খুঁজুন
                               
, ,
           

রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি ৮৮ হাজার কোটি টাকা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি ৮৮ হাজার কোটি টাকা

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সংস্থাটির সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, অর্থবছর শেষে মোট রাজস্ব আদায় প্রায় ৪ লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায়ের রেকর্ড হলেও সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকা কম। চলতি অর্থবছরের জন্য সরকারের নির্ধারিত সংশোধিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা।

রাজস্ব প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় রাজস্ব আদায়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধীরগতি এবং বিনিয়োগ স্থবিরতার কারণে লক্ষ্য ও অর্জনের ব্যবধান এখনও বড় রয়ে গেছে।

রাজস্ব আদায়ের গতি বাড়াতে এনবিআর ইতোমধ্যে আয়কর, ভ্যাট এবং শুল্ক বিভাগের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে পৃথক তিনটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে। এসব টাস্কফোর্স করসংক্রান্ত আপিল, ট্রাইব্যুনাল, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি এবং বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি কর ফাঁকি রোধ এবং বকেয়া আদায়ে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) মোট রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে আদায় হয়েছিল ৩ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে অতিরিক্ত আদায় হয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার কোটি টাকা এবং প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।

জুন মাসের প্রথম ২০ দিনেই আদায় হয়েছে ২৯ হাজার ৩১১ কোটি টাকা। ফলে ২০ জুন পর্যন্ত মোট রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৯৫৩ কোটি টাকা, যা ইতোমধ্যে গত অর্থবছরের পুরো বছরের রাজস্ব আদায়কে ছাড়িয়ে গেছে।

তবে রাজস্ব আহরণের এই রেকর্ডের আড়ালে রয়েছে বড় বাস্তবতা। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৪ কোটি টাকা। সেখানে আদায় হয়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা। ফলে মে মাস পর্যন্ত ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৮১ হাজার ৪৪২ কোটি টাকা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজস্ব ঘাটতি কেবল একটি সংখ্যাগত সমস্যা নয়; এটি সরাসরি সরকারের ব্যয় ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন কার্যক্রম এবং ঋণনির্ভরতার ওপর প্রভাব ফেলে। কারণ সরকারের পরিচালন ব্যয়ের বড় অংশ যেমন বেতন-ভাতা, ভর্তুকি ও ঋণের সুদ পরিশোধ কমানোর সুযোগ সীমিত। ফলে রাজস্ব কম হলে উন্নয়ন ব্যয় সংকুচিত করার চাপ তৈরি হয়।

অর্থনীতিবিদদের মতে, রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি সরকারের সামগ্রিক অর্থ ব্যবস্থাপনায় চাপ সৃষ্টি করতে পারে। কারণ জাতীয় বাজেটের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি অর্থ আসে এনবিআরের মাধ্যমে সংগৃহীত রাজস্ব থেকে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, দেশি-বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যয় বাজেটের বাধ্যতামূলক খাত হওয়ায় এসব ব্যয় কমানোর সুযোগ খুবই সীমিত।

ফলে রাজস্ব ঘাটতির প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে উন্নয়ন খাতে। অর্থসংকট দেখা দিলে সাধারণত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে ব্যয় সংকোচনের পথ বেছে নেয় সরকার। চলতি অর্থবছরে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকার এডিপি বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। রাজস্ব ঘাটতি অব্যাহত থাকলে উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ, বাস্তবায়ন গতি এবং নতুন প্রকল্প অনুমোদনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, বাস্তব অর্থনৈতিক সক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত উচ্চ রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের প্রবণতা থেকে সরকার এখনও বের হতে পারেনি। তার মতে, করদাতার সংখ্যা বাড়ানো, কর ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং কর প্রশাসনে সংস্কার ছাড়া টেকসইভাবে রাজস্ব বাড়ানো সম্ভব নয়।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেনও একই ধরনের মত দিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অনেক কম। রাজস্ব আহরণ বাড়াতে করের আওতা সম্প্রসারণ, ডিজিটাল নজরদারি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার জরুরি।

কালের আলো/এম/এএইচ

নভেম্বরের আগে ইরানে হামলা নয়, : ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৮ পূর্বাহ্ণ
নভেম্বরের আগে ইরানে হামলা নয়, : ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা চলছে দাবি করে আগামী ৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে দেশটিতে হামলা চালানো হবে না বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যুদ্ধ বন্ধ, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে দুই দেশের মতপার্থক্য এখনো রয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে। আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনের আগে ইরানে কোনো হামলা চালানো হবে না বলেও জানান তিনি।

ট্রাম্পের এ বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি করেছে। তবে হামলা না চালানোর ঘোষণার অর্থ যুদ্ধের স্থায়ী অবসান নয়। দুই দেশের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা হয়েছে—এমন কোনো তথ্যও তাঁর বক্তব্যে পাওয়া যায়নি।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলার পর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধ ট্রাম্পের অভ্যন্তরীণ জনপ্রিয়তায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে বিভিন্ন জরিপে উঠে এসেছে। একই সঙ্গে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার চেষ্টায় থাকা রিপাবলিকানদের জন্যও পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

রয়টার্স-ইপসোসের সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, ইরান পরিস্থিতি মোকাবিলায় ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে ৬০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক অসন্তুষ্ট। এমনকি প্রতি চারজন রিপাবলিকানের একজনও তাঁর পদক্ষেপের বিরোধিতা করছেন বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ট্রাম্প বারবার বলেছেন, নির্বাচন শেষ হওয়ার পর তেলের দাম কমে আসবে। তবে যুদ্ধ থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসা হবে, সে বিষয়ে তিনি এখনো বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ করেননি।

যুদ্ধ বন্ধ করা এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরস্পরের কাছে বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছে। তবে তেহরানের সর্বশেষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দেশটির পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধানের বরাতে জানিয়েছে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করবে না তেহরান। একই সঙ্গে নিজেদের ইউরেনিয়ামের মজুতও অন্য কোনো পক্ষের কাছে হস্তান্তর করবে না বলে জানিয়েছে দেশটি।

এর কয়েক দিন আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স রয়টার্সকে বলেছিলেন, যুদ্ধ বন্ধ করতে হলে ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা অর্থবহভাবে কমাতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও তাদের পশ্চিমা মিত্ররা দীর্ঘদিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করার অভিযোগ করে আসছে। তবে তেহরান বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

নভেম্বরের নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা না চালানোর বিষয়ে ট্রাম্পের ঘোষণা সংঘাতের পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে নতুন আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে। তবে যুদ্ধ বন্ধের চূড়ান্ত সমঝোতা, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি—এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রগতি না হলে সংকটের স্থায়ী সমাধান অনিশ্চিতই থেকে যাবে।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে উজবেকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৭ মেয়েরা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৯ পূর্বাহ্ণ
রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে উজবেকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৭ মেয়েরা

যোগ করা সময়ের গোলে স্বাগতিক উজবেকিস্তানকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৭ নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল করেছে বাংলাদেশ। তাসখন্দে বৃহস্পতিবারের ম্যাচে শেষ মুহূর্তে রুনা আক্তারের গোলে রোমাঞ্চকর জয় তুলে নেয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

দোস্তলিক স্টেডিয়ামের অনুশীলন মাঠে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে সাইফুল বারী টিটুর দল। এর ফলও আসে দ্রুত। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে ফাতেমা আক্তারের বাড়ানো পাস থেকে বল পেয়ে ডান প্রান্তের পূর্ণিমা মারমা উজবেক গোলরক্ষককে পরাস্ত করে চিপ শটে বল জালে পাঠান। তাতে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।

তবে বেশিক্ষণ লিড ধরে রাখতে পারেনি সফরকারীরা। ১৭ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুল পাস থেকে বল পেয়ে গোল করেন উজবেকিস্তানের লারাঙ্গিজ লাকায়েভা। এতে ১-১ গোলে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা।

বিরতির পর দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে গোলের চেষ্টা চালায়। ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে আলপি আক্তার ভালো সুযোগ তৈরি করলেও উজবেক গোলরক্ষক তা আটকে দেন। ম্যাচের শেষ দিকে স্বাগতিকরা চাপ বাড়ালেও বাংলাদেশের রক্ষণভাগ দৃঢ়তা দেখায়।

নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে যখন ম্যাচটি ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই আসে বাংলাদেশের জয়সূচক গোল। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে, অর্থাৎ ৯০+৩ মিনিটে, সুরভী রানির থ্রু পাস ধরে উজবেকিস্তানের বক্সে ঢুকে নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান রুনা আক্তার। তার গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

এই হারে বাছাইপর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে উজবেকিস্তান। এর আগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ফিলিপাইনের কাছে ৪-০ গোলে হেরেছিল দলটি।

আগামী বছর চীনে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা পেতে বাছাইপর্বের আটটি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হতে হবে দলগুলোকে। ‘এইচ’ গ্রুপে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রতিপক্ষ ফিলিপাইন। আগামী রোববারের ম্যাচে জয় পেলেই মূল পর্বের টিকিট নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের মেয়েদের।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন ব্যারিস্টার গিয়াসউদ্দিন রিমন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১২ পূর্বাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন ব্যারিস্টার গিয়াসউদ্দিন রিমন

সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন ব্যারিস্টার গিয়াসউদ্দিন রিমন। তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বসংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে কাজ করবেন।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তাকে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা প্রধানমন্ত্রীর সন্তুষ্টি সাপেক্ষে—যেটি আগে ঘটে—সে পর্যন্ত তার এ নিয়োগ কার্যকর থাকবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব আল-বশিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত আদেশে আরও বলা হয়েছে, নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি