খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে যথেষ্ট বরাদ্দ নেই: সিপিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে যথেষ্ট বরাদ্দ নেই: সিপিডি

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

সংস্থাটির মতে, বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানির পক্ষে কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ থাকলেও সামগ্রিক রাজস্ব ও প্রণোদনা কাঠামো এখনো জীবাশ্ম জ্বালানিকেই বেশি সুবিধা দিচ্ছে। ফলে দেশের জ্বালানি রূপান্তরের লক্ষ্য অর্জন এবং পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণের পথে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

বুধবার (১৭ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডি কার্যালয়ে ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত কী পেল?’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট হেলেন মাশিয়াত প্রিয়তী।

সিপিডির বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে বরাদ্দের মাত্র ২ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি ৯৮ শতাংশ বরাদ্দ জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট খাতে ব্যয় হবে।

সংস্থাটি মনে করে, এই চিত্র সরকারের প্রশাসন ও জ্বালানি খাতের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এখনো জীবাশ্ম জ্বালানিকেন্দ্রিক মানসিকতার উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।

প্রস্তাবিত বাজেটে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য মোট ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এটি চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। তবে সামগ্রিক জাতীয় বাজেটে এ খাতের অংশ কমে ২ দশমিক ১৫ শতাংশ থেকে ১ দশমিক ৮৫ শতাংশে নেমে এসেছে।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিদ্যুৎ বিভাগের বরাদ্দ কমে ১৪ হাজার ৯৯৬ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩ দশমিক ৯ শতাংশ কম। অন্যদিকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের বরাদ্দ প্রায় ৭২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সিপিডির মতে, মূলত গ্যাস অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও উত্তোলন কার্যক্রমে জোর দেওয়ার কারণেই এই বৃদ্ধি ঘটেছে। তবে বাজেটে প্রথমবারের মতো সৌরবিদ্যুৎ খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ২০৩৫ সাল পর্যন্ত শূন্য শতাংশ করহার বা কর অবকাশের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি ভোক্তারা সৌরবিদ্যুতের বিল পরিশোধের বিপরীতে ৫ শতাংশ কর রিবেট সুবিধা পাবেন।

‘এছাড়া সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম ও স্টিলের কাঠামো এবং বিভিন্ন ধরনের বৈদ্যুতিক কন্ডাক্টরের ওপর বিদ্যমান উচ্চ করহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এসব পণ্যে ৬২ থেকে ৯৩ শতাংশ পর্যন্ত করভার থাকলেও তা কমিয়ে ২৬ থেকে ৩৮ শতাংশের মধ্যে নামিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির ওপর করভার ৬১ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ, সোলার ইনভার্টারের কর ২৮ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে ২০ দশমিক ৭ শতাংশ এবং সোলার প্যানেলের কর ২৮ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে ২২ দশমিক ২ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক যানবাহনের চার্জিং স্টেশনের ওপর আরোপিত কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং নিবন্ধন ফি কমানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছে সিপিডি।

তবে সংস্থাটি বলছে, নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য কিছু সুবিধা বাড়ানো হলেও একই সময়ে জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক খাতেও উল্লেখযোগ্য কর ও শুল্ক সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে। বাজেটে এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রে ভ্যাট অব্যাহতি অব্যাহত রয়েছে, যা একে দেশের অন্যতম কম করযুক্ত জ্বালানি হিসেবে ধরে রেখেছে। একই সঙ্গে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য কয়লা আমদানিতে শুল্ক সুবিধার মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

এছাড়া অভ্যন্তরীণ কয়লা অনুসন্ধান ও উত্তোলনে নতুন করে গুরুত্ব দিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৬ লাখ মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সিপিডির মতে, এই ধরনের পদক্ষেপ দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি রূপান্তর কৌশল এবং জলবায়ুবান্ধব উন্নয়ন লক্ষ্যের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, সরকার একদিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে উৎসাহিত করার বার্তা দিচ্ছে, অন্যদিকে জীবাশ্ম জ্বালানির জন্যও বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা ও কর-সুবিধা অব্যাহত রাখছে। ফলে নীতিগতভাবে একটি দ্বৈত অবস্থান পরিলক্ষিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, যখন সরকার উচ্চমূল্যে এলএনজি আমদানি না করার কথা বলছে, তখন একই সঙ্গে এলএনজির জন্য কর-সুবিধা বজায় রাখার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একইভাবে নতুন কয়লা অনুসন্ধান এবং কয়লা আমদানিনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্রকে দীর্ঘমেয়াদি শুল্ক সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্তও পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম আরও বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট রাজস্ব কাঠামোর বিদ্যমান বৈষম্য পুরোপুরি দূর করতে পারেনি। নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে উৎসাহ দেওয়ার উদ্যোগ থাকলেও জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক খাতগুলো এখনো তুলনামূলক বেশি সুবিধা পাচ্ছে। টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হতে হলে ভবিষ্যতে এসব বৈষম্য কমিয়ে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি খাতে আরও বেশি বিনিয়োগ ও প্রণোদনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসআরইএ) সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ, ডেমোক্রেটিক বাজেট মুভমেন্টের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার মোস্তফা এবং ইডকলের চিফ রিস্ক অফিসার মোহাম্মদ জাবেদ ইমরানসহ সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মিশরকে ডাকাতি করে হারানো হয়েছে: মামদানি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ
মিশরকে ডাকাতি করে হারানো হয়েছে: মামদানি

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার নাটকীয় জয়কে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। রেফারির একাধিক সিদ্ধান্ত ও ভিএআরের ব্যবহার নিয়ে মিশরের ক্ষোভের মধ্যেই এবার বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ম্যাচে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। শেষ ১১ মিনিটে টানা তিন গোল করে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে লিওনেল মেসির দল। ম্যাচে একটি পেনাল্টি মিস করলেও পরে সমতাসূচক গোল করেন অধিনায়ক মেসি।

তবে ম্যাচের ফলাফলের চেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে রেফারিং। ভিএআর পর্যালোচনার মাধ্যমে মিশরের একটি গোল বাতিল করা হয়, যা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ধারাভাষ্যকাররাও। একই সঙ্গে মিশরের অভিযোগ, তাদের পক্ষে সম্ভাব্য একটি পেনাল্টির ঘটনা ভিএআরে যাচাই করা হয়নি।

ম্যাচ শেষে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। তিনি বলেন, আমরা কোনো সম্মান বা ফেয়ার প্লে দেখিনি। আমাদের একটি পেনাল্টি বাতিল করা হয়েছে, আরেকটি সম্ভাব্য পেনাল্টি ভিএআরে দেখাই হয়নি। আমাদের দ্বিতীয় গোলও অদ্ভুতভাবে বাতিল করা হয়েছে। মনে হয়েছে রেফারির ওপর আর্জেন্টিনার পক্ষ থেকে চাপ ছিল।

এই বিতর্কের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। শহরের নতুন বাস লেন প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে তিনি রসিকতার সুরে লেখেন, নিউইয়র্কবাসী সময় বাঁচিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে একমত হতে পারবে যে, গতকালের ম্যাচে মিশরকে ডাকাতি করে হারানো হয়েছে।

মামদানির এই মন্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় এবং ম্যাচের রেফারিং নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দেয়। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ফিফার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

কালের আলো/এসএকে

সরকারি হিসাব কমিটির সভাপতি হলেন জামায়াতের ডা. তাহের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ
সরকারি হিসাব কমিটির সভাপতি হলেন জামায়াতের ডা. তাহের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কমিটি ‘সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লা-১১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদের বৈঠকে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।

নবগঠিত এই কমিটিতে সভাপতি ছাড়াও প্রধান বিরোধীদল বিএনপির ১২ জন এবং জামায়াতে ইসলামীর তিনজন সংসদ সদস্য স্থান পেয়েছেন।

কমিটির বিএনপি মনোনীত সদস্যরা হলেন— ঢাকা-২ আসনের আমানউল্লাহ আমান, লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান, গাজীপুর-৫ আসনের এ কে এম ফজলুল হক মিলন, ভোলা-২ আসনের মোহাম্মদ হাফিজ ইব্রাহিম, নোয়াখালী-১ আসনের এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, চাঁদপুর-২ আসনের মোহাম্মদ জালালউদ্দিন, ময়মনসিংহ-৭ আসনের মো. মাহবুবুর রহমান, খুলনা-৪ আসনের এস কে আজিজুল বারী হেলাল, দিনাজপুর-১ আসনের মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম, নওগাঁ-৩ আসনের ফজলে হুদা এবং ময়মনসিংহ-৫ আসনের মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে কমিটিতে যুক্ত হয়েছেন ঢাকা-৪ আসনের সৈয়দ জয়নুল আবেদিন, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের মো. রুহুল আমিন এবং কুড়িগ্রাম-১ আসনের মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, সংসদীয় ব্যবস্থায় ‘সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’ (পিএসি) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মূলত রাষ্ট্রীয় অর্থের ব্যয়, নিরীক্ষা, আপত্তি এবং সরকারি হিসাবের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কাজটি এই কমিটির এক্তিয়ারভুক্ত। বাজেট পাসের পর সরকারি অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হচ্ছে কি না, নিরীক্ষায় কোনো অনিয়ম ধরা পড়ছে কি না এবং সেসব বিষয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার জবাব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাই কমিটির মূল দায়িত্ব।

কালের আলো/এসএকে

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ
রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশে আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের টেকসই ও জোরালো সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বুধবার (৮ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতিসংঘ সদর দফতরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘের রাজনৈতিক ও শান্তি বিনির্মাণ বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল রোজমেরি এ ডি-কার্লোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্ব শান্তিরক্ষা ও শান্তি বিনির্মাণে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেন। অন্যদিকে ডি-কার্লো জাতিসংঘে বাংলাদেশের গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় অব্যাহত অবদানের প্রশংসা করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ