খুঁজুন
                               
, ,
           

ট্রায়ালে টিকা দিয়ে ঠেকানো গেছে ক্যানসারের ফিরে আসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫৬ অপরাহ্ণ
ট্রায়ালে টিকা দিয়ে ঠেকানো গেছে ক্যানসারের ফিরে আসা

একটি নতুন ব্যক্তিকেন্দ্রিক ক্যানসার টিকা ইমিউনোথেরাপির একটি ওষুধের সঙ্গে প্রয়োগ করে মেলানোমা রোগীদের ক্যানসার ফিরে আসার ঝুঁকি কমানোর প্রাথমিক সাফল্য পাওয়া গেছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটিকে সম্ভাবনাময় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক ও মডার্না যৌথভাবে তৈরি করেছে ‘ইন্টিসমেরান’ নামের এই টিকা। উচ্চ ঝুঁকির মেলানোমা রোগীদের অস্ত্রোপচারের পর টিকাটি দেওয়া হয়।০

তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় এক হাজারের বেশি রোগী অংশ নেন। তাঁদের সবারই উচ্চ ঝুঁকির দ্বিতীয়, তৃতীয় বা চতুর্থ পর্যায়ের মেলানোমা ছিল।

প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, কিট্রুডার সঙ্গে টিকাটি ব্যবহার করলে শুধু কিট্রুডা নেওয়ার তুলনায় রোগীরা বেশি সময় ক্যানসারমুক্ত থাকতে পেরেছেন। একই সঙ্গে শরীরের অন্য অঙ্গে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও কমেছে বলে জানিয়েছে দুই প্রতিষ্ঠান।

তবে পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি। স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনা ও যাচাইও বাকি রয়েছে। ফলে টিকাটি কতদিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা এই ফলাফলকে আশাব্যঞ্জক বললেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। পরীক্ষার সব ধাপ শেষ হওয়ার পর চিকিৎসাটির জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এরপর যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (এনএইচএস) ব্যবস্থায় এটি ব্যবহারের জন্যও আলাদা অনুমোদন লাগবে।

মেলানোমা হলো ত্বকের একটি গুরুতর ক্যানসার। ব্যক্তিকেন্দ্রিক এই ধরনের টিকা রোগীর ক্যানসারের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে তৈরি করা হয়, যাতে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে নির্দিষ্ট ক্যানসার কোষ শনাক্ত করে ধ্বংস করতে আরও কার্যকরভাবে সক্রিয় করা যায়।

প্রাথমিক এই ফলাফল সফল হলে ভবিষ্যতে অস্ত্রোপচারের পর ক্যানসার ফিরে আসা ঠেকাতে ব্যক্তিকেন্দ্রিক টিকার ব্যবহার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে।

সূত্রঃবিবিসি

কালের আলো/এসএ

প্রথম ভোট দিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
প্রথম ভোট দিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের ভোট প্রদানের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

সিইসিকে সহায়তা করার জন্য নির্বাচন কমিশন ২০ জন কর্মকর্তাকে সহায়ক কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর দেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা (এমপি) ভোট দিচ্ছেন।

এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন সংসদ সদস্যরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন সংসদ সদস্যরা

দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে আজ। জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টার পর ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এই তিন ঘণ্টায় ৩৪৮ জন সংসদ সদস্য ভোট দেবেন।

এবার রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ। সংসদের চট্টগ্রাম-৪ আসনটি শূন্য থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। অসুস্থতার কারণে ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস দেশের বাইরে থাকায় তিনি রাষ্ট্রপতি পদে ভোট দিতে পারবেন না।

নির্বাচনে বিজয়ী হতে প্রয়োজন হবে ১৭৫ ভোট। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ না থাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিজয় প্রায় নিশ্চিত। তিনি নির্বাচিত হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হবেন।

সংসদ সদস্য হওয়ায় রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেও ভোট দিতে পারবেন। তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে তার সংসদ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হবে। একই সঙ্গে মন্ত্রী পদ থেকেও তার পদত্যাগ হবে।

অন্যদিকে সংসদ সদস্য না হওয়ায় ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ ভোট দিতে পারবেন না।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সংসদ কক্ষে চারটি ব্যালট বাক্স রাখা হয়েছে। সংসদ সদস্যরা প্রকাশ্যে ভোট দেবেন। ব্যালটে ভোটারের নাম এবং তিনি কোন প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন, তা উল্লেখ থাকবে।

ভোটগ্রহণের আগে সংসদ কক্ষে স্পিকারের আসনের সামনে নির্ধারিত স্থানে বসেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনাররা, নির্বাচন কমিশন সচিব ও সংসদ সচিবালয়ের সচিব। সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে বসে ভোট দিচ্ছেন। নির্বাচনে সহায়তার জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে ২০ জন কর্মকর্তার তালিকাও সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হয়।

১৯৯১ সালের পর এবারই প্রথম রাষ্ট্রপতি পদে ভোটাভুটি হচ্ছে। এর আগে প্রায় সব নির্বাচনেই ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সর্বশেষ ১৯৯১ সালে ভোটে বিএনপির প্রার্থী আব্দুর রহমান বিশ্বাস রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

এবারের নির্বাচনে বিএনপি জোটের প্রায় ২৫০ জন সংসদ সদস্য ভোটার রয়েছেন। দলীয় সংসদ সদস্য না হওয়ায় আট স্বতন্ত্র এমপি দুই প্রার্থীর যেকোনো একজনকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এরই মধ্যে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে স্বতন্ত্র এমপিদের কাছে ভোট চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে অসুস্থতার কারণে দেশের বাইরে থাকায় ভোট দিতে পারবেন না বলে স্পিকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

ভোটের জন্য সংসদ সদস্যদের দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে সংসদ কক্ষে প্রবেশ করতে হবে। ভোট দেওয়ার সময় সংসদ সচিবালয়ের সরবরাহ করা পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। নিজ আসনে বসার পর সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে নাম ও বিভক্তি নম্বর মুদ্রিত ব্যালট সংগ্রহ করে নির্ধারিত নিয়মে ভোট দিতে হবে।

গত ২৪ জুলাই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এরপর ৬ আগস্ট শূন্য পদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে অভিযোগের সুযোগ নেই: চিফ হুইপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে অভিযোগের সুযোগ নেই: চিফ হুইপ

বিরোধী দলের অভিযোগ প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের চিফ হুইফ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বর্তমান সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী ভোটার তালিকা, তফসিল ঘোষণা, ভোটগ্রহণ এবং শপথ গ্রহণের সকল কাজ পরিচালিত হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিরোধী দলের অভিযোগের সুযোগ নেই।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে তিনি এসব কথা বলেন।

চিফ হুইফ বলেন, আজ দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ সদস্যদের (এমপি) মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ভোটগ্রহণ শেষে বিকেল ৫টার পরপরই সবার উপস্থিতিতে ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

গণমাধ্যমে সম্প্রচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোট শুরু হওয়ার ৫ মিনিট আগে থেকে লাইভ সম্প্রচার শুরু হবে। ভোট চলাকালীন ৩ ঘণ্টা লাইভ বন্ধ থাকলেও পুরো প্রক্রিয়ার ইনট্যাক্ট রেকর্ডিং থাকবে। এরপর ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণার সময় পুনরায় লাইভ করা হবে।

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, আগামীকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে নতুন নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি জানান, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী এখন প্রধান বিচারপতির পরিবর্তে সংসদের স্পিকার (বর্তমানে যিনি ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বে আছেন) রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করাবেন।

প্রার্থীর পদত্যাগ ও অন্যান্য নিয়ম প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী (মির্জা ফখরুল) যদি নির্বাচিত হন, তবে শপথ নেওয়ার সাথে সাথেই তার সংসদ সদস্য পদ এবং মন্ত্রিত্ব স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। এর জন্য আগে থেকে পদত্যাগ করার প্রয়োজন নেই।

তিনি আরও জানান, মির্জা আব্বাস অসুস্থতার কারণে ভোট দিতে আসতে পারবেন না। তবে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি যেহেতু একজন সংসদ সদস্য, তাই তিনিও এই নির্বাচনে ভোট দেবেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ