খুঁজুন
                               
শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৬ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

১১–২০ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
১১–২০ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর

দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে সরকার। প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে কার্যকর হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেতে যাচ্ছেন ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

নতুন পে স্কেলের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে টিফিন ভাতা বৃদ্ধি। বর্তমানে মাসিক ২০০ টাকা টিফিন ভাতা পাওয়া কর্মচারীদের জন্য এ ভাতা বাড়িয়ে ১,০০০ টাকা করার সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ফলে ভাতা পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল কার্যকর হওয়ার পর এবারই সবচেয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে সরকারি বেতন-ভাতা কাঠামোয়। টিফিন ভাতা বৃদ্ধির খবরে সচিবালয় থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের কর্মচারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

বেতন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গত এক দশকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ২০০ টাকার টিফিন ভাতা বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে পড়েছিল। কর্মচারীদের দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহে কিছুটা সহায়তা দিতে ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়, যা বাজেট প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে।

নতুন পে স্কেলে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। এর মধ্যে সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশে উন্নীত করা, শিক্ষা ভাতা ২ হাজার টাকা নির্ধারণ, স্বাস্থ্যবীমা সুবিধা চালু এবং প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য অতিরিক্ত ২ হাজার টাকা ভাতা প্রদানের প্রস্তাবও রয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় মোকাবিলায় কিছুটা স্বস্তি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এসএকে

বিপৎসীমার কাছাকাছি তিস্তার পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
বিপৎসীমার কাছাকাছি তিস্তার পানি

উজানে ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে।

শনিবার (২০ জুন) সকাল ৬টায় ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েণ্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও বিকেল ৩টায় তা বিপৎসীার ১৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে এই মুহুর্তে বন্যার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানা গেছে, উজানের ঢলে শনিবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েণ্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর কিছুটা কমে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২ট পর্যন্ত ১৩ সেণ্টিমিটার এবং বেলা ৩ টায় ১৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টায় ওই পয়েণ্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। সেখানে নদীর পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেণ্টিমিটার।

এদিকে, তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে বন্যার আশঙ্কায় রয়েছে তিস্তাপাড়ের নিমঞ্চলের মানুষ।

জেলার ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম বলেন, পানি বৃদ্ধি পেয়ে তিস্তাপাড়ের নিম্নাঞ্চল গ্রামে পানি বাড়ছে। তবে এখনো চরাঞ্চলের বাড়ি ঘরে পানি ওঠেনি। যে কোনো সময়ে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে বন্যার আশঙ্কায় রয়েছে মানুষ।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন,উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও বেলা ৩টায় বিপৎসীমার ১৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হলেও এই মুহুর্তে বন্যার আশঙ্কা নেই।

কালের আলো/এসএকে

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক শনিবার (২০ জুন) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। হাইকমিশনার ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

উভয় পক্ষ গভীর ঐতিহাসিক সম্পর্ক, শক্তিশালী জনগণের মধ্যে সংযোগ এবং প্রাণবন্ত ব্রিটিশ-বাংলাদেশি প্রবাসীদের কথা সন্তোষের সঙ্গে উল্লেখ করেছে, যা দুদেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে চলেছে। তারা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা, অভিবাসন এবং দক্ষতা উন্নয়নসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রতি যুক্তরাজ্যের অব্যাহত সমর্থনের প্রশংসা করেছেন এবং মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় যুক্তরাজ্যকে তার নেতৃত্বের ভূমিকা বজায় রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গতিতে উভয় পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে বৈঠকটি শেষ হয়।

বৈঠকের পর ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক সাংবাদিকদের বলেন, গত সপ্তাহে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের ধারাবাহিকতায় আজ আলোচনা হয়েছে। সেখানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অভিবাসনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী পরিস্থিতি নিয়ে উভয় দেশ বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছে এবং এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ যৌথ অগ্রাধিকার হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার জন্য টেকসই আন্তর্জাতিক মনোযোগ প্রয়োজন।

কুক জানান, বৈঠকটি ছিল ফলপ্রসূ ও ভবিষ্যতমুখী এবং উভয় পক্ষই একমত হয়েছে যে অংশীদারত্ব আরও এগিয়ে নেওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, আলোচনাকে বাস্তব পদক্ষেপে রূপ দিতে আগামী সপ্তাহগুলোতে কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সরকার জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে চায়: প্রতিমন্ত্রী হাবিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
সরকার জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে চায়: প্রতিমন্ত্রী হাবিব

বর্তমান সরকার জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে চায় বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।

‎শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর সবুজবাগ থানাধীন মাদারটেক আব্দুল আজিজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

‎প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ- জনগণের পাশে থাকতে হবে, জনসেবা করতে হবে, জনগণের দোড়গোরায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে হবে।

‎তিনি বলেন, সরকারি বরাদ্দের অর্থ সংগ্রহ করতে আপনাদের যেন সরকারি দফতরে গিয়ে ধরনা দিতে না হয় এজন্য এই চেক বিতরণের জন্য আমরা আপনাদের মাঝে এসেছি।

‎নাগরিকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, কথায় নয়, কাজের মাধ্যমেই আগামীর বাংলাদেশ গড়তে চাই।

‎এসময় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের অবস্থান সুস্পষ্ট বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

‎হাবিবুর রশিদ বলেন, যারা সন্ত্রাসী কার্যকলাপে লিপ্ত, মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং যারা সমাজে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চায়, সরকার তাদের কঠোর হতে দমন করবে।

‎এর আগে প্রতিমন্ত্রী একই এলাকায় আব্দুল আজিজ ভূইয়া ও বেগম শায়েস্তা নূরানিয়া হাফিজিয়া মাদরাসায় স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের আয়োজনে বিনামূল্যে হেলথ ক্যাম্প উদ্বোধন করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন