খুঁজুন
                               
, ,
           

ক্ষমতার দাম্ভিকতায় জনগণের বিপক্ষে গেলে আ.লীগের মতোই পরিণতি হবে: মোবারক হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
ক্ষমতার দাম্ভিকতায় জনগণের বিপক্ষে গেলে আ.লীগের মতোই পরিণতি হবে: মোবারক হোসেন

ক্ষমতার দাম্ভিকতায় জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিলে বর্তমান সরকারেরও আওয়ামী লীগের মতো পরিণতি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন।

তিনি বলেন, জনগণের রায় উপেক্ষা করে কেউ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না। তাই গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে সেখান থেকে একটি গণমিছিল বের করা হয়।

মোবারক হোসেন বলেন, ‘জুলাইকে যারা মুছে দিতে চায়, তাদেরকেই মুছে দিতে হবে। জুলাইয়ের চেতনা তরুণ প্রজন্ম ভুলবে না এবং মুছতে দেবে না। জুলাইয়ের কারণেই অনেকে দেশে ফিরে আসতে পেরেছেন। তাই জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃতজ্ঞতার পরিচয় দেওয়া উচিত।’

তিনি বলেন, ‘জনগণের বিপক্ষে গিয়ে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না। শেখ হাসিনা ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন। কিন্তু জনগণের বিপক্ষে যাওয়ায় সেই লক্ষ্য ধুলোয় মিশে গেছে। জনগণ শুধু ক্ষমতা থেকেই নামায়নি, দেশ ছাড়তেও বাধ্য করেছে। আজও যারা ক্ষমতার দাম্ভিকতায় জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তাদের পরিণতিও আওয়ামী লীগের মতো হতে পারে।’

আওয়ামী লীগের পরিণতি ভোগ করার আগেই গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি বলেন, গণভোটে ৭০ শতাংশ জনগণের রায় উপেক্ষা করার পর বিএনপিকে গণতান্ত্রিক দল বলা যায় না। তার ভাষ্য, জনগণের মতামতকে সম্মান করাই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি। কিন্তু বিএনপি জনগণের মতামত উপেক্ষা করে অগণতান্ত্রিক দলে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। সরকার যদি গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে, তাহলে সংসদের লড়াই রাজপথে চলে আসবে। জনগণের রায় অগ্রাহ্য করলে জনগণই সরকারকে প্রত্যাখ্যান করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করেছিল। উদ্দেশ্য ছিল জুলাই আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা। তবে রাজনৈতিক দূরদর্শিতার মাধ্যমে সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিজয় নিশ্চিত করতে ভূমিকা রেখেছে জামায়াত।

বুলবুল বলেন, জুলাই বিপ্লবের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী বিএনপি হলেও পরবর্তীতে দলটি জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠনকে তিনি জনগণকে বিভ্রান্ত করার আরেকটি উদ্যোগ বলে মন্তব্য করেন। তার দাবি, জনগণ সংবিধান সংশোধন নয়, সংবিধান সংস্কার চায় এবং গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ সেই সংস্কারের পক্ষেই মত দিয়েছে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, দেলাওয়ার হোসেন, আব্দুল মান্নান, মুহাম্মদ শামছুর রহমান, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এমপি, হাফেজ রাশেদুল ইসলাম এমপিসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা।

সমাবেশ শেষে গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে একটি গণমিছিল বের হয়। মিছিলটি পল্টন, জাতীয় প্রেসক্লাব ও হাইকোর্ট চত্বর হয়ে মৎস্য ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

সেখানে সংক্ষিপ্ত পথসভায় ডাকসু ভিপি মোহাম্মদ আবু সাদিক কায়েম বলেন, জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষার নতুন বাংলাদেশ গড়ার দাবি থেকে তারা পিছিয়ে যাবেন না। তিনি দাবি করেন, সুযোগ পেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে দুর্নীতি ও অনিয়মমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ইয়েমেনে হুতিদের হামলায় ৫৮ সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৬ পূর্বাহ্ণ
ইয়েমেনে হুতিদের হামলায় ৫৮ সেনা নিহত

ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইয়েমেনে অন্তত ৫৮ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, গত চার বছরের মধ্যে দেশটিতে এক দিনে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মারিব প্রদেশের আল-রুওয়াইক এবং সৌদি সীমান্তসংলগ্ন হাদ্রামাউত প্রদেশের আল-আবর ও আল-ওয়াদিয়া এলাকার সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একযোগে হামলা চালানো হয়। ইয়েমেনের সামরিক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মারিবের একটি সেনা ক্যাম্পে সকালের সমাবেশ চলাকালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৪৫ সেনা নিহত হন।

হুতি গোষ্ঠী দাবি করেছে, ‘সৌদি-সমর্থিত সামরিক শক্তি বৃদ্ধি’র জবাব হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, সরকারি বাহিনীর সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।

হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তিনি আল-রুওয়াইক, আল-থানিয়াহ ও আল-আবর এলাকার নাম উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে তা মোকাবিলার জন্য হুতি বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে, সংঘাতের প্রভাব সৌদি আরবেও ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান এলাকায় হুতিদের হামলায় অন্তত ১১ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে সৌদি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার পাশাপাশি ইয়েমেনের চলমান সংঘাতও নতুন করে তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

পল্লবীতে সন্ত্রাসীর গুলিতে মাদক কারবারি আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
পল্লবীতে সন্ত্রাসীর গুলিতে মাদক কারবারি আহত

রাজধানীর মিরপুর পল্লবী এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ‘আলমগীর’ নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে মিরপুরের মিল্লাত ক্যাম্প এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ওসি হাসান বসির বলেন, ‘ঘটনা সঠিক। গুলিতে আলমগীর নামে একজন আহত হয়েছেন। তবে আমরা ঘটনাস্থলে এসে তাকে পাইনি। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেছেন।’

তবে কে বা কারা গুলি করেছে তা তিনি জানাতে পারেনি। আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন বলেও জানান ওসি।স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকজন মিলে মিল্লাত ক্যাম্পে এসে আলমগীরকে প্রকাশ্যে গুলি করে পালানোর চেষ্টা করেন।

এসময় মোটরসাইকেলটি আটকও করা হয়। কিন্তু পরে এলাকাবাসী ভয় পেয়ে তাদের ছেড়ে দেন। এরপর তাদের একজন পুলিশে খবর দিলে সেখানে ‍পুলিশ আসে। কিন্তু কাউকে আটক করতে পারেনি।

জানা গেছে, গুলিতে আহত হওয়া আলমগীর ‍পুরান ঢাকার একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস আমদানি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল আমদানি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় চালানটি বন্দর থেকে খালাস করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ভারতের নরেন্দ্র এক্সপ্লোসিভ লিমিটেড ১৪৫টি কাঠের বাক্সে করে টিয়ার গ্যাস শেলের চালানটি বাংলাদেশে পাঠায়। চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সিনসিয়ার ইন্টারন্যাশনাল।

খালাস শেষে ঢাকা মেট্রো-ন-১৯-৩৭৫৩ নম্বরের একটি কাভার্ড ভ্যানে করে চালানটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়। সেখানে সংরক্ষণের পর আগামী ৯ আগস্ট ঢাকার উদ্দেশে পাঠানোর কথা রয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবহারের জন্য ভারত থেকে ২ দশমিক ৩ মেট্রিক টন টিয়ার গ্যাস শেল বেনাপোল বন্দরে এসেছে। বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় শুল্ক ও আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করে চালানটি খালাস দেওয়া হয়েছে। এটি যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাঠানো হয়েছে। আগামী ৯ আগস্ট সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, রোববার চালানটি গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় (বিওএফ) পাঠানো হবে।

চালানটির নিরাপত্তায় বেনাপোল বন্দর থেকে শার্শা পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পরে শার্শা থেকে যশোর সেনানিবাস পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি