খুঁজুন
                               
শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৬ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

কল্পনা না থাকলে, স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন

পঞ্চগড় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
কল্পনা না থাকলে, স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, এবারের বাজেট বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট।

তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল বলছে-এটা কল্পনা ও স্বপ্নের বাজেট। তবে এই কল্পনা না থাকলে, স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১টার দিকে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ টাকা, চাল ও ছাগল বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

এসময় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রতি বছর বাজেটের পর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার অভিযোগ থাকলেও এবারের বাজেটে এমন কোনো চাপ সৃষ্টি হয়নি। তাই এটিকে আমরা জনবান্ধব বাজেট বলছি।

একইসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার গঠনের মাত্র চার মাস হচ্ছে। এই চার মাসে আমরা দেশের সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।

নিজস্ব তহবিলসহ সরকার দেশের মানুষের জন্য বরাদ্দ দিচ্ছে আমরা তা সংসদ সদস্য হিসেবে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করছি।
পরে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে আটকে থাকা অর্থনৈতিক অঞ্চলের কার্যক্রম শুরু করতে পর্যায়ক্রমে কাজ চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে মানবিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, ৪১ মেট্রিক টন চাল ও পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করতে ৬০টি পরিবারের মাঝে ছাগল বিতরণ করা হয়।

এ সময় বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ আসাদ, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ তারা, সাধারণ সম্পাদক দিলরেজা ফেরদৌস চিন্ময় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী বোদা ও দেবীগঞ্জ উপজেলার নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন ও বাঁধের সম্ভাব্য এলাকা যাচাই, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম উদ্বোধন প্রোগ্রাম এ অংশগ্রহণ করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

পরিবহণ খাতে ‘মাল্টি মোডাল পদ্ধতি’ ও ঢাকা-পাবনা ট্রেন চালুর ঘোষণা

পাবনা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
পরিবহণ খাতে ‘মাল্টি মোডাল পদ্ধতি’ ও ঢাকা-পাবনা ট্রেন চালুর ঘোষণা

পরিবহণ খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে আন্তর্জাতিক মানের মাল্টি মোডাল পদ্ধতি চালু এবং আগামী আগস্টের মধ্যেই ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালুর ঘোষণা দিয়েছেন সড়ক পরিবহণন, রেল ও নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রবিউল আলম।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে পাবনা সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে সরকারি কর্মকর্তা ও সুধী সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘একে-অপরের প্রতিপক্ষ হয়ে নয়, বরং মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগে পরিবহণ খাতে শৃঙ্খলা আনা হবে। এখানে কোনো বিশেষ শ্রেণিকে লালন করা হবে না; প্রাধান্য পাবে কেবলই জনস্বার্থ ও জনআকাঙ্ক্ষা। খুব দ্রুতই দেশে আন্তর্জাতিক মানের মাল্টি মোডাল যোগাযোগ ব্যবস্থা দৃশ্যমান হবে।’

রেল যোগাযোগ নিয়ে তিনি বলেন, ‘ঢাকা-পাবনা রুটের লোকোমোটিভ প্রস্তুত আছে; আগামী মাসে কোচ এলেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরাসরি ট্রেন চালু হবে। এ ছাড়া ঢাকার সঙ্গে সহজ যোগাযোগে আরিচা-খাসচর সড়ক প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি ও ডিপিপি প্রণয়নের কাজও এরইমধ্যে চালু হয়েছে।’

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু তালেব মণ্ডল, জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সুফী উল্লাহসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের কড়া হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের কড়া হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর 

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় যেকোনো মূল্যে অপরাধীদের নির্মূল করার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, মোহাম্মদপুরকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হবে।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বার্তা দেন।

মোহাম্মদপুরের অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মোহাম্মদপুর এলাকা বহু বছর ধরেই অপরাধীদের অভয়ারণ্য হয়ে রয়েছে। এই মোহাম্মদপুরকেও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হবে। এখানকার অপরাধীদের যেকোনো মূল্যে নির্মূল করা হবে।’

আগের যেকোনো সরকারের তুলনায় বর্তমান সরকার অনেক বেশি গতিতে ও দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সেটি এরই মধ্যে সবার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।’

ইন্টারপোলের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট ও কঠোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেই সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাসহ প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সেই দেশে পাঠানো হয়েছে। আশা করি, দেশটির সরকার দ্রুতই সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একটা সময় মানুষের মধ্যে সাধারণ ধারণা তৈরি হয়েছিল যে পুলিশ বাহিনী নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে। কিন্তু আজ পুলিশ সেই গৌরব ও সক্রিয়তা ফিরে পেয়েছে।’ দেশের নির্বাচিত সরকার আসার পরে পুলিশ সদস্যরা এত বেশি দায়িত্ব পালন করছেন যে তাদের প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ আজ পুরস্কৃত করা হচ্ছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কালের আলো/এসএকে

মামলার চাপ সামলাতে বাড়তে পারে ট্রাইব্যুনাল ও প্রসিকিউশনের সংখ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
মামলার চাপ সামলাতে বাড়তে পারে ট্রাইব্যুনাল ও প্রসিকিউশনের সংখ্যা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ক্রমবর্ধমান মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার চাপ মোকাবিলায় ভবিষ্যতে ট্রাইব্যুনাল এবং প্রসিকিউশন টিমের সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

শনিবার (২০ জুন) সকালে ঢাকা ক্লাবে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের (এসআরএফ) বার্ষিক সাধারণ সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বর্তমানে দুটি ট্রাইব্যুনালে বিচারকাজ চলছে এবং প্রায় ৩০টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এ ছাড়া নিয়মিত নতুন মামলাও যুক্ত হচ্ছে। একটি মামলার বিচার সম্পন্ন করতে সাধারণত ৩ থেকে ৪ মাস সময় লাগে, যদিও পরিস্থিতিভেদে এই সময় কম-বেশি হতে পারে।

তিনি জানান, মামলার সংখ্যা ও তদন্ত প্রতিবেদন বাড়তে থাকায় বিদ্যমান দুটি ট্রাইব্যুনালের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই প্রয়োজন হলে ট্রাইব্যুনাল, প্রসিকিউশন টিম এবং তদন্ত সংস্থার জনবল বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি ৫ থেকে ৬টি মামলা পুনঃতদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকটির পুনঃতদন্ত শেষ হয়ে নতুন প্রতিবেদনও জমা পড়েছে। প্রতিটি মামলার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা ও সততার সঙ্গে তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’

তার ভাষ্য, কোনো নিরীহ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন এবং কোনো অপরাধীও যেন আইনের ফাঁক গলে রেহাই না পান, সে বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে প্রতিহিংসামূলক বা ভিত্তিহীন অভিযোগ এড়িয়ে বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার সুযোগ না দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেন তিনি।

এসআরএফ সভাপতি মাসউদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ডালিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনিরসহ বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ