিতে এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, খোদ দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখ দিয়ে যদি অনবরত ভুল-ভাল কথা বের হতে থাকে তবে পুরো বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে লজ্জিত হবে।

সরকারি দলের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ফাঁসির মঞ্চকে যারা জীবনের চেয়েও তুচ্ছ মনে করে রাজপথে নেমেছে, তাদের জেলের ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না।

সমাবেশে সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বানকারী নাহিদ ইসলাম ইসলামী ব্যাংক প্রসঙ্গে বিএনপির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, দেশের অন্যতম প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংকটিকে আবারও বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের হাতে গোপনে তুলে দেওয়ার এক নতুন পাঁয়তারা চলছে, যা দেশের সাধারণ মানুষ আর কখনোই মেনে নেবে না।

জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বিএনপিকে লক্ষ্য করে বলেন, শহীদ ওসমান হাদি সব সময় সমাজে ন্যায়-ইনসাফ নিয়ে কথা বলেছেন। তাই আপনারা ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গিয়ে তার হত্যার সুনির্দিষ্ট বিচার করবেন না, তা কোনোভাবেই হতে দেওয়া হবে না।

চট্টগ্রামের এই রাজনৈতিক জনসভাকে কেন্দ্র করে দুপুরের পর থেকেই ব্যাপক লোকসমাগম ঘটে। দেশের বর্তমান জনদুর্ভোগ লাঘব, গণরায়ের সঠিক বাস্তবায়ন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশু উন্নয়ন এবং সাধারণ জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন দাবিতে এই মহাসমাবেশের ডাক দেয় ১১-দলীয় ঐক্য। এতে কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, মাওলানা মামুনুল হকসহ জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বুক ভরে শ্বাস নিতে আসুন একটি করে গাছ লাগাই: প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
বুক ভরে শ্বাস নিতে আসুন একটি করে গাছ লাগাই: প্রধানমন্ত্রী

দেশের প্রত্যেক নাগরিককে একটি করে গাছের চারা রোপনের অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আমি দেশের সকলের কাছে আহ্বান জানাব, আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে, আপনার সন্তান যেন একটি সুন্দর পরিবেশে বুক ভরে শ্বাস নিতে পারে এই বিষয়টি মাথায় রেখে, এই চিন্তা থেকে আজকে থেকে প্রত্যেকে দয়া করে যার যেখানে সম্ভব সেখানে একটি করে বৃক্ষের চারা রোপণ করবেন।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণ মুক্ত নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি এই বৃক্ষরোপণ অভিযানকে সফল করতে পারি তাহলে এতটুকু আমরা ধারণা করতে পারি যে, আগামী দিনে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ঠিকভাবে বুক ভরে পরিষ্কার শ্বাস নিতে পারবে। আসুন আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি নিশ্চয়তা দেই একটি পরিষ্কার একটি দূষণ মুক্ত পরিবেশ গড়তে পারি যেখানে আমাদের প্রজন্ম পরিস্কার পরিবেশে বাস করবে।

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারার মালুম ঘাট সংরক্ষিত বনে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী জনসাধারণের প্রতি এই আহ্ববান জানান।

প্রধানমন্ত্রী তার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা দেশের মানুষের কাছে ওয়াদা করেছিলাম নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি যেগুলো দিয়েছিলাম তার মধ্যে একটি প্রতিশ্রুতি ছিল যে, আমরা যদি আল্লাহর রহমতে সরকার গঠন করতে পারি তাহলে আমরা দেশে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি শুরু করব এবং আমাদের লক্ষ্য থাকবে বছরে অন্তত আল্লাহর রহমতে পাঁচ কোটি গাছ লাগানো। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের চার রোপণ করব আমরা।

সকলের প্রতি ফের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আসুন আমরা যদি সকলে মিলে চেষ্টা করি তাহলে আগামী দিনে বাংলাদেশের বাতাসকে আমরা অনেক মুক্ত পরিষ্কার বিশুদ্ধ একটি বাতাসে রূপান্তর করতে পারব।

সারাদেশের জেলা প্রশাসকদের প্রতি অনুরোধ রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ করে এখানে খুব সম্ভবত বিভিন্ন জেলার প্রশাসকবৃন্দ সংযুক্ত আছেন। আপনাদের সকলের কাছে আমার নির্দেশনা থাকবে যে- আপনার নিজ নিজ জেলাকে সুন্দর সবুজ অভয়ারণ্য করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

সরকারপ্রধান বলেন, আমি আনুষ্ঠানিকভাবে আজকে এই বৃক্ষরোপণ অভিযান ঘোষণা করছি। আমরা শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি। আমরা আশা করি আমাদের ইচ্ছা আমাদের প্রত্যাশা যে আমরা আগামী দিনে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে বুক ভরে মুক্ত শ্বাস গ্রহণ করতে পারে, সেরকম একটি পরিবেশ আমরা গড়ে তুলতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ