খুঁজুন
                               
, ,
           

ঐতিহ্যবাহী তিন গণমাধ্যম চালুর তাগিদ মির্জা ফখরুলের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
ঐতিহ্যবাহী তিন গণমাধ্যম চালুর তাগিদ মির্জা ফখরুলের

Oplus_131072

আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী শাসনামলে বৈষম্যের কারণে বেকার হয়ে পড়া সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ঐতিহ্যবাহী ‘দৈনিক বাংলা’, ‘বাংলাদেশ টাইমস’ এবং জনপ্রিয় সাপ্তাহিক ‘বিচিত্রা’ পুনরায় চালু করার জোর তাগিদ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, ‘এই গণমাধ্যমগুলোর একটি ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যগত মূল্য রয়েছে। তাই এগুলোকে পুনর্গঠন করে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।’

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তাগিদ দেন।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) যৌথভাবে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএফইউজে’র মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘যুগ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সমাজ ও প্রযুক্তির অনেক কিছু পাল্টালেও আমাদের সকল সাংবাদিক ভাইয়ের কর্মসংস্থানের সুনির্দিষ্ট সুযোগ সৃষ্টি করা হয়নি, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

আমাদের একজন যোগ্য তথ্যমন্ত্রী আছেন। আমি আশা করব তিনি এই ঐতিহ্যবাহী বন্ধ মিডিয়া হাউসগুলো চালু করতে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় প্রচেষ্টা চালাবেন।’

প্রয়োজনে অংশীজনদের সাথে নিয়ে নতুন নতুন গণমাধ্যমের ক্ষেত্র তৈরি করে সাংবাদিকদের রুটি-রুজির ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ইতিহাসের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় আওয়ামী লীগ আর গণতন্ত্র কখনো একসঙ্গে যায় না।

১৯৭৫ সালের একদলীয় বাকশালের সময়ও যায়নি, আর বিগত ১৫ বছরের ভয়াবহ ফ্যাসিবাদের দুঃশাসনেও তা আবারও প্রমাণিত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৫ বছরের সেই ভয়াবহ দুঃশাসনের ওপর এখনো কোনো যৌথ বা পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস সংবলিত বই প্রকাশ পায়নি। তিনি সাংবাদিক ও গবেষকদের এই বিষয়ে দ্রুত কাজ করার এবং তথ্যমন্ত্রীকে এ ব্যাপারে তদারকি করার অনুরোধ জানান।

বর্তমান সরকারের সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুরক্ষার পরিবেশ তৈরি হচ্ছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, সরকার প্রচেষ্টা চালালেও অন্যদিকে কিছু কর্পোরেট মিডিয়া হাউসের মালিকরা অন্যায়ভাবে সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, গতকাল আমাদের প্রেস ক্লাবের সভাপতিকে সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। এটি কোনো সভ্যতার মধ্যে পড়ে না, আমি এই অন্যায়ের তীব্র ভাষায় নিন্দা জানাচ্ছি এবং সাংবাদিক সমাজকে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি কোনো বিপ্লবী দল নয়, এটি একটি লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক বা উদারপন্থী গণতান্ত্রিক দল। বিএনপি সবসময় ভিন্নমত সহ্য করার রাজনীতি করে। ফলে এটিই দেশের সবচেয়ে নিরাপদ রাজনৈতিক দল, যেখানে সাংবাদিক ও অন্যান্য পেশাজীবীরা সবসময় সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকতে পারেন। অতীতে বিএনপি যখনই সরকারে এসেছে, দেশে সাংবাদিক নির্যাতন সবচেয়ে কম হয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন সংবাদপত্র বন্ধের যে কালো অধ্যায় রচিত হয়েছিল, তা যেন আমাদের রাষ্ট্রীয় জীবনে আর কখনো ফিরে না আসে, আজকের দিনে সেটিই আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।

আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিলের আহ্বায়ক ও বাংলা ভিশনের প্রধান সম্পাদক ড. আবদুল হাই সিদ্দিক, প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ও বিশিষ্ট সাংবাদিক মারুফ কামাল খান সোহেল।

এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএফইউজে’র সহসভাপতি খায়রুল বাশার, এ কে এম মহসিন, সহকারী মহাসচিব ড. সাদিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শাহজাহান সাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক এরফানুল হক নাহিদসহ দেশের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

কালের আলো/এসএকে

জাতীয় পর্যায়ে কৃতি খেলোয়াড়দের রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সংবর্ধনা

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
জাতীয় পর্যায়ে কৃতি খেলোয়াড়দের রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সংবর্ধনা

নতুন কুড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর উদ্যোগে ‘স্বপ্নের পথে, বিজয়ের সাথে’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী রাজশাহী জেলার কৃতি খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা দিয়েছে রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থা। এ সময় নতুন কুড়ি স্পোর্টস এর বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন ও বিভিন্ন ইভেন্টে পদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের  ফুলের ষ্টিক দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই)  রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের এই সংবর্ধনা প্রদান করেন।

এ সময় তিনি বলেন, রাজশাহী বিভাগীয় দলের খেলোয়াড়রা বালক বিভাগ ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন ও বিভিন্ন ইভেন্টে স্বর্ণপদক অর্জন করে রাজশাহী তথা দেশের সম্মান বয়ে এনেছেন যা অকল্পনিয় জয়।

এই সাফল্য অর্জনের জন্য তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, তারা ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরো সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে রাজশাহী তথা দেশের সুনাম উজ্জ্বল করবে।

তিনি খেলোয়াড়দের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ মোজাম্মেল হক মোজাম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাঃ সবুর আলী, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ বোরহান উদ্দিন অন্তর, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইয়াছিন মিয়া, ক্রীড়া পরিদপ্তরের সাবেক উপ-পরিচালক ও ক্রিকেট টিমের ম্যানেজার মোঃ আখতারুজমানা রেজা তালুকদার রুমী,

জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ মোজাদ্দেদ জামানী সুমন, বিভিন্ন ইভেন্টের দলীয় ম্যানেজার ও সদস্য মোঃ সাইফুদ্দিনসহ কেলায়াড়বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

প্রথমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
প্রথমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্র

Oplus_131072

দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিদর্শনকালে তিনি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধান এবং মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী অভিজ্ঞ শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে এ মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।

পর্যালোচনা সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, শিক্ষা নীতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং প্রশাসনিক কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এসব কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

সভায় শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, কার্যকর পাঠদান, শিক্ষকদের যুগোপযোগী ও ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী মাঠপর্যায়ে কর্মরত অভিজ্ঞ শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন। তারা শিক্ষাক্ষেত্রের বাস্তব চিত্র, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয় বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগসহকারে শোনেন এবং নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে গুণগত পরিবর্তন আনতে সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর তদারকি এবং সময়োপযোগী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন অব্যাহত থাকবে।’

পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান এবং শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

কালের আলো/এসএকে

মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ: ৩ খাদ্যপণ্য বাজার থেকে অপসারণের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ: ৩ খাদ্যপণ্য বাজার থেকে অপসারণের নির্দেশ

জ্যাম ফিল্ড ব্রেড ও পুর পিঠাসহ তিনটি খাদ্যপণ্য বাজার থেকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএফএসএ’র।

মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়ায় জ্যাম ফিল্ড ব্রেড ও পুর পিঠাসহ তিনটি খাদ্যপণ্য বাজার থেকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। একই সঙ্গে পণ্যগুলোর উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রি বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে ভোক্তাদের এসব পণ্য না কেনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, প্রত্যাহারের নির্দেশ পাওয়া পণ্যগুলো হলো ইস্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘ইস্ট কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড’, ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইস্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড’ এবং আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড’।

বিএফএসএ ভোক্তাদের এসব পণ্য না কিনতে ও গ্রহণ না করার অনুরোধ জানিয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাজারে থাকা পণ্য দ্রুত প্রত্যাহার করে নিরাপদ খাদ্য আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ব্রিফিংয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান আরও জানান, সরকারি খাদ্যগুদামে বর্তমানে ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫৩ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। নিরাপদ মজুতের নির্ধারিত মান ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনের তুলনায় এই মজুত প্রায় ১০ লাখ ৪৬ হাজার ৭৫৩ মেট্রিক টন বেশি।

তিনি জানান, অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ অভিযানে ২৬ জুলাই পর্যন্ত ৪ লাখ ৭৩ হাজার ৫ মেট্রিক টন ধান এবং ১০ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩৬ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ছাড়া ওএমএস কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন ১ হাজার ১৯৫ মেট্রিক টন চাল ও ১ হাজার ৪৪৩ মেট্রিক টন আটা বিক্রি করা হচ্ছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি