খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

জনগণের টাকা পাচার হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ
জনগণের টাকা পাচার হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের অর্থ জনগণকে না দিয়ে বিদেশে পাচার করেছিলো একটি দল। জনগণের টাকা পাচার হতে দেবো না, জনগণের অর্থ দিয়ে জনগণের কাজ করা হবে। যারা বিদেশে টাকা পাচার করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বুধবার (১৭ জুন) শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী এক বছরের মধ্য চা বাগানের সব নারী শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে নারী পুরুষ একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নারীদের স্বাবলম্বী করতে না পারলে তাদের এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করাই সরকারের লক্ষ্য জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রীমঙ্গলে ১৫০ চা শ্রমিক সন্তানদের স্কলারশিপ দেয়া হয়েছে। আগামী ১ বছরে ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। বিএনপি দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায়। আগামী ৫ বছরে উপজেলার ৫০ বেডের হাসপাতাল ১০০ বেডে উন্নীত করা হবে।

তিনি বলেন, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের যে জন্য বাজেট দেওয়া হয়েছে, একটি দল বলে এটা নাকি জনবিরোধী বাজেট। জনবান্ধন বাজেটকে যারা গনবিরোধী বাজেট বলে তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না। যারা জনগণকে বিভ্রান্তি করে তাদের বিরুদ্ধে সচেতন এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, মানুষ যতবারই ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে ততবারই বিএনপিকে বিজয়ী করেছে। দেশের উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে হলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে গণতন্ত্রকে কেউ নষ্ট করতে পারবে না। বিএনপির সব শক্তিই জনগণ। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কাজে লাগলে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।

কালের আলো/এসএকে

প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করলেন এক বৃদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করলেন এক বৃদ্ধা

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করেছেন স্থানীয় এক বৃদ্ধা।

এর আগে বুধবার (১৭ জুন) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্য চা বাগানের সব নারী শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে নারী, পুরুষ একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নারীদের স্বাবলম্বী করতে না পারলে তাদের এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করাই সরকারের লক্ষ্য জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রীমঙ্গলে ১৫০ চা শ্রমিক সন্তানদের স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ বছরে ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। বিএনপি দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায়। আগামী ৫ বছরে উপজেলার ৫০ বেডের হাসপাতাল ১০০ বেডে উন্নীত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের যে জন্য বাজেট দেওয়া হয়েছে, একটি দল বলে এটা নাকি জনবিরোধী বাজেট। জনবান্ধন বাজেটকে যারা গনবিরোধী বাজেট বলে তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না। যারা জনগণকে বিভ্রান্তি করে তাদের বিরুদ্ধে সচেতন এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

মৌলভীবাজারের উন্নয়নে বিএনপির অবদান স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, এই যে মৌলভীবাজারের যতগুলো বড় বড় রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ দেখেছেন, খোঁজ করে দেখুন, এগুলো সব বিএনপির, মরহুম সাইফুর রহমান সাহেবের সময় এই কাজগুলো হয়েছিল।

তিনি বলেন, আমরা হচ্ছি খালেদা জিয়ার সৈনিক। বাংলাদেশই হচ্ছে আমাদের প্রথম ঠিকানা। বাংলাদেশই হচ্ছে আমাদের শেষ ঠিকানা।

কালের আলো/এসএকে

১ বছরের মধ্যে সব নারী চা শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো: প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
১ বছরের মধ্যে সব নারী চা শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো: প্রধানমন্ত্রী

আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের প্রায় সব নারী চা শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া স্কুল মাঠে তৃতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আমার কথা রাখতে পেরেছি। আমি আজকে আমার সরকার চা বাগানের নারী শ্রমিকদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছি।

আমরা হয়তো সবাইকে দিতে পারিনি। কিন্তু ইনশাল্লাহ আগামী এক বছরের মধ্যে আমরা প্রায় সকল চা শ্রমিকদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে নির্বাচিত করেছিল। কারণ, আমরা তাদের বলেছিলাম—আপনারা যদি আমাদের নির্বাচিত করেন, আমরা জনগণের জন্য কাজ করবো।

আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে না পারলে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্য থেকেই আমরা ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কথা বলেছিলাম।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৪ কোটির মতো পরিবার রয়েছে। আমরা বলেছিলাম, সরকার গঠন করতে পারলে পর্যায়ক্রমে সব পরিবারের কাছে, বিশেষ করে নারীপ্রধানদের কাছে, ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আমরা সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছিলাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য পরিষ্কার—বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। সে কারণেই আজ শুধু ফ্যামিলি কার্ড নয়, চা বাগানের নারী শ্রমিকদের জন্য আবাসন নির্মাণে ৫০ জনকে দুই লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। আমি মঞ্চে তিনজনের হাতে দুই লাখ টাকার চেক তুলে দিয়েছি। বাকি অর্থ প্রশাসনের মাধ্যমে তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কর্মসূচির আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের তৃতীয় ধাপে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সুবিধাবঞ্চিত ১৫৫টি পরিবারের সদস্যদের চূড়ান্ত তালিকা থেকে অনুষ্ঠানে ১০ জনের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলো মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকার আর্থিক সুবিধা পাবে।

এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত পাঁচজনকে ৫০ হাজার টাকা করে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে পাঁচজনকে ১০ হাজার টাকা করে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পাঁচ শিক্ষার্থীকে ১০ হাজার টাকা করে, চা শ্রমিকদের টেকসই আবাসন নির্মাণে পাঁচজনকে দুই লাখ টাকা এবং দুঃস্থ, অসহায়, প্রতিবন্ধী ও গৃহহীনদের জন্য বিশেষ অনুদান হিসেবে ১০০ জনকে ১০ হাজার টাকা করে চেক বিতরণ করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: শিক্ষামন্ত্রী

প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। আমাদের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিভাগে আরও মনোনিবেশ প্রয়োজন। আমরা এসব থেকে অনেক পিছিয়ে আছি। তাই আমরা সিলেবাস ও কারিকুলাম পরিবর্তনে কাজ শুরু করেছি।

বুধবার (১৭ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় কোনো ধরনের দুর্বলতা রাখা যাবে না। জনসংখ্যাকে বোঝা নয়, সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে একটা বিশাল জনসংখ্যা আছে, এটি আমাদের সম্পদ এবং একে জনসম্পদে পরিণত করতে পারেন শিক্ষকরাই। আমাদের এটিতে গুরুত্ব দিতে হবে। এর জন্য শুধু উচ্চ শিক্ষা নয়; প্রয়োজন কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থাও।

ডিন অ্যাওয়ার্ড একটা অর্থবহ পুরস্কার উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দেওয়া। আজকে যারা এ পুরস্কার পেলেন তারা অনুপ্রাণিত হলো। একাডেমিক অ্যাক্সিলেন্স থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমাজের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করবে এটি।

এদিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। ১০৪ জনকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কলা অনুষদের ২১ জন, বিজনেস স্টাডিজ থেকে ১৬ জন, বিজ্ঞান অনুষদের ১৫ জন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ১৭ জন, লাইফ অ্যান্ড আর্ট সায়েন্স অনুষদের ২৯ জন, আইন অনুষদের ৩ জন এবং চারুকলা অনুষদের ৩ জন এই সম্মাননা পেয়েছেন।

কালের আলো/এসএকে