খুঁজুন
                               
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

বেনজীর গ্রেফতার, পরীমনি কেন আনন্দিত

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
বেনজীর গ্রেফতার, পরীমনি কেন আনন্দিত

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেফতার হয়েছেন। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী পরীমনিও।

রোববার (১৪ জুন) পরীমনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বেনজীর আহমেদের গ্রেফতারের খবর সংবলিত একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে মাত্র একটি শব্দ লিখেই নিজের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন তিনি। পোস্টের ক্যাপশনে পরীমনি লিখেছেন, ‘মজা।’ এমন খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

কেন? ধারণা করা হচ্ছে বোটক্লাব সম্পৃক্ত মামলায় বেনজীর আহমেদের যোগ রয়েছে। সাবেক এই পুলিশ প্রধানের বিরুদ্ধে প্রায় এক দশক অবৈধভাবে ক্লাবের সভাপতির পদ দখল করে ৩২ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি পরীমনির নামে মামলা ও তার কারাবাসের পেছনেও তার হাত রয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।

তবে বোটক্লাবের তৎকালীন সভাপতি নাসির মাহমুদ এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছিলেন, সাবেক আইজিপি ও ঢাকা বোটক্লাবের সাবেক প্রেসিডেন্ট বেনজীর আহমেদের সঙ্গে অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ওই সময় তিনি জানান, বেনজীর অবৈধভাবে বিনাভোটে বোটক্লাবের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা একটি মামলার প্রেক্ষাপটে ইন্টারপোলের সহযোগিতায় সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে চিঠির মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপনসহ একাধিক অভিযোগে মামলা রয়েছে। এর আগে তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ এবং ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত।

তবে গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া কিংবা তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালককে অপসারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালককে অপসারণ

দেশের চলমান ব্যাংক সংকট ও গ্রাহকদের বিক্ষোভের মুখে তুমুল আলোচনায় থাকা ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালককে অপসারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার (১৪ জুন) রাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ও ৪৭(৩) ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে এই পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আমানতকারীদের স্বার্থে ও জনস্বার্থে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।

আরও জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের যাবতীয় ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করবেন।

ইসলামী ব্যাংকের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে (সাবেক ডেপুটি গভর্নর) এস আলম গ্রুপের সহযোগী আখ্যা দিয়ে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ ও সাধারণ গ্রাহকরা বেশ কিছুদিন ধরে বিক্ষোভ ও সাত দফা দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

এছাড়া ব্যাংকের পর্ষদ নিয়ে অস্থিরতা ও আস্থার সংকটের কারণে ইসলামী ব্যাংক থেকে গ্রাহকরা মাত্র ৫ দিনেই প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা তুলে নেন।

২০১৭ সালে বিতর্কিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা ঋণ খেলাপি হয়, যার বড় অংশই ওই গ্রুপটি নিয়েছিল।

২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ব্যাংকটি এস আলমের নিয়ন্ত্রণমুক্ত হলেও সম্প্রতি নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের পর থেকে আবার বিতর্ক শুরু হয়। যা সম্প্রতি আরও মারাত্মক রূপ নিয়েছে।

তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং ইসলামী ব্যাংকে সম্পর্কে গ্রাহকদের আস্থা ফেরাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি ব্যাংকটির পরিচালনার দায়িত্ব নিজেদের তত্ত্বাবধানে নিয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দীনেশ ত্রিবেদীর ‘ভারত-বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া’ বক্তব্যে জামায়াতের উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
দীনেশ ত্রিবেদীর ‘ভারত-বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া’ বক্তব্যে জামায়াতের উদ্বেগ

ঢাকাস্থ ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর ‘ভারত-বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া’ বক্তব্যকে বাংলাদেশের অখণ্ডতা বিরোধী বক্তব্য উল্লেখ করে তীব্র প্রতিবাদ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

রোববার (১৪ জুন) দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও মর্যাদাবান রাষ্ট্র।

মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় বাংলাদেশের জনগণ সর্বদা ঐক্যবদ্ধ এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। দেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে এ দেশের জনগণ অতীতের ন্যায় যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, সম্প্রতি ঢাকায় দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী যে বক্তব্য প্রদান করেছেন, তা কূটনৈতিক শিষ্টাচার, আন্তর্জাতিক রীতি-নীতি এবং রাষ্ট্রসমূহের পারস্পরিক সম্মানবোধের পরিপন্থি।

বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণকে একীভূত জনসংখ্যার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা এবং এমন কিছু মন্তব্য করা, যা বাংলাদেশের স্বতন্ত্র রাষ্ট্রসত্তা সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ধারণার জন্ম দিতে পারে- তা কোনো দায়িত্বশীল কূটনীতিকের কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়। তার এ মন্তব্যে সাম্রাজ্যবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে বলে দেশের জনগণ মনে করে।

তিনি বলেন, দীনেশ ত্রিবেদী ‘ভারত-বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া’ বলতে কী বুঝিয়েছেন- আমাদের সরকারের উচিত হবে তার কাছ থেকে তা জেনে নেওয়া। তার এ বক্তব্য স্পষ্ট না হলে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হবে। যদি তিনি আক্ষরিক অর্থে এ ধরনের কিছু বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই তা নিন্দনীয়। আমাদের সরকারের কাছে বিষয়টির মর্যাদাপূর্ণ সুরাহা চাই।

গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান, সমতা, ন্যায়বিচার এবং প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ভিত্তিতে সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অব্যাহত থাকা উচিত বলে আমরা মনে করি। কোনো পক্ষের আধিপত্যবাদী বা কর্তৃত্ববাদী মনোভাব এ সম্পর্কের জন্য কখনোই কল্যাণকর হতে পারে না।

ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারকে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও সংযত ভাষা ব্যবহারের আহ্বান জানাচ্ছি এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদার প্রতি পূর্ণ সম্মান প্রদর্শনের অনুরোধ করছি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যরা

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মানবাধিকার সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষের বাইরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এর সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে ‘মায়ের ডাক’-এর ২৬ জন সদস্য জাতীয় সংসদের বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ গ্যালারিতে বসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন (বাজেট অধিবেশন) সরাসরি উপভোগ করেন।

বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া অধিবেশনের ষষ্ঠ কার্যদিবসে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান, এমপি উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে ‘মায়ের ডাক’-এর সদস্যরা তাদের দীর্ঘদিনের বেদনা, প্রত্যাশা ও ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষার বিষয় তুলে ধরেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন