খুঁজুন
                               
, ,
           

বাগদান সারলেন মিঠুন-কন্যা দিশানী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ণ
বাগদান সারলেন মিঠুন-কন্যা দিশানী

বলিউড ও টলিউড সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তীর পরিবারে এখন খুশির হাওয়া। দীর্ঘদিনের প্রেমিক মাইলস ম্যান্টজারিসের সঙ্গে বাগদান সেরেছেন তাঁর মেয়ে দিশানী চক্রবর্তী। সোশ্যাল মিডিয়ায় আংটিবদলের কিছু ছবি শেয়ার করে নিজেই সুখবর দিয়েছেন তিনি।

ইনস্টাগ্রামে দিশানীর শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, হাঁটু গেড়ে বসে তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিচ্ছেন মাইলস। একটি ছবিতে লাজুক হেসে নিজের হাতের আংটি দেখাচ্ছেন দিশানী, আরেকটিতে দুজনকে চুম্বনরত অবস্থায় দেখা যায়। ক্যাপশনে দিশানী লিখেছেন, ‘০৬.১২.২০২৬, আমার জীবনের সবচেয়ে সহজ চিরস্থায়ী সিদ্ধান্ত।’ এই পোস্ট থেকে স্পষ্ট, আগামী ৬ ডিসেম্বর বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন তারা।

মাইলস পেশায় একজন স্টেডিক্যাম অপারেটর ও কালারিস্ট। তাঁর সঙ্গে দিশানীর সম্পর্ক বেশ পুরোনো। অন্যদিকে, মিঠুন চক্রবর্তী ও যোগিতা বালির দত্তক কন্যা দিশানী বলিউডের চাকচিক্য থেকে দূরে থাকলেও অভিনয়ে বেশ আগ্রহী। নিউ ইয়র্ক ফিল্ম একাডেমি থেকে পড়াশোনা করে হলিউডের কয়েকটি শর্ট ফিল্মে কাজ করেছেন তিনি।

বাগদানের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নেটিজেনদের ভালোবাসায় ভাসছেন দিশানী ও মাইলস। মন্তব্যের ঘরে পরিচিত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁদের নতুন জীবনের জন্য শুভকামনা জানাচ্ছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ইউনেস্কোর সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে চায় বাংলা‌দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ
ইউনেস্কোর সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে চায় বাংলা‌দেশ

Oplus_131072

শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, জলবায়ু সহনশীলতা, যুব উন্নয়ন ও ডিজিটাল রূপান্তরসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উন্নয়নে ইউনেস্কোর অব্যাহত সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

বুধবার (২৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি ড. সুসান ভাইজ তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বৈঠকে শামা ওবায়েদ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি এবং ইউনেস্কোর মানবতার অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় টাঙ্গাইল শাড়ির ঐতিহ্যবাহী বয়নশিল্প অন্তর্ভুক্তিকে বাংলাদেশ-ইউনেস্কো অংশীদারত্বের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও যুব ক্ষমতায়নে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা (টিভিইটি), ভাষা প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান। এছাড়া সুবিধাজনক সময়ে ইউনেস্কোর মহাপরিচালককে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি।

জবাবে ড. সুসান ভাইজ বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারে ইউনেস্কোর সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুব সম্পৃক্ততা ও টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশের সৃজনশীল অর্থনীতির সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও ইউনেস্কোর দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব আরও জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও জ্ঞানভিত্তিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এসএকে

বেজার বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপনে ২১১ কোটি টাকার ব্যয় অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
বেজার বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপনে ২১১ কোটি টাকার ব্যয় অনুমোদন

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপন কাজের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এ কাজে ব্যয় হবে ২১১ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৩২৫ টাকা।

বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রস্তাবনায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) বাস্তবায়নাধীন জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের জোন-২এ এবং জোন-২বি এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির অর্থায়ন করা হচ্ছে সরকারি অর্থ (জিওবি) এবং বিশ্বব্যাংকের সহায়তায়।

জানা গেছে, আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপন কাজের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলে মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দেয়। যাচাই-বাছাই শেষে তিনটি দরপত্রকে কারিগরি ও আর্থিকভাবে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির (টিইসি) সুপারিশ অনুযায়ী, রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান রেভেরি পাওয়ার অ্যান্ড অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড, ঢাকা-কে ভ্যাট ও করসহ মোট ২১১ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৩২৫ টাকায় কাজটি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।

চুক্তির আওতায় অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৩৩ কেভি সুইচিং স্টেশন, দুটি ২০/২৮ এমভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন পাওয়ার ট্রান্সফরমার এবং ৯ দশমিক ২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ৩৩ কেভি ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক কেবল লাইন স্থাপন করা হবে।

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশন থেকে চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি অনুমোদন পায়। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

Oplus_131072

জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে আইনগত সহায়তা নিয়ে ব্র্যাক ও ব্লাস্টের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

শেখ হাসিনা আবারও আগামী ডিসেম্বরে আসার কথা জানিয়েছেন একটি ইন্টারভিউতে, এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে- জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রথম কথা হলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার প্রত্যর্পণের চেষ্টা করছে কি করছে না, সেটা আপনি কীভাবে জানেন? অবশ্যই চেষ্টা করছে, আমি বলছি। দ্বিতীয়ত হলো- একজন ফাঁসির আসামি হলেও সে যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয়, বাংলাদেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে বাংলাদেশে এসে সারেন্ডার করতে চায়, সেখানে হয়তো তার সারেন্ডারের আগেই অ্যারেস্ট হবে। কিন্তু, তার সেই তো অধিকার তো আছে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা এলে আসবেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। সেখানে আইনের ব্যত্যয় করে আমরা কিছু করবো না। আইন যেভাবে আমাদের অথরিটি দিয়েছে, আমরা সে অথরিটি এক্সারসাইজ করব।

শেখ হাসিনার কাছে পাসপোর্ট নেই, এ অবস্থায় তিনি এলে কীভাবে আসবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তিনি কীভাবে আসবেন, এটা তার সমস্যা। এটা আমার সমস্যা না। আমার চৌহদ্দির মধ্যে যখন ঢুকবেন, আইন আমাকে যে ক্ষমতা দিয়েছে, আমি তার প্রয়োগটা করবো। দ্যাটস সিম্পল এজ ইট ইজ।

এরপর মো. আসাদুজ্জামানকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি বলেছিলেন যে, সেপ্টেম্বরে জাতীয় সংসদের আইডিয়া পরবর্তী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। তো এখন কি সে পর্যায়ে আছে? নাকি স্পেশাল অধিবেশন ডাকতে হবে?

এ বিষয়ে তিনি বলেন, এটা এখন পর্যন্ত আমাদের কোনো আলোচনায় আসেনি। আমি বলেছি সাংবিধানিক ব্যাখ্যা। আমার সংবিধানে আছে, ১২৩-এর ২ অনুচ্ছেদে, রাষ্ট্রপতি যেদিন পদত্যাগ করবেন, তার থেকে ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রশ্ন এসেছিল যে, আমরা বিশেষ অধিবেশন ডাকবো কি না। তো ৯০ দিন যেহেতু সময় আছে, আর আমার নেক্সট অধিবেশন ৬০ দিনের মধ্যে ডাকতে হবে, গত অধিবেশন শেষ হওয়া থেকে আগামী অধিবেশন পর্যন্ত ৬০ দিনের মধ্যে আমার ডাকতে হবে। সুতরাং এই দুইটা টাইম যেহেতু ম্যাচ করছে, আমি সে কারণে বলছি বিশেষ অধিবেশনের আপাতত প্রয়োজনীয়তা দেখছি না। যদি সরকার মনে করে, নিশ্চয়ই ডাকতে পারেন।

কালের আলো/এসএকে