খুঁজুন
                               
, ,
           

উচ্চশিক্ষায় আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিতে জাতীয় নীতি কাঠামো করছে ইউজিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
উচ্চশিক্ষায় আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিতে জাতীয় নীতি কাঠামো করছে ইউজিসি

দেশের উচ্চ শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে একটি জাতীয় নীতি কাঠামো (ন্যাশনাল ফ্রেমওয়ার্ক) প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

এ কাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং একই সঙ্গে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বৈশ্বিক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ সহজ হবে।

বুধবার (২৪ জুন) ইউজিসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ বিষয়ে নীতিগত অগ্রগতি হয়। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস, ব্রিটিশ হাইকমিশন এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

উচ্চশিক্ষা নীতি বিশেষজ্ঞ ও ফুলব্রাইট স্পেশালিস্ট ড. গ্রেস মুকুপা এ জাতীয় নীতি কাঠামো তৈরিতে সহযোগিতা করছেন। নীতিমালা প্রণয়ন ও পর্যালোচনার জন্য ইউজিসি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ডুয়াল ডিগ্রি, জয়েন্ট ডিগ্রি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, উচ্চশিক্ষা খাতে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জোরদার করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে দেশে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় উচ্চশিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলাও এর উদ্দেশ্য।

নীতিমালার আওতায় ‘টু প্লাস টু’ মডেল চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। এ ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা প্রথম দুই বছর বাংলাদেশে এবং পরবর্তী দুই বছর অংশীদার বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করবেন। সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করলে শিক্ষার্থীরা উভয় প্রতিষ্ঠানের পৃথক ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন।

বৈঠকে ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক জেসমিন পারভীন, আমেরিকান সেন্টারের পাবলিক এনগেজমেন্ট ডিরেক্টর স্কট হার্টম্যান, পাবলিক এনগেজমেন্ট স্পেশালিস্ট রায়হানা সুলতানা ও পাবলিক এনগেজমেন্ট কো-অর্ডিনেটর ফারোহা সোহরাওয়ার্দী, ব্রিটিশ হাইকমিশনের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট বিষয়ক পরিচালক সাকিব এরশাদ, ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজার সৈয়দ হাবিবুর রহমান, ব্রিটিশ কাউন্সিলের হেড অব এডুকেশন তৌফিক হাসানসহ সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

কিয়েভে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহত ১২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ
কিয়েভে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহত ১২

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩৩ জন। বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো জানান, রাতভর চালানো হামলায় আবাসিক এলাকা ও গুদামঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শহরের সামরিক প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, একটি চিকিৎসাকেন্দ্র ও একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কিয়েভ অঞ্চলের গভর্নর তিমুর তাকাচেঙ্কো জানান, বৃহত্তর কিয়েভ অঞ্চলের ব্রোভারি জেলায় হামলায় আরও একজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। তবে এই মৃত্যুর হিসাব কিয়েভ শহরে নিহত ১২ জনের মধ্যে রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি।

তাকাচেঙ্কো বলেন, হামলায় একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে সৃষ্ট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি সেবার কর্মীরা কাজ করছেন। এর আগে ইউক্রেনের বিমানবাহিনী কিয়েভ অঞ্চলের কাগারলিক গ্রামের কাছে রুশ ‘কালিবর’ ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত হওয়ার কথা জানায় এবং সতর্ক করে যে সেগুলো রাজধানীর দিকে এগিয়ে আসছে।

রুশ হামলার কারণে ইউক্রেনের প্রতিবেশী ন্যাটো সদস্য দেশগুলোও তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।

পোল্যান্ডের সামরিক বাহিনী জানায়, ইউক্রেন সীমান্তসহ দেশের আকাশসীমা নিরাপদ রাখতে যুদ্ধবিমান মোতায়েন এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়।

রোমানিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউক্রেন সীমান্তের কাছে রাতে বেশ কয়েকটি সন্দেহজনক আকাশযান শনাক্ত করা হয়। এরপর ন্যাটো মিশনে থাকা দুটি স্প্যানিশ যুদ্ধবিমান ও রোমানিয়ার একটি হেলিকপ্টার আকাশে পাঠানো হয়।

রোমানিয়ার দাবি, একটি ড্রোন দেশটির গালাতি এলাকার কাছে আকাশসীমায় প্রবেশ করে। পরে সেটি তুলসিয়া কাউন্টির একটি জনবসতিহীন এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

এদিকে রাশিয়াও ইউক্রেনের বড় ধরনের ড্রোন হামলার কথা জানিয়েছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন বলেন, বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ২৫০টি ড্রোন মস্কো অঞ্চলের দিকে উড়ে আসে। এর বেশিরভাগই রাজধানী থেকে দূরে ধ্বংস করা হয়েছে।

তিনি জানান, মস্কো অঞ্চলে ২৮টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। তবে এসব হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দুই দেশই দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বাড়িয়েছে। এতে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যাও বাড়ছে।

ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়ার ওপর পাল্টা হামলা চালিয়ে দেশটিকে আলোচনার টেবিলে এনে যুদ্ধ বন্ধে চাপ দেওয়াই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

কালের আলো/এসএ

প্রথম ভোট দিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
প্রথম ভোট দিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের ভোট প্রদানের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

সিইসিকে সহায়তা করার জন্য নির্বাচন কমিশন ২০ জন কর্মকর্তাকে সহায়ক কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর দেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা (এমপি) ভোট দিচ্ছেন।

এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন সংসদ সদস্যরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন সংসদ সদস্যরা

দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে আজ। জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টার পর ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এই তিন ঘণ্টায় ৩৪৮ জন সংসদ সদস্য ভোট দেবেন।

এবার রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ। সংসদের চট্টগ্রাম-৪ আসনটি শূন্য থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। অসুস্থতার কারণে ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস দেশের বাইরে থাকায় তিনি রাষ্ট্রপতি পদে ভোট দিতে পারবেন না।

নির্বাচনে বিজয়ী হতে প্রয়োজন হবে ১৭৫ ভোট। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ না থাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিজয় প্রায় নিশ্চিত। তিনি নির্বাচিত হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হবেন।

সংসদ সদস্য হওয়ায় রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেও ভোট দিতে পারবেন। তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে তার সংসদ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হবে। একই সঙ্গে মন্ত্রী পদ থেকেও তার পদত্যাগ হবে।

অন্যদিকে সংসদ সদস্য না হওয়ায় ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ ভোট দিতে পারবেন না।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সংসদ কক্ষে চারটি ব্যালট বাক্স রাখা হয়েছে। সংসদ সদস্যরা প্রকাশ্যে ভোট দেবেন। ব্যালটে ভোটারের নাম এবং তিনি কোন প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন, তা উল্লেখ থাকবে।

ভোটগ্রহণের আগে সংসদ কক্ষে স্পিকারের আসনের সামনে নির্ধারিত স্থানে বসেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনাররা, নির্বাচন কমিশন সচিব ও সংসদ সচিবালয়ের সচিব। সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে বসে ভোট দিচ্ছেন। নির্বাচনে সহায়তার জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে ২০ জন কর্মকর্তার তালিকাও সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হয়।

১৯৯১ সালের পর এবারই প্রথম রাষ্ট্রপতি পদে ভোটাভুটি হচ্ছে। এর আগে প্রায় সব নির্বাচনেই ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সর্বশেষ ১৯৯১ সালে ভোটে বিএনপির প্রার্থী আব্দুর রহমান বিশ্বাস রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

এবারের নির্বাচনে বিএনপি জোটের প্রায় ২৫০ জন সংসদ সদস্য ভোটার রয়েছেন। দলীয় সংসদ সদস্য না হওয়ায় আট স্বতন্ত্র এমপি দুই প্রার্থীর যেকোনো একজনকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এরই মধ্যে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে স্বতন্ত্র এমপিদের কাছে ভোট চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে অসুস্থতার কারণে দেশের বাইরে থাকায় ভোট দিতে পারবেন না বলে স্পিকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

ভোটের জন্য সংসদ সদস্যদের দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে সংসদ কক্ষে প্রবেশ করতে হবে। ভোট দেওয়ার সময় সংসদ সচিবালয়ের সরবরাহ করা পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। নিজ আসনে বসার পর সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে নাম ও বিভক্তি নম্বর মুদ্রিত ব্যালট সংগ্রহ করে নির্ধারিত নিয়মে ভোট দিতে হবে।

গত ২৪ জুলাই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এরপর ৬ আগস্ট শূন্য পদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ