খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৮ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি।

বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেসার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ময়মনসিংহ, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

সিলেটে চা শ্রমিকদের ফুলবৃষ্টিতে সিক্ত প্রধানমন্ত্রী, পথে পথে অভ্যর্থনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
সিলেটে চা শ্রমিকদের ফুলবৃষ্টিতে সিক্ত প্রধানমন্ত্রী, পথে পথে অভ্যর্থনা

সকাল থেকে আষাঢ়ের বৃষ্টিস্নাত সিলেট। বৃষ্টি উপেক্ষা করেও রাস্তার দু’পাশে ছিল নেতাকর্মীদের দীর্ঘ সারি। সেই সারিতে অংশ নিয়েছেন সিলেটের চা-বাগানের শ্রমিকরাও। প্রধানমন্ত্রী আসবেন, তাই ফুল হাতে অপেক্ষায় ছিলেন তারা।

একদিকে আষাঢ়ের বৃষ্টির ফোঁটা ঝরছে, কখনও থামছে, কখনও অঝোর ধারায় বইছে বৃষ্টি। তারপরও নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ রাস্তার দু’পাশ ছাড়েননি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একনজর দেখার জন্য এবং তাকে অভ্যর্থনা জানাতে তাদের ছিল দীর্ঘ প্রতীক্ষা। অবশেষে তিনি এলেন। হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানালেন উপস্থিত জনতাকে। এ সময় চা শ্রমিকদের ছিল ব্যতিক্রমী আয়োজন-‘ফুলবৃষ্টি’। প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরে নেমে মৌলভীবাজারের উদ্দেশে রওনা দিলে লাক্কাতুড়া চা-বাগান এলাকা অতিক্রমকালে তার বহনকারী লাল-সবুজের গাড়িতে ফুল ছিটিয়ে অভ্যর্থনা জানান চা শ্রমিকরা। তাদের এ আয়োজন দেখে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, বুধবার (১৭ জুন) সকালে ঢাকা থেকে আকাশপথে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে সড়কপথে মৌলভীবাজারের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে ওসমানী বিমানবন্দর এলাকা অতিক্রম করে চৌকিদেখি পয়েন্টে পৌঁছালে সবুজ চা-বাগানের পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করেন লাক্কাতুড়া চা-বাগানের শ্রমিকরা। বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে এবং গাড়িবহরে ফুল ছিটিয়ে তারা প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। সিলেট নগরের পথে পথে বিএনপির নেতাকর্মীরাও তাকে স্বাগত জানান।

প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। স্বাগত জানাতে রাজপথে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল আহাদ খান জামালও।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মৌলভীবাজার সফরকে ঘিরে সিলেট বিভাগজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

এদিন সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

সেখানে তাকে শুভেচ্ছা জানান সিলেট বিভাগের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও শীর্ষ নেতারা। এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জাতীয় সংসদের সরকারদলীয় হুইপ জি কে গউছ, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেটের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য, সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতা, বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

গ্রাহকসেবা উন্নয়ন ও বিদ্যুৎ চুরি রোধে নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১:০৪ অপরাহ্ণ
গ্রাহকসেবা উন্নয়ন ও বিদ্যুৎ চুরি রোধে নির্দেশনা

ট্রান্সফরমার পোড়ার হার কমানো, সিস্টেম লস হ্রাস, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ও বিদ্যুৎ চুরির বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার এবং বকেয়া বিল আদায়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) অনুষ্ঠিত সমিতির ১০৮তম মাসিক স্টাফ সভায় এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। বুধবার এক বার্তায় এ তথ্য জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

সভায় ট্রান্সফরমার পোড়ার হার কমাতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, সিস্টেম লস হ্রাসে কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়ন, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ও বিদ্যুৎ চুরির বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার, বকেয়া বিল আদায় কার্যক্রম গতিশীলকরণ এবং ডে ও নাইট অপারেশন কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এছাড়া উন্নত ও হয়রানিমুক্ত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করা, সময় মতো মিটার রিডিং গ্রহণ ও নির্ভুল বিল বিতরণ, প্রিপেইড গ্রাহকদের নেগেটিভ ব্যালেন্স সংক্রান্ত বিষয় দ্রুত নিষ্পত্তি, নিয়মিত নিরাপত্তা সভা আয়োজন এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পাশাপাশি বজ্রপাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগকালীন নিরাপত্তা সচেতনতা বৃদ্ধি, টুলস ও সরঞ্জামের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, সততা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি সুদৃঢ়করণ, ভালো কাজের স্বীকৃতি প্রদান এবং যানবাহন, কম্পিউটার ও অন্যান্য অফিস সরঞ্জামের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর জেনারেল ম্যানেজার গোলাম কাউসার তালুকদার বলেন, প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে গ্রাহকদের দ্রুত, নির্ভুল, নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত সেবা প্রদানে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

জোর করে মুসলিমদের বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে ভারত: হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
জোর করে মুসলিমদের বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে ভারত: হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী বাঙালিদের, বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সীমান্তে বসবাসকারী বহু মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) এসব ব্যক্তিকে যথাযথ যাচাই ছাড়া প্রবেশ করতে না দেওয়ায় অনেক পরিবার দুই দেশের সীমান্তের মধ্যবর্তী ‘জিরো লাইনে’ আটকা পড়ে যাচ্ছে।

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুন থেকে এখন পর্যন্ত বিএসএফের অন্তত ২১টি ‘পুশইন’ প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। এসব ঘটনায় শিশুসহ ২০০ জনেরও বেশি মানুষ বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, তার সরকারের ‘ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট’ নীতির আওতায় শত শত ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে’ আটক করা হয়েছে এবং প্রায় পাঁচ হাজার মানুষকে ‘ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে’।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া বিভাগের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেন, ‘ভারতীয় কর্তৃপক্ষ পরিবারগুলোকে নির্মমভাবে বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে অথবা সীমান্তে আটকে রাখছে, যা তাদের মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। সরকারকে অবৈধ বহিষ্কার বন্ধ করতে হবে এবং নাগরিকত্ব যাচাইয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।’

সংস্থাটি জানায়, তারা এমন নয়জন প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলেছে যারা দেখেছেন, রাতের আঁধারে বিএসএফ বিভিন্ন দলকে সীমান্তে নিয়ে গিয়ে কাঁটাতারের ফাঁক দিয়ে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কয়েকটি ঘটনায় বিজিবি প্রবেশে বাধা দিলে বিএসএফ পরে তাদের ভারতে ফিরিয়ে নেয়।

বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলায় ৫ জুন শিশুসহ ১০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে ৭৫ ঘণ্টার অচলাবস্থা তৈরি হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল হোসেন বলেন, ‘তারা প্রায় ৫০ ফুট বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকে পড়েছিল। পরে বিজিবি এসে তাদের থামায়। এরপর তারা সীমান্তের মাঝামাঝি এলাকায় অবস্থান নেয়।’

তিনি জানান, প্রথম রাতে প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যে তারা খোলা আকাশের নিচে ছিল। দ্বিতীয় দিনে বিএসএফ কিছু শুকনো খাবার দেয়। কয়েক দফা পতাকা বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর বিএসএফ তাদের আবার ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেয়।

৬ জুন ভোরে দুইটি বাঙালি মুসলিম পরিবারের ছয় সদস্যকে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। বিজিবি তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দিলে এবং বিএসএফ ভারতে ফিরতে না দিলে তারা দীর্ঘ সময় সীমান্তে আটকা পড়ে থাকে। পরে তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

এছাড়া ৮ জুন ঠাকুরগাঁওয়ের জিরো লাইনে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা আটকে থাকার পর এক গর্ভবতী নারী ও তার সন্তানসহ ১১ জনকে বিএসএফ ফেরত নিয়ে যায় বলে জানিয়েছে বিজিবি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গে মার্চ মাসের নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় দ্রুত ও বিতর্কিত প্রক্রিয়ায় ৯০ লাখেরও বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়।

এতে আটক ও বহিষ্কারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর আগে আসামে ২০১৯ সালের নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়ায় ১৯ লাখের বেশি মানুষ রাষ্ট্রহীন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বারবার বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানদের ‘অবৈধ অভিবাসী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি দাবি করেন, সীমান্তের কাছে নিয়ে গিয়ে অনেককে সরাসরি সীমান্ত পার করে দেওয়া হয়েছে।

পঞ্চগড় সদর ইউনিয়নের এক জনপ্রতিনিধি হাসিবুর ইসলাম জানান, তিনি পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির একটি পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন, যাদের আধার কার্ড ছিল।

কিন্তু ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার পর পুলিশ তাদের আটক করে বিএসএফের হাতে তুলে দেয়। পরে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, কেউ যদি স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরতে চান, তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে জোরপূর্বক বহিষ্কার বা চাপ সৃষ্টি করে প্রত্যাবাসন সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।

সংস্থাটির দাবি, পশ্চিমবঙ্গে শত শত সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অভিবাসীকে আটক কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। তাদের অধিকাংশই মুসলিম, যদিও কিছু হিন্দুও রয়েছেন।

অনেকের ক্ষেত্রে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়াই গ্রেফতার ও আটকের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া সীমান্তে ঠেলে দেওয়া কাউকে গ্রহণ করা হবে না। নাগরিকত্ব যাচাই ও প্রচলিত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া মেনেই যেকোনো প্রত্যাবর্তন হতে হবে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী ভারত প্রত্যেক ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষায় বাধ্য। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে আটক বা বহিষ্কার করা মৌলিক মানবাধিকারের লঙ্ঘন।

খাদ্য, পানি, আশ্রয় ও চিকিৎসা ছাড়া সীমান্তে আটকে রাখা নিষ্ঠুর ও অমানবিক আচরণের শামিল হতে পারে।

মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেন, কোনো মানুষের নাগরিকত্ব যাই হোক না কেন তাকে দুই দেশের সশস্ত্র সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মাঝখানে খোলা মাঠে রাত কাটাতে বাধ্য করা উচিত নয়।

ভারতকে এসব নির্মম বহিষ্কার বন্ধ করতে হবে এবং উভয় দেশকে নিশ্চিত করতে হবে যে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কখনোই মানুষের মৌলিক মর্যাদার বিনিময়ে পরিচালিত হবে না।

কালের আলো/এসআর/এএএন