খুঁজুন
                               
, ,
           

জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সাংবাদিকতা করার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ২:৪৬ অপরাহ্ণ
জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সাংবাদিকতা করার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর

গণমাধ্যমকে রাষ্ট্র ও সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ উল্লেখ করে সাংবাদিকদের প্রতি জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করার আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকরা জাতির বিবেক হিসেবে কাজ করেন। তাদের সংবাদ ও বিশ্লেষণ রাষ্ট্র পরিচালনা, নীতিনির্ধারণ এবং জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই মত ও ব্যাখ্যার ভিন্নতা থাকলেও জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে সংবাদ পরিবেশন করলে দেশের অগ্রযাত্রা আরও সমৃদ্ধ হবে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় সবসময় প্রাসঙ্গিকতা, তথ্যের সমন্বয় এবং বাস্তবতার প্রতিফলন থাকা জরুরি। কোনো বিষয়ে মন্তব্য করার আগে সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানা থাকলে তা আরও সমৃদ্ধ হয়। অনেক সময় কোনো প্রশ্নের তাৎক্ষণিক উত্তর দিতে গিয়ে বক্তব্যের ভিন্ন ব্যাখ্যা তৈরি হয়, যা জাতীয় স্বার্থের জন্য ইতিবাচক নাও হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা, যা শুধু তথ্য পরিবেশন করে না, বরং রাষ্ট্রকে পথও দেখায়। সাংবাদিকরা সরকারের ভুল-ত্রুটি তুলে ধরেন, সংশোধনের সুযোগ তৈরি করেন এবং উন্নয়নের গতিকে টেকসই করতে ভূমিকা রাখেন। রাজনীতিবিদ হিসেবে সরকার জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে, আর সাংবাদিকরা সেই কাজের মূল্যায়ন করেন। এ দুই পক্ষের লক্ষ্য একটিই হওয়া উচিত, সেটি হলো দেশের স্বার্থ রক্ষা এবং মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা।’

শেখ রবিউল আলম বলেন, সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে তাদের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করছে। এ পথে নানা ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা, প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা এবং বাস্তব চ্যালেঞ্জ থাকে। মানুষের প্রত্যাশা দ্রুত পূরণ করতে গিয়ে অনেক প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়। তবে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই সরকার উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে সবসময় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় বিশ্বাসী। যা দেখছি, যা করছি এবং যে বাস্তবতা রয়েছে, সেটিই সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরতে চিই। তবে অনেক সময় কোনো বক্তব্য বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা হয়, যা মূল বক্তব্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে জাতীয় স্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা জরুরি।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সবাই একইভাবে বিষয়কে মূল্যায়ন করেন না। চিন্তার ভিন্নতার কারণে ব্যাখ্যাও ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু যত বেশি জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে সংবাদ ও বিশ্লেষণ করা যাবে, তত বেশি দেশ উপকৃত হবে। রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক এবং রাষ্ট্র পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই যদি একই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেন, তাহলে দেশের অগ্রগতি আরও বেগবান হবে।’

সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রতিটি মন্ত্রণালয় সরকারের নির্ধারিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার আওতায় তার মন্ত্রণালয়েরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়নের কাজ চলছে। জনগণের প্রত্যাশা ও সরকারের পরিকল্পনার মধ্যে যদি কোথাও ব্যবধান থাকে, সেটি দূর করার জন্য সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

একরামুল হত্যা মামলায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ সেনা হেফাজতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ২:১৬ পূর্বাহ্ণ
একরামুল হত্যা মামলায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ সেনা হেফাজতে

টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হকের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তৎকালীন র‍্যাব-৭ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বর্তমানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল) মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৮ জুলাই) দিবাগত রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক লে. কর্নেল সামি উদ দৌলা চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে সেনা হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন,ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহকে কাস্টডিতে নেয়া হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

মিফতাহ উদ্দিনকে সেনা হেফাজতে নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইএসপিআরের পরিচালক লে. কর্নেল সামিউদ দৌলা চৌধুরী। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

গত ২৬ জুলাই কক্সবাজার জেলার টেকনাফের সাবেক পৌর কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। প্রতিবেদনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালসহ মোট ১১ জনের নাম রয়েছে।

জানা গেছে, শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের আটজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং গ্রেপ্তার থাকা আসামিদের আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন।

বর্তমানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ বরিশাল সেনানিবাসের স্টেশন কমান্ডার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০২১ সালে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষিত নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তালিকায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের পাশাপাশি তার নামও ছিল।

গত রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একরাম হত্যা মামলায় অভিযোগ দাখিল করা হয়। মামলায় মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। এরই মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ওই পরোয়ানার ভিত্তিতেই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিনকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্ধারিত তারিখে তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে।

মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, একরামুল হককে গুলি করে হত্যার সময় ঘটনাস্থলে মিফতাহ উদ্দিন আহমেদসহ অভিযুক্ত কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ২:০০ পূর্বাহ্ণ
৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর

আওয়ামী লীগের আমলে ২০১৮ সালের ‘বিতর্কিত’ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন ৩২ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। আজ সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তাদের চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে এবং যেহেতু সরকার জনস্বার্থে তাঁকে সরকারি চাকরি হতে অবসর প্রদান করা প্রয়োজন মর্মে বিবেচনা করে; সেহেতু সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৫ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকারি চাকরি হতে অবসর প্রদান করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী এসব কর্মকর্তা অবসরজনিত সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন।

যুগ্ম সচিব পদের এসব কর্মকর্তা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তারা হলেন— পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ফেনীর ওয়াহেদুজ্জামান, খাগড়াছড়ির মো. শহীদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কক্সবাজারের মো. কামাল হোসেন, রাঙামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ, লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, ময়মনসিংহের মো. মিজানুর রহমান,

চাপাইনবাবগঞ্জের এ জেড এম নুরুল হক, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, বান্দরবানের মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, নেত্রকোনার মঈনউল ইসলাম, কুষ্টিয়ার মো. আসলাম হোসেন, কুমিল্লার আবুল ফজল মীর, চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস, চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাশ, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন,

কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভীন, শেরপুরের আনারকলি মাহবুব, খুলনার মো. হেলাল হোসেন, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবির মুরাদ, মো. আলী আকবর ও রাজশাহীর এস এম আব্দুল কাদের।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

ইনকিলাব মঞ্চের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ
ইনকিলাব মঞ্চের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে ইনকিলাব মঞ্চের নতুন আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে একটি আংশিক কমিটিও ঘোষণা করা হয়েছে।

আহ্বায়ক হিসেবে আব্দুল্লাহ আল জাবের এবং সদস্য সচিব হিসেবে ফাতিমা তাসনিম জুমা নির্বাচিত হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত ইনকিলাব মঞ্চের সাধারণ সভায় সব সদস্যের প্রত্যক্ষ ভোটে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। শহীদ শরিক ওসমান হাদিকে আজীবনের জন্য সংগঠনের মুখপাত্র ঘোষণা করা হয়।

নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন।

ঘোষিত কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রকিবুল ইসলাম (রাফসান রাকিব), সহসাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে শোয়াইব বিন আহসান সিয়াম, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে রায়হান আহমেদ, অর্থ সম্পাদক হিসেবে মুহাম্মদ ওমায়ের, মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে নাঈম ইবনে জহির এবং সহ-মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে হাবিবুল্লাহ মিসবাহ দায়িত্ব পেয়েছেন।

এ ছাড়া সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং যোগ্য ও সিনিয়র সদস্যদের মূল্যায়নের লক্ষ্যে একটি সার্চ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে জি এ সাবিরকে এবং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাসুদুর রহমান আদনান। সদস্য হিসেবে রয়েছেন– আসাদুজ্জামান আসাদ, হিশাম ইব্রাহিম, শান্ত আক্তার ও শাফিন শাররাজ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নবগঠিত নেতৃত্ব সংগঠনটিকে একটি আদর্শিক, গণমুখী ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে সব সদস্য, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীর দোয়া, সহযোগিতা এবং গঠনমূলক পরামর্শ কামনা করেছেন।

পাশাপাশি সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ঘোষিত আদর্শ বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি